তেলবাহী ট্যাংকার
ছায়া বহর সন্দেহে রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল ব্রিটেন
আটলান্টিক মহাসাগরের ইংলিশ চ্যানেল থেকে রাশিয়ার একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে ব্রিটেন। ট্যাংকারটি শ্যাডো ফ্লিট (ছায়া বহর) হিসেবে ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে সন্দেহে তদন্ত শুরু করেছে ব্রিটেন।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ জুন) দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ তথ্য জানান।
রবিবার ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করার সময় রাশিয়ার ‘স্মির্টোস’ নামের জাহাজটিতে অভিযান চালিয়ে সেটিকে আটক করে ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী ।
ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, তদন্তের জন্য জাহাজটিকে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের কাছে রাখা হয়েছে। সেখানে এটিকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
শ্যাডো ফ্লিট হলো তেল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য বহনকারী অনিবন্ধিত জাহাজের একটি গোপন নেটওয়ার্ক। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে রাশিয়া শত শত জাহাজ নিয়ে গঠিত এসব নৌবহর ব্যবহার করে আসছে।
রবিবার ফ্রান্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ে মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর আগে ফ্রান্সও শ্যাডো ফ্লিট-সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি জাহাজ আটক করেছিল।
এ বিষয়ে স্টারমার বলেন, ‘এই অভিযান পুতিনের বিরুদ্ধে আরও একটি বড় আঘাত হানবে। পাশাপাশি যারা ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পুতিনকে যুদ্ধের রশদ যোগান দিচ্ছে, তারা কেউই লুকিয়ে থাকতে পারবে না।’
এদিকে, যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের অভিযান রাশিয়ার নৌসম্পদের ওপর সরাসরি আঘাত হেনেছে। মহাসাগরে চলাচলকারী এসব ছায়া বহর ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে আসছিল। নৌপথে মিত্র দেশগুলোর সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে এমন অভিযান আব্যাহত থাকলে ইউরোপীয় দেশগুলোতে রাশিয়ার হুমকি দেওয়ার ক্ষমতা কমে আসবে।
৫ দিন আগে
খুলনার সাথে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক, তদন্ত কমিটি গঠন
চুয়াডাঙ্গার উথলী রেলওয়ের স্টেশনে তেলবাহী ট্যাংকারের লাইনচ্যুত হওয়া বগিগুলো উদ্ধার হওয়ায় ১১ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে রেলপথ। এতে খুলনার সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
এদিকে বগি লাইনচ্যুত হওয়ার বিষয়টি তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাকশি বিভাগীয় রেলওয়ে পরিবহন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে। অপর সদস্যরা হলেন-পাকশি বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ বীরবল মন্ডল, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (ক্যারেজ) মমতাজুল ইসলাম, (লোকো) আশীষ কুমার মন্ডল, বিভাগীয় সংকেত- টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী রাজিব বিল্লাহ।
এর আগে, রবিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার ৭ ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কাজ শুরু হয়।
জানা যায়, খুলনা থেকে জ্বালানীবাহী একটি মালবাহী ট্রেন পার্বতীপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি উথলী রেল স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনার পর উথলী রেলওয়ে স্টেশনের পার্শবর্তী দর্শনা, আনছারবাড়িয়া এবং সাবদালপুর স্টেশনে চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন আটকা পড়েছে।
আরও পড়ুন: আবারও ট্রেন লাইচ্যুত: খুলনার সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ
পাকশি বিভাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা (ডিটিও) আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় কিছুটা দুর্ভোগে পড়েছে তিনটি আন্তনগর ট্রেন দু’টি মেইল ট্রেনের কয়েক শতাধিক যাত্রীরা। তিনটি আন্তনগর ট্রেনের মধ্যে ছিল, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আলমডাঙ্গা স্টেশনে, চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস চুয়াডাঙ্গা ও খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দর্শনা রেলস্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়।
ডিটিও আনোয়ার হোসেন আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, রেললাইন ক্রটির কারণে তেলবাহী ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে এক কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আলী জানান, ২ নম্বর লাইন থেকে ১ নম্বর লাইনে ঢোকার সময় বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়। সেগুলো উদ্ধারে সোমবার সকালে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে যায় উদ্ধারকারী ট্রেন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বগিগুলো উদ্ধারের পর রেলপথ সচল ঘোষণা করা হয়।
খুলনা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার বলেন, মালবাহী ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর সকালের দিকে খুলনা থেকে কোনও ট্রেন ছাড়া হয়নি। সাড়ে ১১টার দিকে লাইন ক্লিয়ার হতে পারে এমন তথ্য পেয়ে পরে ১০টার দিকে ট্রেনগুলো পর্যায়ক্রমে খুলনা স্টেশন থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ট্রেন লাইনচ্যুত: ৭ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ শুরু
রেললাইনে পিকআপ, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল সোনার বাংলা ট্রেন
১৭৫৪ দিন আগে