চাঁদাবাজি
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘মাফিয়াতন্ত্র’ বন্ধের আহ্বান রিজভীর
সড়ক পরিবহন খাতে ‘মাফিয়াতন্ত্রের’ অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট ও অনিয়ম দূর করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে জাতীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নবগঠিত কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সড়কে দীর্ঘদিনের নৈরাজ্য ও অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে নতুন ফেডারেশন সক্রিয় ও সোচ্চার থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, নতুন ফেডারেশনের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা ছাত্ররাজনীতিতে তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন চিন্তা ও পদ্ধতির মাধ্যমে সড়ক পরিবহন খাতের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা দূর করে আইনসঙ্গত করবেন এবং যাত্রীসেবায় দৃষ্টান্তমূলক অবদান রাখবেন বলে তিনি আশাবাদী।
খাতটির উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, একটি খাতে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে অন্য খাতগুলোতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেগুলোও উন্নত হতে উৎসাহ পেতে পারে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন ফেডারেশনের নেতৃত্ব ‘ফ্যাসিবাদী শাসনামলে’ তৈরি হওয়া সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার অবনতিশীল পরিস্থিতির পরিবর্তে এমন একটি নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, যা জনগণের আস্থা বাড়াবে এবং যাতায়াতের সময় মানুষকে আরও নিরাপদ ও স্বস্তিবোধ করাবে।
৭ দিন আগে
উত্তরায় ডিজিএফআই সদস্য সেজে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ৩
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সদস্য পরিচয়ে উত্তরায় এক ব্যক্তির কাছ থেকে এক লাখ ৫৯ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাসেল মাহবুব ওরফে মাসুম (৪২), সোহেল মির্জা (৪১) ও মো. সজিব (৩৬)।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া ও জনসংযোগ) আকতার হোসেন শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে এসব তথ্য জানান।
ডিসি আকতার বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (শুক্রবার) সকাল ৮টার দিকে উত্তরা পূর্ব থানার একটি টহল দল সেক্টর-৪-এর ৩ নম্বর সড়কের একটি ভবনের দশম তলার একটি ফ্ল্যাটে যায়।
পুলিশ জানায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিজিএফআইয়ের সদস্য পরিচয় দেন এবং ফ্ল্যাটের মালিক কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।
একপর্যায়ে কথিত ওই মামলা মীমাংসার জন্য তারা জাহেদীর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। ভয় পেয়ে তিনি এক লাখ ৫৯ হাজার টাকা দেন। পরে তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান।
এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এক সন্দেহভাজনের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি পরিচয়পত্র পায়। জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহভাজনরা ডিজিএফআইয়ের সদস্য পরিচয়ে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি ভুয়া পরিচয়পত্র, একটি মোটরসাইকেল, নগদ এক লাখ ৫৯ হাজার টাকা, একটি ওয়াকিটকি ও এক জোড়া হাতকড়া উদ্ধার করা হয়ে।
এ ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠাতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১২ দিন আগে
চাঁদাবাজ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজদের তালিকা করা পুলিশের রুটিন ওয়ার্ক। সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের তালিকা পুলিশের কাছে সবসময় থাকে এবং তা নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়।
এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে এবং আরও জোরদার করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কতজন সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার হচ্ছে, তা পুলিশ বিভাগ নিয়মিত সংগ্রহ করছে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে।
এ সময় বিচ্ছিন্ন ঘটনায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন না করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকার অব্যাহতভাবে কাজ করছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের উদ্বেগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে অব্যাহতভাবে চেষ্টা চালাচ্ছি। এখানে কোনো একটা বা দুইটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা সামনে নিয়ে এসে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মূল্যায়ন করাটা ঠিক হবে না।
এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখছে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে, গ্রেপ্তার করছে এবং মামলা নিচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘যারাই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, হচ্ছে।’
মিরপুরের একটি ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন।
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনায় একজন পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা শুরু হয়েছে।
ওই ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে অপরাধীদের কারও রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তা বিবেচনায় না নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৫ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনায় পিস্তল-ককটেলসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
খুলনা নগরীতে অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে লবণচরা থানার রূপসা সেতুর নিচে জালালের তুষ মিলের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও তিনটি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা জুট মিল এলাকার মো. আল আমিন (২৩), রূপসা মডার্ন সীফুড এলাকার মো. রনি মোল্লা ওরফে কসাই রনি (২৮) ও রূপসা স্ট্যান্ড ডাক্তার গলির স্বরন জোমাদ্দার ওরফে সজল জোমাদ্দার (২৬)।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, খুলনার দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে গ্রেপ্তার আসামিরা বিভিন্ন সময়ে ঘাটের মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করতেন। চাঁদা না দিলে বিভিন্ন সময় তাদের ভয়ভীতিও দেখানো হতো।
এসব অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রাত ১০টার দিকে রূপসা সেতুর উত্তর পাশে যায়। এ সময় গ্রেপ্তার আসামিরা হেলমেট, মুখোশ ও গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাতে ঘটনাস্থলে আমরা অভিযানে গিয়েছিলাম। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বালুর মধ্যে পড়ে যান। পরে পুলিশ ধাওয়া করে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে পিস্তল, গুলি ও ককটেল উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
১৫ দিন আগে
সালমান মুক্তাদির চাঁদাবাজির ঢালাও অভিযোগ করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগকে ‘ঢালাও’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে, যার জেরে সেখানে ভাঙচুর হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গতকাল (শনিবার) একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার তার স্টুডিওতে ভাঙচুরের শিকার হওয়ার পর বলেছেন, বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। একই সঙ্গে তিনি বিএনপিকে ‘চাঁদাবাজ দল’ বলেছেন। চাঁদা না দেওয়ার কারণেই এই ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। আপনাকে (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিয়েও কথা বলেছেন—এভাবে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে উদ্দেশ্য করে তো বলতেই পারে, এটাই গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যিনি এই অভিযোগটা ফেসবুকে লাইভে এসে করছেন, তিনি কি কোনো মামলা দায়ের করেছেন? করেননি।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘তিনি (সালমান মুক্তাদির) এক পর্যায়ে বলেছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা চায়নি, চাইলে নাকি তিনি দিত। অডিওতেও...। তো যার কাছে সরাসরি কোনো চাঁদা দাবি করেনি, তিনি বলছেন চাইলে দিত। তাহলে এটা চিহ্নিত কেউ না এবং তিনি বিএনপিকে চাঁদাবাজ দল বলছেন, এটা ঢালাও অভিযোগ।’
এ সময় তিনি জানান, এ ঘটনায় সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা করা হলে বিষয়টির সঠিক তদন্ত করে দেখা হবে।
সালমান মুক্তাদির ভাঙচুরের ঘটনার ভুক্তভোগী জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনায় তিনি ভিকটিমাইজড (ভুক্তভোগী) হয়েছেন, তা আমরা দেখেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি খুব সংক্ষিপ্ত প্রাথমিক তদন্ত করেছি, তবে আরও বিস্তারিত তদন্ত করতে হবে।’
এই বিষয়ে মামলা, জিডিসহ আইনি প্রক্রিয়া চালু আছে জানিয়ে তিনি বলেন, হয়ত খুব শিগগিরই মামলা হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত মামলা হয়নি।
ঘটনাস্থল সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানার অন্তর্গত মানিকদী নামাপাড়ায় একটা বিতর্কিত জমি আছে, সম্ভবত ৩৫ কাঠার। এই জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আছে।
তিনি যতটুকু জানতে পেরেছেন, দুই পক্ষের মধ্যে একটি হলো নিউ গিনি প্রপার্টিজ নামের একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। আরেক পক্ষে আছেন একজন অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে জমিটা নিয়ে বিরোধ চলছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত ওই সামরিক কর্মকর্তার পক্ষের বেশ কিছু লোক রাতের অন্ধকারে জায়গাটি দখল করতে গিয়েছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায় তারা।
তিনি আরও বলেন, সেখানে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্থাপনা রয়েছে, যা মূলত শুটিং ও কনটেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। সেখানে ভাঙচুরের ভিডিও তিনি দেখেছেন বলেও জানান।
এছাড়া বিতর্কিত জমি নিয়ে সংঘর্ষের বিষয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, বিতর্কিত এই জায়গা নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে যে সংঘর্ষ হয়েছে, সে বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসাসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্রওে উদ্ধার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বিষয়টা তদন্তাধীন এবং মামলা দায়ের হবে বলে জেনেছি, তাই এই বিষয়ের অগ্রগতি পরে জানানো যাবে।
১৮ দিন আগে
পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে মহাসড়কে ট্যাংকলরি রেখে খুলনায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ
পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে খুলনায় মহাসড়কে ট্যাংকলরি রেখে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন জ্বালানি তেল পরিবহন শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলতলা থেকে পথের বাজার পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় শ্রমিকরা ডিপো থেকে জ্বালানি তেল উত্তোলন না করে খুলনা-যশোর মহাসড়কে অবস্থান নেন। এ সময় প্রায় এক কিলোমিটার সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এদিন শ্রমিকরা প্রথমে ফুলতলা থানার সামনে কর্মসূচি পালন করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে তারা খানজাহান আলী থানার পথের বাজার এলাকায় অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন।
খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এনাম মুন্সীর সভাপতিত্বে সমাবেশে জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতা মীর মোকসেদ আলী এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী আজিম বক্তব্য দেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, কাগজপত্র যাচাইয়ের অজুহাতে পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজন রাস্তায় ট্যাংকলরি থামিয়ে চাঁদাবাজি ও হয়রানি করছেন।
তারা বলেন, জ্বালানি তেল পরিবহনের আগে টার্মিনালেই ট্যাংকলরির কাগজপত্র যাচাই করার নিয়ম রয়েছে। তাই মহাসড়কে চলন্ত গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা উচিত নয়।
তারা বলেন, মহাসড়কে ট্যাংকলরি থামানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ প্রতিটি ট্যাংকলরিতে প্রায় ৯ হাজার লিটার দাহ্য পদার্থ থাকে। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি ও হয়রানি করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।
৫১ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার যমুনা নদীতে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে নৌযান মালিক-কর্মচারীসহ ৩ উপজেলার ২৭ গ্রামের সহস্রাধিক নারী-পুরুষ এলাকার ত্রাস হিসেবে খ্যাত ‘সালাম বাহিনী’র বিরুদ্ধে বেলকুচি ক্ষিদ্রচাঁপিয়া এলাকায় মানববন্ধন করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, টাঙ্গাইল সদর ও চৌহালী উপজেলার চরবেল, পুংলি, কাকুয়া, জাঙ্গালিয়া, কলাবাগান ও মহেষপুরের নৌযান মালিক-কর্মচারীরা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এলাকার ত্রাস হিসেবে খ্যাত সালাম ও তার সহযোগী রুবেল, কাওছার আলম, মাসুদ ও হাবিব গং সন্ধ্যা নামার পর যমুনা নদীতে ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে সশস্ত্র মহড়া দেয়।
সিরাজগঞ্জ-ঢাকা নৌরুটে তারা সব ধরনের বাল্কহেড, ছোটবড় নৌকাসহ বিভিন্ন নৌযান থেকে বেপরোয়া চাঁদাবাজি করে আসছে। তার দাবিকৃত চাঁদা না দিলে নৌযান শ্রমিক-কর্মচারীদের মারধর করে। এ সালাম বাহিনীর অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে আজ আমরা নৌযান মালিক ও কর্মচারীরা মানববন্ধন করছি। যমুনায় নৌপথ নিরাপদ করতে তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করেন।
আবু সাঈদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে নৌযান মালিক-কর্মচারীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন ইউসুফ মোল্লা, কছির উদ্দিন, সুমন ও বক্কার মোল্লাসহ অনেকে। নৌযান মালিক-কর্মচারী ছাড়াও বেলকুচি, টাঙ্গাইল সদর ও চৌহালী উপজেলার ২৭ গ্রামের সহস্রাধিক নারী-পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন।
৬২ দিন আগে
মতিঝিলে চাঁদাবাজি ও গুলিবর্ষণ মামলায় শুটার বাপ্পিসহ গ্রেপ্তার ৫
রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় চাঁদাবাজি ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত শুটার তানিম রেজা ওরফে বাপ্পি এবং তার চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) এবং অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার অন্য চারজন হলেন— মোহাম্মদ জুয়েল (৪৮), শাকিল (২৭), মো. মানিক কাজী (৫০) ও রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে রিজন (৩৫)।
পুলিশ বলছে, রাজধানীর দক্ষিণ কমলাপুরে কোরবানির পশুর হাটের এক ইজারাদারের অফিস লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এছাড়া, বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায়ও তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তানিম রেজা ওরফে বাপ্পি ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে মতিঝিল বিভাগ। পরে তাদের দেওয়া তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তায় উত্তর কমলাপুর থেকে আরেক সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে রিজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, গত ১৯ মে দক্ষিণ কমলাপুরে কোরবানির পশুর হাটের এক ইজারাদার ব্যবসায়ীর অফিস লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। ১৫ মে একই ব্যবসায়ীর কাছে বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের হওয়ার পর তদন্তে তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৭ জুলাই দিনগত রাতে দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড রিভলভারের গুলি, দুই রাউন্ড পিস্তলের গুলি, দুইটি ম্যাগাজিন, একটি ইলেকট্রিক শক গান এবং একটি বিদেশি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় অস্ত্র আইনে পৃথক একটি মামলা করা হয়েছে বলেও জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।
ওসমান গনি বলেন, তানিম রেজা ওরফে বাপ্পি একজন অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে। এছাড়া মতিঝিল এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে। গ্রেপ্তার তানিম রেজা বাপ্পির বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি, দস্যুতা, অপহরণ, হত্যা চেষ্টা, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট সাতটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি তাদের অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং আরও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার।
৮৯ দিন আগে
নেত্রকোনায় চাঁদাবাজির মামলায় যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলার আসামি যুবদল নেতা মেহেদী হাসান ওরফে সাহসসহ (৩০) তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বুধবার (২০ মে) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান দুর্গাপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার পশ্চিম মোক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মঞ্জুরুল হকের ছেলে। অন্য দুজন হলেন বাগিচাপাড়া এলাকার হাসু মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩০) এবং সাধুপাড়া এলাকার মো. মেহেদী (২৮)।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা, মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে থানায় হত্যাসহ একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার নাজিরপুর মোড়ে ‘ভাই ভাই এন্ড জনতা হোটেলে’ তার সহযোগীদের নিয়ে বাকিতে খাবার খেতেন। গত ৪ এপ্রিল রাতে খাবার খেতে এসে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে তিনি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা চলে যান। এরপরও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাকিতে খাবার খেতে থাকেন। গত ৩০ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি তার প্রায় ১৫ জন সহযোগী নিয়ে ওই হোটেলে গিয়ে খাবার খান। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ বকেয়া মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা বিল চান। এতে মেহেদী হাসান ক্ষিপ্ত হয়ে হোটেলের মালিক ও কর্মচারীদের মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে উল্টো দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ নিয়ে মামলা বা পুলিশকে জানানোর ব্যাপারে নিষেধ করা হয়। ভয়ে হোটেলমালিক তিন দিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখেন। পরে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মেহেদী হাসানকে প্রধান আসামি করে তার ৮ জন সহযোগীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও আটজনের নামে মামলা করেন। গতকাল রাতে পুলিশ মেহেদী হাসানসহ তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
হোটেলমালিক খোকন মিয়া বলেন, মেহেদী হাসান বিভিন্ন সময় তার সহযোগীদের নিয়ে আমার হোটেলে খেয়ে এক লাখ টাকা বকেয়া করেন। টাকা চাইতে গেলেই তিনি উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, প্রাণনাশসহ নানা ধরনের হুমকি দেন। ওই দিন গভীর রাতে খাবার খাওয়ার পর আমার ম্যানেজার টাকা চাইলে তিনি উল্টো দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ব্যবসা করতে হলে তাকে চাঁদা দিয়ে করতে হবে বলে জানান। তাই খুন-জখমের ভয়ে তিন দিন হোটেল বন্ধ রাখা হয়। তার ভয়ে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত ও অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। পরে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শহীদুল্লাহ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল গভীর রাতে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকা থেকে মেহেদী হাসান সাহসসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
১৪৭ দিন আগে
চাঁদাবাজির তথ্য দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার দাবি করা বিরোধীদলীয় নেতার উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, চাঁদাবাজির তথ্য দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কোরবানির পশুরহাটের নিরাপত্তা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার কাছে যদি চাঁদাবাজি বেড়েছে—সেই খতিয়ান থাকে, তা আমার কাছে আপনারা দিলে সেই জায়গাটা মোকাবিলা করতে পারব। কোথায় চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেল, সেই তালিকা পেলে ব্যবস্থা নেব।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি দাবি করেছেন, চাঁদাবাজির কারণে বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘চাঁদাবাজি কোথায় বেড়েছে, সেই তথ্য পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারব।’
তিনি বলেন, গত ৩০ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক কারবারি ও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। বিশেষ করে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে জোর দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর, ডিএমপি ও জেলা পুলিশ সুপারদের নিয়মিতভাবে অভিযানের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সেই তালিকাটা আপনাদের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতার কাছে যেতে পারে। অথবা পত্রিকায় আমরা আরও বেশি করে প্রকাশ করতে পারি। কোথায় চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেলো, সেই তালিকা পেলে ব্যবস্থা নেব।
এর আগে, রাজধানীর মিরপুর-১-এর শাহ আলী পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরিদর্শনকালে ব্যবসায়ীরা বিরোধীদলীয় নেতার কাছে অভিযোগ তুলে বলেন, সরকারিভাবে ৫ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া রাজধানীর মিরপুর শাহআলী কাঁচাবাজারে দোকান দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ভাড়া দিচ্ছেন বরাদ্দ পাওয়া মালিকরা, যা ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। দোকান ভাড়ার সঙ্গে চলছে নীরব চাঁদাবাজি। কারা চাঁদাবাজি করছে, তা বলতেও ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
এ প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, চাঁদাবাজি সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে প্রতিরোধের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।
১৫৬ দিন আগে