বেনাপোল বন্দর
ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বেনাপোলে আজ আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় আজ শনিবার সকাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও উভয় দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক রয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, আজ (শনিবার) ভারতের স্বাধীনতা দিবস। সেই উপলক্ষে ভারতে সরকারি ছুটি থাকায় এ বন্দর দিয়ে দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল (রবিবার) সকাল থেকে যথারীতি এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।
স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, আজ ভারতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে পুনরায় এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
৪ দিন আগে
ভারত থেকে পাঁচ চালানে ৮০ টন কাঁচা মরিচ আমদানি, বেনাপোলের খুচরা বাজারে স্বস্তি
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ব্যাপক হারে কাঁচা মরিচ আমদানি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে বেনাপোলের খুচরা বাজারে।
রবিবার (৯ আগস্ট) বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাচাঁ মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, গতকাল বাজারে যা ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গত পাঁচ চালানে ৮০ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। গত সোমবার রাত ৮টার দিকে প্রথম চালানে একটি ভারতীয় ট্রাকে ৯ দশমিক ২ টন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় চালানে তিনটি ট্রাকে ৪২ দশমিক ২২ টন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি ট্রাকে ১৪ টন ও শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় একটি ট্রাকে ১৫ টন কাচাঁ মরিচ বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।
মরিচ আমদানিকারক আমিনুল ইসলাম জানান, বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা মরিচের খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ কমে যায়। ফলে দেশের বাজারে মরিচের দাম ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
তিনি জানান, ভারত থেকে প্রতি টন কাঁচা মরিচ ৩০০ ডলার মূল্যে আমদানি করা হচ্ছে। আর কাস্টমস প্রতি টন কাঁচা মরিচ শুল্কায়ন করছে ৫০০ ডলার মূল্যে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ৩৮ টাকার মতো শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে। সরকার শুল্ক কমিয়ে দিলে দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম আরও কমে যেত।
বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা বাবলুর রহমান বলেন, গতকাল (শনিবার) বাজার থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ কিনেছিলাম। আমদানি শুরুর এক দিনের ব্যবধানে দাম ১০০ টাকা কমেছে। ভারত থেকে আরও কাঁচা মরিচ আমদানি হলে দাম আরও নিচে চলে আসবে, এতে আমাদের মতো মানুষদের অনেক সুবিধা হবে।
বাজারের বিক্রেতা আলাল মিয়া বলেন, সরবরাহ কম থাকায় কাঁচা মরিচের দাম বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়তি ছিল। গতকাল আমরা ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। আমদানি হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, দামও কমে গেছে। মোকামে কম দামে কিনতে পারায় আজ আমরা ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি। দাম কমায় ক্রেতা বেড়েছে, বেচাকেনাও বেশ ভালো হচ্ছে।
বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার অনুমতি দেওয়ায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানি কাঁচা মরিচের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। ফলে আমদানিকারকরা বন্দর থেকে পণ্য খালাস করে দ্রুত বাজারজাত করছেন।
১০ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আজ বুধবার সকাল থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিক রয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এছাড়া কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে যথারীতি এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক রয়েছে।
বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে আবারও এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হবে।
১৪ দিন আগে
বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে ৯.২ টন কাঁচামরিচ আমদানি
দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৯ হাজার ২০০ কেজি অর্থাৎ (৯ দশমিক ২ টন) কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে ভারত থেকে মরিচবোঝাই ভারতীয় একটি ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে রাতেই আমদানিকৃত কাঁচা মরিচের চালানটি বন্দর থেকে খালাস দেওয়া হয়। মরিচ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান শিমু এন্টারপ্রাইজ এবং পণ্য চালানটি খালাসের জন্য কাস্টমস হাউসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করেন সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট শিমু শিপিং লাইন্স।
কাঁচা মরিচ আমদানিকারক শাহাজান আলী জানান, প্রতি কেজি কাঁচামরিচ আমদানিতে তার মোট খরচ হয়েছে ১৩৫ টাকা। সামান্য লাভ রেখে বাজারে বিক্রি করা হবে।
তিনি জানান, আমদানি বাড়লে বাজারে মরিচের দাম কমে আসবে। তবে কাস্টমসের হয়রানি ও পণ্য ছাড়করণে জটিলতার কারণে রাজস্ব বেশি গুনতে হচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে জানা যায়, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ, বিশেষ করে নাসিক থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ী মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) পেয়েছেন। গতকাল (সোমবার) থেকে মরিচ আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এদিকে, স্থলবন্দরের বেনাপোল কাঁচাবাজারে আজ (মঙ্গলবার) সকালে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিক্রেতাদের আশা, আমদানি বাড়লে বাজারে দাম কিছুটা কমে আসবে।
আমদানি সংক্রান্ত কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রতি টন কাঁচা মরিচের ঘোষিত আমদানি মূল্য ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি কেজির মূল্য প্রায় ২৪ টাকা। এর সঙ্গে সরকারকে কেজিপ্রতি প্রায় ৪৫ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। সে হিসাবে আমদানি ব্যয় কেজিপ্রতি প্রায় ৭৮ টাকা হওয়ার কথা।
তবে আমদানিকারকদের দাবি, পরিবহন, কাস্টমস, বন্দর, খালাসসহ অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় প্রকৃত ব্যয় আরও বেড়ে যাচ্ছে।
এদিকে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে কাঁচা মরিচের উচ্চমূল্যে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা বাজারে কার্যকর তদারকি বাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ডিরেক্টর শামীম হোসেন জানান, ভারত থেকে ৯ দশমিক ২ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিক সম্পন্ন করে মরিচের চালানটি দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা হয়। সীমান্তের ওপারে আরও কয়েক কাঁচামরিচের ট্রাক বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। যা আজ যেকোনো সময় বন্দরের প্রবেশ করতে পারে।
উল্লেখ্য, দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের মূল্য বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
১৫ দিন আগে
টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরে ভাসছে কোটি টাকার আমদানিপণ্য
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোলে বিভিন্ন শেডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে হাঁটুপানিতে ভাসছে কোটি কোটি টাকার পণ্য। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমদানিকারকরা। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল থেকেই বিরামহীনভাবে বৃষ্টি হচ্ছে এ অঞ্চলে। টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩ নম্বর গেটের সামনে পাঁচটি শেডে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল পানিতে তলিয়েছে। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে গেছে। এসব পানি পাওয়ার পাম্প দিয়ে বের করার চেষ্টা চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারীরা এসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দরে শেড ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় শত শত কোটি টাকার আমদানিকৃত মালামাল।
স্থানীয় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানা অব্যবস্থাপনার কথা বলে এলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো কথা আমলে না নেওয়ায় প্রায় শতাধিক আমদানিকারক সব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বীমা না থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো ক্ষতিপূরণও দেয় না। পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে কমিটি করা হলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। গত বছরের বর্ষার সময় কমিটির লোকজনের তৎপরতা ২/১ দিন দেখা গেলেও পরে এ নিয়ে আর কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।
বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আব্দুল অলিম বলেন, বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। কয়েকটি পণ্যাগারে পানি ঢুকে অনেক আমদানিকারকের লাখ লাখ টাকার মালামাল পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্দরের ভাড়া প্রতিবছর বাড়লেও তারা বন্দরের উন্নয়নে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। অধিকাংশ অবকাঠামো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বারবার আশ্বাস দিলেও স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে না।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ সভাপতি আমিনুল হক আনু জানান, দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার এই বন্দরের কাস্টমসের মাধ্যমে বছরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে। এত বড় বাণিজ্যিক স্থাপনায় বছরের পর বছর এই দুর্দশা চললেও সরকারের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। বৃষ্টির পানি পণ্যাগারে ঢুকে মালামাল ভিজে নষ্ট হলে লোকসানের শিকার হতে হয় ব্যবসায়ীদের। এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা একাধিকবার বন্দরের কাছে অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টিতে বেশকিছু শেডে পানিতে মালামাল ভিজেছে। পাওয়ার পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে। তবে অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।
বৃষ্টি পড়া বন্ধ হলে সমস্যা সমাধান হওয়ার আশা করেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
৩৯ দিন আগে
বেনাপোল বন্দরে শ্রমিকদের ডাকা কর্মবিরতি স্থগিত
ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ এনে ডাকা কর্মবিরতি স্থগিত করেছে বেনাপোল বন্দরে পণ্য লোড-আনলোড কাজে নিয়োজিত হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ ও ৯২৫-এর শ্রমিকরা।
রবিবার (১৪ জুন) সকাল ৯টার দিকে স্থলবন্দরের প্রধান ফটকের সামনে প্রধান সড়কে অবস্থানের পর তাদের কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেন। পরে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বন্দর কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের দাবিগুলো এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
বাংলাদেশ সরকারের বাজেট প্রণয়নের চলমান সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শ্রমিকরা তাদের কর্মসূচি এক মাসের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, ২০১২ সালে বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের কাছ থেকে প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিং বাবদ ৩৩ টাকা আদায় করলেও শ্রমিকরা পেতেন মাত্র ১৮ টাকা। বর্তমানে ২০২৬ সালে সেই হ্যান্ডলিং চার্জ বেড়ে ৭৮ টাকায় উন্নীত হলেও শ্রমিকদের মজুরি এখনো ১৮ টাকাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
৬৬ দিন আগে
তিন দিন বন্ধের পর বেনাপোল দিয়ে ফের আমদানি-রপ্তানি শুরু
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে টানা তিন দিন বন্ধ থাকার পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর আগে, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তাজনিত কারণে গত রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত দুই দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। এ সময়ে শুধুমাত্র অতি পচনশীল পণ্য পরিবহন এবং জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য পাসপোর্টধারী যাত্রীদের সীমিত পরিসরে যাতায়াতের অনুমতি ছিল।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম তিনদিন বন্ধ ছিল। নির্ধারিত সময় শেষে আজ সকাল থেকেই যথারীতি এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, তিন দিনের বন্ধের পর আজ সকাল থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে উভয় দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোদমে চালু হয়েছে। ইতোমধ্যে ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ শুরু করেছে এবং রপ্তানিও স্বাভাবিক গতিতে চলছে। বন্ধের সময় যাতে পণ্যজট সৃষ্টি না হয়, সেজন্য বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছিল। আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ায় বন্দর এলাকায় ফের কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
১১১ দিন আগে
ভারতে নির্বাচন: বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৩ দিন বন্ধ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে বেনাপোল বন্দর দিয়ে টানা ৩ দিন বন্ধ থাকবে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে পাসপোর্টধারী যাত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের ভোটাররা ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন। এছাড়া পচনশীল পণ্য আমদানি-রপ্তানি এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিল্পা গৌরীসারিয়ার সই করা এক পত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন।
শিল্পা গৌরীসারিয়ার সই করা ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ৩৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে আগামী ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর ৬টা পর্যন্ত মানুষ ও যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে। ফলে উত্তর ২৪ পরগনার সব আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত এবং প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথ বন্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞাকালীন আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল সীমিত থাকলেও শুধু জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে (মেডিকেল ভিসা) বাংলাদেশ থেকে ভারতে গমন এবং ভোট দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গে প্রত্যাবর্তনকারী ভোটাররা যাতায়াত করতে পারবেন।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে টানা তিন দিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকছে। আগামী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যথারীতি এ বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন জানান, পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত সীমিত করা হলেও যারা বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন তারা ভোট দেওয়ার জন্য ভারতে ফিরে যেতে পারবেন। তবে সব ধরনের যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক হতে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৭টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, ভারতে বিধানসভার নির্বাচন উপলক্ষে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল কাস্টমস হাউস ও বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক থাকবে। তবে ভারত থেকে পচনশীল কোনো পণ্য এলে তা দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা হবে।
১১৪ দিন আগে
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বন্দর থেকে মালামাল খালাসসহ কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রমও বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ সারাদিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকে আবারও বন্দর দিয়ে বাণিজ্য কার্যক্রম যথারীতি শুরু হবে।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. লতিফ জানান, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় এক দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি ভারতের পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদেরও জানানো হয়েছে। আগামীকাল (বুধবার) সকাল থেকে পুনরায় কার্যক্রম চালু হবে।
বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, পহেলা বৈশাখে সরকারি ছুটি থাকায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।
১২৭ দিন আগে
বেনাপোলে বন্দর দিয়ে আজ আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
দোলযাত্রা উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রোপোল স্থলবন্দর দিয়ে আজ (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
তিনি জানান, ভারতে দোলযাত্রায় সরকারি ছুটির থাকায় আজ বেনাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দর ও শুল্ক ভবনের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
আগামীকাল (বুধবার) সকাল থেকে পুনরায় এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শামীম হোসেন।
ভারতের পেট্রোপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, দোল পূর্ণিমা বা দোলযাত্রা একটি বৈষ্ণব উৎসব। বসন্তের এ উৎসবটি ‘হোলি’ নামেও পরিচিত। অশুভ শক্তির বিনাশ হিসেবে ‘হোলি উৎসব’ হয়ে থাকে। এ উৎসবের কারণে আমদানি-রপ্তানি-সংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সিঅ্যান্ডএফ মালিক, কর্মচারী, হ্যান্ডলিং শ্রমিক, ট্রাকচালকরা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন।
বেনাপোল শুল্ক ভবনের রাজস্ব কর্মকর্তা মনিবুর রহমান জানান, এক দিনের আমদানি-রপ্তানি বন্ধে ১৮ কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয় সরকার।
১৬৯ দিন আগে