খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং ৫ প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দিচ্ছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পদক দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া অন্যরা হলেন— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভূমিকার জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবা বা জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর); জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
পদকপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা বা জনসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
৪ দিন আগে
খালেদা জিয়া চলে গেলেন, রয়ে গেল তার রোপিত নিমগাছটি
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আর ইহলোকে নেই। আজ বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবন ও রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে তিনি না থাকলেও তার রোপণ করা নিমগাছটি স্মৃতিচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ফেনীর ফুলগাজীর পৈত্রিক বাড়ির দরজায়।
২০০৮ সালে খালেদা জিয়া তার পৈত্রিক বাড়ি ফুলগাজীর শ্রীপুরের মজুমদার বাড়িতে এলে বাড়ির দরজার সামনে দক্ষিণ শ্রীপুর দিঘির পাড়ে নিজ হাতে একটি নিমগাছ রোপণ করেন। পরিচর্যায় গাছটি বড় হলে গোড়া পাকা করে খালেদা জিয়ার নামটি খোদাই করে লিখে দেওয়া হয়। সেই গাছটি এখন কেবলই স্মৃতি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে শোকাহত ফেনীবাসী।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে অনেককে হাউমাউ করে কাঁদতে দেখা যায়। খালেদা জিয়ার পৈত্রিক ভিটায়ও চলছে শোকের মাতম। এ সময় সবাই খালেদা জিয়ার হাতে লাগানো নিমগাছটির সঙ্গে ছবি তোলেন। তারা মনে করেন, খালেদা জিয়া না থাকলেও তার হাতে লাগানো নিমগাছটি স্মৃতিচিহ্ন হয়ে থাকবে মজুমদার বাড়িতে।
এই বাড়িতে খালেদা জিয়ার অসংখ্য স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে। ঘরের ভেতরে বসার চেয়ার, বিশ্রাম নেওয়ার ছোট্ট খাট, খাবারের টেবিল—সবকিছুতেই লেগে আছে তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর হাতের ছোঁয়া।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্র জানায়, ২০০৮ সালেও ফেনীর ফুলগাজীতে বাবার বাড়িতে এসে দাদা সালামত আলী মজুমদারের কবর জিয়ারত করে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর খবরে আজ সেই বাড়িতেই নেমে এসেছে রাজ্যের নীরবতা। শোকে মুহ্যমান বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্যরা।
বেগম জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম হোসেন মজুমদার বলেন, ‘বাড়িতে এলে তিনি বড়দের যেমন শ্রদ্ধা করতেন, তেমনি ছোটদের অনেক আদর করতেন। তাকে হারিয়ে দেশ-জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সে ক্ষতি কখনো পোষাবে না।’
৬৮ দিন আগে
নির্বাচন নিয়ে জনগণের শঙ্কা রয়ে গেছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
আগামী জাতীয় নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত জনগণের মনে ভোটের ব্যাপারে সংশয় থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘শুনছি নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হবে, কিন্তু ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত জনগণের মনে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা থাকবে।
তিনি বলেন, যত রক্ত ঝরুক, এখনো গণতন্ত্র হাতের নাগালের বাইরে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির এই নেতা সতর্ক করেছেন, নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। এজন্য আমাদের সতর্ক, শান্ত ও ধৈর্যশীল হতে হবে।
তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কারও পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, খালেদা জিয়া জাতির অভিভাবক হয়েছেন। তিনি শুধু বিএনপির চেয়ারপারসন নন, লড়ে যাচ্ছেন গণতন্ত্রের জন্য।
তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়া নিজে কখনো জন্মদিন পালন করতেন না, আমরাই করতাম। মানুষ যখন তাকে সমালোচনা করত, খালেদা কখনো জন্মদিন উদযাপনের পক্ষে ছিলেন না। তিনি সবসময় তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গলের জন্য দোয়া কামনা করতেন।
পড়ুন: জন্মদিনে খালেদা জিয়াকে প্রধান উপদেষ্টার ফুলেল শুভেচ্ছা
অনুষ্ঠানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, জনপ্রিয়তার কারণে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।
তিনি দলের নেতাকর্মীদের জনগণের বিশ্বাস অর্জনে কাজ করার আহ্বান জানান। যদি আমরা সত্যিই দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, যদি আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসি, এবং যদি আমরা তারেক রহমানকে ভালোবাসি, তবে আমাদের জনগণের মন জয়ের জন্য চেষ্টা করতে হবে।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বকশাল তুলে গণতন্ত্র ফিরিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া সামরিক স্বৈরশাসনের কবর থেকে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার করেছেন এবং তারেক রহমানের হাত ধরে দেশে আবারো গণতন্ত্রের সূচনা হবে।
খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন।
২০৬ দিন আগে
ঐক্য ধরে রেখে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান খালেদা জিয়ার
গণতন্ত্রকে নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে বর্তমান সুযোগকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে একটি নতুন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য যে সুযোগ তৈরি হয়েছে—তা দ্রুত কাজে লাগাতে হবে।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকালে রাজধানীর চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক যাত্রা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় তিনি ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ৩৬ দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচির উদ্বোধনের জন্য এই সভার আলোচনার আয়োজন করা হয়।
খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমাদের সামনে সৃষ্ট সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গণতন্ত্রকে নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। বলেন, ‘সর্বোপরি, আমাদের যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।’
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নির্বাচিত সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: মির্জা ফখরুল
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের রাজনৈতিক আন্দোলনে ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে, আমাদের বীরদের রক্ত এবং শোকার্ত মায়েদের চোখের পানি যেন বৃথা না যায়। ঐক্য বজায় রাখতে হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গত বছরের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের রাজনৈতিক আন্দোলনে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
২৫১ দিন আগে
ঢাকার উদ্দেশে লন্ডন ছেড়েছেন খালেদা জিয়া
লন্ডনে উন্নত চিকিৎসা শেষে প্রায় চার মাস পর কাতারের আমিরের দেওয়া বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশের উদ্দেশে লন্ডন ছেড়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্থানীয় সময় সোমবার(৫ মে) রাতে হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করেছেন তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির দেওয়া বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে উড্ডয়ন করে।’
ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ১টা ২৫ মিনিটে দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং এক ঘণ্টা ৩৫ মিনিট যাত্রাবিরতির পর ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
এর আগে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসা থেকে বের হয়ে প্রায় ৪০ মিনিটের মধ্যে বিমানবন্দরে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারপারসন।
তারেক রহমান নিজে গাড়ি চালিয়ে তার মাকে হিথ্রো বিমানবন্দরে নিয়ে যান এবং বিদায় জানান।
খালেদা জিয়া বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় তারেক রহমানের পাশের সিটে এবং জোবাইদা রহমান ও তার মেয়ে গাড়ির পেছনের সিটে বসেছিলেন।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তারেকের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি খুশির সঙ্গে তার মাকে বিদায় জানাতে এবং বিমানবন্দরে অন্য সফরসঙ্গীদের 'আল্লাহ হাফেজ' বলছেন।
আরও পড়ুন: দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া, বিদায় জানাতে হিথ্রোতে নেতাকর্মীদের ভিড়
৩০৮ দিন আগে
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখন অনেক ভালো: ডা. জাহিদ
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় গিয়ে তাকে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
জাহিদ মালেক বলেন, 'ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় লন্ডন ক্লিনিক থেকে ছাড়পত্র পাচ্ছেন খালেদা জিয়া
জোবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান এবং তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং জাহিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমান (প্রয়াত আরাফাত রহমানের মেয়ে) খালেদা জিয়ার দেখাশোনা করছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ তিনি মানসিকভাবে আগের চেয়ে অনেক ভালো আছে। চিকিৎসকরা তাকে বাসায় দেখতে গেছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।’
গত ৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে নেওয়া হয়।
একই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আরও ছয়জন বাংলাদেশি চিকিৎসকের সঙ্গে ভ্রমণ করা অধ্যাপক জাহিদ জানান, লন্ডনে আসার পর থেকে তিনি লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
বর্তমানে তিনি অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি, অধ্যাপক জেনিফার ক্রস ও ড. ব্যারেটের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জাহিদ মালেক বলেন, 'বাসায় চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক তার চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করছেন এবং পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।’
জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানান।
খালেদা জিয়া কবে দেশে ফিরবেন এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক জাহিদ বলেন, 'ম্যাডাম তখনই বাংলাদেশে ফিরবেন যখন এখানকার চিকিৎসকরা তাকে পরামর্শ দেবেন বা যখন তারা মনে করবেন তিনি ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত। ইনশাল্লাহ সময় হলে তিনি দেশে ফিরবেন।’
আরও পড়ুন: ক্লিনিক ছেড়ে তারেকের বাসায় গেলেন খালেদা জিয়া
গত ৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় এবং ২৫ জানুয়ারি তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ক্লিনিকের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছেলের বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনির সমস্যা, হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।
৩৯০ দিন আগে
কুমিল্লার নাশকতা মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়া
২০১৫ সালে কুমিল্লায় চৌদ্দগ্রাম থানায় করা নাশকতার মামলা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২১ জানুয়ারি) কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক আফরোজা জেসমিন তাকে অব্যাহতি দিলেও বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে নাইকো মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য
কুমিল্লার আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কায়মুল হক রিংকু জানান, ২০১৫ সালে ২৫ জানুয়ারি হরতাল চলাকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হায়দারপুলে ঢাকা-চটগ্রাম মহাসড়কে একটি কাভার্ডভ্যান ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় নাশকতার মামলা করা হয়।
পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলাটিতে খালেদা জিয়াসহ ৩২ জনকে আসামি করা হয়। খালেদা জিয়া মামলার ৩২ নম্বর আসামি।
তিনি জানান, এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক কারণে মামলাটি করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য স্থিতিশীল, চলছে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
এছাড়া এজাহারে ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও অভিযোগপত্রে ৪২ জনের নাম উঠে আসে। এর মধ্যে ৩৬ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাকি ৬ জন উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেওয়ায় তাদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
৪১১ দিন আগে
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য স্থিতিশীল, চলছে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
যুক্তরাজ্যের ‘লন্ডন দ্য ক্লিনিকে’ চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। রবিবার (১৩ জানুয়ারি) তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমন তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘তার স্বাস্থ্যের রুটিন পরীক্ষা প্রতিদিনই চলছে। তবে সোমবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে বিশেষ কিছু পরীক্ষা করা হতে পারে। হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখেছেন বিখ্যাত হেপাটোলজিস্ট অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডি। এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনেই তার চিকিৎসা চলছে ‘
‘হাসপাতালে ভর্তির পরেই খালেদা জিয়ার ফিজিওথেরাপি করানো হয়েছে। এতে তার শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে,’ বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
আরও পড়ুন: লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন খালেদা জিয়া
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সার্বক্ষণিক পরিচর্যা করছেন বলেও জানান জাহিদ হোসেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গেল ৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়া লন্ডনে যান। ওই দিনই হিথরো বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিশেষায়িত হাসপাতাল দ্য লন্ডন ক্লিনিকে তাকে ভর্তি করা হয়। এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তার চিকিৎসা চলছে।
লিভার সিরোসিস, কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া।
আরও পড়ুন: বিমানবন্দরের পথে খালেদা জিয়া
৪২০ দিন আগে
খালেদা লন্ডনে পৌঁছেই সরাসরি হাসপাতালে ভর্তি হবেন
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া লন্ডনের হিথরো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই সরাসরি একটি উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি হবেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেএম জাহিদ হোসেন।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, ‘কাতারের আমিরের বিশেষ রয়েল অ্যাম্বুলেন্স আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে, যা খালেদাকে লন্ডনে নিয়ে যাবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ আরও জানান, খালেদা জিয়া এবং তার চিকিৎসক দলের ছয় সদস্যসহ ১০ জনের একটি দল মঙ্গলবার রাত ১০টায় দোহা হয়ে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
লন্ডনে পৌঁছানোর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী এবং যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাবেন।
আরও পড়ুন: অসুস্থ খালেদা জিয়া, মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশ স্থগিত
ডা. জাহিদ বলেন, বিমানবন্দর থেকে সরাসরি খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে, যেখানে তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
রবিবার রাতে মির্জা ফখরুল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন যে, তাদের দলীয় প্রধান উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাতে লন্ডনে যাবেন।
এদিন রাত ৯টায় খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় তার সঙ্গে কুশলবিনিময় ও শুভেচ্ছা জানাতে আসেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। পরে খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রার দিনক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। খালেদা জিয়া দ্রুত সুস্থ হয়ে যাতে দেশে ফিরে আসেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তারা বিএনপিপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক কোনো বিষয়াদি ছিল না।’
‘তার সফলযাত্রা ও উন্নত চিকিৎসা শেষে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন কামনা করে আমরা আল্লাহর কাছে মোনাজাত করছি।’
খালেদা জিয়া কখন দেশে ফিরতে পারেন, জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটা কেবল চিকিৎসকরা বলতে পারবেন। আমরা আশা করছি, তিনি দ্রুতই দেশে ফিরে আসবেন’।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনায় খালেদা জিয়ার নির্দেশনা কিংবা বার্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ম্যাডাম নির্দেশনা দিয়েছেন, এক সঙ্গে কাজ কর, জনগণের পক্ষে কাজ কর, গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ কর।’
আরও পড়ুন: ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিকালে মার্কিন দূতাবাস যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
৪২৭ দিন আগে
৬ বছর পর রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন খালেদা
ছয় বছর পর কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আগামী ২১ ডিসেম্বর জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি অংশ নিচ্ছেন।
মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আজিজ উলফাত জানান, শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশের আয়োজন করা হবে।
উলফাত বলেন, শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। ‘তিনি রাজি হয়েছেন... তিনি বলেছেন, সুস্থ থাকলে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে যোগ দেবেন। আমরা আশা করছি ম্যাডাম এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন।’
আরও পড়ুন: ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিকালে মার্কিন দূতাবাস যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার একটি হোটেলে বিএনপির বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন খালেদা জিয়া। এটিই ছিল তার শেষ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ। এর তিন দিন পর ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
উলফাত বলেন, ২১ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উদযাপনের সমাবেশে সারাদেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন।
এর আগে ২১ নভেম্বর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছয় বছরের মধ্যে প্রথম জনসমক্ষে আসেন এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, হার্ট, ফুসফুস, কিডনি ও চোখের সমস্যাসহ বেশ কয়েকটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে একাধিকবার চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া
৪৪৯ দিন আগে