সংরক্ষিত নারী আসন
রাত ৩টা পর্যন্ত দলীয় কার্যালয়ে কাজ করলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর গুলশানে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে গতকাল শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিকেল থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করে বিভিন্ন দাপ্তরিক ও দলীয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পরে রাত প্রায় ৩টা পর্যন্ত তিনি কার্যালয়ে অবস্থান করেন বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকি করতে গিয়ে শনিবার দিবাগত রাত ৩টা পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন।
শনিবার দুপুর ৩টায় গুলশান কার্যালয়ে দলীয় প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও সেলিমা রহমান মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর প্রার্থীরা এই সাক্ষাৎকারে অংশ নেন, যা গভীর রাত পর্যন্ত চলে।
এর আগে, শুক্রবার রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুর বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সংরক্ষিত আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছিল যার মধ্যে প্রায় ৯০০টি ফরম জমা পড়েছে।
গত ৮ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল, আর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল এবং তা নিষ্পত্তি করা হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।
আগামী ৩০ এপ্রিল প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে এবং ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আসন বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৬টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১টি আসন পাবে।
২০ ঘণ্টা আগে
সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থী মনোনয়নের চূড়ান্ত বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার থেকে দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের সামনে আগ্রহী প্রার্থীরা সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেছেন।
এদিন বিকেলে বিএনপির চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন বোর্ড এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু করে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, যারা সংরক্ষিত আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছিলেন, আজ বিকেলে তাদের সাক্ষাৎকার শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য হিসেবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রথম দিনে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর এবং ফরিদপুর বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। চারশরও বেশি প্রার্থী এই সাক্ষাৎকারে অংশ নিচ্ছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শনিবার বিকেল ৩টায় শুরু হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মনোনয়নের মানদণ্ড সম্পর্কে আলোকপাত করে রিজভী বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, আমাদের এক ভয়াবহ দুঃসময় পার করে আমরা আজকের গণতন্ত্র উত্তরণের এই পর্যায়ে পৌঁছেছি এবং গণতন্ত্র সচল ও শক্তিশালী করতে এটাকে এগিয়ে নিতে হবে। সেই ক্ষেত্রে মহিলারা যে অবদান রেখেছেন বিগত ১৫-১৬ বছরের আন্দোলনে, নিঃসন্দেহে তাদের সেই অবদানকেও মূল্যায়ন করা হবে।’
বিএনপি নেতা আরও জানান, সেক্ষেত্রে আপনারা জানেন, অনেক মহিলা নেত্রী আমাদের, তাদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে, তারা শর্টগানের গুলি খেয়েছেন, তাদের বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে, তাদের সন্তানদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে এবং রাজনৈতিক আদর্শের কারণে, এই পৈশাচিক বিভীষিকা তো ১৬-১৭ বছর ধরেই চলেছে। দল এসব বিষয় বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, এর বাইরে পাশাপাশি সংসদে কথা বলা এবং আইন প্রণয়নের ব্যাপারে যে জ্ঞান থাকা দরকার, যে শিক্ষা থাকা দরকার, এই বিষয়গুলো এখানে বিবেচিত হবে বলে আমি মনে করি। সবকিছু বিবেচনা করেই আমাদের যে মনোনয়ন বোর্ড, তারা চূড়ান্ত করবেন, কারা মহিলা সংসদ সদস্য হবেন।
এর আগে, গত ৮ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আসন বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৬টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১টি আসন পাবে।
শুক্রবার দুপুর থেকেই বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকরা গুলশান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। নিরাপত্তাকর্মীরা কেবল প্রার্থীদের কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছেন। কার্যালয়ের ভেতরে প্রার্থীদের বসার জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করা ছিল। সেখানে তাদের বসানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে এসেছেন। আপনাদের প্রাণের একটি আকুতি আছে। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এটা নিয়ে যাবেন এবং দলের যে পার্লামেন্টারি বোর্ড, সেই বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে।
রিজভী বলেন, আন্দোলনে আপনাদের ভূমিকা, বিগত ১৬-১৭ বছরের আন্দোলনে ভূমিকা, আপনাদের দক্ষতা এবং পার্লামেন্টে কথা বলার দক্ষতা এবং অন্যান্য সমস্ত যে যোগ্যতা থাকা দরকার, সবগুলো বিবেচনা করেই দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম বা পার্লামেন্টারি বোর্ড তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।
পার্লামেন্টারি বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেবে, তা সবাইকে মানার আহ্বান জানিয়ে এ বিএনপি নেতা বলেন, এটা (মনোনয়ন) আমি পেলাম না এবং ও পেল বলে এক ধরনের পরিবেশ তৈরি করা, বিশ্রি পরিবেশ তৈরি করা, এইটা করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, আপনারা এই দলের জন্য অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করেছেন, অনেক বেদনা আপনাদের পোহাতে হয়েছে। সুতরাং দলীয় সিদ্ধান্ত আপনারা সবাই মান্য করবেন, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
তিনি জানান, আজ শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে, চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যেই তা জমা দিতে হবে।
ফরম সংগ্রহের জন্য সকাল থেকেই কয়েকশ নারী নেত্রী দলীয় কার্যালয়ে ভিড় জমান। প্রতিটি ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। এ সময় উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রথম মনোনয়ন ফরমটি জেরিন দেলোয়ার হোসেনের হাতে তুলে দেন রিজভী। দ্বিতীয় ফরমটি তুলে দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক কাজী আসাদুজ্জামান আসাদের স্ত্রী ফাতেমা আসাদের হাতে।
এর আগে, গত বুধবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। সেখানে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ মে।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২১ এপ্রিল, বাছাই ২২-২৩ এপ্রিল এবং আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৭-২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। ১২ মে সংসদ সদস্যদের ভোটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনগুলো ৩০০টি সাধারণ আসনে রাজনৈতিক দলগুলোর আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে পরোক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থার মাধ্যমে পূরণ করা হয়। যদি কোনো আসনে একের অধিক প্রার্থী থাকে তবেই সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন হয়। তবে দলগুলো সাধারণত তাদের জন্য বরাদ্দকৃত আসনের সমান সংখ্যক প্রার্থী মনোনীত করে বলে ভোটের প্রয়োজন পড়ে না।
ইসির তথ্যমতে, ৩০০ আসনের আনুপাতিক হারে বিএনপি ও তার মিত্ররা ৩৬টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তার জোটসঙ্গীরা ১৩টি এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা ১টি আসন পাবেন।
আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
৯ দিন আগে
বিকালে শপথ নেবেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ বিকালে শপথ নেবেন।
বুধবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদেরকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার আনুষ্ঠানিক সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
সংসদ সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
আরও পড়ুন: ৯৩৭০ প্রবাসী বাংলাদেশি ২৬ দেশে আটক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এর আগে মঙ্গলবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৫০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।
এর মধ্যে জাতীয় পার্টির দুইজন, একজন ১৪ দলীয় জোটের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির এবং বাকি ৪৭ জন আওয়ামী লীগের।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জাতীয় পার্টির দুই সদস্য শপথ নেবেন।
শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যরা আজকের সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবেন।
সূত্র জানায়, আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ১৫.৪৮ বিলিয়ন ডলার: সংসদে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
৭৮২ দিন আগে
ইউপি নির্বাচন: সিরাজগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী রনি ও কাজলী
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আগামী পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে দুটি ইউনিয়নে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন তৃতীয় লিঙ্গের দুজন প্রার্থী।
তাড়াশ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ধামাইচ এলাকার তৃতীয় লিঙ্গের রনি সংরক্ষিত ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে ও তালম ইউনিয়নের কাজলী (জাহাঙ্গীর) সংরক্ষিত ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এর মধ্যে রনি পেয়েছেন তালগাছ প্রতীক ও কাজলী পেয়েছেন বক প্রতীক।
আরও পড়ুন: দেশের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের ইউপি চেয়ারম্যান ঝিনাইদহের রিতু
রনি বলেন, ‘দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের নাগরিক হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। উন্নয়ন অগ্রগতিতে আমরাও এখন অংশীদার। তাই পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সদস্য প্রার্থী হয়েছি।’
আরেক প্রার্থী কাজলী বলেন, ‘আমরাও মানুষ এবং এদেশ আমাদেরও। তাই আমাদের অধিকার আদায়ে এ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। এলাকায় সাড়া পাচ্ছি প্রচুর। আমি নির্বাচনে জয় নিয়ে আশাবাদী।’
উল্লেখ্য, উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে চারটি ইউনিয়নে আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: ডুমুরিয়ায় ইউপি সদস্য হলেন তৃতীয় লিঙ্গের শাহিদা
১৫৭৭ দিন আগে