স্কিন
বরিশালে বিশ্বমানের স্কিন কেয়ার সেবা নিয়ে আসছে বায়োজিন
বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস দেশজুড়ে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার সেবা ও অথেনটিক ডার্মো কসমেটিকসের সুবিধা প্রদান ও প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এবার বরিশাল শহরে তাদের নতুন শাখা উদ্বোধন করতে যাচ্ছে।
আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বরিশাল শহরের বিবির পুকুরপাড়স্থ এল.এল. টাওয়ারে (১১৯ সদর রোড, লেভেল ৪) নতুন এ শাখার উদ্বোধন উপলক্ষ্যে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়াও বায়োজিনের ১৭তম শাখার উদ্বোধন উপলক্ষ্যে তারা সীমিত সময়ের জন্য সকল ট্রিটমেন্টে ফ্ল্যাট ৫০% ছাড়, অথেনটিক ডার্মো কসমেটিকসে ফ্ল্যাট ৩০% ছাড় এবং সম্পূর্ণ ফ্রি ডক্টর কনসালটেশন ও নিউট্রিশনিস্ট কাউন্সেলিংও দিবে।
বায়োজিন জানায়, বরিশালবাসিকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সকল বয়সের ত্বকের যত্নের চিকিৎসাসহ বিশ্বমানের নানা ব্রান্ডের প্রোডাক্টসের বিশাল সংগ্রহ নিয়ে আসছে তারা।
তারা জানায়, বিশ্বমানের প্রোডাক্টসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অথেনটিক ডার্মো কসমেটিকস, নিরাপদ ও কার্যকরী বিউটি সাপ্লিমেন্টস, স্মার্ট লাইফ স্টাইল প্রোডাক্টস এবং শিশুদের ত্বকের যত্নে ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ড ‘বেবেল’-এর বেবি কেয়ার প্রোডাক্ট থাকবে। এছাড়াও অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক ট্রিটমেন্ট ও ডার্মো কসমেটিকস বাছাইয়ের সুযোগ তো থাকছেই।
আরও পড়ুন: বন্ধ হচ্ছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড
ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যার আধুনিক সমাধান দিতে, বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার ট্রিটমেন্ট ও অথেনটিক ডার্মো কসমেটিকসের সমন্বয়ে বায়োজিন বরাবরের মতোই গ্রাহকদের দিচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ সেবা।
দেশজুড়ে স্কিন ও হেয়ার কেয়ার সেবায় নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। এই পথচলায় নতুন এক মাইলফলক যুক্ত করতে বরিশালে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বায়োজিনের ১৭তম শাখা।
৪৫ দিন আগে
জেনে নিন ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমের ক্ষতিকর দিকগুলো!
সৌন্দর্যের প্রতি জন্মগত আকর্ষণের জন্য হরহামেশাই আপনি ফর্সা হওয়ার ক্রিম ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েন। যেকোনও পার্টিতে যাওয়ার পূর্বে সবার নিকট নিজেকে দর্শনীয় করার জন্য নির্ভর করেন বাজারের ফেয়ারনেস ক্রিমগুলোর ওপর।
কিন্তু এ ধরনের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম সাময়িকভাবে ফর্সা ভাব দিলেও আপনার ত্বকের জন্য এগুলো খুবই ক্ষতিকর। আপনি প্রায়ই বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে দ্রুত রং ফর্সা করার লোভনীয় অফার দেখে থাকবেন। এগুলো কোনটাই দীর্ঘ মেয়াদী নয়। ত্বক বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই এই সাবধানবাণী দিয়ে আসছেন।
বাংলাদেশে বিশেষ করে কোরিয়ান সৌন্দর্য বর্ধক পণ্যগুলোর অনেক চাহিদা। মনে রাখতে হবে, কোরিয়ান পণ্য মানেই কিন্তু ভালো পণ্য নয়। চলুন, এ ধরনের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহারে কি কি ক্ষতি হতে পারে তা জেনে নেয়া যাক।
ফর্সা হওয়ার ক্রিম ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো
লালচে ফুস্কুড়ি
এর আরেক নাম রোসেসিয়া, যা আপনার মুখে লালচে ফুস্কুড়ি সৃষ্টি করে এবং চামড়ার ভেতরের রক্তনালীকে দৃশ্যমান করে তোলে। আপনার ত্বক যদি হাল্কা হয়ে থাকে আর সেই ত্বকে আপনি নিয়মিত ক্রিম ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি এই সমস্যার সম্মুখীন হবেন।
ত্বকের রং হারিয়ে ফেলা
এটি ক্রিম ব্যবহারের সবচেয়ে ক্ষতিকর দিকগুলোর মধ্যে একটি। এর ফলে আপনার শুধু ত্বক-ই নয়, ধীরে ধীরে সমস্ত শরীর ফ্যাকাসে হয়ে যেতে শুরু করবে। চূড়ান্ত অবস্থায় এটি স্কিন ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যায়।
চুলকানি
ঘন ঘন ক্রিম ব্যবহার আপনার ত্বকে প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি হওয়া তেল শুষে নেয়। ফলে ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক। আর চুলকানি মাত্রা ছাড়ায় এই শুষ্ক ত্বকেই। আপনার সংবেদনশীল ত্বককে চুলকানির মাধ্যমে স্থায়ী ভাবে নষ্ট করার জন্য একটি ক্রিম-ই যথেষ্ঠ।
ব্রণ
‘আপনার ব্রণের দাগ দূর করবে’ আপনি হয়ত ক্রিমের গায়ে এই কথাটি দেখেই কিনে ফেলছেন। কিন্তু এই ধরনের ক্রিমগুলোতে থাকে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। এগুলো প্রতিদিন ব্যবহারে আপনার ব্রণের কালচে দাগ দূর করবে না। বরং পরবর্তীতে যখন আপনি ব্রণের চিকিৎসার জন্য কোনো ওষুধ ব্যবহার করবেন, তখন সেগুলোর কার্যকারিতা কমিয়ে দিবে।
আরও পড়ুন: সুস্থ থাকতে কলা নয়, খোসা খান
রোদে জ্বালা পোড়া
অতিরিক্ত মাত্রায় ফর্সা হওয়ার ক্রিম ব্যবহারে আপনার ত্বক হয়ে যায় পাতলা। আর পাতলা ত্বক সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি দ্বারা তুলনামুলকভাবে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অতঃপর এর প্রভাবে খুব কম বয়সেই মুখে বলিরেখা পড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে স্কিন ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
ত্বকে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
মুখে ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহারের ফলে ত্বকের উপরই যে শুধু আলাদা একটা স্তর পড়ে- তা নয়। বরং তা আপনার ত্বকের রোগ প্রতিরোধী কোষগুলোর স্বাভাবিক ক্ষমতাও নষ্ট করে দেয়। ফলশ্রুতিতে আপনার ত্বক অরক্ষিত হয়ে পড়ে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গালের কাছে।
কিডনী এবং স্নায়ুজনিত জটিলতা
বাজারে আপনি যে ফেয়ারনেস ক্রিমগুলো পাচ্ছেন তার অধিকাংশগুলোতেই অধিক মাত্রায় থাকে পারদ। আর এই পারদ আপনার কিডনী নষ্ট করে দেয়ার পাশাপাশি স্নায়ুজনিত নানাবিধ সমস্যার জন্য দায়ী।
আরও পড়ুন: সুস্থ থাকতে কলা নয়, খোসা খান
১৪০৫ দিন আগে