মির্জা ফখরুল
নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে নারী শিক্ষা বিস্তারে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তার দেখানো পথ অনুসরণ করেই বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ভবনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এলজিইডি কর্তৃক নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ আত্মনির্ভরশীল নারীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে নারী শিক্ষা বিস্তারে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন। তার দেখানো পথ অনুসরণ করেই বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান বলেন, ন্যায়ভিত্তিক ও সহনশীল সমাজ গঠনে নারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি উন্নত সমাজ গঠনের জন্য নারী ও পুরুষের মধ্যে কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা যাবে না।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তিনটি বিভাগে সারা দেশ থেকে মোট ৯ জন নারীকে শ্রেষ্ঠ আত্মনির্ভরশীল নারী সম্মাননা-২০২৬ প্রদান করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
তিস্তা প্রকল্পে নিজ উদ্যোগে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে চীন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছে জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চীন তিস্তা প্রকল্পে নিজ উদ্যোগে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে তখন বিস্তারিত জানানো যাবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎ-পরবর্তী এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষ।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন, সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আমিন বাজার পানি শোধনাগার সচল করার বিষয় কথা হয়। এ ছাড়াও স্থানীয় সরকারের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশে চীনের বিভিন্ন প্রকল্প চলমান আছে। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা কীভাবে আরও বাড়ানো যায় সে চেষ্টা চলছে। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন খাতে চীন কীভাবে আরও বেশি সহযোগিতা দিতে পারে সে বিষয়টি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছে। চীন তিস্তা প্রকল্পে নিজ উদ্যোগে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে তখন বিস্তারিত জানানো যাবে।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, চীন বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১৩ দিন আগে
সঠিক সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারি কতগুলো নিয়মকানুন আছে। সরকারি যেসব প্রথাগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে কতগুলোর মেয়াদ আছে, কতগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে… সবগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে আমরা সরকারের তরফ থেকে একটা সঠিক সময়ে এই নির্বাচনগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা করব। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
প্রশাসক নিয়োগে নির্বাচন বিলম্বিত হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি হবে না বলে জানান।
আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তার প্রথম দলীয় কার্যালয় পরিদর্শন।
সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়নের যোগ্যতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নারী আসনের নির্বাচন, এটা তো আপনার পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত হবে। আর প্রার্থী মনোনয়নের যোগ্যতা হবে দলের আদর্শ, নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, নিবিড় সম্পৃক্ততা থাকতে হবে; দলের জন্য ত্যাগ থাকতে হবে। আমাদের দলের মধ্যে যারা দলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত আছেন, যাদের ত্যাগ রয়েছে, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।’
একই পরিবারের দুই সদস্যকে নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা এখনই কিছু বলা যাবে না। এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
কিছু এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় পুনরায় চালু হওয়ার খবর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে যে তাদের (আওয়ামী লীগের) কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেইভাবে এটাকে দেখা হবে সব জায়গায়।’
১৪ দিন আগে
মব জাস্টিস নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতেই হবে: মির্জা ফখরুল
নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মব জাস্টিস নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু খারাপ ছিল, সেটাকে উন্নত করার চেষ্টা করতেই হবে।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সরকার গঠনের পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সবকিছু মিলিয়ে আপনার এই সময়ের চ্যালেঞ্জ, সরকারের চ্যালেঞ্জটা কী—প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসছি আমরা। চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে, টু বিল্ড দ্য নেশন (দেশকে গড়ে তোলা)। আমাদের প্রধানমন্ত্রী, যিনি আমাদের এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার প্রথম কথাটি ছিল— বাংলাদেশের জন্য, আই হ্যাভ এ প্ল্যান (আমার একটা পরিকল্পনা আছে)। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি তার মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। মন্ত্রিসভা তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে, বাংলাদেশের মানুষের সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবে এবং বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সামনের দিকে।’
তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্র) হচ্ছে আমাদের প্রধান ইনগ্রেডিয়েন্ট (উপাদান), যাকে নিয়ে আমরা সামনে এগোচ্ছি। অর্থাৎ আমাদের সবকিছুর মধ্যেই গণতন্ত্র থাকবে। আমরা সেই গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করি। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়; এটার পুরোপুরি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক, একেবারে গ্রাসরুট (তৃণমূল) মানুষের সঙ্গে।
‘আমার একটা অ্যাডভান্টেজ (সুবিধা) আছে, আমি কিন্তু একসময় নিজে লোকাল গভর্নমেন্টে (স্থানীয় সরকার) ছিলাম। তাই আমরা এই জিনিসগুলো সম্পর্কে কিছু ধারণা রাখি। আমি বিশ্বাস করি যে, আপনাদের এই মন্ত্রণালয়কে অত্যন্ত ডাইনামিক (গতিময়) একটা মন্ত্রণালয়ে পরিণত করতে পারব। মানুষের যে সমস্যাগুলো আছে, সেই সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করতে পারব।’
দেশের ‘আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি ভঙ্গুর’ দাবি করে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘না না, অতটা খারাপ না। আপনারা যতটা খারাপভাবে দেখছেন, অতটা খারাপ না। আমাদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ইমপ্রুভ (উন্নতি) হয়েছে। অর্থনীতি—ম্যাক্রো ইকোনমিক স্ট্যাবিলিটি (ব্যাষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা)—এটা অনেক ফিরে এসেছে। ব্যাংক তো অনেকটা কন্ট্রোলে (নিয়ন্ত্রণে) এসেছে। এগুলো তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আমরা মনে করি, সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় এটাকে আরও ভালো করতে পারব।’
গেল দেড় বছর ব্যাপক মব জাস্টিস হয়েছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু খারাপ ছিল, এটাকে ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করতেই হবে। একটা বড় ঝড় গেছে আমাদের। একটা বিপ্লব হয়েছে, বিদ্রোহ হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। এসব মুহূর্তের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে—এটা মনে করার কারণ নেই। এক-দেড় বছর আমরা পার হয়েছি একটা ইন্টারিম গভর্নমেন্টের (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) অধীনে। তারা একটা ইলেকশন দিয়ে গেছে। ইলেকশন করে একটা গভর্নমেন্ট হয়েছে—ইলেকটেড গভর্নমেন্ট (নির্বাচিত সরকার) হয়েছে। এটাই তো একটা বড় অ্যাচিভমেন্ট (অর্জন)। আমি তো মনে করি, দ্যাটস অলসো এ ভেরি বিগ অ্যাচিভমেন্ট (এটা একটা বড় অর্জন)।’
আওয়ামীলীগ বিহীন নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, এটা কিন্তু জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সবাই বলছে—এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন (অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন) হয়েছে। এবং এটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন হয়েছে বলেই আজকে এটা একসেপ্টেবল টু অল (গ্রহণযোগ্য) হয়েছে, সকলের কাছে।’
আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত কী হবে, প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা আমরা রাজনৈতিকভাবে পরে আপনাদের জানাব। আমাদের সরকারের আলোচনার পরে জানাব।
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজন নেই। কারণ তারা একটা বিশেষ মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়েছে। সেই সময়, আমি মনে করি, আমার দলও মনে করে, যতটুকু প্রয়োজন ছিল, তারা সেই কাজের সিংহভাগ করতে পেরেছে। মূল সমস্যাটা কী ছিল? ট্রানজিশন টু ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্রে রূপান্তর)। সেটা তো তারা করে দিয়ে গেছে। সুতরাং ইউ মাস্ট গিভ ক্রেডিট টু দেম (তাদের সেই কৃতিত্ব), দিতেই হবে। তারা অনেক ভালো কাজ করেছে।
১৯ দিন আগে
সংসদ নেতা হলেন তারেক রহমান, হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীও
বিএনপি সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ সংসদের নেতা নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় দলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক মূহুর্ত যে দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্রকে ধবংস করে দেওয়া, সংসদকে অকার্য্কর করা এই পর্বের পরে জনগণের অনেক রক্তের বিনিময়ে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা একটি সংসদ পেয়েছি। এই সংসদের মধ্য দিয়ে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে আমরা আমাদের তরুণ নেতা জনাব তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছি। আমরা আশাবাদী তার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমাদের প্রথম এই সংসদীয় দলের সভাতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিএনপির সংসদ সদস্য তারা ডিউটি ফ্রি কোনো গাড়ি নেবেন না এবং কোনো প্লটও নেওয়া হবে না সরকারের কাছ থেকে। এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’
অন্যদিকে, নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে শপথ গ্রহণ করেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
এদিন প্রথমে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। কিছুক্ষণ পর জামায়াতে ইসলামী ও পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ অন্য দল, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
শপথ গ্রহণ শেষে শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে নিজ নির্বাচনি এলাকা উল্লেখ করে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন সংসদ সদস্যরা।
একই দিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও একই সময়ে শপথ পড়ানো হবে।
সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে এই আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন এক হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি।
এদিকে, শপথ আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল সোমবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে যানচলাচলের ডাইভারশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
২০ দিন আগে
জামায়াত একটি উগ্রবাদী দল: মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘উগ্রবাদী দল’ আখ্যা দিয়ে তাদের উত্থানের পেছনে আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি গত ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে, তার আগেও করেছে। জনগণের কল্যাণের জন্য বিএনপি কাজ করেছে, জনগণের সঙ্গে থেকেছে। বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় হবে।
জামায়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট শাসন ছিল। যখনই গণতন্ত্র চাপা থাকে, তাকে যখন আটকে দেওয়া হয়, তার যখন কণ্ঠ রুদ্ধ করা হয়; তখন অন্য উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং সেটাই এদেশে হয়েছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে যেটুকু উত্থান হয়েছে জামায়াতের, সেটা আওয়ামী লীগের কারণে। তাদের দমন-পীড়নমূলক যে শাসন, বিরোধী দলকে ফাংশন করতে না দেওয়া, তাদের ইনোসিয়েট করতে না দেওয়া, এর কারণে এমন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট (প্রত্যাখ্যান) করেছে। বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মেজরিটি (সংখ্যাগরিষ্ঠতা) পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু, সৎ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির মধ্য দিয়ে সব অপপ্রবণতাগুলো রুখে দিতে সক্ষম হবে।’
নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভের জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৪ দিন আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ১২৯ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১২৯টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ১ লাখ ৬১ হাজার ২৪৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অপরদিকে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামী মনোনীত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৩৬৮ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ১০৪টির মধ্যে ৮১টি কেন্দ্রের ফলাফলে মাওলানা আব্দুল হাকিম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৮৯ ভোট এবং ডা. আব্দুস সালাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৭৮২ এবং
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ) ২৭ হাজার ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াতের মিজানুর রহমান।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে দুইজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩ জন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ৭ জন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
তিনটি আসন মিলিয়ে জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৫৫ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৮৮ জন, পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ৭০ হাজার ২২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭ জন।
জেলায় পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ১০ হাজার ২৯২ জন ভোটার, যার মধ্যে নারী ২ হাজার ৩২৬ জন এবং পুরুষ ৭ হাজার ৯৬৬ জন।
২৫ দিন আগে
ভোট এতটা উৎসবমুখর হবে তা কেউ ভাবেনি: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভোট এবার এতটা উৎসবমুখর হবে, এটা কেউ ভাবেনি। মানুষের যে আগ্রহ, যে উচ্ছ্বাস সারা দিনে প্রায় শতাধিক কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি। নির্বাচন অনেক সুন্দর হয়েছে। জনগণ এবার একটি নির্বাচিত সরকার ও পার্লামেন্ট পাবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমার বিশ্বাস নির্বাচনে ভালো রেজাল্ট আসবে ও ফলাফলও ভালো হবে। এর ফলে জনগণ একটি নির্বাচিত সরকার পাবে ও পার্লামেন্ট পাবে, যার জন্য আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর লড়াই সংগ্রাম করেছি।
এ ছাড়াও নির্বাচনে বিজয়ের বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে দুইজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩ জন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ৭ জন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
তিনটি আসন মিলিয়ে জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১২ লাখ ৫৫ হাজার ১৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৮৮ জন, পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ৭০ হাজার ২২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭ জন।
জেলায় পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ১০ হাজার ২৯২ জন ভোটার, যার মধ্যে নারী ২ হাজার ৩২৬ জন এবং পুরুষ ৭ হাজার ৯৬৬ জন।
২৫ দিন আগে
গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন করে শুরু হলো: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন করে শুরু হলো। আমরা আশা করি, এই পথ মসৃণ হবে আগামী দিনগুলোতে; মানুষের জীবনকে, বাংলাদেশের রাজনীতিকে, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সুন্দরের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আজ অত্যন্ত আনন্দিত। অনেক বাধা-বিপত্তি, রক্তপাত ও আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে আজকের এই দিনটি শুভ সূচনা হয়েছে। আমাদের এই দিনটি জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলনের পর তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। অনেক মানুষ পুলিশের হাতে নির্যাতিত হয়েছে; গুম হয়েছে, খুন হয়েছে।
তিনি বলেন, ২৪ জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা কৃষক শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আমরা একটা দেশ পেয়েছি। আশা করছি, এই নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ এবং নিরপেক্ষ হবে। আমাদের প্রত্যাশা—এই নির্বাচন বাংলাদেশে একটা নতুন অধ্যায় শুরু করবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হলো আজ। এই নির্বাচন নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি কোন দিকে যাবে।
২৫ দিন আগে
এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এবার আমরা স্বাধীনভাবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা পেয়েছি। নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে, তবে কিছুটা তো শঙ্কা থেকেই যায়। আশা করছি, এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন।’
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়ির নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গত ১৬ বছর ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে রাষ্ট্র সংস্কারের একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে বলে আমরা মনে করছি।’
ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সব সময়ই ফলাফল গ্রহণ করেছি। ২০০৮ সালে বিএনপি যখন ৩০টি আসন পেল, তখনও আমরা সংসদে গিয়েছি। এবার আমরা আশাবাদী, বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।’
জামায়াত ও প্রতিপক্ষের মাঠ গোছানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জামায়াত খুব কৌশলী দল। তারা খুব অপপ্রচার চালায়, ধর্মকে ব্যবহার করে, চরিত্র হনন করে। জামায়াত কৌশলগতভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে এবং ভুয়া সংবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি জনগণকে বোকা ভাবি না। অপরদিকে বিএনপি ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এ ছাড়াও প্রতিপক্ষকে আমরা কোনদিনই দুর্বল মনে করি না। সে যেমনই হোক, তাকে সবল মনে করেই আমরা আমাদের কাজ চালাই।’
সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী এবং প্রিন্ট ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ দিন আগে