ব্যাংকিং লেনদেন
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি প্রকাশ
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় সৃষ্ট জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ব্যাংকি লেনদেনের সময় কমানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য নতুন অফিস ও লেনদেন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আগামীকাল রবিবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল রবিবার থেকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন চলবে। তবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস কার্যক্রম চলবে। আর আগের মতোই ব্যাংকে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
অন্যদিকে, সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা, উপশাখা অথবা বুথে আগের মতো ২৪ ঘণ্টাই ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সার্কুলারে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. আবদুল মান্নান বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার অধীনে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ায় ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৫ দিন আগে
ব্যাংকিং লেনদেন সকাল ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত
আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী লকডাউনের বিধিনিষেধের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সর্বশেষ নির্দেশাবলীর সম্মতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক রবিবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করার জন্য বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখতে পারবে।
আরও পড়ুন: লকডাউন: সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ১৩ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনের প্রদত্ত অন্যান্য নির্দেশনাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
এতে বলা হয়, এ সময়ে প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান শাখা বা স্থানীয় কার্যালয় খোলা রাখতে হবে। খোলা রাখতে হবে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী সকল শাখা। সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি দুই কিলোমিটারে একটি শাখা খোলা রাখতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিটি ব্যাংকের একটি শাখা রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার খোলা রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: মোবাইল ব্যাংকিং: সেন্ড মানি ফ্রিসহ সার্ভিস চার্জ কমানোর দাবি
ব্যাংকগুলোকে এ সময় কর্মীদের জন্য পরিবহণ সুবিধা দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ব্যাংকিং লেনদেনের সময় ব্যাংকগুলিকে চেক জমা, অর্থ উত্তোলন ও অর্থ জমা করা, অর্থ স্থানান্তর, রেমিট্যান্স, বিভিন্ন সরঞ্জামের এনক্যাশমেন্ট এবং বিভিন্ন বিল প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন ধরণের পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে।
ব্যাংকগুলোকে লোন বিতরণ, প্রণোদনা, বিভিন্ন শিল্পের বেতন সেবা, রপ্তানি বিল ক্রয়, লোন অনুমোদন ও বিতরণের মতো পরিষেবা চালিয়ে যেতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
আরও পড়ুন: দেশে ঝরে পড়া তরুণ ও বস্তির শিশুদের শিক্ষায় বিশ্বব্যাংকের সহায়তা
গত বছরের ৫ আগস্ট জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারে করোনাকালীন সময়ে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে বন্দর এলাকায় অবস্থিত শাখাগুলো খোলা রাখার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে রোস্টার পদ্ধতির মাধ্যমে সীমিত কর্মী দিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
এছাড়াও আগামী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ১৩ এপ্রিলের নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যার ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনের ব্যাংকিং কার্যক্রম যেহেতু বন্ধ থাকবে সেহেতু এটিএম ও কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন চালুর সুবিধার্থে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ চালু রাখার ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে হবে।
১৭৬৮ দিন আগে