জাতিসংঘ অধিবেশন
নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।
তাকে বহনকারী তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট নিউইয়র্ক সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও অন্যান্য সফরসঙ্গী।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
রুমন জানান, জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। হোটেলে তাকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান।
নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে অবস্থান করবেন।
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
১২ দিন আগে
জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ-কানাডার উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের আশা
আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে দুই দেশ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তারা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে তৈরি পোশাকের বাইরে হালকা প্রকৌশল ও যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কানাডায় বসবাসরত এক লাখের বেশি বাংলাদেশি প্রবাসীর অবদানের কথা তুলে ধরেন।
তিনি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় কানাডার অব্যাহত সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
অন্যদিকে হাইকমিশনার মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনে কানাডার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সভাপতিত্বের প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু নেতৃত্ব ও জলবায়ু অর্থায়নে কানাডার সহযোগিতা কামনা করেন।
কানাডার হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে কৃষি খাতে সহযোগিতার একটি কাঠামো প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। এ সময় দুই পক্ষ জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়েও মতবিনিময় করে।
উভয় পক্ষ পুনর্ব্যক্ত করে, বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্ক বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ওপর ভিত্তি করে অব্যাহত রয়েছে।
১৪ দিন আগে
ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ চায় ঢাকা, সংলাপের দরজা খোলা: হুমায়ুন কবির
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ও ভালো কার্যকর সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ। সংলাপের দরজা সবসময় খোলা থাকবে বলেও জানান তিনি।
সিলেটে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের সঙ্গে হাজারো সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, কিন্তু সংলাপ ও আলোচনার দরজা সবসময় খোলা থাকবে। সেটি খোলা রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশের ক্ষেত্রেই পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং নীতিগুলো পরস্পরের সঙ্গে জড়িত ও আন্তঃসম্পর্কিত।
হুমায়ুন কবির বলেন, একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। বিশেষ করে আমরা যে পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছি, তার ক্ষেত্রে এগুলোকে সমন্বিত করতে হবে এবং পরস্পরের পরিপূরক হতে হবে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে পররাষ্ট্রনীতি শুধু বৈদেশিক সম্পর্কের বিষয় নয়। অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য শক্তিশালী সম্পৃক্ততার ক্ষেত্র থাকা প্রয়োজন।
ভারতের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কারণ বাংলাদেশে মানুষ হত্যার পর দেশ ছেড়ে পালানো ‘সন্ত্রাসীরা’ ভারতে অবস্থান করছে।
তিনি আরও বলেন, ভারত যদি তাদের জায়গা দেয়, তাহলে তা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতির বিরুদ্ধে যাবে। বিষয়টি মোকাবিলার জন্য এটি চাপ সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সম্পৃক্ততা জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এবং জনগণের স্বার্থে পরিচালিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে এ পর্যন্ত দুবার সাক্ষাৎ করেছেন হুমায়ুন কবির। ভারতকে পরিস্থিতি বুঝতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি তার (দূতের) সঙ্গে দুবার সাক্ষাৎ করেছি। তিনি চেষ্টা করছেন, কিন্তু কোথাও গিয়ে আটকে যাচ্ছেন।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড থামানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতে তিনি ব্যক্তিগত না কি সরকারি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন, সেটি প্রাসঙ্গিক নয়। তাকে জায়গা দেওয়া একটি খারাপ দৃষ্টান্ত তৈরি করছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির জানান, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের আগে এ ধরনের সফরের সম্ভাবনা খুবই কম।
তিনি বলেন, উপযুক্ত সময় হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন। তবে ইউএনজিএ অধিবেশনের আগে এ সফরের সম্ভাবনা খুবই কম, কারণ তিনি সেখানে অংশ নেবেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। মাসের শেষ দিকে বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিতে বিশ্বনেতারা নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে জড়ো হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ভারত শিগগিরই ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করবে। এক ভারতীয় সাংবাদিক জানতে চেয়েছিলেন, সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তা জানানো হয়েছে কি না এবং তিনি অংশ না নিলে সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন।
গতকাল (শুক্রবার) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণের বিষয়ে জানানোর মতো কোনো হালনাগাদ তথ্য তার কাছে নেই।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত ভারত সফরের তারিখ এখনও চূড়ান্ত না হলেও এ বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
শুক্রবার প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচিতে সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠার পর এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। হজরত শাহজালাল মাজারে রাজনৈতিক কর্মীরা কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীকে হয়রানির করেছেন বলে অভিযোগ ওঠার পর শুক্রবার সিলেটের টেলিভিশন সাংবাদিকরা প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় বিএনপির সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার সিলেট সফরে গিয়ে হুমায়ুন কবির জুমার নামাজের পর মাজারে দোয়া করেন।
বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, অতীতে জ্বালানি খাতে দুর্নীতির মাত্রা বুঝতে হলে এ খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে তাকালেই তা বোঝা যাবে। বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মক্কা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং বাংলাদেশের এই চুক্তিতে যোগ দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু হবে না।
তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশই একাধিক নিরাপত্তা জোটের অংশ। জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে প্রয়োজন, বাংলাদেশ সেখানেই যোগ দেবে।
বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কিনতে কেউ চাপ দিচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কিনছে, কারণ এর প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও উড়োজাহাজ কেনা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
২৯ দিন আগে
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি চার্টার্ড ফ্লাইট নিউইয়র্কের সময় রাত ১০টা ২৫ মিনিটে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
এর আগে তিনি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে যোগদানের পর নিউইয়র্কের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ৮টায় লন্ডন স্ট্যানস্টেড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
নিউইয়র্কে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ফাঁকে কয়েকজন নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন।
শেখ হাসিনা ২০ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ বিতর্ক উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে (স্থানীয় সময় সাড়ে ৪টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে) ৭৭তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।
২০ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা, ৭৭তম ইউএনজিএ বিতর্কের উদ্বোধনী অধিবেশন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আয়োজিত সংবর্ধনা এবং 'ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স' শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।
একই দিনে তিনি স্লোভেনিয়ার প্রেসিডেন্ট বোরুত পাহোর এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডির সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন।
পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাল যুক্তরাজ্য আ.লীগ
২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী টেকসই আবাসন সংক্রান্ত একটি উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন (বাংলাদেশ, বতসোয়ানা, স্লোভাক প্রজাতন্ত্র এবং ইউএন হ্যাবিট্যাট এর সহ আয়োজক) এবং গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপ (জিসিআরজি) চ্যাম্পিয়নস মিটিংয়ে অংশ নেবেন এবং ইউএনএইচকিউতে পদ্মা সেতুর ওপর একটি স্থিরচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করবেন।
একই দিনে তিনি কসোভোর প্রেসিডেন্ট ড. ভজোসা ওসমানি-সাদ্রিউ এবং ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো মেন্ডোজার সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
এছাড়া ২১ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনার সঙ্গে ডব্লিউইএফ এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক শোয়াব ক্লাউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমা আলাদাভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
২২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর), রোহিঙ্গা ইস্যুতে উচ্চস্তরের অনুষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ যৌথ ব্যবসায়িক কাউন্সিলের সাথে একটি উচ্চ পর্যায়ের নীতিগত গোলটেবিল বিষয়ে প্রাতঃরাশ বৈঠকে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।
তিনি কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। একই দিনে আইওএম মহাপরিচালক আন্তোনিও ভিটোরিনো এবং আইসিসির প্রসিকিউটর নিক ক্লেগ ও করিম খানের সাথে দুটি পৃথক বৈঠক করবেন।
পড়ুন: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন শুধুমাত্র আ.লীগের আমলেই হয়: বিবিসিকে প্রধানমন্ত্রী
২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেবেন।
এছাড়া তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।
এরপর তিনি ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন এবং সেখানে ২ অক্টোবর পর্যন্ত থাকবেন।
ওয়াশিংটন থেকে ঢাকার উদ্দেশে লন্ডনে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির পর ৪ অক্টোবর ভোরে দেশে ফেরার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার।
এর আগে রানির শেষকৃত্য ও নতুন রাজার সিংহাসন আরোহণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী।
পড়ুন: ‘একজন অভিভাবকের বিদায়’: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শেষ শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
১৪৭৫ দিন আগে
বিএনপি আগামী নির্বাচন বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী
জেতার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনিবলেন, ‘তারা জানে নির্বাচনে তাদের জেতার কোনো সম্ভবনা নেই। তাই তাদের চেষ্টা হলো এটাকে বিতর্কিত করা। জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং যে কোনো উপায়ে তাদের (জনগণের) ক্ষতি করা।’
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে সোমবার বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের ফলাফল শূন্য: মির্জা ফখরুল
শেখ হাসিনার বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘একজন (খালেদা জিয়া) এতিমের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত এবং আরেকজন (তারেক রহমান) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।’
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘তারা জানে তারা জিততে পারবে না। একটা দল কীভাবে জিতে? এর নেতৃত্ব কোথায়? একজন এতিমের টাকা আত্মসাত করে সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং আরেকজন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক। তারা এখনও (দলের) নেতৃত্বে। জনগণ কোন ভরসায় তাদের ভোট দেবে।’
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
পড়ুন: বাংলাদেশ ‘উন্নয়নের বিস্ময়’: বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব
জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধানমন্ত্রী
১৮২৬ দিন আগে
রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন থেকে দেশে আসার পথে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কিতে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতি শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৬তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য দুই সপ্তাহের সরকারি সফর শেষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি চার্টার্ড ফ্লাইট ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কি থেকে স্থানীয় সময় সকাল ১০.৫৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
শুক্রবার রাত সোয়া ১০টায় বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন। ফিনল্যান্ডে দুই দিনের বিরতির পর তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছেছিলেন।
পড়ুন: ওয়াশিংটন থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেয়ার পাশাপাশি উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং সরকার, দেশ ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন।
তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘের বাগানে একটি বেঞ্চ উন্মোচন করেন। পরে, প্রধানমন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে যান।
ওয়াশিংটনে থাকার সময় শেখ হাসিনা নবনির্মিত ‘বাংলাদেশ হাউস’ উদ্বোধন করেন।
পড়ুন: জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধানমন্ত্রী
জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় জোরালো পদক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রী
১৮২৯ দিন আগে
দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের কঠোর সমালোচনায় প্রধানমন্ত্রী
বিদেশে বসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘কিছু লোক বিদেশে অবস্থান করে দেশের সমালোচনা করে এবং ভাবমূর্তি নষ্ট করে। আমরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে উন্নীত করেছি, এখন তাদের লক্ষ হচ্ছে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করা।’
শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘কিছু লোক আওয়ামী লীগ সরকারকে অবৈধ বলে অভিহিত করছে। আমার প্রশ্ন হলো কীভাবে তারা এই শব্দগুলো উচ্চারণ করার সুযোগ পায় (সরকারের সমালোচনা)? আমরা বাংলাদেশকে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' হিসেবে গড়ে তুলেছি বলে তারা এটা বলার সুযোগ পেয়েছে।’
বিএনপি ও জামায়াতের কাছ থেকে সরকারের সমালোচনাকারীরা অর্থগ্রহণ করে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি তারা নীতিবান হয় এবং তাদের কোন আদর্শ থাকে, তাহলে তারা আমাদের তৈরি করা ডিজিটাল সিস্টেমগুলো কেন ব্যবহার করে?।’
আরও পড়ুন: জাতিসংঘ অধিবেশনে একমঞ্চে ৩ বাংলাদেশি নারী
সরকার প্রধান বলেন, হাইকোর্ট জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সরকারকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করেছে কারণ তারা সামরিক আইন জারি করে তাদের সরকার গঠন করেছে।
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের স্ত্রী এতিমদের অর্থ আত্মসাতের জন্য সাজাপ্রাপ্ত এবং তার ছেলে (তারেক রহমান) ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এমনকি তাদের দুর্নীতির তথ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনও (এফবিআই) প্রকাশ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি দেশের মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে এত বেশি অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছে যে তারা একজন এফবিআই লোককে নিয়োগ করেছিল যা পরে এফবিআই প্রকাশ করে।’
জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনে জয়ের শক্তি এবং সাহস থাকলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে।’
বিএনপির শাসনামলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছিল, কিন্তু সব রাজনৈতিক দল সেই নির্বাচন বর্জন করে এবং জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। যেহেতু জনগণ তাদের ভোট দেয়নি, তাই তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি।
আরও পড়ুন: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শেখ হাসিনার ছয় প্রস্তাব
বাংলাদেশ ‘উন্নয়নের বিস্ময়’: বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব
১৮৩৫ দিন আগে
জাতিসংঘ অধিবেশনে একমঞ্চে ৩ বাংলাদেশি নারী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে নারীদের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্বের এক বিরল দৃষ্টান্ত নিয়ে হাজির হয়েছে বাংলাদেশ।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে ১৭তম বারের মতো বাংলায় ভাষণ দেয়ার সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। যিনি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। রাবাব ফাতিমা প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান।
এছাড়া মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা। বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে কাউন্সেলর তৃতীয় নারী যিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তা ইংরেজীভাষী বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।
এর আগে এ বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া এক বছরের জন্য ৭৬তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সহ সভাপতি নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনিা তার ভাষণে করোনাকে একটি সাধারণ শত্রু হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিশ্বনেতাদের সামনে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে নতুন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর ধারণা সংবলিত ছয়টি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও এই মহামারি আরও বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে বলে মনে হচ্ছে। সেজন্য এ অভিন্ন শত্রুকে মোকাবিলা করার জন্য অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আমাদের অনেক বেশি নতুন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈশ্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়ে আমি কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরতে চাই।
তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে হবে।
রাবাব ফাতিমা বলেন, ‘অধিবেশনে সভাপতিত্ব করা একটি বিশেষ সম্মানের বিষয়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ি আলম সাধারণ পরিষদ হলে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শেখ হাসিনার ছয় প্রস্তাব
বাংলাদেশ ‘উন্নয়নের বিস্ময়’: বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব
১৮৩৫ দিন আগে
রোহিঙ্গা সংকট: বিশ্ব সম্প্রদায়ের দ্রুত উদ্যোগ চান শেখ হাসিনা
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে কথামালার ঊর্ধ্বে এসে বিশ্ব সম্প্রদায়কে দ্রুত উদ্যোগী হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে কথামালার ঊর্ধ্বে এসে আমাদের বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এই সংকটের সমাধান না আসা পর্যন্ত বাংলাদেশ সবার সাথে কাজ চালিয়ে যাবে।’
বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ‘হাই-লেভেল সাইড ইভেন্ট অনফোরসিবলি ডিসপ্লেস মিয়ানমার ন্যাশনালস (রোহিঙ্গা) ক্রাইসিস: ইম্পারেটিভস ফর এ সাস্টেইনেবল সলিউশন’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের মোট ২৩ জন বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানের পর স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সকল বক্তারা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বার বার বলে আসছি যে তারা মিয়ানমারের নাগরিক এবং তাদের অবশ্যই নিরাপদে এবং আত্মমর্যাদার সাথে মিয়ানমারে ফিরে যেতে হবে। আমাদের সবাইকে বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এটি করার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করতে হবে।’
তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের বন্ধু এবং উন্নয়ন সহযোগীদের এই বিষয়ে বাংলাদেশের চেষ্টার সহযোগিতা করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: কোভিড টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ হিসেবে ঘোষণা করা দরকার: প্রধানমন্ত্রী
সম্ভাবনাময় খাতে মার্কিন বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
১৮৩৭ দিন আগে
কোভিড টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ হিসেবে ঘোষণা করা দরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘কার্যকরভাবে বিশ্ব্যাপী টিকা দেয়ার জন্য কোভিড-১৯ টিকাগুলোকে বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ হিসেবে ঘোষণা করা দরকার। সার্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য উন্নয়নশীল এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে টিকা উৎপাদনের সুযোগ দেয়া উচিত।’
প্রধানমন্ত্রী ‘হোয়াইট হাউস গ্লোবাল কোভিড-১৯ সামিট: এন্ডিং দ্যা প্যানডেমিক এন্ড বিল্ডিং ব্যাক বেটার হেলথ সিকিউরিটি’ শীর্ষক পূর্বে ধারণকৃত বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই সম্মেলনের আহ্বান করেছেন।
পড়ুন: সম্ভাবনাময় খাতে মার্কিন বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ তিন দফা পন্থা অবলম্বন করেছে। সেগুলো হলো পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা, যন্ত্রপাতি, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও সম্পদ বরাদ্দ করে জীবন বাঁচানো, নাগরিকদের জীবন সুরক্ষায় বিশেষ করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীকে সহায়তা এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অর্থনৈতিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনা।
কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। দরিদ্র, বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীসহ ৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন উপকারভোগীদের ১৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিতরণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৩৫ মিলিয়নেরও বেশি টিকার ডোজ দেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০২২ সালের আগস্টের মধ্যে আমাদের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা না দেয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ২ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা করছি।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো, আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসা এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রমুখ বক্তব্য দেন।
পড়ুন: জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধানমন্ত্রী
জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় জোরালো পদক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রী
১৮৩৭ দিন আগে