জাবি উপাচার্য
১৯৭১-এর সঙ্গে ২০২৪-এর কোনো দ্বন্দ্ব নেই: জাবি উপাচার্য
১৯৭১-এর সঙ্গে ২০২৪-এর কোনো দ্বন্দ্ব নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপাচার্য বলেন, ‘১৯৭১-এর সঙ্গে ২০২৪-এর কোনো দ্বন্দ্ব নেই। ২০২৪-এর পর যে বিভ্রান্তি লক্ষ করছি, তাতে ঐক্য বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অন্যায়, বৈষম্য ও মাফিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্য ধরে রাখা জরুরি। যেকোনো মূল্যে ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। ন্যায়ভিত্তিক মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ রচনা করতে সবার একযোগে কাজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে জাবিতে বিক্ষোভ
উপাচার্যের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর শিক্ষক সমিতি, মহিলা ক্লাব, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়ন, বিভিন্ন আবাসিক হল ও বিভাগের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এদিন ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে সূর্যোদয়ের সময় প্রশাসনিক ভবনে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জাতীয় পতাকা এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান এবং অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল (মঙ্গলবার) জাবিতে ‘গণহত্যা দিবস’ পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাত সাড়ে ১০টায় এক মিনিট প্রতীকী ‘ব্লাক-আউট’ কর্মসূচি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
৯ দিন আগে
জাকসু নির্বাচন আগামী ২১ মের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে: জাবি উপাচার্য
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন চলতি বছরের ২১ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের এ কথা জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জাকসুর সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতেও এ তথ্য জানানো হয়।
উপাচার্য জানান, জাকসু নির্বাচন ২০২৫ সালের মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে (২১ মের মধ্যে) অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন জাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের ন্যূনতম ২১ দিন আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করবে।
আরও পড়ুন: জাবিতে শেখ মুজিবের ম্যুরাল ও গ্রাফিতি মুছে দিল শিক্ষার্থীরা
এসময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, এর আগে আমাদের যে আশ্বাস দিয়েছিলেন, দলীয় প্রেসার হোক, কোন সংগঠনের প্রেসার হোক কিংবা কিছু শিক্ষকদের অসহযোগিতা হোক; আপনারা সেই কথা রাখতে পারেননি, আমরা চাই আজকের আশ্বাসই সবশেষ আশ্বাস হোক।
গত ৩০ ডিসেম্বর জাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোডম্যাপ অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণার তারিখ থাকলেও ছাত্রদলের সংস্কারের দাবির মুখে তা হয়নি।
৫৬ দিন আগে
বিশিষ্ট নাট্যকার আফসার আহমেদ আর নেই
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট নাট্যকার ড. আফসার আহমেদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। শনিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর পৌনে দুইটার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সোমা মুমতাজ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘একটা ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান শেষে শনিবার সকালে যশোর বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার পর তার হৃদযন্ত্রে সমস্যা দেখা দেয়। এরপর চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে সরাসরি জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) তাকে ভর্তি করা হয়। অবস্থা অবনতি হলে দুপুর পৌনে ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।’
আরও পড়ুন: করোনায় মারা গেলেন কবরী
নাট্যকার ড. আফসার আহমেদের মৃত্যুতে জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘অত্যন্ত গুণী এ অধ্যাপকের মৃত্যুতে বাংলা নাট্য অঙ্গনে যে ক্ষতি হলো তা অপূরণীয়। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।’
অধ্যাপক ড. আফসার আহমেদ ১৯৫৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার উত্তর জামশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৬-৮৭ সালে যোগ দেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে। গুণী এই অধ্যাপক একাধারে কবি, নাট্যকার, অনুবাদক, গবেষক ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন।
আরও পড়ুন: সৌমিত্রের মৃত্যুর ৫ মাসের মধ্যে মারা গেলেন তার স্ত্রী দীপা
করোনায় মারা গেলেন সাবেক এমপি খুররাম খান
১২৭৩ দিন আগে