মির্জা ফখরুল
জামায়াত একটি উগ্রবাদী দল: মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘উগ্রবাদী দল’ আখ্যা দিয়ে তাদের উত্থানের পেছনে আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি গত ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে, তার আগেও করেছে। জনগণের কল্যাণের জন্য বিএনপি কাজ করেছে, জনগণের সঙ্গে থেকেছে। বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় হবে।
জামায়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট শাসন ছিল। যখনই গণতন্ত্র চাপা থাকে, তাকে যখন আটকে দেওয়া হয়, তার যখন কণ্ঠ রুদ্ধ করা হয়; তখন অন্য উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং সেটাই এদেশে হয়েছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে যেটুকু উত্থান হয়েছে জামায়াতের, সেটা আওয়ামী লীগের কারণে। তাদের দমন-পীড়নমূলক যে শাসন, বিরোধী দলকে ফাংশন করতে না দেওয়া, তাদের ইনোসিয়েট করতে না দেওয়া, এর কারণে এমন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট (প্রত্যাখ্যান) করেছে। বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মেজরিটি (সংখ্যাগরিষ্ঠতা) পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু, সৎ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির মধ্য দিয়ে সব অপপ্রবণতাগুলো রুখে দিতে সক্ষম হবে।’
নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভের জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ১২৯ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১২৯টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৪৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অপরদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামী মনোনীত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৩৬৮ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ১০৪টির মধ্যে ৮১টি কেন্দ্রের ফলাফলে মাওলানা আব্দুল হাকিম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৮৯ ভোট এবং ডা. আব্দুস সালাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৭৮২ এবং
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ) ২৭ হাজার ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াতের মিজানুর রহমান।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে দুইজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩ জন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ৭ জন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
তিনটি আসন মিলিয়ে জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৫৫ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৮৮ জন, পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ৭০ হাজার ২২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭ জন।
জেলায় পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ১০ হাজার ২৯২ জন ভোটার, যার মধ্যে নারী ২ হাজার ৩২৬ জন এবং পুরুষ ৭ হাজার ৯৬৬ জন।
৪ দিন আগে
ভোট এতটা উৎসবমুখর হবে তা কেউ ভাবেনি: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভোট এবার এতটা উৎসবমুখর হবে, এটা কেউ ভাবেনি। মানুষের যে আগ্রহ, যে উচ্ছ্বাস সারা দিনে প্রায় শতাধিক কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি। নির্বাচন অনেক সুন্দর হয়েছে। জনগণ এবার একটি নির্বাচিত সরকার ও পার্লামেন্ট পাবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমার বিশ্বাস নির্বাচনে ভালো রেজাল্ট আসবে ও ফলাফলও ভালো হবে। এর ফলে জনগণ একটি নির্বাচিত সরকার পাবে ও পার্লামেন্ট পাবে, যার জন্য আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর লড়াই সংগ্রাম করেছি।
এ ছাড়াও নির্বাচনে বিজয়ের বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে দুইজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩ জন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ৭ জন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
তিনটি আসন মিলিয়ে জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৫৫ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৮৮ জন, পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ৭০ হাজার ২২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭ জন।
জেলায় পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ১০ হাজার ২৯২ জন ভোটার, যার মধ্যে নারী ২ হাজার ৩২৬ জন এবং পুরুষ ৭ হাজার ৯৬৬ জন।
৪ দিন আগে
গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন করে শুরু হলো: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন করে শুরু হলো। আমরা আশা করি, এই পথ মসৃণ হবে আগামী দিনগুলোতে; মানুষের জীবনকে, বাংলাদেশের রাজনীতিকে, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সুন্দরের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আজ অত্যন্ত আনন্দিত। অনেক বাধা-বিপত্তি, রক্তপাত ও আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে আজকের এই দিনটি শুভ সূচনা হয়েছে। আমাদের এই দিনটি জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলনের পর তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। অনেক মানুষ পুলিশের হাতে নির্যাতিত হয়েছে; গুম হয়েছে, খুন হয়েছে।
তিনি বলেন, ২৪ জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা কৃষক শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আমরা একটা দেশ পেয়েছি। আশা করছি, এই নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ এবং নিরপেক্ষ হবে। আমাদের প্রত্যাশা—এই নির্বাচন বাংলাদেশে একটা নতুন অধ্যায় শুরু করবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হলো আজ। এই নির্বাচন নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি কোন দিকে যাবে।
৪ দিন আগে
এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এবার আমরা স্বাধীনভাবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা পেয়েছি। নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে, তবে কিছুটা তো শঙ্কা থেকেই যায়। আশা করছি, এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন।’
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়ির নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত ১৬ বছর ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে রাষ্ট্র সংস্কারের একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে বলে আমরা মনে করছি।’
ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সব সময়ই ফলাফল গ্রহণ করেছি। ২০০৮ সালে বিএনপি যখন ৩০টি আসন পেল, তখনও আমরা সংসদে গিয়েছি। এবার আমরা আশাবাদী, বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।’
জামায়াত ও প্রতিপক্ষের মাঠ গোছানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জামায়াত খুব কৌশলী দল। তারা খুব অপপ্রচার চালায়, ধর্মকে ব্যবহার করে, চরিত্র হনন করে। জামায়াত কৌশলগতভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে এবং ভুয়া সংবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি জনগণকে বোকা ভাবি না। অপরদিকে বিএনপি ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এ ছাড়াও প্রতিপক্ষকে আমরা কোনদিনই দুর্বল মনে করি না। সে যেমনই হোক, তাকে সবল মনে করেই আমরা আমাদের কাজ চালাই।’
সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী এবং প্রিন্ট ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
১৫ বছর পর সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ, জালিয়াতির আশঙ্কা নেই: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ ১৫ বছর পর দেশে একটি ভালো ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এবার জনগণ প্রকৃত অর্থেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এই নির্বাচনে জালিয়াতির কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেছেন, বর্তমানে যে সরকার দায়িত্বে আছে, তারা একটি নিরপেক্ষ সরকার। এই সরকার চায়, একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবেন, তারাই সরকার গঠন করবেন—এটাই তাদের উদ্দেশ্য।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের ফারাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে এবং সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করলে এবারের নির্বাচন হবে একটি ঐতিহাসিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, টেলিভিশন, অনলাইন ও পত্রিকায় জামায়াতের নেতারা এখন অনেক কথা বলছেন। কিন্তু তাদের আগে জিজ্ঞাসা করা উচিত—দেশের স্বাধীনতার সময় তাদের ভূমিকা কী ছিল?
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘১৯৭১ সালে আপনারা কোথায় ছিলেন? কাদের পক্ষে কাজ করেছিলেন? একাত্তরে জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করেছিল। তারা পাকিস্তান বাহিনীর পক্ষ নিয়ে আমাদের স্বাধীনতা রোধ করার চেষ্টা করেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেমন ২৪-কে ভুলব না, কারণ সেই সময় আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে পেয়েছি, ঠিক তেমনি ১৯৭১ সালকেও ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এই দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছি।’
এর আগে রাতে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোয়ালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনি সভায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৫ বছর কোনো সুযোগ পাইনি আপনাদের উন্নয়ন, ভাগ্যের পরিবর্তন করার। কারণ আমরা সেই সময়টাতে অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়নের মধ্যে ছিলাম। আমার ঠাকুরগাঁওয়ের ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ মূল দলের অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে এবং সবাই অনেক কষ্ট করেছেন। আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া, এই মামলাগুলো থেকে আমরা সবাই খালাস পেয়েছি।
তিনি বলেন, এবার নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওয়ে এয়ারপোর্ট ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করব। আমাদের মায়েদের তারেক রহমান প্রশিক্ষণ দেবেন যেন ঘরে বসেই তারা আয় করতে পারেন। ঠাকুরগাঁওয়ে অনেক উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের মা-বোন ও যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
নির্বাচনি সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
১১ দিন আগে
ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো কখনোই সঠিক রাজনীতি হতে পারে না: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চরমোনাইসহ দেশের আলেম-ওলামারা বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো ইসলামি দল নয়। তারা ইসলামের কথা বলে প্রতারণা করছে। তারা বলছে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে, নাউজুবিল্লাহ। কোনো প্রকৃত মুসলমান এমন কথা বিশ্বাস করতে পারেন না। মুসলমান বিশ্বাস করে আমলের ওপর। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাত দেবেন কি দেবেন না, তা আমলের ওপরই নির্ভর করে।
বুধবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনি এলাকার নারগুণ ইউনিয়নের কিসমত দৌলতপুর দাখিল মাদরাসা মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, মা-বোনদের ভুল বুঝিয়ে বলা হচ্ছে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি জান্নাত পাওয়া যাবে। ধর্মের নামে এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো কখনোই সঠিক রাজনীতি হতে পারে না।
তিনি বলেন, বর্তমানে একটি দল রাজনীতিতে সামনে আসছে যাদের আমরা আগে কখনো দেখিনি। আমাদের সঙ্গেই ছিল, একসঙ্গে চলেছে, এখন নির্বাচনে অংশ নিতে আসছে। এতে আপত্তি নেই, তবে রাজনীতিতে দয়া করে মিথ্যা কথা বলবেন না, গিবতকারীদের মতো গিবত গাইবেন না এবং অন্যের কুৎসা রটাবেন না।
তিনি আরও বলেন, টেলিভিশন ও পত্রিকায় এসেছে, জামায়াতের আমির সাহেব নারীদের নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। যে দলের একজন নেতা মা-বোনদের ইজ্জত দিতে ও সম্মান করতে পারেন না, তাদের সম্পর্কে কটু কথা বলে, তারা কখনো বেহেশতে যেতে পারবে? তারা কি ভালো কাজ করতে পারবে?
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার ইনশাআল্লাহ জনগণ ভোট দিতে পারবে এবং একটি ভালো ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমরা দেশের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করি।
তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান একেবারেই জিয়ার মতো হয়ে উঠেছেন। দেশে ফিরেই তারেক রহমান বলেছেন— ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’, অর্থাৎ তার একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ১ কোটি ছেলেমেয়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে। এছাড়া যারা এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব সরকার নেবে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বপ্রথম ভুট্টা চাষের সূচনা হয়েছে বিএনপির হাত ধরেই। কাজী ফার্মস আনার মাধ্যমে জেলায় ভুট্টা চাষ বেড়েছে, কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় আগামী ১২ তারিখ সকালে কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।
১২ দিন আগে
সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আবার বিপদে পড়বে দেশ: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে দেশ ও জাতি আবারও বড় বিপদের মুখে পড়বে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি গোষ্ঠী একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পেছনে ফেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ সময় নিজের রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, মহাসচিবের দায়িত্ব নেওয়ার আগে আমি কখনও আদালতের বারান্দায় যাইনি। কিন্তু সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার কারণে আমাকে বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন, এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ভালো মানুষ ও ভালো দলকে ভোট দিয়ে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে।
সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১৩ দিন আগে
জামায়াত দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলাম এই দেশটাকে আফগানিস্তান বানাতে চায়। ওরা বাংলাদেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। ওরা এমন একটা দল যারা আমাদের সামনের দিকে যেতে বাধা দেয়। আমরা পেছনে যেতে চাই না, সামনে যেতে চাই।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢোলারহাট ইউনিয়নের লালমিয়া মার্কেটে নির্বাচনি প্রচারকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, জামায়াতের আমির মহিলাদের বিরুদ্ধে নাকি কথা বলেছেন। আমি জানি না এটা সত্য না মিথ্যা। যদি এটা তিনি বলে থাকেন, তাহলে অন্যায় করেছেন। মহিলারা কখনোই এটা মেনে নিতে পারবে না।
তিনি বলেন, জামায়াত ইসলাম মহিলাদের কাজ করতে দিতে চায় না; বলে—মহিলারা ঘরে থাকবে, কাজ করবে কি? গার্মেন্টসের মহিলাদের বলেছে যে ৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করা যাবে না। তারা কাজ না করলে খাবে কী?
নারীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মেয়েরা যদি স্কুল-কলেজে না যায়, পড়াশোনা না করে, তাহলে চাকরি পাবে কোথায়? কোনো সরকার কাজ না করলে কাউকে টাকা দেবে না—এটা বাটপারি।
তিনি আরও বলেন, নারী-পুরুষ সমান অধিকার নিয়ে বাংলাদেশে বাস করবে। বাংলাদেশের জনসংখ্যায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা বেশি। ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, মেয়েদের যে প্রাপ্য অধিকার, সেটা প্রদান করতে হবে।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দিন আগে
এবারের নির্বাচনকে কেউ বন্ধ করতে পারবে না: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিগত সময়ে আমরা নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হতে দেখেছি। কিছু লোক থাকবেই নির্বাচনকে বানচাল করতে। কিন্তু আমার বিশ্বাস এবারের নির্বাচনকে কেউ বন্ধ করতে পারবে না, বানচাল করতে পারবে না।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহম্মদপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া ঈদগাহ ময়দানে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ আজ জেগে গেছে। আগের নির্বাচনগুলিতে তারা ভোট দিতে পারেনি। তাই এবার তারা পণ করেছে সামনের নির্বাচনে তারা ভোট দিয়েই ছাড়বে। আপনারাই ভোট পাহারা দেবেন—হিন্দু-মুসলিম সবাই যেন একজোট হয়ে ভোট দিতে পারেন।
বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে আবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এরকম নেতা আমরা চাইনা, যে নেতা অসংখ্য নেতা-কর্মীদের ছেড়ে পালিয়ে যায়। আমরা কোনো চোর-ডাকাতের দল করি না। আমরা শহিদ জিয়ার দল করি। আমাদের একটা আদর্শ আছে।
নিজ নেতা-কর্মীদের হয়ে মাফ চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের ছেলেরা নির্বাচনি কাজে যদি আগ বাড়িয়ে কিছু করে তাহলে তাদের ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ কিছু করে থাকলে তাদের হয়ে আমি ক্ষমা চাচ্ছি আপনাদের কাছে।
সভায় এক সমর্থকের দেওয়া ডিম ও মাটির ব্যাংক পেয়ে আবেগে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মার্কা ধানের শীষ। ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনারা এ মার্কায় আমাকে ভোট দিয়ে শেষবারের মতো জনগণের সেবা করার সুযোগ করে দেবেন।
নির্বাচনি পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে