কলম্বিয়া
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৪ হাজারের বেশি
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তবে সময় যত যাচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ততই কমে আসছে।
স্থানীয় সময় সোমবার ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি শহরে ভবন ধসে পড়ে, সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বহু মানুষ হতাহত হন। এ ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত অন্তত ২৬৫ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ।
এই পরিস্থিতিতে নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলারদো দে লা এসপ্রিয়েইয়ার সরকারকে একদিকে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে, অন্যদিকে গৃহহীন হয়ে পড়া হাজারো মানুষের আশয়, খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দিতে নাগরিক সমাজও কাজ করছে।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েইয়া জানান, সোমবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২৬৫ জন নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারি হিসেবে এতে প্রায় ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে বেসামরিকভাবে পরিচালিত ডাটাবেসের হিসেবে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা সংখ্যা ৪ হাজার ১০০ এর বেশি। সব মিলিয়ে এ ভূমিকম্পে ২৫ হাজার ৮০০টির বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
কলম্বিয়ার রাজধানীতে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘নিখোঁজদের উদ্ধারের জন্য আমারা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।’
এদিকে, সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কালি, পেরেইরা, মানিসালেস ও কিবদো শহরে উদ্ধারকর্মীরা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খুঁজছেন।
উদ্ধার ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর মতে, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষকে জীবিত উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে আটকে থাকা মানুষদের কাছে খাবার ও পানি পৌঁছে দিতে পারলে এই সময়ের পরও তাদের জীবিত উদ্ধারের সুযোগ থাকে।
বুধবার বিকেলে কালির মেয়র আলেহান্দ্রো এদের সাংবাদিকদের বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও জীবিত মানুষের উপস্থিতির আলামত পাওয়া যাচ্ছে। তাদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত কাজ করছেন।
তিনি বলেন, ‘এখনও জীবিত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পরবর্তী ২০ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ।’
১৩ দিন আগে
কলম্বিয়ার ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৮১, নিখোঁজ ১৯৫
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ২ হাজার ৫৯৫ জন। সরকারি হিসাবে ভূমিকম্পের পর এখনও অন্তত ১৯৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার।
শক্তিশালী এ ভূমিকম্পের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটির সরকার ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধারে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। এ সময়সীমা দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উদ্ধারকারীরা জীবিতদের সন্ধানে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
এই দুর্যোগ কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলারদো দে লা এসপ্রিয়েইয়া সরকারকে বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। দেশটিতে ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার হিমশিম খাচ্ছে। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় দেশটির নাগরিক সমাজও একযোগে কাজ করছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েইয়া জানান, ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে অন্তত ১৮১ জন নিহত এবং আরও ২ হাজার ৫৯৫ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, এখনও অন্তত ১৯৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে বেসামরিকভাবে পরিচালিত বিভিন্ন ডেটাবেসের হিসেবে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার।
এদিকে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কালি, পেরেইরা, মানিসালেস ও কিবদো শহরে রাতভর ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সময় যত গড়াচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের খুঁজে বের করে উদ্ধারের সম্ভাবনাও তত কঠিন হয়ে পড়ছে।
ত্রাণ সংস্থাগুলোর মতে, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে আটকে পড়াদের কাছে খাবার ও পানি পৌঁছানোর সুযোগ করা গেলে এই সময়সীমা আরও বাড়তে পারে।
এই পরিস্থিতেও ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধারের কিছু ঘটনায় উদ্ধারকারীরা এখনও আশা রাখছেন। একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারকারীরা কংক্রিটের দেওয়ালের সরু ফাঁক দিয়ে একটি শিশুকে বের করে আনেন। শিশুটির পুরো শরীর ধুলোয় ঢাকা ছিল। আরেক স্থানে ধ্বংসস্তূপ আটকে পড়া এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করে স্ট্রেচারে তুলতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা।
১৪ দিন আগে
কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১১১
কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে স্থানীয় সময় সোমবার ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮৭ জন। ভূমিকম্পে দেশটির কালি শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় শত শত ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন।
দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে ধসে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে স্বেচ্ছাসেবীরা সারিবদ্ধভাবে বড় বড় কংক্রিটের টুকরা ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে নিচ্ছেন।
আলভারো লোপেস নামে এক ব্যক্তি নিজের কুকুরকে কোলে নিয়ে উদ্ধারকাজ দেখছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভবনটি পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পাশের ভবনটিও পুরোপুরি ধসে পড়েছে।’
কলম্বিয়ায় উদ্ধারকাজের এই দৃশ্য প্রতিবেশী দেশ ভেনেজুয়েলায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা উদ্ধার তৎপরতার কথা মনে করিয়ে দেয়। দেশটিতে কিছুদিন আগে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক বিপর্যয় নেমে আসে।
কলম্বিয়ার ভূমিকম্পে কালি শহর ছাড়াও দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের পেরেইরা, কিবদো ও মানিসালেসসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশের দেশ ইকুয়েডর ও পানামায়ও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা—ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। সান হোসে দেল পালমার প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জনসংখ্যার একটি জনপদ। চোকো অঞ্চল কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
এমন দুর্যোগ পরিস্থিতিতে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েইয়া জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অন্তত ৮৭ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ১ হাজার ৬০০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৬১টি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে। উদ্ধার ও পুনর্বাসন তৎপরতায় দ্রুত অর্থ বরাদ্দের জন্য তিনি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েইয়া বলেন, ‘আমরা মানুষকে এই পরিস্থিতিতে একা ছেড়ে যাব না। আমরা দৃড় সংকল্প নিয়ে মানুষকে সহায়তা করব।’
কলম্বিয়ায় শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প
দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, সোমবারের এই ভূমিকম্প এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, এটি ২১ শতকে দেশটিতে সংঘটিত হওয়া সব ভূমিকম্পের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এই ভূমিকম্পের পর কয়েকটি পরাঘাতও (আফটার শক) অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলের আশপাশের কলম্বিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলটি ‘রিং অব ফায়ার’ নামে পরিচিত। প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা এই ভূমিকম্পপ্রবণ রেখায় বিশ্বের অধিকাংশ ভূমিকম্প ঘটে থাকে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত চোকো কলম্বিয়ার অন্যতম দরিদ্র অঞ্চল। চোকো অঞ্চলটি ঘন জঙ্গলে ঘেরা। চোকোর বেশিরভাগ এলাকায় নৌকা বা বিমানে যাতায়াত করতে হয়। ফলে সেখানে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র নিরূপণ করা কঠিন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কলম্বিয়র রিসারালদা অঞ্চলে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, ভায়ে দেল কাউকা অঞ্চলে নিহত হয়েছেন ২৭ জন। ভায়ে দেল কাউকা অঞ্চলের কালি শহরে নিহতদের মধ্যে তিনটি শিশুও রয়েছে।
এ ছাড়াও দেশটির চোকো অঞ্চলে ৯ জন, কালদাস অঞ্চলে ২ জন ও আনতিওকিয়া অঞ্চলে ৭৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতদের বাকি ৩২ জনের কোথায় মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গত জুনের শেষ দিকে প্রতিবেশী ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি ভূমিকম্পে শত শত ভবন ধসে পড়ে। এতে ৬ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। এরপর কলম্বিয়ায় নতুন এই ভূমিকম্পে আন্দীয় এই দেশটির মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, সোমবার বিকেলে কলম্বিয়ার বাসিন্দারা নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে তাদের তথ্য ডিজিটাল ডেটাবেসে দিতে শুরু করেছেন। ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের পরও সাধারণ মানুষ একইভাবে নিখোঁজ স্বজনদের তথ্য দিয়েছিলেন। একটি ডেটাবেসে ২ হাজারেরও বেশি মানুষের নাম যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই কালি ও পেরেইরা শহরের বাসিন্দা। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
অপরদিকে, ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা মরিয়া হয়ে নিখোঁজদের সন্ধান চালাচ্ছেন। পেরেইরার এক তরুণী মা ও তার শিশুর ছবি নিয়ে স্বজনরা তাদের খুঁজছেন। এদিকে, কালি শহরের ৮০ বছর বয়সী এক নারীর ছবি নিয়ে তার খোঁজ করছেন স্বজনরা।
১৫ দিন আগে
কলম্বিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত অন্তত ৬৬
উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই কলম্বিয়ায় একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ মার্চ) দেশটির ছোট শহর পুয়ের্তো লেগিসামোতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ১২৮ আরোহী নিয়ে উড্ডয়ন করেছিল ওই বিমানটি।
পুয়ের্তো লেগিসামো আমাজন অঞ্চলের পুতুমায়ো প্রদেশে অবস্থিত, যা ইকুয়েডর ও পেরুর সীমান্তবর্তী এলাকা।
স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, দুর্ঘটনাস্থল থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে এবং সেনাবাহী একটি ট্রাক ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
কলম্বিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল হুগো আলেহান্দ্রো লোপেজ বারেতো জানান, এখনও চারজন সামরিক সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমাদের ৬৬ জন সামরিক সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।
বারেতো বলেন, ‘এটি কোনো অবৈধ সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা ছিল কিনা, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা ইঙ্গিত এই মুহূর্তে নেই।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে সহকারী মেয়র কার্লোস ক্লারোস জানান, নিহতদের মরদেহ শহরটির মর্গে নেওয়া হয়েছে। আহতদের প্রথমে স্থানীয় দুটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে তাদের বড় শহরে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলিতদের সহায়তায় এগিয়ে আসা পুয়ের্তো লেগিসামোর মানুষদের আমি ধন্যবাদ জানাই।’
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেস এক্সে দেওয়া বার্তায় জানান, সোমবার বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি পুতুমায়োর আরেক শহরে সেনা সদস্যদের নিয়ে যাচ্ছিল।
বিমানটিতে মোট ১২৮ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১১৫ জন সেনাসদস্য, ১১ জন ক্রু এবং ২ জন জাতীয় পুলিশের সদস্য। বারেতো জানান, দুর্ঘটনার পর ৫৭ জনকে উদ্ধার করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মোটরসাইকেলে করে আহত সেনাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অন্যরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।
কলম্বিয়ার বিমান বাহিনীর কমান্ডার কার্লোস ফের্নান্দো সিলভা বলেন, দুর্ঘটনার বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি, তবে বিমানটিতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল এবং এটি বিমানবন্দর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে সেটি বিধ্বস্ত হয়।
তিনি আরও জানান, আহতদের রাজধানী বোগোটা ও অন্যান্য স্থানের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ৭৪ শয্যাবিশিষ্ট দুটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামরিক সরঞ্জাম আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতার’ কারণে এই প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং এর জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।
পেত্রোর ভাষ্যে, ‘বেসামরিক বা সামরিক প্রশাসনিক কর্মকর্তারা যদি দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হন, তবে তাদের সরিয়ে দিতে হবে।’
তবে সমালোচকরা দাবি করেছেন, পেত্রো প্রশাসনের অধীনে বাজেট ঘাটতির কারণে সামরিক বিমানগুলোর উড্ডয়ন ঘণ্টা কমে গেছে, যার ফলে ক্রু-দের অভিজ্ঞতার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
কলম্বিয়ার বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ ও সামরিক বিশ্লেষক এরিক সাউমেথ জানান, বিধ্বস্ত হারকিউলিস সি-১৩০ বিমানটি ২০২০ সালে কলম্বিয়াকে অনুদান হিসেবে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তিন বছর পর এতে ‘ওভারহল’ করা হয়, যেখানে ইঞ্জিন পরীক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না, যন্ত্রাংশের ঘাটতির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।’ তবে কেন উড্ডয়নের পরই চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট বিমানটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ল, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী সানচেসও জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি লিখেছেন, ‘এই দুর্ঘটনা দেশের জন্য গভীর বেদনাদায়ক। আমরা আশা করি, আমাদের প্রার্থনা কিছুটা হলেও এই শোক লাঘব করবে।’
১৫৫ দিন আগে
আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে কলম্বিয়ার মধুর প্রতিশোধ
লাতিন আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন, সেইসঙ্গে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নও। তবে ম্যাচজুড়ে নিজেদের ছায়া হয়ে রইল আর্জেন্টিনা। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারের শোধ তুলল কলম্বিয়া।
কলম্বিয়ার এস্তাদিও মেত্রোপলিতানো রবের্তো মেলেন্দেসে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়া।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন ডিফেন্ডার ইয়ের্সন মসকেরা। এরপর বিরতির পরপরই দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান নিকোলাস গন্সালেস। তবে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে জয়সূচক গোলটি করেন হামেস রদ্রিগেস।
এই ম্যাচে একটি করে গোল ও অ্যাসিস্টে সবশেষ ৮ ম্যাচে ১০ গোলে অবদান (৭ অ্যাসিস্ট ও ৩ গোল) রাখলেন ৩৩ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।
আরও পড়ুন: লা লিগায় ফিরলেন হামেস রদ্রিগেস
এর ফলে ১২ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর হারের তেতো স্বাদ পেলেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। সবশেষ তারা হারে গত নভেম্বরে, বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচেই উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে। তার পরের ১২ ম্যাচের মধ্যে ১১টিই জিতেছে আর্জেন্টিনা, ড্র করেছে মাত্র একটি ম্যাচে।
তাছাড়া ২০২৬ বিশ্বকাপের দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইয়ে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় হার এটি।
৭১৪ দিন আগে
লা লিগায় ফিরলেন হামেস রদ্রিগেস
২০২০ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর অনেকটা পর্যটকের মতো ইংল্যান্ড, গ্রিস ও ব্রাজিলে খেলে অবশেষে লা লিগায় ফিরলেন ২০১৪ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটজয়ী কলম্বিয়ান ফুটবলার হামেস রদ্রিগেস।
ফ্রি ট্রান্সফারে স্প্যানিশ ক্লাব রায়ো ভায়েকানোয় যোগ দিয়েছেন তিনি। এক অফিশিয়াল বিবৃতিতে রদ্রিগেসকে দলে টানার কথা জানিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে বিবৃতিতে তার সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
২০১৮ বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর বিশ্বের বড় বড় ক্লাবগুলোর নজরে পড়েন রদ্রিগেস। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ওই টুর্নামেন্টজুড়ে ৬ গোল করে কলম্বিয়াকে বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা দৌড় কোয়ার্টার ফাইনালে তোলেন তিনি। দারুণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ জেতেন গোল্ডেন বুটও। এছাড়া শেষ ষোলোয় উরুগুয়ের বিপক্ষে দারুণ এক ভলিতে করা তার গোলটিই পরে পুসকাস পুরস্কার জিতে নেয়।
এরপরই প্রায় ৮০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে সান্তিয়াগো বের্নাবেউতে নাম লেখান হামেস। এটি ছিল সে সময়কার সর্বোচ্চ দলবদলগুলোর একটি। ২০২০ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে কাটিয়ে তিনি যোগ দেন কার্লো আনচেলত্তির দায়িত্ব নেওয়া ইংলিশ ক্লাব এভারটনে। এর মাঝে অবশ্য ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ধারে বায়ার্ন মিউনিখে খেলেন তিনি।
আরও পড়ুন: ভিনিসিউসের জন্য সৌদির ৫০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফেরাল রিয়াল
এভারটন অধ্যায় শেষ করে গ্রিক ক্লাব অলিম্পিয়াকোস ও সবশেষ ব্রাজিলের ক্লাব সাও পাওলোয় যোগ দেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা মিডফিল্ডার। তবে ইউরোপে ফেরার আশায় গত গ্রীষ্মেই সাও পাওলোর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে ফ্রি এজেন্ট ছিলেন তিনি।
এরপর সদ্য সমাপ্ত কোপা আমেরিকায় অসাধারণ পারফর্ম করে ফের আলোচনায় আসেন এই তারকা ফুটবলার। দলকে ফাইনালে তোলার পথে একটি গোল ও ছয়টি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে কলম্বিয়ার হৃদয় ভাঙলেও হামেস জিতে নেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
কোপা আমেরিকার পর স্পেনে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান তিনি। এরপর রায়োর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন। রায়ো ভায়েকানোর হয়ে খেলতে সৌদি আরবের বড় অঙ্কের প্রস্তাবও তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
চলতি মৌসুমে ক্লাবের শতবর্ষ উদযাপন করছে রায়ো ভায়েকানো। ঐতিহাসিক এই মৌসুমের শুরুটাও দারুণ হয়েছে তাদের। লিগের প্রথম ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে পরের ম্যাচে গেতাফের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে তারা।
আরও পাড়ুন: অবসরের বিষয়ে আগে কাউকে কিছু জানাবেন না রোনালদো
ক্লাবটির এমন স্মরণীয় মুহূর্তে যোগ দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত হামেসও। তিনি বলেন, ‘রায়োর মতো একটি ঐতিহাসিক ক্লাবে যোগ দিতে পেরে আমি দারুণ অনুভব করছি। আমি সত্যিই এখানে ভালো কিছু করতে চাই। আমি যেখানেই যাই, এক ধরনের দায়িত্ব অনুভব করি।’
‘আমি জিততে পছন্দ করি। আর ক্লাবের এমন বিশেষ মৌসুমে তো অবশ্যই সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
আজ রাত দেড়টায় ঘরের মাঠে বার্সেলোনাকে আতিথ্য দেবে রায়ো ভায়েকানো।
৭২৯ দিন আগে
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে রাষ্ট্রদূত ইমরানের পরিচয়পত্র পেশ, পোশাক ও ওষুধ শিল্পে সহযোগিতায় দেশটির আগ্রহ প্রকাশ
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কলম্বিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো ফ্রান্সিসকো পেট্রো উরেগোর কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মোহাম্মদ ইমরান একই সঙ্গে কলম্বিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সম্প্রতি কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায় প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ইমরান কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তার এই পরিচয়পত্র পেশ করেন।
প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানায়। পরে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো ফ্রান্সিসকো পেট্রো উরেগোর সঙ্গে তাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো জে কোয় জি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপের নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র পেশের সময় রাষ্ট্রদূত তার কাছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট তার দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আগামী দিনে এ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট তার সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তার কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি মানে ভারতেরও প্রবৃদ্ধি: শ্রিংলা
পরে রাষ্ট্রদূত ইমরান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া, আফ্রিকা ও ওশেনিয়া অঞ্চলের পরিচালক নেলসি রাকেল মুনার জারামিলো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের সমন্বয়কারী কার্লোস এ ফরেরোর সঙ্গে বৈঠক করেন।
সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত ইমরান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে গত ১৫ বছরে অর্জিত বাংলাদেশের চমৎকার আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন।
নেলসি রাকেল বাংলাদেশ ও কলম্বিয়ার মধ্যে তৈরি পোশাক এবং ওষুধ শিল্প খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি নিয়মিত ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান ওয়াশিংটনের
১০১১ দিন আগে
কোপা: কলম্বিয়াকে বিদায় জানিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা
কোপার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমে কলম্বিয়াকে বিদায় জানিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেলো ফুটবল ঈশ্বর ম্যারাডোনার দেশ আর্জেন্টিনা।
বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় খেলাটি শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ে খেলাটি শেষ হয় ১-১ গোলে।
আরও পড়ুন: পেরুকে হারিয়ে কোপার ফাইনালে ব্রাজিল
মেসির নেতৃত্বে ম্যাচের শুরু থেকেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও কলম্বিয়ানরা নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই ম্যাচে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয়। আর এবারের কোপার নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময় খেলা বদলে ভাগ্য নির্ধরণে ট্রাইবেকারে পৌঁছায় ম্যাচটি।
আরও পড়ুন: জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা, নতুন মুখ শামীম
শ্বাসরুদ্ধকর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে কোপা আমেরিকার ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করে মেসির শিবির।
আগামী রবিবার ফুটবল বিশ্বের দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখী হবে নেইমার এবং মেসির নেতৃত্বে। মারকানায় আসন্ন ম্যাচের উত্তাপ যে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে তা এখন অনস্বীকার্য।
১৮৭৬ দিন আগে
বাংলাদেশ- কলম্বিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান
ঢাকা, ০৩ জুলাই (ইউএনবি)- যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহিদুল ইসলাম কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ইভান ডুকে মারকুয়েজের কাছে বাংলাদেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায় রাষ্ট্রপতি ভবনে সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শহিদুল ইসলাম তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেন।
কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতির সাথে বৈঠককালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। এ সময় তারা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আহবান জানান।
আরও পড়ুন: ইথিওপিয়ার রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
বাংলাদেশ ও কলম্বিয়ার মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিদ্যমান উল্লেখ করে শহিদুল ইসলাম বলেন, উভয় দেশ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াই, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০, জলবায়ু পরিবর্তনসহ অনেক আন্তর্জাতিক ইস্যুতে অভিন্ন মত পোষণ করে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য দু’দেশের সহযোগিতা বৃ্দ্ধির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ কাজে লাগানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘকে নিরবচ্ছিন্নভাবে সমর্থন প্রদান করার জন্য কলম্বিয়ার সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
আরও পড়ুন: আলবেনিয়ার রাষ্ট্রপতি কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহ্মদের পরিচয়পত্র পেশ
রাষ্ট্রপতি মারকুয়েজ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ক্লাইমেট ভালনারেবল ফাইন্যান্স সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নিতে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। ভার্চুয়াল প্ল্যাটটফর্মে আগামী ৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য উক্ত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবে বাংলাদেশ।
১৮৮০ দিন আগে