মির্জা ফখরুল
গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে শিক্ষা, বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারা কুকের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষা খাতে সাম্প্রতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে যুক্তরাজ্য আগ্রহী। একই সঙ্গে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবসময় যুক্তরাজ্যকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র আরও সুসংহত হবে বলে তিনি আশা করেন। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান।
এদিকে, একইদিন স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে ইউনাইটেড নেশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাতে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ইউএনওপিএসের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
জাইকা বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও জনসেবামূলক বিভিন্ন খাতে জাইকার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জাইকার মধ্যকার সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) সচিবালয়ে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাইকার চলমান এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে চান। আমরা সবাই তার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে সরকার। এ ক্ষেত্রে জাইকার অভিজ্ঞতা, কারিগরি সহায়তা ও বিনিয়োগ দেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও জাইকার দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারত্বকে আরও সুসংহত করবে এবং স্থানীয় সরকার খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে।
৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর বাংলাদেশের কূটনীতিতে নতুন মাইলফলক: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, এই সফরের ফলে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও সম্মানের ভিত্তিতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর উপলক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর নতুন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে।
তিনি জানান, সফরকালে বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে মালয়েশিয়া ও চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে, যা এ ইস্যুতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের আগে বা পরে জনসমাগমনির্ভর সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি পরিহার করে রাষ্ট্র পরিচালনায় সংযম, দায়িত্বশীলতা ও জনবান্ধব রাজনৈতিক চর্চার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে আরও ইতিবাচক ও আধুনিক ধারায় এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে অর্জিত সমঝোতা ও সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
১২ দিন আগে
বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্রগুলো চালুর আশ্বাস স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্রগুলো তথ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় পুনরায় চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেও সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘১৬ জুন-সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আমরা সবসময় সাংবাদিক বন্ধুদের পাশে পেয়েছি। অত্যন্ত কঠিন সময়গুলোতেও তারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আমি কখনো ভুলতে পারি না, যেদিন রাতে প্রেসক্লাবে আমাকে আটক করে রাখা হয়েছিল, সেদিন সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে আমার প্রাণ রক্ষা করেছিলেন।
তিনি সাংবাদিক সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দেশের সংকটময় সময়ে তাদের অবদান কখনো ভোলার নয়। গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিকদের অবদান জাতি স্মরণ রাখবে।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতের নানা প্রতিকূল সময়ের তুলনায় বর্তমানে সাংবাদিকরা অনেক বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখনও অনেক সাংবাদিক কর্মহীন রয়েছেন। তথ্যমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদপত্রগুলো পুনরায় চালু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেও সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার ছিল সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে সরকারের ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ চলছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি কার্যকর নীতিনির্ধারণী ফোরাম গঠন জরুরি। পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণমুখী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে, কেননা গণমাধ্যমের দায়িত্ব দেশের সমগ্র জনগণের স্বার্থ ও উন্নয়নের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।
আলোচনা সভায় সাংবাদিক নেতা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
২৩ দিন আগে
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের রূপকার জিয়াউর রহমান: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
আলোচনা সভা শুরুর আগে অতিথিরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক দর্শনভিত্তিক আলোকচিত্র ও তথ্যসংবলিত প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম এবং রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের অবদান বহুমাত্রিক। তিনি শুধু রাষ্ট্র পরিচালনা করেননি, জাতির জন্য একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দর্শনও উপস্থাপন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটি অবদান হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। তার নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছিল এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ বিস্তৃত হয়েছিল।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেত। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা দেশের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছিল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক তখনই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেন, যখন তিনি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতির চর্চা করেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্রগঠনে তার অবদান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা এবং গণমাধ্যমবান্ধব কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
২৫ দিন আগে
‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে যুবদলকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান ফখরুলের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্য ও ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের নিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় সারা দেশ থেকে আগত যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়নে দেশের তরুণ সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। যুবদল সেই লক্ষ্য অর্জনে একটি কার্যকর শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।
তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে তরুণদের হাত ধরেই। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।
এর আগে, আজ সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘রোডম্যাপ অন ট্রেড গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি কনফারেন্স’-এ বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
২৬ দিন আগে
আমাদের উন্নয়নে চীন সমর্থন করছে: মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন সমর্থন দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁও শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-চীনের যৌথ উদ্যোগে ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি । এ সময় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. ইয়াও ওয়েন।
‘তরুণ মেধার বিকাশ, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রায় সাড়ে ৬ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুলব্যাগ, খাতা, কলমসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিশ্বের মধ্যে একটি উন্নত দেশ চীন এবং প্রতিনিয়তই তারা উন্নত হচ্ছে। চীন বিভিন্ন দেশের জনগণের উন্নয়ন করছে। আমাদের উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তারা সমর্থন দিচ্ছে। তাই আমি ওনাদের দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের কিছু কাজ করাতে চাই। চীনের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, চলতি বছরের ও আগামী বছরের মধ্যে কলকারখানা স্থাপন করার জন্য চীন থেকে একটি প্রতিনিধিদল এখানে আসবেন, দেখবেন ও ভিজিট করবেন।’
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের নিয়ে কাজ করতে চান। শিশুদের ভালোভাবে লেখাপড়া করাতে চান, তাদের উন্নত করতে চান। এজন্য তিনি কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীদের পোশাক, শিক্ষাসামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ সেই সঙ্গে শিশুরা যাতে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে পারে সেই প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
আজকের চীন যে এত উন্নত হয়েছে, তারা তাদের নিজের চেষ্টায় উন্নত হয়েছে। তাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে ও কাজ করে উন্নত হয়েছে। কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না বলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব।
পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী বলেন, ‘চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. ইয়াও ওয়েন বলেছেন, প্রতিবছর বাংলাদেশের জনগণের জন্য কিছু বিতরণ করা হবে। আপনারা জানেন যে শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ। আমি আশা করি, এই শিক্ষা সামগ্রী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমকে বেগবান করবে। এখানে অনেক কৃষি জমি আছে। সেদিক দিয়ে আমরা কাজ করতে চাই এবং চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে একটি প্রতিনিধিদল আসবেন আপনাদের এখানে ভিজিট করতে।’
তিনি আরও বলেন, আগামী বছরের মধ্যে এখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে চীন সফর করা হবে। পর্যায়ক্রমে সবাই চীনে সফর করার সুযোগ পাবেন এবং বাংলাদেশ ও চীনের বুন্ধুত্বপূণ সম্পর্কের গুরুত্ব ও সমর্থন দেওয়া হবে।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পায়গাম আলীসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ দিন আগে
ঢাকার পানি সংকট কাটাতে সুখবর দিলেন মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাকার ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা মেটাতে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমাতে মেঘনা নদীর পানি পরিশোধন করে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে সরবরাহ করা হবে।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পের আওতায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্বপুরে নির্মাণাধীন দৈনিক ৫০ কোটি লিটার সক্ষমতার পানি শোধনাগার (ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এতদিন ঢাকা শহরের জন্য আমরা মূলত ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করতাম। অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে পানির স্তর প্রায় এক হাজার মিটার পর্যন্ত নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, যা একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সংকট মোকাবিলায় মেঘনা নদীর পানি পরিশোধন করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে সরবরাহ করা হবে।
তিনি জানান, প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন হবে বলে সরকার আশা করছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। একই ধরনের আরও একটি প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি বাস্তবায়িত হলে অতিরিক্ত আরও ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা যাবে। দুটি প্রকল্প মিলিয়ে প্রতিদিন ১০০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি ঢাকার দুই সিটিতে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
এর আগে, সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি প্রকল্প-সংক্রান্ত এক সভায় অংশ নেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
৩১ দিন আগে
জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনতার সূচনা, তারেকের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে দেশ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমরা আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব, দেশের মানুষ এখন সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।
এর আগে, অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক অবদানভিত্তিক সংবাদপত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে তার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়নে অবদানসংবলিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও দলিল উপস্থাপন করা হয়।
৩৫ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় হবে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত: মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রূপ দিতে ও বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট যেকোনো নিয়োগে কোন ধরনের স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব বরদাশত করা হবে না। শুধুমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হবে। কারণ আমরা এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সত্যিকার অর্থেই বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে চাই।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠের পশ্চিম পাশে তাঁতীপাড়ায় স্থাপিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও প্রত্যাশার প্রতিফলন। একটি আধুনিক ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে হলে শিক্ষার মানের সঙ্গে কখনো আপস করা যাবে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো দলীয় প্রভাব চলবে না, কোনো স্বজনপ্রীতি চলবে না। যাদের সর্বোচ্চ যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকবে, তারাই নিয়োগ পাবেন।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই দাবি বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে উপাচার্য নিয়োগও সম্পন্ন হয়েছে এবং অস্থায়ী এ কার্যালয়ও চালু হলো যা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান, প্রফেসর মনতোষ কুমার দে, বিএনপির জেলা সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন প্রমুখ।
এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, বিএনপির জেলা সেক্রেটারি পয়গাম আলী, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল লতিফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক ও সুধীজন।
৪১ দিন আগে