পটুয়াখালী
পটুয়াখালীতে লঞ্চে শিশুকে ফেলে রেখে ‘বাবা’ উধাও
পটুয়াখালীর বাউফলে ঢাকাগামী ডাবল ডেকার লঞ্চ বন্ধন-৫-এ একটি মেয়ে শিশুকে রেখে এক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি নিজেকে শিশুটির বাবা বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। শিশুটির বয়স ৬ থেকে ৮ মাস বলে ধারণার কথা জানিয়েছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কালাইয়া লঞ্চঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
লঞ্চের একাধিক যাত্রী ও লঞ্চ কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল (বুধবার) বিকেল ৪টার দিকে কালাইয়া লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ধুলিয়া লঞ্চঘাটে নোঙর করলে এক ব্যক্তি ওই শিশুটিকে নিয়ে লঞ্চে ওঠেন। তিনি নিজেকে শিশুটির বাবা পরিচয় দিয়ে অন্য যাত্রীদের সঙ্গে বিছানা বিছিয়ে বসেন। তবে কিছু সময় পর শিশুটিকে রেখে লঞ্চ থেকে নেমে যান তিনি।
মো. সোহেল নামে এক যাত্রী বলেন, ওই ব্যক্তি ধুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চে উঠেন। লঞ্চে ওঠার কিছুক্ষণ পর বাচ্চাটির মা আসবে বলে তিনি লঞ্চ থেকে নেমে যান। লঞ্চ থেকে নামার সময় পাশের সিটের যাত্রীদের বাচ্চার প্রতি খেয়াল রাখার অনুরোধ জানিয়ে যান।
তবে লঞ্চটি ধুলিয়া ঘাট ত্যাগ করার পরও শিশুটির মা-বাবা কিংবা কোনো স্বজন লঞ্চে আসেননি। একপর্যায়ে বাচ্চাটি চিৎকার করতে থাকে। পরে যাত্রীরা বিষয়টি লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপর লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বাচ্চাটিকে কয়েকজন নারী যাত্রীর হেফাজতে রাখেন।
এ বিষয়ে এমভি বন্ধন-৫ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. সজল বলেন, কী কারণে শিশুটিকে রেখে লোকটি উধাও হয়ে গেছে তা বলতে পারছি না। শিশুটি কয়েকজন নারী যাত্রীর কাছে রয়েছে। খোঁজ-খবর নিয়ে শিশুটির পরিবারের সন্ধান করার চেষ্টা চলছে।
কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জেনেছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
গেটের টাকা নিয়ে সংঘর্ষে ভেস্তে গেল বিয়ের আনন্দ, আহত ৪
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় বিয়েবাড়িতে গেটের টাকা দেওয়া-নেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া গ্রামের মল্লিক বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গেটের টাকা দেওয়া-নেওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বাকবিতণ্ডা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে বরপক্ষের রাসেল মল্লিক (২৫), শফিক হাওলাদার (২৬), শাকিল হোসেন (১৬) এবং কনেপক্ষের জামাল হাওলাদার (৪০) আহত হন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাউফলে পাঠানো হয়েছে।
বরপক্ষের দাবি, সংঘর্ষে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শতাধিক মানুষের জন্য প্রস্তুত খাবার নষ্ট হয়ে যায়, ভাঙচুর করা হয় আসবাবপত্র এবং নগদ অর্থ লুটের অভিযোগও করা হয়েছে।
কনের বাবা সাগর মিয়া বলেন, ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে বরপক্ষের সদস্যরা দাবি করেন, তারা হামলার শিকার হয়েছেন। তবে উভয় পক্ষই বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
দশমিনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইমাম মেহেদী বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০ দিন আগে
লঞ্চের ধাক্কায় তরমুজবোঝাই ট্রলার ডুবি, পটুয়াখালীতে নিহত ২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় লঞ্চের ধাক্কায় তরমুজবোঝাই একটি ট্রলার ডুবে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) ভোরে উপজেলার লোহালিয়া নদীর বামনিকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— রেজাউল করীম (২৮) ও নাছির ফকির (৪২)। রেজাউল রাঙাবালী উপজেলার চরলাটসাহেব এলাকার ওয়াজেদ হাওলাদারের ছেলে এবং নাছির একই উপজেলার চরবিষ্টন এলাকার আব্দুল ফকিরের ছেলে। তারা দুজনই পেশায় শ্রমিক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন তরমুজ চাষি রাঙাবালী থেকে তরমুজ বোঝাই একটি ট্রলার নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। একই সময়ে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী এমভি আওলাদ-৭ নামের একটি ডাবল ডেকার লঞ্চ ভোর প্রায় ৪টার দিকে বামনিকাঠী এলাকায় পৌঁছালে ট্রলারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি মুহূর্তের মধ্যে ডুবে যায়।
ঘটনার সময় ট্রলারের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা রেজাউল ও নাছির বের হতে না পেরে মারা যান। তবে ট্রলারের অন্য যাত্রীরা সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
স্থানীয়দের ধারণা, নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে লঞ্চচালক ট্রলারটি দেখতে না পাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
কালাইয়া বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, ‘দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২২ দিন আগে
চাঁদার দাবিতে গলাচিপার খেয়াঘাটে হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার হরিদেবপুর খেয়াঘাটে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুর্বৃত্ত ও সন্ত্রাসীদের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপর হুমকি আর ভয়ভীতির কারণে ঘাটের ইজারাদার শিবু লাল দাস এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাতে গলাচিপা উপজেলার হরিদেবপুর খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার স্পষ্ট সিসি টিভির ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ প্রশাসনের কাছে ভাইরাল হয়ে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে একদল দুর্বৃত্ত ঘাটের ভাড়া উত্তোলন কাউন্টার-সংশ্লিষ্টদের ওপর হামলা চালায়। সে সময় তারা ক্যাশবাক্স খুলে টাকাপয়সা লুট করে।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা ঘাটের বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় খেয়াঘাটে অবস্থানরত কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর ও অস্ত্র দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। দুদিন আগে ওই ঘটনা ঘটলেও এখনও এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই নিরাপত্তার অভাবে এলাকা ছেড়েছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঘাট এলাকায় চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল। সর্বশেষ দাবি না মানায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি জানান, বিষয়টি প্রশাসনের সব মহলকে জানানো হয়েছে। তিনি জানান, বৈধ ইজারাদার শিবু দাসকে ঘাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে বলা হয়েছে।
পটুয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাজ্জাদুল ইসলাম সজল বলেন, আমরা আবেদন পেলে ঘাট দখলের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে মামলা নিতে প্রস্তুত রয়েছি।
এ বিষয়ে ইজারাদার শিবু লাল দাস বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। পুলিশ সুপারকেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হলে ঘাট মুক্ত হবে বলে তিনি জানান। শিবু বলেন, ‘তালেব আকনের নেতৃত্বে খেয়াঘাট দখল করা হয়েছে।’
২৭ দিন আগে
অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প পুনর্বিবেচনা করা হবে: সেতুমন্ত্রী
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নেওয়া অপ্রয়োজনীয় ও লোক দেখানো প্রকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রামনাবাদ নদীর ওপর নির্মিত সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থ বিবেচনায় প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ সময় তিনি আসন্ন ঈদ যাত্রায় গণপরিবহনে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার কথাও জানান, যাতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
৩০ দিন আগে
অনিয়ম, ভয়ভীতি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ: পটুয়াখালী-১ আসনের নির্বাচন স্থগিতের আবেদন
পটুয়াখালী-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব মিনার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, ভয়ভীতি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নির্বাচন স্থগিতের লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর এ আবেদন করেন।
লিখিত অভিযোগে মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব উল্লেখ করেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্নভাবে নির্বাচনি পরিবেশ অস্থিতিশীল করে তোলে। ভোটের আগের রাত থেকে তার কর্মী-সমর্থকদের মারধর, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে বলে তিনি দাবি করেন। এতে অনেক কর্মী এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।
আবেদনে আরও বলা হয়, ভোটের দিন সকালে একাধিক কেন্দ্রে নিযুক্ত তার পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। কোথাও কোথাও জোরপূর্বক কেন্দ্র দখল, সাধারণ ভোটারদের লাইনে দাঁড়াতে না দেওয়া এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তোলা হয়। কয়েকটি কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কিছু সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করায় ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। ফলে পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
আব্দুল ওয়াহাব মিনারের এই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের অনিয়মের কারণে নির্বাচনের ফলাফল প্রকৃত জনমত প্রতিফলিত করবে না।
তাই পটুয়াখালী-১ আসনের নির্বাচন অবিলম্বে স্থগিত করে নিরপেক্ষ পরিবেশে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৬৩ দিন আগে
পটুয়াখালীর একটি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তবে কে বা কারা আগুন লাগায় তা জানা যায়নি।
আগুন দেখে স্থানীয়রা তা নেভানোর চেষ্টা করে। প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় রাত সোয়া ৯টার দিকে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বিদ্যালয় কক্ষের বেঞ্চ ও টিনের বেড়া পুড়ে গেছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক জানান, কে বা কারা আগুন লাগিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে বেশি ক্ষতি হয়নি। নিচের একটি রুমে টাঢার জ্বালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থলে এসেছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
৬৪ দিন আগে
পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুজনই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের প্রার্থী।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার চরবোরহান এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুরের পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষের ব্যাপারে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে তাদের নির্বাচনি কার্যক্রমে বাধা দেয় এবং নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে তাদের বেশ কয়েকজন আহত হন।
অন্যদিকে, হাসান মামুনের পক্ষ থেকেও পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে। তার সমর্থকদের দাবি, গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরাই প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন এবং তাদের নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান।
এ ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমার কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি নিজের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত।’ এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
৭৯ দিন আগে
পটুয়াখালীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
পটুয়াখালীর ২ নং বাধঘাট এলাকায় চার দিন নিখোঁজ থাকার পর পিয়ারা বেগম (৬৯) নামে এক বৃদ্ধার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে নিহতের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা বলেন, পিয়ারা তিন মেয়ে ও দুই ছেলের সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করতেন। গত বুধবার তিনি নিখোঁজ হন। পরেরদিন (বৃহস্পতিবার) তার ছেলে সুমন পটুয়াখালী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়রা খালে একটি বস্তা ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান ওসি।
৮২ দিন আগে
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ড
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ভোরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার সংরক্ষণাগারে এ আগুন লাগে।
তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত জানা না গেলেও সংরক্ষণাগারে থাকা পর্যাপ্ত ওষুধ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আসবাবপত্রসহ কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন।
আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এর মধ্যে রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘ভোর ৫টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। স্টোর রুমে গলাচিপা-রাঙ্গাবালী উপজেলার ওষুধ, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, জরুরি রেজিস্ট্রারসহ অন্যান্য মালামাল রয়েছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করা হয়নি।’
ফায়ার সার্ভিসের গলাচিপা স্টেশনের উপকর্মকর্তা কামাল হোসেনে জানান, আগুন লাগার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুটি পাম্পসহ উপজেলা সদর হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছে তাদের দুটি ইউনিট। পরে দশমিনা থেকে আরও একটি ইউনিট উপস্থিত হয়। আগুন লাগার সূত্র তদন্তের পর বলা যাবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
৮৪ দিন আগে