পুরোহিত
ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি দেওয়ার কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের হাতে সম্মানি তুলে দিয়ে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজক ও পালকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সম্মানি প্রদান করা হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ থেকে ইমাম ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।
২১ দিন আগে
ফ্রান্সের ক্যাথলিক চার্চের ৩ হাজার যাজক শিশু নির্যাতনকারী
ফ্রান্সের রোমান ক্যাথলিক চার্চগুলোর মধ্যে যৌন নিপীড়ন পরীক্ষা করে একটি স্বাধীন কমিশন বলেছে যে,গত ৭০ বছরে চার্চে কাজ করেছে এমন দুই-তৃতীয়াংশ (প্রায় তিন হাজার) যাজক শিশু নির্যাতনের সাথে জড়িত ছিলেন।
জার্নাল ডু ডিমানচে পত্রিকায় রবিবার প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে কমিশনের সভাপতি জিন-মার্ক সাওভা এই তথ্য দেন।
কমিশনটি ২১/২ বছর ধরে তদন্ত করছে।এর পূর্ণাঙ্গ ফলাফল মঙ্গলবার প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: লিবিয়ায় অভিবাসী বিরোধী অভিযানে আটক ৪০০০
সাক্ষাৎকারে সাওভা যৌন নির্যাতনের শিকারদের সংখ্যা সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি,কিন্তু বলেছেন যে প্রতিবেদনে একটি নতুন অনুমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শিশু নির্যাতনকারীদের তদন্তকারী কমিশনের কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা -১৯৫০ থেকে ১১ হাজার ৫০০ যাজক এবং গির্জার লোকদের মধ্যে তিন হাজার জনকে মূল্যায়ন করেছি। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ ডায়োসেসান যাজক।’
আরও পড়ুন: ইকুয়েডরে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ১১৬
তিনি বলেন, ২২টি মামলা অভিযোগকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে, যেগুলো এখনও চলতে পারে। সাওভি বলেন, ৪০টিরও বেশি অভিযোগ যা বিচারের জন্য খুব পুরানো কিন্তু সন্দেহভাজনদের সাথে জড়িত যারা এখনও জীবিত রয়েছে তাদের বিষয়টি চার্চের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
পত্রিকাটি তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত, চার্চটি ভুক্তভোগীদের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন,তাদের অস্তিত্ব নেই,শিশুদের ওপর যে কষ্ট দেয়া হয় তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
তিনি বলেন,আমাদের উদ্দেশ্য হল সমস্ত অপরাধীদের ধরন ও কারণগুলো চিহ্নিত করা এবং সমস্ত পরিণতি তুলে ধরা।
আরও পড়ুন: কোভিড-১৯: বিশ্বে মৃত্যু ৪৮ লাখ ছাড়াল
১৬৪৩ দিন আগে