বিশ্ব ইজতেমা
জুবায়েরপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা জানুয়ারিতে ২ পর্বে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তাবলিগ জামাতের মাওলানা জুবায়েরপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা আগামী জানুয়ারিতে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে। তবে মাওলানা ওয়াসিফুল ইসলাম বা সাদপন্থীদের ইজতেমা কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
সাদপন্থী নেতাদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মাওলানা জুবায়েরপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে বিশ্ব ইজতেমা তাবলিগ জামাতের দুই অংশের একটি অংশ, যারা সাদপন্থী হিসেবে পরিচিত, তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ইতোপূর্বে কয়েক দিন আগে ইজতেমার আরেক অংশ জুবায়েরপন্থী হিসেবে যারা পরিচিত, তাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল। তখনই আমরা বলেছিলাম, অপর অংশের সঙ্গেও আলোচনা করব।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রথম সভায় প্রাথমিকভাবে তারিখ নির্ধারণের যে সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করেছিলাম, সেটা এই অংশকে জানিয়েছি।
মন্ত্রী বলেন, গতবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের শেষ দিকে জাতীয় নির্বাচনের কারণে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। তাই এ বছর আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করেছি, এটা দুই পর্বে হবে, অর্থাৎ আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মাঠেই এটা অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, উভয় পক্ষের দাবি, বিশ্ব ইজতেমার মাঠ যেন তারা ব্যবহার করতে পারেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা একটি চিঠি এবং একই বছরের ২৭ জানুয়ারি জারি করা আরেকটি পত্রের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, এই দুইটা পত্রের সারমর্ম হচ্ছে—তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ মাওলানা সাদ অনুসারীরা আগামী বছর বিশ্ব ইজতেমা টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে করবেন না। জুবায়েরপন্থীরা দাবি করছেন, যেহেতু তারা সম্মত হয়েছিলেন যে শেষবারের মতো তারা টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা করবেন, সাদপন্থীরা আগামী থেকে এটা আর ব্যবহার করতে পারবেন না, অন্য কোনো জায়গায় করবেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তবে আজকের আলোচনায় দেখা গেল, এটাতে সাদপন্থীগণ একমত নন। তাদের দাবি হচ্ছে, এটা কীভাবে তারা সই করেছেন, তারা জানেন না। আমরা তো সরকারের দায়িত্বে তখন ছিলাম না। তখন যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সঙ্গে উভয় পক্ষের আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে এটা অনুষ্ঠানের জন্য এই সিদ্ধান্তে তারা এসেছিলেন এবং সবাই তখন একমত হয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, সাদপন্থীদের দাবি হচ্ছে, জুবায়েরপন্থীদের দুই পর্বের ইজতেমা শেষে যৌক্তিক সময়ের ব্যবধান রেখে তারা এক পর্বে ইজতেমা করতে চান। তার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টা নিয়ে অপর পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব বলে জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলব।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা, যাতে কোনো ধরনের সংঘর্ষ না হয়। যেহেতু ইতোপূর্বে হতাহতের ঘটনার নজির রয়েছে, সেজন্য আমরা এটা লক্ষ্য রেখে সিদ্ধান্ত নেব।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু এখনও এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি, তাই এর বেশি এই মুহূর্তে বলতে পারবেন না।
এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুবায়েরপন্থীরা প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা করবেন। আর সাদপন্থীদের প্রস্তাব হচ্ছে, ওই দুই পর্বের পর রমজান শুরুর আগে মধ্যবর্তী সময়ে এক পর্বে ইজতেমা করা। অথবা জানুয়ারির দুই পর্বের আগে নভেম্বরের শেষ দিকে ইজতেমা করার প্রস্তাবও তারা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘এটা হচ্ছে তাদের প্রস্তাব। আমরা বলেছি, অপর পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানাব।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুবায়েরপন্থীদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব ছিল, সাদপন্থীরা যেন বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ছাড়া অন্য কোনো জায়গায় ইজতেমা আয়োজন করেন। সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করার কথাও তাদের জানানো হয়েছে। তবে সাদপন্থীরা এ প্রস্তাবে একমত হননি।
তিনি আরও বলেন, তাবলিগ জামাত বিভক্ত হওয়ার আগে থেকেই বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। মূলত বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের কারণে সুবিধার্থে দুই পর্বে ইজতেমা আয়োজন করা হতো।
তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করার জন্য সরকার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মধ্যে একটি সমঝোতা তৈরির উদ্যোগ নিতে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
মাওলানা সাদ এবার বিশ্ব ইজতেমায় আসতে পারবেন কি না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাওলানা সাদ সাহেবের বাংলাদেশে আসার বিষয়টি ভিসা নীতির আওতায় ধর্ম মন্ত্রণালয় দেখবে। এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।’
প্রতিবার মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে কোনো না কোনো বাধা থাকে, এবারও সে ধরনের কোনো বাধা রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। ভিসা নীতি অনুযায়ী যেভাবে প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়, সেভাবেই নেওয়া হবে। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানা যাবে। বর্তমানে এ বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।’
৫ দিন আগে
‘আগামী বছর টঙ্গীতে নয়’ শর্তে এবার ইজতেমার অনুমতি মিলল সাদপন্থিদের
আগামী ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের টঙ্গী ময়দানে তাবলীগ জামায়াত বাংলাদেশ (মাওলানা সা’দের অনুসারী)-এর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে আগামী বছর থেকে টঙ্গী ময়দানে তারা ইজতেমা ও তাবলীগি কার্যক্রম করতে পারবেন না শর্তে এ বছর ইজতেমার অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এ বিষয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
উপসচিব আবু সাঈদ সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, টঙ্গী ময়দানে আগামী বছর থেকে ইজতেমা ও তাবলীগি কার্যক্রম না করার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এ বছর দ্বিতীয় পর্বে শুধুমাত্র ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সা’দপন্থিরা বিশ্ব ইজতেমা করতে পারবেন।
প্রজ্ঞাপনে বিশ্ব ইজতেমা-২০২৫ সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনটি সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১. তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের শুরায়ী নেজামের অনুসারীরা (মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের) ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইজতেমা ৫ ফেব্রুয়ারি সম্পন্ন করে ৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব ইজতেমা ময়দান প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করবেন।
আরও পড়ুন: আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব
২. তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ (মাওলানা সা’দ সাহেবের অনুসারী)-এর বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব আগামী ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ১৮ ফেব্রুয়ারি বাদ মাগরিব তারা ইজতেমা ময়দান প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করবেন।
তবে আগামী বছর থেকে তাদের বিশ্ব ইজতেমা ও তাবলীগি কার্যক্রম টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে করতে পারবেন না। এই শর্ত পূরণ সাপেক্ষেই কেবল এ বছর (১৪-১৬ ফেব্রুয়ারি) ইজতেমা করতে পারবেন।
৩. আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা ময়দান শুরায়ী নেজামের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে, রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) তুরাগ নদীর তীরে হাজার হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার তিন দিনব্যাপী প্রথম পর্ব।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে পাকিস্তানের মাওলানা মাওলা জিয়াউল হকের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়।
মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইজতেমা মাঠ ও এর আশপাশের এলাকায় সাদা পোশাকে কয়েক হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমা: দ্বিতীয় দিনে আরও মুসল্লির আগমন, ৩ জনের মৃত্যু
তাবলিগ জামাতের শুরায়ে নেজামের গণমাধ্যম সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, ইজতেমার তিন দিনে মোট পাঁচজন মুসল্লি মারা গেছেন।
আগামীকাল (বুধবার) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে শুরায়ে নেজামের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় ধাপ। এরপর আট দিন বিরতি দিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সা’দ অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা।
৫৮১ দিন আগে
বিশ্ব ইজতেমা: দ্বিতীয় দিনে আরও মুসল্লির আগমন, ৩ জনের মৃত্যু
৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিনে শনিবার শীর্ষ আলেমদের তেলাওয়াত ও কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা শুনছেন মুসল্লিরা।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে ইজতেমা শুরুর পর থেকে তিনজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।বিভিন্ন দেশের আড়াই হাজারের বেশি বিদেশি হাজিসহ কয়েক লাখো মুসল্লি ইজতেমা ময়দানে সমবেত হয়ে আল্লাহর ঐশ্বরিক নাম তেলাওয়াতসহ প্রার্থনা ও ইবাদতে মশগুল রয়েছেন।
শুক্রবার ফজরের নামাজের পর মাওলানা জিয়াউল হকের আম বয়ানের মধ্যদিয়ে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়।
শনিবার ফজরের নামাজের পর বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা খুরশেদ এবং তা বাংলায় অনুবাদ করেন মাওলানা ওবায়দুর রহমান।
এছাড়া বয়ান করবেন যথাক্রমে মাওলানা ইব্রাহিম দৌলা ও মাওলানা আকবর শরীফ।
এখনো দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা বাস, ট্রাক, নৌকা ও পায়ে হেঁটে তুরাগ নদীর তীরে ইজতেমা ময়দানে আসছেন।
আরও পড়ুন: ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষ: সাদপন্থী ওয়াসিফুলসহ ২৩ জনের আগাম জামিন
রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম পর্ব।
আজ বাদ আসর মাঠে গণবিয়ের অনুষ্ঠান হবে।
এছাড়া ইজতেমায় হবিগঞ্জ জেলার ইয়াকুব আলী নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দু'দিনে তিন মুসল্লির মৃত্যু হলো।
মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইজতেমা মাঠ ও এর আশপাশের এলাকায় সাদা পোশাকে কয়েক হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
১৯৬৭ সাল থেকে তাবলিগ জামাত এই ইজতেমার আয়োজন করে আসছে। ২০১১ সালে বিপুল সংখ্যক লোকের সমাগমের জন্য ইজতেমাকে দুই পর্বে ভাগ করা হয়।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমা: বিশেষ ট্রেন চালু করবে রেলওয়ে
৫৮৪ দিন আগে
ইজতেমায় খুনিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দখলকে কেন্দ্র করে দুইজন নিহতের ঘটনায় জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। খুনিদের কোনো অবস্থায়ই ছাড় দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে মিশর পৌঁছেছেন ড. ইউনূস
বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হতাহতের পর মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীদের নিয়ে প্রথমে বেলা ১১টায় বৈঠকে বসেন অন্তর্বর্তী সরকারের পাঁচজন উপদেষ্টা। এতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। পরে মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, আজকের মধ্যেই মামলা করবেন। প্রকৃত দোষীকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব।
বিশ্ব ইজতেমার তারিখ প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটা নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। সবাইকে একত্রিত করতে হবে। আপনারাও চাচ্ছেন সবাই এক হতে। তারা যদি আবার আলোচনা করে একটা সমাধানে আসতে পারে। তারা আলোচনা করার পর আমরা একটা সিদ্ধান্ত দেব।
আহতদের সুচিকিৎসা দেওয়ার জন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে হলেও সরকার নেবে বলে জানান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আরও পড়ুন: মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছেন: রিজভী
৬২৯ দিন আগে
আজ আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের বিশ্ব ইজতেমা
আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে আজ রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শেষ হচ্ছে এবারের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।
সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে ইজতেমার এ পর্বের আখেরি মোনাজাত।
ইজতেমার শেষ পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ঢাকা, গাজীপুরসহ সারা দেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দলে দলে ইজতেমা ময়দানে আসছেন।
ইজতেমা মাঠের মিডিয়া সমন্বয়কারী মো. সায়েম জানান, এ পর্বের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব: বয়ানের মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু, বিকালে যৌতুকবিহীন বিয়ে
এর আগে ইজতেমার ময়দানে সমবেত লাখ লাখ মুসল্লিদের উদ্দেশে ইমান, আমল ও দ্বীনের দাওয়াতসহ তাবলিগের ৬টি ওসুল বা মূলনীতির উপর হেদায়েতি বয়ানসহ গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করা হবে।
ফজরের নামাজের পর বয়ান করেন ভারতের মাওলানা মুফতি মাকসুদ। এই বয়ান বাংলায় তরজমা করেন মাওলানা আব্দুল্লাহ।
আরও পড়ুন: তুরাগতীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
শেষ পর্বের ইজতেমায় ৬২টি দেশের প্রায় ৮ হাজার বিদেশি মুসল্লি শরিক হয়েছেন।
গত রাতে ইজতেমা ময়দানে অসুস্থতার কারণে আরও এক মুসল্লি মারা গেছেন। এ নিয়ে এই পর্বে ইজতেমা ময়দানে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতে।
আখেরি মোনাজাতকে ঘিরে ট্রাফিক ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইজতেমা এলাকার সড়ক মহাসড়ক গুলোতে রয়েছে বিধি-নিষেধ।
শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ইজতেমা শেষ হবে বলে সবাই আশা করছেন।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু শুক্রবার
৯৪০ দিন আগে
বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব: বয়ানের মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু, বিকালে যৌতুকবিহীন বিয়ে
লাখো মুসল্লির আল্লাহু আকবার ধ্বনি, জিকির আসকার ও তাবলীগের দেশি-বিদেশি মুরুব্বিদের বয়ানের মধ্যে দিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হচ্ছে।
তাবলিগের লাখো মুসল্লির সঙ্গে অর্থ শতাধিক দেশের ৭ হাজারের বেশি মুসল্লি রয়েছেন ইজতেমা ময়দানে।
শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পর বয়ান করেন দিল্লির নিজামুদ্দিনের মাওলানা সাদের ছেলে মাওলানা সাঈদ বিন সাদ। এই বয়ান বাংলায় তরজমা করেন মুফতি ওসামা ইসলাম।
সকাল দশটার পর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা আব্দুল আজিম। জোহরের নামাজের পর বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা শরিফ। আসরের নামাজের পর বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা ওসমান। ওই বয়ানের পরেই অনুষ্ঠিত হবে যৌতুকবিহীন বিয়ে।
আরও পড়ুন: তুরাগতীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু
যৌতুকবিহীন ও নগদ দেনমোহর পরিশোধ পূর্বক গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ইজতেমার মূল বয়ান মঞ্চে।
ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ধ্বনিতে তুরাগ নদী তীরবর্তী বিশাল এলাকা যেন পবিত্র পুণ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। বিরাজ করছে এক অভূতপূর্ব ভাবগম্ভীরময় পরিবেশ।
আগামীকাল (রবিবার) সকালে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভি অনুসারীদের এই পর্ব ও এবারের ইজতেমা শেষ হবে।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু শুক্রবার
ইজতেমা থেকে ফেরার পথে ট্রাক উল্টে নিহত বেড়ে ৩
৯৪১ দিন আগে
বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু শুক্রবার
গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বের মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ জমায়েত তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।
ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ।
ইজতেমায় বাংলাদেশিসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি মুসল্লি ইতোমধ্যে ইজতেমায় জড়ো হয়েছেন।
শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়ে আগামী রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সমাপনী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
আরও পড়ুন: বেনাপোল দিয়ে ইজতেমার ভারতীয় মুসল্লিরা দেশে ফিরতে শুরু করেছে
ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল, ভুটান, সৌদি আরব, কুয়েত, ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠে পৌঁছেছেন।
এদিকে ইজতেমাস্থল ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ওই এলাকায় সাদা পোশাকের পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মোতায়েন থাকবেন।
গত ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হয় ৪ ফেব্রুয়ারি।
আরও পড়ুন: ইজতেমা থেকে ফেরার পথে ট্রাক উল্টে নিহত বেড়ে ৩
৯৪৩ দিন আগে
আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব
মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আজ রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
সকালে মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ তাবলিগ জামাতের নেতা ও ঢাকার কাকরাইল জামে মসজিদের প্রধান ইমাম মাওলানা হাফেজ জোবায়ের আহমেদ।
লাখ লাখ মুসল্লি মহান আল্লাহর কাছে দু'হাত তুলে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য রহমত কামনা করেন। তারা দেশের মঙ্গলও কামনা করে দোয়া করেন।
এর আগে ফজরের নামাজের পর পাকিস্তানি মাওলানা জিয়াউল হক আম বয়ান করেন, যা বাংলায় অনুবাদ করেন বাংলাদেশের মাওলানা নুরুল রহমান।
আখেরি মোনাজাতকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী-কামারপাড়া সড়ক, টঙ্গী থেকে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস পর্যন্ত এবং আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া বাইপাস পর্যন্ত শনিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রবিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে বলেন, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে দুপুর ২টায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে পারে বা সময় বাড়ানো হতে পারে।
আরও পড়ুন: ইজতেমা ময়দানে চলছে দ্বিতীয় দিনের বয়ান
ইজতেমায় আরও ৩ মুসল্লির মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১০
৯৪৭ দিন আগে
ইজতেমা ময়দানে চলছে দ্বিতীয় দিনের বয়ান
লাখো মুসল্লির আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ধ্বনি, জিকির-আসকার ও তাবলীগের দেশি-বিদেশি মুরুব্বিদের বয়ানের মধ্য দিয়ে ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হচ্ছে।
তাবলীগের লাখো মুসল্লির সঙ্গে অর্ধ শতাধিক দেশের ২ হাজারের বেশি মুসল্লি রয়েছেন ইজতেমা ময়দানে। ইজতেমার কর্মসূচিতে দ্বিতীয় দিনে চার ওয়াক্ত নামাজ শেষে বয়ান, তালিম যৌতুকবিহীন বিয়ে, তাসকিলে নতুন করে চিল্লায় নাম লেখানো- এসব কর্মসূচি রয়েছে।
শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ফজর নামাজের পর বয়ান করেন ভারতের মুম্বাইয়ের মাওলানা আব্দুর রহমান। বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মতিন। যোহর নামাজের পর ভারতের গোধরার মাওলানা ইসমাইল, বাদ আছর মাওলানা জুহাইরুল হাছান ও বাদ মাগরিব মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা বয়ান করবেন।
আরও পড়ুন: ইজতেমায় ডিউটিতে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় এএসআই নিহত
আছরের নামাজের পর যৌতুকবিহীন ও নগদ দেনমোহর পরিশোধ পূর্বক গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ইজতেমার মূল বয়ান মঞ্চে।
ইজতেমায় আরও একজন মুসল্লি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। এ নিয়ে এ পর্বে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে।
ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকা নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরলস ভবে কাজ করে যাচ্ছেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১৫ হাজার সদস্য ময়দানের ভেতরে ও বাইরে কাজ করছেন। সিসিটিভি ও ওয়াচটাওয়ার দিয়ে পুরো ময়দান ও আশপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের লোকজন নানা ধরনের সেবামূলক কাজ করছেন।
রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রথম পর্বের ইজতেমা শেষ হবে।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু
ইজতেমা প্রাঙ্গণে এ পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু
৯৪৮ দিন আগে
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু
গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ফজর নামাজের পর পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাটলার আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
তাবলীগ জামাত আয়োজিত মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই জমায়েতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই বয়ান বাংলায় তরজমা করছেন এদেশের মাওলানা নুরুর রহমান।
শীত ও বৃষ্টিসহ নানা ভোগান্তি উপেক্ষা করে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লির পদচারণায় মুখরিত বিশ্ব ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের এলাকা। শুক্রবার ফজর নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হবে আগামী রবিবার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে। ৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা শুরু হবে।
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, ‘মাওলানা আহমদ বাটলার বয়ানের পর সকাল ১০টায় তালিমী বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। তালিমী বয়ানের পরপরই দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজের প্রস্তুতি শুরু করা হবে।’
আরও পড়ুন: ইজতেমা উপলক্ষে সড়ক ও পার্কিং নির্ধারণ করল ডিএমপি-জিএমপি
তিনি আরও বলেন, ‘ইজতেমা ময়দানে জুমার নামাজ পড়াবেন মাওলানা ক্বারী জোবায়ের। জুমার নামাজের পর বয়ান করবেন জর্ডানের মাওলানা উমর খতিব, আছরের নামাজের পর বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়ের ও মাগরিবের পর ভারতের মাওলানা আহমদ লাট বয়ান করবেন।’
বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের পরপরই ইজতেমা ময়দানে জড়ো হওয়া লাখ লাখ মুসল্লি বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। যারা ইজতেমার মূল ময়দানে জায়গা না পেয়ে তুরাগ নদীর অপরপ্রান্তে কিংবা সড়কের পাশের ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন তাদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
এরই মধ্যে ভারত পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল, ভুটান, সৌদি আরব, কুয়েত, ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে সহস্রাধিক মুসল্লি এসেছেন ইজতেমা ময়দানে।
ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
আরও পড়ুন: ইজতেমা উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের নির্দেশনা
ময়দানের ভেতরে ও বাইরে সাদা পোশাকে মোতায়েন করা হয়েছে গোয়েন্দা কর্মকর্তা। পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছে র্যাব। ওয়াচ টাওয়ার থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিন মুসল্লির মৃত্যু
এবারের ইজতেমায় দুদিনে ৩ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- ইউনুছ মিয়া (৬০), জামান (৪০) ও আব্দুস সাত্তার (৭০)। এদের মধ্যে ইউনুছ মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায়, জামানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এবং আব্দুস সাত্তারের বাড়ি নেত্রকোণা জেলায়। আব্দুস সাত্তার বৃহস্পতিবার ও বাকি দুজন বুধবার মারা যান।
আরও পড়ুন: তুরাগ তীরে চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি
৯৪৯ দিন আগে