সাইবার নিরাপত্তা
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সব ধরনের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিকে নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের তথ্যপ্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং সব ধরনের সাইবার অপরাধকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’
সরকার সব ধরনের নাগরিকসেবাকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে অনেক সেবা দেশে ও বিদেশে অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে। এসব সেবাকে সুরক্ষিত ও নির্বিঘ্ন রাখতে হলে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি বলে জানান তিনি।
এ সময় নাগরিক সেবার খাতগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন প্রধানউপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিসহ যেসব প্রতিষ্ঠান সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, তাদের নিয়মিত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার হালনাগাদ করতে হবে। পাশাপাশি এসব ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত জনবলকেও আরও দক্ষ করে তুলতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট জনবলকে একটি রেটিং পদ্ধতির আওতায় আনতে হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাইবার সুরক্ষাসহ প্রকৃত মূল্যায়ন সহজ হয়।
ফিনান্সিয়াল সেক্টরে কোনো অপরাধ করে যেন কেউ পার পেয়ে না যায়—সে বিষয়েও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিকে বিচার বিভাগের পাশাপাশি কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ইতোমধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুজব, ভুল তথ্য, অপতথ্যসহ অন্যান্য সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি এবং বিটিআরসির মধ্যকার সমন্বয় সাধনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকিং সেক্টরের সাইবার নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করতে ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং আরও কিছু কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি সেক্টরাল সার্ট গঠনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সদস্য সচিব ও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে এজেন্সির কার্যক্রম ও ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনাসহ সাইবার পরিমণ্ডলে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও পরবর্তী প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রণীত ‘সাইবার ইনসিডেন্ট রিপোর্টিং অ্যান্ড রেসপন্স সিস্টেম (সার্ট)’-এর বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
২১ মে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রনয়নের পর এই সংশোধিত অধ্যাদেশের অধীনে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৬ আগস্ট জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হয়। ২৫ সদস্যের এই কাউন্সিলের নেতৃত্বে রয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
১৩ দিন আগে
নির্বাচনের আগে ব্যাংকিং সেক্টরে সাইবার নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জ: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব
নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাংকিং সেক্টরে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
তিনি বলেন, ‘দেশের মাত্র ১৭ থেকে ২০টি ব্যাংকের সাইবার স্পেস রেটিং সন্তোষজনক। জনগণের ডেটা অনেক ক্ষেত্রে অনিরাপদভাবে উন্মুক্ত থাকে এবং কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা সাইবার অপরাধের সঙ্গেও জড়িত।’
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি (এনসিএসএ) এবং ইডিজিই প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে সাইবার সিকিউরিটি ইন ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর অব বাংলাদেশ: সিকিউরিং দ্য ডিজিটাল ফিউচার’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে আয়োজন করে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আরও বলেন, আর্থিক অপরাধ, জুয়া, সফটওয়্যার আপডেটের ঘাটতি, ফাইল ট্রান্সফার প্রটোকলের দুর্বলতা, ডিডস আক্রমণ এবং ডেটা সেন্টারের ঝুঁকি এখন ব্যাংকিং সেক্টরের বড় হুমকি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বিদ্যমান সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
পড়ুন: ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার হুমকি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোতে প্রশিক্ষণ জোরদার এবং আইটি ও ব্যবসায়িক ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান ব্যাংকের সঙ্গে ডেটা বিনিময়ের মাধ্যমে কর আদায় সহজ করার প্রস্তাব করেন।
সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ৮৮৪টি সাইবার অপরাধের অভিযোগ এসেছে এবং ব্যাংকগুলোর মামলা করতে অনীহা তদন্তে বাধা তৈরি করছে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সিটি ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত জটিলতা সমাধানে করণীয় বিষয়ে মতামত উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু ডিজিটাল ভবিষ্যত সুরক্ষাই নয়, বরং জনগণের আস্থা ও আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সেমিনারে বক্তারা মতামত দেন।
সেমিনারে আইসিটি বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর সংস্থা প্রধানসহ স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
১৪৪ দিন আগে
সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে চলচ্চিত্র প্রদর্শন
সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস উপলক্ষে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আমেরিকান ফিল্ম শোকেসের (এএফএস) সহযোগিতায় আমেরিকান সেন্টারে তথ্যচিত্রের ‘ফিফটিন মিনিটস অব শেইম’ প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।
এই আয়োজনে প্রযুক্তি শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও একাডেমিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণ প্রসারে চলমান প্রচেষ্টার অংশ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড চালু
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ডেপুটি পাবলিক এনগেইজমেন্ট ডিরেক্টর ব্রেন ফ্ল্যানিগ্যান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। তিনি তার বক্তব্যে অনলাইন হয়রানি ও পাবলিক শেইমিংয়ের বাস্তব জীবনের প্রভাবের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি ডিজিটাল গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। নিরাপদ ও দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণের ওপর জোর দেন।
‘ফিফটিন মিনিটস অব শেইম’ তথ্যচিত্রটি মনিকা লিউইনস্কি এবং ম্যাক্স জোসেফ পরিচালিত। যা অনলাইন শেইমিং ও সাইবার হয়রানির ব্যক্তিগত প্রভাবকে কেন্দ্র করে তৈরি। এতে অনলাইনে অপব্যবহারের শিকার ব্যক্তিদের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রদর্শনী শেষে, মনের বন্ধু'র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও তাওহিদা শিরোপা ডিজিটাল যুগে মানসিক স্বাস্থ্য এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষার গুরুত্ব নিয়ে একটি আলোচনা সেশন পরিচালনা করেন। এই আয়োজন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চলমান প্রতিশ্রুতির অংশ, যেখানে অনলাইন গোপনীয়তা, হয়রানি এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আয়োজনটি ইন্টারনেটের সঙ্গে সচেতনভাবে যুক্ত থাকা, নিরাপদ ডিজিটাল স্পেস তৈরি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে গল্প বলার ভূমিকা তুলে ধরে। আমেরিকান ফিল্ম শোকেসের সহযোগিতায় এই আয়োজনটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের একটি প্রোগ্রামের অংশ, যা সাইবার হয়রানি ও মানবাধিকার সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপকে উৎসাহিত করে।
আরও পড়ুন: সেন্সরবোর্ড পুনর্গঠন করে হচ্ছে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড
৪৫৯ দিন আগে
সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো সংশোধনের আহ্বান: টিআরএনবির সেমিনারে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
সাইবার নিরাপত্তা আইনটিতে কিছু বিতর্কিত বিষয় থাকলেও, এটি দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো রক্ষা, অনলাইন লেনদেনের নিরাপত্তা এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় অপরিহার্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়াও জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তারা।
রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) ও আনোয়ার টেকনোলজিসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন: নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভারসাম্য’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এই বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে।
এ গোলটেবিল আলোচনায় নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা রক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশ সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩-এ জরুরি সংশোধনের আহ্বান জানান আইন বিশেষজ্ঞ, আইসিটি প্রতিনিধি ও মিডিয়া পেশাজীবীরা।
বক্তারা বলেন, সাইবার নিরাপত্তা আইন বর্তমান ডিজিটাল যুগে অপরিহার্য, যা হ্যাকিং, পরিচয় চুরি ও সাইবার প্রতারণার মতো ক্রমবর্ধমান হুমকি থেকে সুরক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো প্রদান করে। এটি আর্থিক ও জ্বালানি খাতসহ গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে, নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ বাড়ে এবং অনলাইন সেবার প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করে।
বক্তারা আরও বলেন, সাইবার কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ ও ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে সাইবার আইন একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করে এবং ই-কমার্স ও প্রযুক্তির উন্নয়নে উৎসাহ দেয়। এটি নিরাপত্তা ও উদ্ভাবনের মধ্যে ভারসাম্য রেখে নাগরিক, ব্যবসা ও দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
তারা বলেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনের কিছু ধারা যেমন ডিজিটাল বিষয়বস্তু ব্লক করা এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার উদ্বেগ তৈরি করছে। এই আইনটি ভিন্নমত দমন এবং বাক স্বাধীনতা সীমিত করার জন্য ব্যবহার হতে পারে। 'অপপ্রচার ছড়ানো' বা 'ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা' এর মতো অস্পষ্ট শব্দগুলো সাংবাদিক ও সরকারের সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এতে আইনটি নাগরিক স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং বৈধ অনলাইন অভিব্যক্তিকে দমন করতে পারে। এ কারণে তারা বিতর্কিত ধারা সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এসময় সাইবার সুরক্ষা আইন হালনাগাদ করা হচ্ছে জানিয়ে গোলটেবিল আলোচনায় মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে ‘সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না নীতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তথ্যপ্রযুক্তি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
আরও পড়ুন: সাইবার নিরাপত্তা আইন অবশ্যই বাতিল করা উচিত: আসিফ নজরুল
তিনি বলেন, সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বড় ইস্যু। আইনের ভাষায় নেতিবাচক কিছু আছে কি না সেটা দেখতে হবে। আইন নিবর্তনমূলক হওয়া যাবে না।
সাইবার সুরক্ষায় করণীয় বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি সচিব বলেন, ৩৬ আগস্টের বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা বাক-স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি। একে অর্থবহ করতে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। আমার দপ্তর থেকে মাত্র তিন-চার জন ব্যক্তি দিয়ে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (এনসিএসএ) চলছে। অথচ একে আরও শক্তিশালী করা দরকার। একইসঙ্গে নাগরিকদের নিয়ে বেশি বেশি নাগরিক সংলাপ করতে চাই। সব পক্ষের মত নিয়েই এই আইন সংশোধন করা হবে।
অপর মুখ্য আলোচক বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, ডেটা সুরক্ষা ও তথ্য শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা সহজ নয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান ভেদের দ্বন্দ্ব। এর মধ্যে সবচেয় বড় চ্যালেঞ্জ বাক-স্বাধীনতায় ভারসাম্য রক্ষা। সংস্কৃতি, জাতীয়তার সীমার মধ্যে যদি আমরা দূরত্ব কমাতে পারি তাহলে সমাধান সহজ হবে। এই সমাধানটা নিজেদের মতো করে ‘সেলাই’ করতে হবে। ডিজিটাল অপরাধ সনাক্তের জন্য আইন করতে হবে। কোন প্রযুক্তি আমরা কীভাবে ব্যবহার করব সে জন্য আগাম চিন্তা করে আগামীতে কোন মূল্যবোধ নিয়ে চলব, কতটুকু যন্ত্রের ওপর নির্ভর করব তা নির্ধারণ করতে পারব।
তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, অপরাধকে অপরাধের গুরুত্ব ও প্রভাবের মাত্রা অনুযায়ী বিচার হওয়া দরকার। আসলে নতুন মাধ্যমে অপরাধ প্রমাণের সক্ষমতা আমাদের দরকার। রাষ্ট্রীয়ভাবে তথ্যের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আইন করে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
রবির কোম্পানি সচিব ব্যারিস্টার সাহেদ আলম বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৬০টি ধারারর মধ্যে ৩৭টি ধারাই ছিল অপরাধ চিহ্নিত করার জন্য। এতে ১৮টি অপরাধ গণ্য করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক সাইবার অপরাধের দিক দিয়ে ভালো অবস্থানে আছে। তবে ই-গভর্নেন্সে আমরা পিছিয়ে আছি। তাই আমাদের কিসের জন্য কোন আইন দরকার তা আগে নির্ধারণ করতে হবে। আমার মনে হয়, বিদ্যমান আইনটি সংশোধন করার কিছু নেই। তাই এটি পুরোপুরি বাতিল করে নতুন করে করা উচিত। ডিজিটাল ইকোনমি যুক্ত করে টেলিকম আইনটিও হালনাগাদ বা নতুন করে করা দরকার।
বেসিস সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, বাকস্বাধীনতায় ভারসাম্য রক্ষায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। এজন্য স্কুল থেকেই গঠনমূলক সমালোচনা করার সচেতনতা খুবই প্রয়োজন। এভাবেই সেলফ সেন্সরশিপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি ডিজিটাল ফরেনসিক কীভাবে ও কতটুকু পর্যন্ত আদালতে গ্রহণযোগ্য সেদিকে নজর দিতে হবে। আমাদের দেশে ডেটা প্রাইভেসি না থাকায় আমাদের ব্যবসাও হুমকির মুখে পড়বে। তাই সবার আগে সেন্সেটিভিটির ওপর ভিত্তি করে ডেটা ক্যাটাগারাইজেশন করা দরকার। একইসঙ্গে আমরা নাগরিককে কতটা সার্ভিলেন্সে আনতে পারি, লিগ্যাল ইন্টারসেপশন করতে পারি সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েই আইন করতে হবে। তা না হলে মানুষ আইন ভাঙতে চেষ্টা করবে। তাই আইন তৈরির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
এমটব মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার নতুন আইন করার ক্ষেত্রে অপরাধকে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে উপধারাগুলোকে সুনির্দিষ্ট করতে হবে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশোধনের সুযোগ রাখতে হবে। অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে হবে। অপরাধ শনাক্তকরণে বিচারকদের প্রশিক্ষিত করতে হবে।
বিডি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কায়সার হামিদ বলেন, দেশের আর্থিক খাত খুবই ঝুঁকিপ্রবণ। প্রতিদিন দেশের আর্থিক খাতে ৬৩০টি সাইবার আক্রমণ হয়। তাই সাইবার অপরাধ কীভাবে ঘটে তা নির্ধারণ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ঠিক করতে হবে। ডেটাসুরক্ষা আইন করতে হবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কার্যকরভাবে সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার তথা ছক বাস্তবায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি ম্যানেজড ছক গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে দেশে কোন তথ্য রাখা বাধ্য করতে হবে তা নির্ধারণ করা দরকার।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই নাবিল বি আরিফ বলেন, সাইবার নিরাপত্তার আইনে শাস্তি নয় সুরক্ষাকেই গুরুত্ব দেওয়া দরকার। সাম্প্রতিক সময়ের দুর্ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সামালোচনার জন্য যে ধরনের কাণ্ড ঘটেছে তা দুঃখজনক। এটা আইনের কাজ নয়। তাই আমাদের আইনের ভাষা পরিচ্ছন্ন ও বোধগম্য হতে হবে। মানুষের নিরাপত্তাকেই সবার ওপরে গুরুত্ব দিতে হবে যেন তারা ভীত না হন। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, অপরাধের ধরন অনুযায়ী অপরাধের ক্ষত তৈরি হয়। এজন্য বিচার বিভাগীয় তদারকি থাকা দরকার। ফেসবুক পোস্ট কন্টেন্ট সংশ্লিষ্ট অপরাধ। এটাই সব নয়। তাই বাকস্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ সাইবার সুরক্ষা আইনে প্রাধান্য পাওয়া উচিত নয়। এজন্য আমাদের ছাত্র-শিক্ষক-ব্যাবসায়ী-জনতার অংশগ্রহণে এই আইন করা দরকার। তা না হলে বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের প্রযুক্তি বিভাগ আনোয়ার টেকনোলজিসের সহপ্রতিষ্ঠাতা ওয়ায়েজ আর হোসেন বলেন, সাইবার ক্রাইমের মধ্যে বাক-স্বাধীনতা, অনলাইন হ্যারাজমেন্ট, সাইবার বুলিং ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। তরুণদের পাশাপাশি, নাগরিক ও ব্যবসাকেও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: সাইবার আইনের মামলা প্রত্যাহার হচ্ছে, গ্রেপ্তাররা মুক্তি পাচ্ছেন
৪৫৯ দিন আগে
ভূমিসেবার বিষয়ে সাইবার নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার: ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, সরকার ভূমিসেবা সহজীকরণের পাশাপাশি ভূমিসেবা ব্যবস্থায় সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট অসংখ্য কাজ নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। এসব ভূমিসেবা নির্বিঘ্নে দিতে হলে ভূমিসেবা কাঠামোর নিশ্ছিদ্র সাইবার নিরাপত্তা অপরিহার্য।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর ভূমি ভবনের সভাকক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে গতি আনতে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী
মন্ত্রী স্পর্শকাতর তথ্য সুরক্ষা ও ভূমিসেবা অবকাঠামোর প্রতি নাগরিকদের আস্থা সমুন্নত রাখতে একটি শক্তিশালী ও সহনশীল সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার সব ডিজিটাল সেবায় সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং ভূমিসেবাও এর ব্যতিক্রম নয়। রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর তথ্যের নিরাপত্তা, নাগরিকদের সম্পত্তি সম্পর্কিত তথ্য এবং সম্পত্তি লেনদেন সম্পর্কিত তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়টি মাথায় রেখে আমাদের কাজ করতে হবে।
ভূমিসেবা কাঠামোর সাইবার নিরাপত্তায় ভূমি মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। যেমন—নিয়মিত ল্যান্ড সার্ভিস সাইটের দুর্বলতা পরীক্ষা (ভালনারেবিলিটি টেস্ট), সাইবার বিশেষজ্ঞ নিয়োগ এবং ভূমিসেবা ব্যবস্থা অবকাঠামোর একটি সমন্বিত আইসিটি নিরাপত্তা নির্দেশিকা (কম্পেহেনসিভ আইসিটি গাইডলাইন) প্রণয়ন।
এসব বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে ভূমিসেবা ব্যবস্থায় সাইবার সিকিউরিটি ব্যবস্থাকে এমনভাবে শক্তিশালী করার ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে সর্বাধুনিক ও নির্ভরযোগ্য সাইবার সিকিউরিটি সিস্টেম সহজে ইন্টিগ্রেট (সংহত) করা যায়।’
আরও পড়ুন: জনকল্যাণে যথাযথ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করুন: ভূমিমন্ত্রী
পরিবেশ সুরক্ষায় চিংড়ি মহালের ফাঁকা স্থানে সবুজায়নের নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর
৭১৭ দিন আগে
সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৪২ ধারার প্রয়োজন আছে: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৪২ ধারার আইনি প্রয়োজন আছে। কারণ পুলিশের কাজ হলো, যদি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেটা বন্ধ করা। অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচারে সোপর্দ করা এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা।
মন্ত্রী বলেন, বিচারে সোপর্দ করতে গেলে কিছু ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সাক্ষ্য-প্রমাণ প্রয়োজন হয় এবং এই সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা তাদের দায়িত্ব। ওইখানে যদি পুলিশের হাতটা বেঁধে দেওয়া হয়, তাহলে তো তারা সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারবে না, কাজ করতে পারবে না। এমন এমন জায়গা আছে, যেখানে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়। এ ধরনের ক্ষেত্রেই কেবল ৪২ ধারা প্রয়োগ করা হবে।
আরও পড়ুন: সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করার আগে অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বাংলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসির চতুর্থ সম্প্রচার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গিয়ে আনিসুল হক বলেন, ২০০৬ সালের আইসিটি আইনে ৫৭ ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। এ ধারার বিষয়ে অনেক প্রশ্ন ও আপত্তি ছিল। আবার সাইবার স্পেস নিয়ন্ত্রণ বা সুরক্ষারও প্রয়োজন ছিল। এমন প্রেক্ষাপটেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছিল। এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য ছিল না- সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম বা স্বাধীন সাংবাদিকতা করার জন্য এটা একটা বাধা হয়ে দাঁড়াক। মোটেই এটা ইচ্ছা ছিল না এবং এটাও সত্য যে বাংলাদেশের সংবিধানে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার কথাটা একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চয়তা দেওয়া আছে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে অপব্যবহার হয়েছে তা সরকার সবসময় স্বীকার করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৭০০১টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে এখন আছে ৫ হাজার ৯৯৫টি মামলা। এই মামলার শতকরা ৯৫ ভাগ দায়ের করেছে বাংলাদেশের জনগণ। এর মধ্যে হয়তো রাজনীতিবিদরাও আছেন। কিন্তু যখন দেখা গেল, এই আইনের কিছুটা অপব্যবহার করা হচ্ছে, তখন কিন্তু সরকার এটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছে। এরপর সারা পৃথিবীর বেস্ট প্রাকটিসগুলো সম্বন্ধেও সরকার জ্ঞাত হয়েছে।
এরপর যখন দেখা গেছে আইনটিতে কিছু কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন তখন সেটা নিয়ে কথা হয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া তৈরির সময়ও আলোচনা হয়েছে। প্রথম দফার আলাপে সরকার এটাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করেছে। এখানে যেসব যৌক্তিক আপত্তি পাওয়া গেছে, সেগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।
বলা হচ্ছে, সাইবার নিরাপত্তা আইন করার সময় কারও সঙ্গে আলাপ করা হয়নি, কথাটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। কেউ হয়তো বলতে পারেন তার সঙ্গে তো আলাপ করা হয়নি, অমুকের সঙ্গে তো আলাপ করা হয়নি। কিন্তু এই আইনের বিষয়ে ধারণা নেওয়ার জন্য কোথায় অসুবিধা হচ্ছে, কোথায় কী করতে হবে, সেসব কথা বলার জন্য কিন্তু আলাপ-আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারপরও যখনই আপত্তি উঠেছে, তখন আবারও আলাপ-আলোচনা করেছি। যাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হয়েছে তারা হলেন নির্বাচিত প্রতিনিধি। এরপর সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও আলোচনা হয়েছে। সেখানে বিএফইউজের বেশ কয়েকটি পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। মিথ্যা মামলার বিষয়ে তাদের যে পরামর্শ ছিল, সেটা নেওয়া হয়েছে। ২১ ধারার বিষয়ে বিএফইউজে থেকে যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তা গ্রহণ করা হয়েছে। এখন ৪২ ধারা নিয়ে একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু সাংবাদিক নয় সর্বক্ষেত্রে যারা কর্মকর্তা, কর্মচারী ও কর্মী আছেন তাদের সবার স্ব-স্ব অবস্থানের সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়ে খুবই সিরিয়াস।
আরও পড়ুন: ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে ইমরানকে বরখাস্ত করা হয়েছে: আইনমন্ত্রী
ডিএজি এমরান শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন: আইনমন্ত্রী
৮৫৪ দিন আগে
সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করার আগে অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ এর খসড়া চূড়ান্ত করার আগে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে অবশ্যই অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সোমবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা আইনটি মন্ত্রিপরিষদে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। আগের মামলাগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনুসারেই চলবে, সাইবার নিরাপত্তা আইনের মধ্যে এ কথাটা উল্লেখ আছে।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার কুশীলবদের চিহ্নিত করতে কমিশন গঠন করা হবে: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখে সংসদ ডাকা হয়েছে। আইনটি যাতে সংসদে যেতে পারে সেজন্য আইনটির বিষয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে অবশ্যই অংশীজনদের ডেকে আলাপ-আলোচনা করা হবে। আপনারা আমাদের কাছ থেকে জানতে পারবেন।’
আগের মামলা আগের আইনে নিষ্পত্তির কথা সাইবার নিরাপত্তা আইনে বলা হয়েছে। তবে সরকার আগের মামলায় নতুন আইনের কম শাস্তি নিশ্চিতের চিন্তা-ভাবনা করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাপারটা হচ্ছে আমাদের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে পরিষ্কারভাবে লিখা আছে- প্রথম কথা হচ্ছে অপরাধ করার সময় যে আইন বলবৎ ছিল সে আইনেই বিচারকার্য হবে এবং সেই আইনে যে সাজা ছিল সেই সাজাই দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ৩৫ অনুচ্ছেদে একটা কথা আছে, সেটা হচ্ছে যদি নতুন আইন যেটা করা হচ্ছে ওইটার পরিবর্তে সেখানে যদি সাজা অধিক হয় তাহলে সে সাজাটা দেওয়া যাবে না। পুরানো আইনে অর্থাৎ যে আইনে সে অপরাধ করেছে অথবা যে আইন বলবৎ ছিল অপরাধ করার সময়, সেই আইনে যে সাজা আছে, তাকে সেই সাজাই দিতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয়টা হচ্ছে কোনো ভিন্নতর সাজা দেওয়া যাবে না। এখানে আমরা অনেক চিন্তা-ভাবনা করেছি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আমরা যদি ২১ ধারা ধরি। এ ধারায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ১০ বছর সাজা।
তিনি বলেন, ‘এখানে আজ নতুন আইনে অর্থাৎ সাইবার নিরাপত্তা আইনে বলা হচ্ছে পাঁচ বছর। তাহলে বিজ্ঞ আদালত যখন এ আইন পাস হওয়ার আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বলবৎ থাকার সময় যে অপরাধ হয়েছে, তাহলে তিনি সংবিধান মতে এ ১০ বছর সাজা কিন্তু দিতে পারেন। আমরা সেখানে যাতে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয় এমন একটা ব্যবস্থা করতে চাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: বিএনপি-জামায়াতের হাতে ক্ষমতা গেলে কেউ শান্তিতে থাকতে পারবে না: আইনমন্ত্রী
বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ বিরানভূমি হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী
৮৬৫ দিন আগে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সাইবার নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্তির দাবি টেলিযোগমন্ত্রীর
প্রাথমিক বিদ্যালযয়ের পাঠ্যক্রমে ‘সাইবার নিরাপত্তা’ বিষয়টিকে অন্তর্ভূক্তির দাবি জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বৃহস্পতিবার বিটিআরসি সম্মেলন কেন্দ্রে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘নিরাপদ ইন্টারনেট যুব কর্মশালা ২০২২’- ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, এখন যুদ্ধের হাতিয়ার হয়ে গেছে ডিজিটাল ডিভাইস। তাই ডিজিটাল সংযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল অপরাধ মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এছাড়া ডিজিটাল অপরাধ ঠেকাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি দরকার। মাথা ব্যথা হলেই মাথা কেটে ফেলবো না। ওষুধ খেতে হবে। সেক্ষেত্রে সচেতনতা প্রধান হাতিয়ার।
আরও পড়ুন: আমরা ডাকঘর ডিজিটাল করার কাজ শুরু করেছি: মোস্তাফা জব্বার
ডিজিটাল অপরাধের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অপরাধের চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বেশি গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক থানায় একটি সাইবার বা ডিজিটাল ক্রাইম ইউনিট করা দরকার। সেখানে কর্মরতদের ব্যাপকভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কেপিআই’ এর মতো ‘সিআইএ’ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
ডিজিটাল রূপান্তরে সমস্যার চেয়ে সুবিধাই বেশি এমন ইঙ্গিত করে মোস্তাফা জব্বার বলেন,‘ই-নথি’ আমাদের দেশে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিআরসি’র সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ।
এসময় আলোচনায় অংশ নেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. তৌহিদ ভূঁইয়া, সাবাইর সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ (ডিএসএ) পরিচালক তারেক বরকতুল্লাহ,পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ডিজিটাইজেসন বা পদ্ধতিগত রূপান্তরের ফলে ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ দূর হচ্ছে: মোস্তাফা জব্বার
পৃথিবী হবে ডাটা নির্ভর: মোস্তাফা জব্বার
১১৮৫ দিন আগে
সাইবার নিরাপত্তায় অবহেলা, অভিযোগ টুইটারের সাবেক নিরাপত্তা প্রধানের
টুইটারের সাবেক নিরাপত্তা প্রধান পিটার জাটকো মাধ্যমটির দুর্বল সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থার বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে ভুল ব্যাখ্যা দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন। ভুয়া অ্যাকাউন্ট যেগুলোতে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে থাকে, তা সরানোর পদক্ষেপ নিতেও অবহেলা করেছে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে দাখিল করা এক অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিকে গুরুতর আইনি ও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এতে টুইটার বেশি করে চাইবে ইলন মাস্কের সঙ্গে চার হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তিটি যাতে সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে অভিযোগটি তদন্ত করতে বলেছেন।
পিটার অভিযোগটি যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ কমিশন, ফেডারেল ট্রেড কমিশন এবং বিচার বিভাগের কাছে গত মাসে দাখিল করেন। অভিযোগের বিষয়ে পিটারের সঙ্গে কাজ করেছে আইনবিষয়ক অলাভজনক সংস্থা ‘হুইসেলব্লোয়ার এইড’। নিশ্চিত করে, ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনে পোস্ট করা অভিযোগের একটি সংশোধিত অনুলিপির সত্যতা। পিটারের অভিযোগটি ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনে ছেড়েছে এবং এর সত্যতা হুইসেলব্লোয়ার এইড নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: টুইটার বোর্ডে থাকছেন না ইলন মাস্ক
সংস্থাটির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান উন্মোচন কর্মকর্তা জন টাই মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এটিই তাঁর (পিটার) জন্য শেষ আশ্রয় ছিল’। পিটারকে এবছরের জানুয়ারিতে বরখাস্ত করা হয়।
পিটারের গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে, টুইটার ২০১১’র এফটিসি (ফেডারেল ট্রেড কমিশন) শর্তাবলী লঙ্ঘন করে। টুইটার মিথ্যা দাবি করেছিল যে কোম্পানিটি এর ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। পিটারের আরও অভিযোগগুলোর একটি হল, স্প্যাম বা ভুয়া অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কোম্পানিটি প্রতারণা করেছে। ঠিক এ কারণেই ইলন মাস্ক চেষ্টা করছে টুইটার কিনে নেয়া থেকে পিছিয়ে আসতে।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার টুইটার ইনকরপোরেটেডের শেয়ার সাত শতাংশের বেশি কমেছে।
আরও পড়ুন: জ্যাক ডরসিকে আদালতের তলবের জন্য ইলন মাস্কের রিট
৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কিনে নিচ্ছেন ইলন মাস্ক
১২৩৫ দিন আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকে প্রাধান্য পেয়েছে সাইবার নিরাপত্তা
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হওয়া দুই সপ্তাহব্যাপী বৈঠকে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তার মতো বিষয়ে আলোচনা প্রাধান্য পেয়েছে।
১৪ থেকে ১৯ নভেন্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ আইসিটি কনসাল্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ডিজিটাল অর্থনীতি অংশীদারিত্ব, বিশ্ব গ্রাম, প্রযুক্তির নিরাপত্তা, সমনীতি, অবকাঠামো ও বিকল্প প্রযুক্তির মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের প্রধান হাসানুল হক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেটে বাক স্বাধীনতা এবং ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় এখন আমাদের কী করা প্রয়োজন সে সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
‘এ জন্য অংশীদারদের ভূমিকা ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পেয়েছি আমরা। এছাড়া বিশ্ব গ্রামের বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে তাদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা কিছু দিক নির্দেশনা পেয়েছি।’
ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, সাইবার নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নীতি নিয়ে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের সাথে কাজ করে এমন বিভিন্ন সংস্থার জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা এবং গুগল, ফেসবুক, মাস্টারকার্ডসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা, আন্তসীমান্ত বাণিজ্যসহ যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন নীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
অন্যদিকে ইন্টারনেট গভার্নেন্স ফোরামের মহাপরিচালক আব্দুল হক আনু বলেন, ‘এই বৈঠকে আমাদের অনেক ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে। এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তসীমান্ত ডিজিটাল বাণিজ্যের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু ও নেলসন ম্যান্ডেলা মহান দূরদর্শী নেতা: দ.আফ্রিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা রেজুলেশন গৃহীত
১৫১২ দিন আগে