পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সাংবাদিকদের এ আগ্রহের কথা জানান।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারত্বের শক্তি ও গভীরতা পুনর্ব্যক্ত করে উভয় দেশ অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়।
তিনি বলেন, যৌথ অগ্রাধিকার অনুযায়ী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহযোগিতা শক্তিশালী করার বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বে আছে এবং আমরা দেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আগ্রহী।
বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা নিয়ে আশা প্রকশা করেন এবং দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
৬ দিন আগে
এ ধরনের যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গলকর নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে সৌদি আরবের জেদ্দায় ফিলিস্তিন-বিষয়ক ওআইসি নির্বাহী বৈঠক থেকে ফিরে এসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা দুঃখজনক ব্যাপার। আমরা প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু বলছি না, আমরা আমাদের মতো করে বন্ধুদের বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, এ ধরনের যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গলকর নয়।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে আফগানিস্তানের নানগরহার ও পাকতিকা প্রদেশে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর থেকেই দুই দেশের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে বিক্ষিপ্তভাবে সীমান্ত সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ।
এরপর বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন এলাকায় কামান, মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চার, সাঁজোয়া গাড়ি বহর নিয়ে কার্যত মুখোমুখি লড়াই করেছে পাকিস্তানের সেনা এবং আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনী।
গতকাল (শুক্রবার) পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, দুই দেশ এখন ‘খোলামেলা যুদ্ধে’ লিপ্ত।
এ কিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জেদ্দায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) নির্বাহী কমিটির মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মোহাম্মদ ইসহাক দার, গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরিং মোদু এনজি, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভারসেন ওহানেস ভার্তান আগাবেকিয়ান, তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত মুসা কুলাক্লিকায়া এবং সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এ এলখরেইজির সঙ্গে পৃথক পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক ‘শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি’ এগিয়ে নিতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্ক সনদে অন্তর্ভুক্ত নীতিমালা—সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ এসবের প্রতি বাংলাদেশের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
৯ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ, দীপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ঢাকার সঙ্গে দীপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে টোকিও।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এ আমন্ত্রণ জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ কথা জানিয়েছে।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম; পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির; শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদি আমিন; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ড. রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
দুই পক্ষ এমপ্লয়মেন্ট স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইএসডিপি)-এর আওতায় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় জাপানে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. রহমান তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করার গুরুত্ব তুলে ধরে জাপানি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের সংযোগ সহজ করতে একটি ডিজিটাল ম্যাচমেকিং প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়, মেট্রোরেল সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক সমর্থন নিয়েও আলোচনা হয়।
এর আগে একই দিনে রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বাংলাদেশকে জাপানের প্রাথমিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক এগিয়ে নিতে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপানের অব্যাহত সমর্থনের প্রশংসা করেন।
১২ দিন আগে
সমস্যার সম্মানজনক সমাধান, সবার সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক চায় ঢাকা
নতুন সরকারের প্রতি বিদেশিদের গভীর আস্থা রয়েছে। তারা সকলেই আমাদের সঙ্গে কাজ করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতরা।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, গতকাল থেকে আমাদের দেশের বিদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আমরা বৈঠক শুরু করেছি। আমরা তাদের কাছে আমাদের সরকারের বৈদেশিক নীতির আউটলাইন তুলে ধরেছি। আমাদের লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশ ফার্স্ট; সবার ওপরে থাকবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করব না এবং আমাদের নীতিমালা হবে পারস্পরিক স্বার্থ ও জাতীয় মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমি লক্ষ্য করেছি, তারা আমাদের সরকারের প্রতি গভীর আস্থা এবং আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, আশা করি, আমাদের অঞ্চলের এবং বিশ্বের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে আমরা গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হব।
খলিলুর রহমান বলেন, আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, কিন্তু বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব। আমাদের সব ইস্যু আমরা পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্মানজনকভাবে সমাধান করব। আগামী দিনে আমরা অত্যন্ত গতিশীল বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করতে পারব।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সৌজন্যমূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছি। ভবিষ্যতে আমরা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলাপ করব, এজন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।
এ সময় অবিবেচনাপ্রসূত বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে উল্লেখ করে তিনি গুজব এড়িয়ে চলতে এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
১৪ দিন আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমাদের উভয় দেশকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
এ সময় ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রদূত।
এর আগে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বার্তায় বলেন, এই অঞ্চলের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
১৪ দিন আগে
এক বছরে বাংলাদেশিদের ১৪ লাখ ভিসা দিয়েছে সৌদি আরব
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া জানিয়েছেন, বাংলাদেশিদের জন্য ২০২৫ সালে ৭ লাখ ৫০ হাজার কাজের ভিসাসহ ১৪ লাখ ভিসা ইস্যু করেছে সৌদি সরকার।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা জানান।
এ সময় তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রতি শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং সৌদি আরব-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, ২০২৫ সালে সৌদি আরব বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৭ লাখ ৫০ হাজার কাজের ভিসা এবং সব মিলিয়ে ১৪ লাখ ভিসা জারি করেছে। সৌদি আরবে অনেক উন্নয়ন কাজ চলছে বলে দক্ষ ও আধা-দক্ষকর্মীদের কাজের সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরবকে বাংলাদেশের এক বিশ্বস্ত ও দীর্ঘকালীন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করেন যে, ১৯৭৬ সালে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়া ১৯৭৭ সালে সৌদি আরবে এক ঐতিহাসিক সফরও করেছিলেন। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তার ঐতিহাসিক অবদানের কথা উভয় পক্ষই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করেন।
ড. খলিলুর রহমান মধ্যপ্রাচ্য এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সৌদি নেতৃত্বের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীকে সৌদি আরবে কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দুই দেশের ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানিসহ অন্যান্য অগ্রাধিকার খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুরোধে প্রায় ২ লাখ রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনে সৌদি আরবের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশে আশ্রিত ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য সৌদি আরবের নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার প্রশংসাও করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য সৌদি আরবের সমর্থন কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ব্যাপক ও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এর আগে, সৌদি রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে তাকে অভিনন্দন জানান। প্রতিমন্ত্রী সৌদি ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংস্কারমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১৫ দিন আগে
সংঘাত নয়, শান্তি চায় ঢাকা: পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উপদেষ্টা তৌহিদ
বাংলাদেশ এই অঞ্চলে যেকোনো ধরণের সংঘাত এড়িয়ে শান্তি বজায় রাখার পক্ষে বলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
সোমবার (৫ মে) রাতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বাংলাদেশের এই বার্তা দেন। এসময় তিনি যেকোনো সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সংলাপের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (৬ মে) সাংবাদিকের এক প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।
তৌহিদ বলেন, ‘পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে ফোন করার পর থেকে আমি তাকে বলেছি— আমরা শান্তি চাই। আমরা এখানে কোনো সংঘাত দেখতে চাই না।’
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে সোমবার রাতে হওয়া তার কথোপকথন সম্পর্কে জানতে চাইলে তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
ভারতকে বার্তাটি জানানো হবে কিনা এমন প্রশ্নে হোসেন বলেন, ‘ভারত যদি আমার কাছ থেকে কিছু জানতে চায়, তাহলে আমি দিল্লিকেও ঠিক একই কথা বলব। আগে থেকে আমার কিছু বলার দরকার নেই।’
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই অঞ্চলে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পর ইসলামাবাদ কী পদক্ষেপ নিয়েছে সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করার জন্য ফোন করেছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘তিনি কোনো সমর্থন বা কোনো বিশেষ প্রতিক্রিয়া চাননি। আমি কেবল বলেছিলাম যে শান্তি বজায় রাখা দরকার এবং উত্তেজনা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এমন কোনো ঘটনা ঘটা উচিত নয়, যা উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এটি আমাদের প্রত্যাশা। আমরা আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান চাই।’
টেলিফোনে কথোপকথনের সময় তিনি এই অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সকল পক্ষের সংযম প্রদর্শনের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
আরও পড়ুন: তৌহিদি জনতাই না, বিশৃঙ্খলায় জড়িত সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে: উপদেষ্টা
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, হোসেন উত্তেজনা দূর করার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেন।
সোমবার রাত ১০টা ৪১ মিনিটে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলের এক পোস্টে এসব তথ্য জানায়।
উপপ্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং একতরফা পদক্ষেপের ফলে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনা সম্পর্কে উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এর মধ্যে সিন্ধু পানি চুক্তির বিধান স্থগিত করার ভারতের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের বিষয়টি রয়েছে।
উভয় পক্ষই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার জন্য তাদের পারস্পরিক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন তারা।
তারা আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়েও আলোচনা করেছেন।
৩০৭ দিন আগে
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের সমাপ্তি চায় ইউক্রেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রাশিয়ার সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং ইউক্রেন চলতি বছরেই পুরোপুরি যুদ্ধের সমাপ্তি চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা।
শনিবার (১২ এপ্রিল) তুরস্কে আন্তালিয়া কূটনীতি ফোরামে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এ বছরই এই যুদ্ধের সমাপ্তি চাই। কিন্তু, এতে যেন কোনো ধরনের কারসাজি না করা হয়।’
আরও পড়ুন: ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: ম্যাঁখো
তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংঘাতের একটি শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করাই আমাদের লক্ষ্য। কারণ, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের ফলাফলই ইউরোপের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলবে।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা আন্তর্জাতিক এজেন্ডায় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থায় ইউক্রেনের সম্ভাব্য সদস্যপদ রাখার উপরও জোর দেন। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের ১১০টি যুদ্ধ করার মতো ব্রিগেড প্রস্তুত রয়েছে, যা ট্রান্সআটলান্টিকের নিরাপত্তায় অবদান রাখতে পারে।’
৩৩০ দিন আগে
প্রতিটি হামলার বিচার হবে, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের হয়রানি করা হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সাম্প্রতিক নাশকতার প্রতিটি হামলার ঘটনার বিচার হবে। আন্দোলনকারী প্রকৃত শিক্ষার্থীদের কোনো হয়রানি করা হবে না।
মন্ত্রী বলেন, যারা গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের পিএসকে এবং ঢাকায় পুলিশকে হত্যা করে তাদের লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে, চট্টগ্রামে ছয়তলা ভবন থেকে ছাত্রলীগ কর্মীদের ফেলে দিয়েছে, মানুষ ও রাষ্ট্রের সম্পত্তি জ্বালিয়ে দিয়েছে এবং বিটিভিতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করেছে- তাদের কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না।
শুক্রবার (২৬ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে 'দেশবিরোধী, স্বাধীনতাবিরোধী সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের দুর্জয় শপথ' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৩-১৪ সালে নাশকতার পর অনেকের বিচার হয়েছে, কেউ কেউ আইনের ফাঁক গলে বের হয়ে গেছেন। এবার সেটি হবে না। প্রত্যেক হামলাকারীকে বিচারের আওতায় আনা হবে।
'রাষ্ট্রের ওপর হামলা বিএনপির তারেক রহমানের নির্দেশে হয়েছে' উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, 'তারেক রহমানের ভয়েস সরকারের হাতে এসেছে। সে বলছে- বড় হামলা করলে বড় পদ, কারফিউ ভঙ্গ কর, না হলে পদ ছাড়। বিএনপির আরেক নেতা বলেছেন-তোমরা আন্দোলনে ঢুকে যাও, নৈরাজ্য সৃষ্টি কর। ছাত্রলীগের কর্মী মারলে ৫ হাজার, পুলিশ মারলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কারের স্বীকারোক্তি তারাই দিয়েছে। এটি কোন রাজনৈতিক দল? এটি একটি দেশবিরোধী সন্ত্রাসী সংগঠন।'
আরও পড়ুন: রাজাকারের পক্ষে স্লোগানদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সাম্প্রতিক নাশকতার চিত্র তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন স্থাপিত হয়েছে ১৯৬৪ সালে। কিন্তু গত ৬০ বছরে বিটিভিতে কখনো হামলা ভাঙচুর হয়নি। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিটিভির কিছু কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু কখনো বিটিভিতে হামলা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগকালে মানুষ যেখানে ছুটে যায়, সেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে ভাঙচুর চালিয়েছে তারা। ঢাকাবাসী ও দেশবাসীর গর্ব মেট্রোরেলের স্টেশন জ্বালিয়ে দিয়েছে তারা। বিদেশি রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনারের আইডি হ্যাক করে ভুল বার্তা পোস্ট করা হয়েছে।
মন্ত্রী হাছান বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে এসেছি সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে সমাধান হবে। শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যা চেয়েছিল, তার থেকে বেশিই পেয়েছে। যদি শিক্ষার্থীরা একটু ধৈর্য্য ধরত, তাহলে বিএনপি-জামায়াত এই সুযোগটা পেত না।
ড. হাছান বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সাধারণ কোনো শিক্ষার্থী মানুষ হত্যা বা জনগণ ও রাষ্ট্রের সম্পত্তির ওপর হামলা চালাতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হবে না। কিন্তু অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে তোমাদের কেউ যেন ব্যবহার না করতে পারে সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে।
সাপ্তাহিক গণবাংলা ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভায় আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিমের সভাপতিত্বে ও স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েলের পরিচালনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান, সংসদ সদস্য আওলাদ হোসেন, ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রমুখ বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: ধ্বংসযজ্ঞ দেখে কূটনীতিকরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৫৯১ দিন আগে
তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইইউভুক্ত চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার দেশ- ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার কর্মী নেবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির বিদায়ী সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: সবার সঙ্গে দেশের সুসম্পর্ক দেখে গাত্রদাহ হচ্ছে বিএনপির : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ড. হাছান জানান, এ তিন হাজার কর্মীর দক্ষতার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আরও কর্মী নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।
২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পরও বাংলাদেশ যেন ২০৩২ সাল পর্যন্ত পণ্য রপ্তানিতে জিএসপি সুবিধা পায় সে নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, ইইউ থেকে জিএসপি বা শুল্ক হ্রাস সুবিধাসহ এখন বাংলাদেশ যেসব সুবিধা পাচ্ছে সেগুলো যেন অব্যাহত থাকে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজনীতিতে কখনো সহিংসতা চাই না: ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না, কোটা সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৬০৩ দিন আগে