শার্শা
শার্শায় গোয়ালঘর থেকে ৩টি ককটেল উদ্ধার
যশোরের শার্শায় গোয়ালঘর থেকে তিনটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে একটি বসতবাড়ির গোয়ালঘর থেকে এসব ককটেল উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গতকাল (রবিবার) খামারপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর বাড়িতে গোয়ালঘরে একটি সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে তিনটি ককটেল দেখতে পান ওই বাড়ির লোকজন। পরে তারা গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়িকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলগুলো উদ্ধার করে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, খবর পাওয়ামাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেল তিনটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
৪ দিন আগে
শার্শায় ৪২ বছরেও ভবন পায়নি পাঁচভুলাট মাদরাসা: বৃষ্টি এলেই বাজে ছুটির ঘণ্টা
যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের পাঁচভুলাট গ্রামে অবস্থিত ‘পাঁচভুলাট দাখিল মাদরাসা’। খুলনা বিভাগে দাখিল পরীক্ষায় ফলাফলের দিক থেকে ঈর্ষণীয় সাফল্য ধরে রাখলেও দীর্ঘ ৪২ বছরেও মাদরাসাটির ভাগ্যে জোটেনি কোনো সরকারি ভবন। অবকাঠামোগত চরম সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।
জরাজীর্ণ টিনশেডেই ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান
সরেজমিনে দেখা গেছে, মাদরাসার টিনশেড ঘর দুটির জরাজীর্ণ দশা। টিনের চালে শত শত ছিদ্র, নেই দরজা-জানালাও।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টি হলেই টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষ সয়লাব হয়ে যায়। ফলে বৃষ্টি নামলেই শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ও পোশাক ভিজে যাওয়ার ভয়ে দপ্তরি ছুটির ঘণ্টা বাজিয়ে দিতে বাধ্য হন।
অন্যদিকে, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে টিনশেড ঘরে অবস্থান করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের ভোরেই ক্লাস নিতে হয়। এভাবেই দীর্ঘ বছর ধরে ঝুঁকি ও কষ্ট সহ্য করে লেখাপড়া করছে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী।
সাফল্যে শীর্ষে, সুযোগ-সুবিধায় শূন্য
১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদরাসাটি তিন যুগ আগে এমপিওভুক্ত হয়। মাদরাসাটিতে ২৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৯ জন। ইতোমধ্যে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন করা হয়েছে।
শ্রেণিকক্ষ সংকটের পাশাপাশি শিক্ষকদের বসার জায়গাটুকুও নেই। এলাকাবাসীর চাঁদায় নির্মিত একটি ছোট্ট হলুদ ঘরে শুধু জরুরি নথিপত্র রাখা হয়। অধিকাংশ শিক্ষক বারান্দায় বিছানা পেতে বসেন।
বর্তমানে এবতেদায়ী থেকে দাখিল পর্যন্ত এখানে মোট ৫৯২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে এবতেদায়ীতে ১৬২ জন এবং দাখিলে ৩৫০ জন।
প্রতি বছর এই মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন এবং অনেকেই কর্মজীবনে সফলতার পরিচয় দিচ্ছেন। অথচ এই সাফল্যও প্রতিষ্ঠানটির ভাগ্যে একটি পাকা ভবন এনে দিতে পারেনি।
শিক্ষার্থীদের আকুতি
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসলিমা খাতুন জানায়, গরমের সময় মাদরাসার পুরাতন টিনশেডে ক্লাস করা যায় না। আমাদের অনেক বান্ধবী গরমে জ্ঞান হারিয়ে ফেলার মতো ঘটনা অনেকবার ঘটেছে।
আলিম ও দাখিলের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন ও হাসনাইন বলেন, ঘরগুলোর দরজা-জানালা নেই। টিনের চাল ফুটো হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি হলে পানি পড়ে। কখন ঘরগুলো বাতাসে ভেঙে পড়ে, তা নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। এমন কষ্ট নিয়ে বছরের পর বছর পড়াশোনা করছি আমরা।
দুর্ভোগের কথা জানিয়ে সপ্তম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হোসনে আরা ও ফাতেমা আক্তার আক্ষেপ করে বলে, শ্রেণিকক্ষের একেবারে বেহাল অবস্থা। টিনের চালগুলো জরাজীর্ণ। ঘরের বেড়া নেই। বৃষ্টি হলে বই-খাতা ভিজে যায়; তখন শ্রেণিকক্ষে থাকা যায় না। আমাদের পড়ালেখায় সমস্যা হয়। তবু আশপাশে বড় মাদরাসা না থাকায় এখানে পড়াশোনা করতে হচ্ছে।
মাদরাসায় একটি পাকা ভবনের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ জানায় শিক্ষার্থীরা।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য
মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আইয়ুব আলী বলেন, আমাদের কোনো ভবন নেই, শিক্ষকদের বসার জায়গা নেই। একটি ছোট রুমে ১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে কষ্ট করে বসতে হয়। অনেক শিক্ষক বারান্দায় বিছানা পেতে বসেন।
তিনি বলেন, বর্ষাকালে প্রবল আতঙ্কে থাকতে হয়। আকাশে মেঘ দেখলেই ঝড়বৃষ্টির ভয়ে মাদরাসা ছুটি দিতে হয় বাধ্য হয়ে। অভিভাবকরা এখন আর সন্তানদের এই অবস্থায় এখানে পাঠাতে চান না। নতুন ভবনের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে বারবার আবেদন করেও কোনো ফল পাননি বলে অভিযোগ করেন এই শিক্ষক।
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার নূরুজ্জামান বলেন, উপজেলার প্রতিটি মাদরাসায় পর্যায়ক্রমে পাকা ভবন হবে। বর্তমানে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে নতুন ভবন নির্মাণের কোন ঘোষণা আসেনি। ওই মাদরাসা ভবনের জন্য আবেদন করা থাকলে নতুন পাকা একটি ভবন সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে পাস হবে। তখন ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদও পরিস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মাদরাসাটির টিনশেড ঘরটি বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।
১৩৬ দিন আগে
শার্শায় প্রেম-বিয়ের পর যুবক নিখোঁজ: এক মাস পর মিলল মরদেহ
যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে প্রেমের সূত্র ধরে বিয়ের পর ইকরামুল কবির (২৬) নামে এক যুবক নিখোঁজ ছিল। তবে এক মাস পর মরদেহ উদ্ধার করে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় অভিযুক্তদের বাড়ির গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত ইকরামুল কবির উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বসতপুর পূর্বপাড়া এলাকার আল ফুয়াদের স্ত্রী মুন্নী আক্তারের (২২) সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ইকরামুল কবিরের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। গত ৮ এপ্রিল ইকরামুল মুন্নীর কাছে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকেই তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।
এ নিয়ে গত মঙ্গলবার যশোরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শার্শা আমলি আদালতে মামলা করেন ইকরামুলের বাবা আব্দুর রশিদ। মামলায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার একমাত্র ছেলে ইকরামুল কবিরকে দীর্ঘদিন ধরে মুন্নী প্রেমের প্রস্তাব ও বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে আসছিলেন। ইকরামুলকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। এতে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁদে ফেলে জোরপূর্বক কাজী অফিসে নিয়ে বিয়ে করেন। মুন্নী অতীতেও একাধিক যুবককে একইভাবে বিয়ে করে তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে পরে ডিভোর্স দেন। বিয়ের এক মাসের মধ্যেই ইকরামুলের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। একইসঙ্গে ইকরামুল ও তার পরিবারের কাছে দুই বিঘা জমি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ ও হুমকি দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৮ এপ্রিল ইকরামুল নিজ গ্রাম থেকে বড় বোনের বাড়ি শার্শা থানার সেতাই গ্রামে বেড়াতে যান। রাত ১টার দিকে মুন্নী তাকে ডেকে নিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। একইসঙ্গে হুমকি দেওয়া হয়, টাকা না দিলে ইকরামুলকে জীবিত পাওয়া যাবে না। এরপর থেকেই ইকরামুলের ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায় বলে অভিযোগ করা হয়।
বাদী অভিযোগ করেন, ছেলের খোঁজ জানতে চাইলে মুন্নী বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ইকরামুলকে জীবিত ফেরত পেতে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে মুন্নীর স্বামী আল ফুয়াদকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যায় বসতপুর গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে ইকরামুলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত আল ফুয়াদ ও তার স্ত্রী মুন্নীকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সূত্র ধরে মুন্নীকে টাকা ধার দেন ইকরামুল। ওই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে তাকে শ্বাসরোধে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে মরদেহ গুম করে দেওয়া হয়েছিল। গোয়ালঘরের মেঝে খুঁড়ে সেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শত শত লোক অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে ভিড় জমান। দীর্ঘ এক মাস পর মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় লোকজন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৩৭ দিন আগে
যশোরে নামাজ পড়ে ফেরার পথে পল্লিচিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা
যশোরের শার্শা উপজেলায় নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক পল্লিচিকিৎসক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বারিপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিন শার্শা নাভারন এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ওই এলাকায় পল্লিচিকিৎসক হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে নামাজ আদায় শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আল আমিন। পথে একদল লোক তার ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আলামত সংগ্রহ শুরু করে।
শার্শা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
২১৬ দিন আগে
শার্শায় সরকারি চালের বস্তা ছিনতাই, বিএনপির ২ কর্মী গ্রেপ্তার
যশোরের শার্শার উলাশী ইউনিয়নে দুস্থ নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চালের বস্তা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বিএনপির দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২ আগস্ট) বিকালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- শার্শার ধলদাহ গ্রামের রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে মিজানুর বিশ্বাস ও মোসলেম বিশ্বাসের ছেলে লাল্টু বিশ্বাস। তারা ওই এলাকার বিএনপির কর্মী।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার রামপুর ধলদা গ্রামের মোড়ে চালের বস্তা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। তারা শার্শা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আমিনুর রহমানের অনুসারী বলে জানা গেছে।
শার্শার উলাশী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সমবায় কর্মকর্তা আব্দুর রাশেদ জানান, উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের ধলদা মোড়ে ভিডব্লিউভি তালিকাভুক্ত প্রত্যেক নারী সদস্যকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তিন বস্তা করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। নারীরা নিজ দায়িত্বে ভ্যান করে চাল বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ধলদা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ইয়ানুর, রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে মিজানুর বিশ্বাস, সুরত আলীর ছেলে মশিয়ার এবং আতিয়ার বিশ্বাসের ছেলে রফিকুল ভ্যান থামিয়ে তিন বস্তা করে চাল ছিনিয়ে নেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নাজমুল হোসেন বাদী হয়ে শার্শা থানায় মামলা করেন।
এব্যপারে শার্শা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আমিনুর রহমান বলেন, অভিযুক্তরা কেউ আমার লোক নয়। কেবল বিএনপি পরিবারের সদস্য। তাদের দলে কোনো পদও নেই। চাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ শোনার পর শুক্রবার সকালে গ্রামে দলের সভা ডাকা হয়। পরে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরিউল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত চাল নারীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।
৪১৮ দিন আগে
শার্শায় বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩
যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে বোমা হামলা, দোকান ভাঙচুর ও কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন তিনজন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাগআঁচড়া বাজারে ময়ূরী সিনেমা হলের সামনে দু’দফায় সংঘর্ষ হয়।
প্রতাক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তির অনুসারী বাগআঁচড়ার ইসমাইলের ছেলে যুবদলের বহিষ্কৃত কর্মী মাসুদ ও সাতমাইল এলাকার কপিল উদ্দীনের ছেলে যুবদল কর্মী বাবর আলীর মধ্যে বিরোধ চলছিল।
মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে এই বিরোধ চলছিল। এর জেরে মাসুদের নেতৃত্বে বাবুকে বাগআঁচড়া বাজারে মারপিট করা হয়।
পরে বাবুর পক্ষের নেতাকর্মীরা খবর পেয়ে রাত ১২টার দিকে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ময়ূরী সিনেমা হলের সামনে এসে মাসুদের বাবা ইসমাইলের দোকান ভাঙচুর করে। কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায়।
ওই ঘটনার সূত্র ধরে আজ শুক্রবার সকালে আবারও মোটরসাইকেল বহর নিয়ে মাসুদের বাড়িতে হামলা চালায় তারা।
এসময় তারা কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় এবং চাইনিজ কুড়াল দিয়ে দুটি মোটরসাইকেল কুপিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বাবু জানান, বুধবার রাতে মাসুদ তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাকে মারধর করে ২০ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে ঘটনাটি তাদের নেতাকর্মীদের জানালে তারা মাসুদের বাড়ির সামনে গিয়েছিলেন রাতে ও সকালে তারা (মাসুদেরা) নিজেরা বোমা মেরে ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তাদেরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
মাসুদ জানায়, বাবুর পক্ষের নেতাকর্মীরা রাত ১২টার দিকে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ময়ূরী সিনেমা হলের সামনে এসে আমার বাবা ইসমাইলের দোকান ভাঙচুর করেছে। কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির আব্বাস জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কোনো অভিযোগ বা মামলা হলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
৬৩৭ দিন আগে
ইজারা ছাড়াই চলছে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুর হাট
ইজারা ছাড়াই চলছে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুর হাট। যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ার সাতমাইলের এই হাটে লাখ লাখ টাকা আয় হলেও সামান্য কিছু টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎ করছে স্থানীয় একটি গোষ্ঠী। প্রশাসন বিষয়টি জেনেও না জানার ভান করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন জানান, হাটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল বাগআঁচড়ার সাতমাইল পশুর হাটের ইজারা শেষ হয়। এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ ইজারাবিহীনভাবে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হাটটি চালাতেন বাগআঁচড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস কবির বকুল ও কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ টিংকু।
তাদের কাছ থেকে ব্যাপারীরা ৩ হাজার টাকা দিয়ে কার্ড নিলেও গরুপ্রতি অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে আদায় করতেন তারা। সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে গরুপ্রতি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা আদায় করা হত। গরুর হাট ইজারা না হওয়ায় সরকারি পাস মূল্য ছিল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা।
গত ৫ আগস্ট সাবেক সরকারের পতনের পর ওইসব নেতা-কর্মী গা ঢাকা দেয়। পরে ছাত্রজনতাকে সঙ্গে নিয়ে পশু হাটটি দুইদিন পরিচালনা করে শার্শা উপজেলা প্রশাসন।
আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি বকুল ও টিংকুর কাছ থেকে করা ব্যাপারী কার্ডের কোনো সুবিধা পায়নি কার্ডধারীরা। হাটে কার্ডধারী ব্যাপারী ও সাধারণ ক্রেতাদের একই মূল্যে প্রতিটি গরুর পাস শুরু হলে ক্ষুব্ধ হয় কার্ডধারী ব্যাপারীরা। তারা আন্দোলন শুরু করলে আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় গত ২০ আগস্ট হাটটি বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। আবার মাসখানেক পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর ফের চালু হয় হাটটি।
সূত্র জানায়, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর হাটের অলিখিত দায়িত্ব পান স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর ৫টি হাট পেয়েছেন।
এই হাটে সপ্তাহে দুইদিন মঙ্গল ও শনিবার হাট বসে।
বাংলা ১৪২৮ সালে সাত মাইল পশুর হাটের ইজারা ডাক ছিল সাড়ে ৮ কোটি টাকা, ১৪২৯ সালে সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ও ১৪৩০ সালে এ হাটের ডাক ছিল সাড়ে ১০ কোটি টাকা।
নতুন বছর ১৪৩১ সালে এ হাটের কোনো ডাক বা ইজারা হয়নি। আগের ইজারাদাররা সরকারি আইন অমান্য করে হাটের খাজনা আদায় করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে গা ঢাকা দিয়েছে।
সূত্র মতে, প্রতি হাটে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা আয় হয়। কিন্তু সরকারিখাতে জমা হয় ৯০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
সাতমাইলের হাট নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল যশোরের জেলা প্রশাসককে লিখিত আবেদন জানান বাগআঁচড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল খালেক।
আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ৯ এপ্রিল শার্শা উপজেলা অফিসার এই হাটের খাস আদায়ে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেন। বাগআঁচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে কমিটির সভাপতি করা হলেও ইলিয়াস কবির বকুল ও হাসান ফিরোজ টিংকু ওই কমিটির কোনো সদস্যকে হাটে প্রবেশ করতে দেননি। তারা ইচ্ছেমতো সরকার নির্ধারিত গরু প্রতি ১৫০ টাকা ফির স্থলে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করতেন। ফলে গত ১৬ এপ্রিল সেখান থেকে আয় হয় ১২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। কিন্তু সরকারি কোষাগারে জমা করা হয় মাত্র ২ লাখ টাকা। তেমনই ২০ এপ্রিল আয় হয় ৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা এবং সরকারি কোষাগারে জমা হয় ২ লাখ টাকা। এখানে হাট আদায়ের ৫ শতাংশ ইউনিয়ন পরিষদ এবং ১৫ শতাংশ পশু হাট উন্নয়নে ব্যয় করা হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, কতিপয় সন্ত্রাসী অবৈধভাবে হাট থেকে টাকা উত্তোলন করে ভোগদখল করছে এবং সরকার বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হারাচ্ছে।
সূত্র জানায়, সেপ্টেম্বর মাসের দুই হাটে (৭ ও ১০ তারিখে) যথাক্রমে খাজনা আদায় হয় ৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং ৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এরমধ্যে যথাক্রমে ৮৫ হাজার ও ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, হাটে যে অংকের টাকার কথা বলা হচ্ছে, আসলে আয় হচ্ছে তার চেয়ে কম। কত টাকা গড়ে আয় হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি টাকার অংক বলতে চাননি। কত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন- সেই বিষয়টিও বলতে চাননি তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘ভাই-ব্রাদাররা করে-কম্মে খাচ্ছে, আপনি আমাদের সহযোগিতা করুন।’
শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডা. কাজী নাজিব হাসান বলেন, ‘আমি মাসখানেক হলো শার্শায় দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। বিষয়টি আমিও অবগত। এ বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে জানতে আমি ইতোমধ্যে যশোরের জেলা প্রশাসক মহোদয়কে লিখেছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয় যে নির্দেশনা দেবেন, সেভাবেই কাজ সম্পাদন করা হবে।’
৭১৫ দিন আগে
শার্শায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রবাসী যুবকের মৃত্যু
যশোরের শার্শায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাবিবুর রহমান হাবিব নামে প্রবাসী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল ৭টায় উপজেলার শার্শা ইউনিয়নের চটকাপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হাবিবুর (৩০) একই ইউনিয়নের চটকাপোতা গ্রামের জিহাদ আলীর ছোট ছেলে। গত ৪ মাস আগে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নৌকার মাঝি নিহত
স্থানীয়রা জানান, হাবিবুর সকালে মাঠে মাছের ঘেরের সেচ দিতে গিয়ে সেচ পাম্পের পাইপের মুখে তার বাঁধার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় তার স্ত্রীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ জনের মৃত্যু, আহত ৩০
৮০৭ দিন আগে
যশোরে বাসচাপায় পল্লি চিকিৎসকের মৃত্যু
যশোরের শার্শায় বাসচাপায় আলমগীর হোসেন (৪২) নামে এক পল্লি চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের বাগুড়ি মুড়ির মিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে বাসচাপায় দম্পতি নিহত
নিহত আলমগীর হোসেন কলারোয়া উপজেলার কিসমত ইলিশপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল করে বাড়ি ফেরার পথে বাগুড়ি মুড়ির মিলে পৌঁছালে যশোরগামী একটি বাসচাপায় ঘটনাস্থলে আলমগীরের মৃত্যু হয়।
নাভারন হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়ন্ত কুমার দাস বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। বাসের চালক পলাতক। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় যাত্রীবাহী বাসচাপায় নারীসহ নিহত ২
ফরিদপুরে বাসচাপায় ইজিবাইকের ২ যাত্রী নিহত, আহত ৯
৮১১ দিন আগে
শার্শা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আহত
যশোরের শার্শায় বিএসএফের গুলিতে শামীম হোসেন (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন।
সোমবার (১ জুলাই) দুপুরের দিকে গোগা বিজিবি ক্যাম্পের অধীনে হরিশচন্দ্রপুর সীমান্তে সোনাই নদীর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শামীম গোগা ইউনিয়নের হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে।
আরও পড়ুন: শার্শা সীমান্তে ৪ কেজি স্বর্ণ জব্দ, আটক ২
শার্শা সীমান্তে স্বর্ণেরবার পাচারকালে যুবক গ্রেপ্তার
স্থানীয়রা জানান, গতকাল দুপুরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের সোনাই নদী পার হয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করে শামীম। সেসময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে বিএসএফ সদস্যরা।
গুলিতে আহত হয়ে শামীম অজ্ঞাত স্থানে গোপনে চিকিৎসা নেন বলে জানান স্থানীয়রা।
গোগার হরিশ্চন্দ্রপুর ইউপি সদস্য বাবুল হোসেন বলেন, বিএসএফের গুলিতে শামীম আহত হয়েছেন। কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন সঠিকভাবে জানা যায়নি।
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল খুরশিদ আনোয়ার বলেন, বিএসএফের গুলিতে শামীম নামে এক যুবক আহত হয়েছে। বিজিবির একটি টিম তার বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
বাড়িতে কেউ না থাকায় তিনি কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তা জানা যায়নি বলে জানান জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খুরশিদ আনোয়ার।
আরও পড়ুন:
৮১৪ দিন আগে