জেন্ডার সমতা
শিক্ষার্থীদের চোখে জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে আদর্শ স্কুলের চিত্র
বিদ্যালয়ে সহায়ক পরিবেশ এবং সমান সুযোগ ও সহায়তা পেলে জেন্ডার নির্বিশেষে প্রতিটি শিশু বিকশিত হতে পারে নিজ নিজ সম্ভাবনায়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন তৈরিতে, জীবনের লক্ষ্য বেছে নিতে এবং সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিটি প্রতিটি বিদ্যালয় হয়ে উঠতে পারে আদর্শ বিদ্যালয়।
ঢাকায় আয়োজিত মডেল স্কুল ফেয়ার কর্মসূচিতে এ কথাই বলেন অংশগ্রহণকারীরা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তত্ত্বাবধানে সুরভি ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘চাইল্ড ব্রাইড টু বুকওয়ার্ম’ প্রকল্প ও মানিকনগর মডেল হাই স্কুলে যৌথ আয়োজনে রাজধানীর ঢাকার মানিকনগর মডেল হাই স্কুলে ‘মডেল স্কুল ফেয়ার’ নামে একটি ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মেলার উদ্বোধন করেন মাউশির পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন।
এছাড়া শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবকসহ প্রায় ১০০০ শিক্ষার্থী এই মেলায় অংশ নেয়।
আরও পড়ুন: ৯২ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি,রাবি কর্তৃপক্ষের মামলা
মেলায় বিভিন্ন স্টল সাজিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত অতিথিদের সামনে নিজেদের জীবনের লক্ষ্য তুলে ধরে এবং কিভাবে বিদ্যালয় তাদের এই ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণে শিক্ষকসহ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সহায়তা করছে তা জানায়।
তারা আরও জানায় কীভাবে স্কুল থেকে শিখছে জেন্ডার সমতা সম্পর্কে।
উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে জনাব প্রফেসর মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন বলেন, বর্তমান সরকারের একান্ত প্রচেষ্টায় ২০২৩ সাল থেকে নতুন কারিকুলামে মাধ্যমিক স্তরে দুইটি শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আমরা মেয়ে শিশুসহ সকল শিক্ষার্থীর মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালসহ উন্নয়ন সহযোগিদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রয়াস অব্যাহত রেখেছি।
তিনি আরও বলেন, স্কুলে লেখাপড়ার পরিবেশ তৈরির নেতৃত্ব দেন সেই স্কুলের প্রধান। তাদের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করবেন শিক্ষক এবং অভিভাবকরা। এটা কোন একক প্রচেষ্টা নয়। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এছাড়া আদর্শ স্কুলে যোগ্য শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে মূল্যবোধ তৈরির সুযোগ পাবে।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর লিড-এসআরএইচআর ফেরদৌসি বেগম বলেন, মাউশি’র তত্ত্বাবধানে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহায়তায় অল্প সংখ্যক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জেন্ডার ইক্যুইটি মুভমেন্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে এই কার্যক্রমটি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। যাতে করে সমাজে জেন্ডার সমতা এবং অন্তর্ভূক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত হয়।
আরও পড়ুন: রাবিতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ: ২ দিন পর ক্লাস শুরু
মাউশি’র উপ-পরিচালক (বিশেষ) সৈয়দ মইনুল হাসান বলেন, বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং দেশকে সমৃদ্বির দিকে এগিয়ে নিতে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার বিকল্প নাই। আর এজন্য দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়কে মডেল বিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
যেখানে মেয়েশিশু সহ সকল শিশু নিজেকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেকে তৈরী করে জীবনের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে।
মাউশি’র সহকারি পরিচালক খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, সকল স্কুল তখনই আদর্শ স্কুল হিসেবে গড়ে উঠবে যখন তারা জেন্ডার সমতা, মানসম্পন্ন শিক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিতে কাজ করবে, শিক্ষকরা প্রশিক্ষিত হবেন।
জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল মজিদ শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
সমাপনী বক্তব্যে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সেন্ট্রাল এন্ড নর্দার্ন রিজিওন হেড আশিক বিল্লাহ বলেন, বাল্যবিয়ে রোধ করা, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সমাপ্তিকরণ ও বিদ্যালয় হতে ঝরে পড়া রোধ করা এবং বিদ্যালয় পরিচালনা প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বিদ্যালয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
আজকের এই বিদ্যালয় পর্যায়ে ‘মডেল স্কুল ফেয়ার’ কর্মসূচি আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখবে, পেশাভিত্তিক জেন্ডার পক্ষপাতিত্ব দূর হবে যাতে শিক্ষার্থীরা উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখতে পারে এবং শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে বিদ্যালয়ের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের বেড়ে ওঠায় মায়েদের পাশাপাশি বাবাদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে যাতে শিশুরা জেন্ডার সমতার পরিবেশ নিয়ে বড় হতে পারে।
মেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুরভির নির্বাহী পরিচালক জনাব মো. আবু তাহের ‘মডেল স্কুল ফেয়ার’ কর্মসূচিটি সফল করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং এই ধরনের কর্মসূচি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি বিদ্যালয়ে সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়নে শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সকল অংশীজনদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
মানিকনগর মডেল হাই স্কুল ও ‘চাইল্ড ব্রাইড টু বুকওয়ার্ম’- প্রকল্পের যৌথ আয়োজনে মডেল স্কুল ফেয়ার কর্মসূচিতে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্টলে তাদের জীবনের লক্ষ্য ও স্বপ্নগুলো উপস্থাপন করেন এবং শিক্ষকগণ তাদের বিদ্যালয়টি একটি মডেল স্কুল হিসেবে কিভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও সহায়তা করে থাকে তা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: রাবিতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ: ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সর্বশেষে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক আয়োজনে দেশাত্ববোধক গান, নৃত্য ও ডিসপ্লে প্রদর্শন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
১ বছর আগে
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসে বলেছেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমরা বিশ্বের সব জায়গার নারী ও মেয়েদের অবদানকে স্বীকার করছি।
দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘টেকসই আগামীর জন্য জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য’
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘করোনা মহামারির সমাপ্তি ঘটাতে তাঁদের অবদানকে আমরা উদযাপন করছি।বিশ্বের মঙ্গলের জন্য তাঁদের পরিকল্পনা, উদ্ভাবন ও সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা আমরা স্বীকার করছি।এবং আমরা স্বীকার করছি জীবনের সবক্ষেত্রে তাঁদের নেতৃত্বকে।’
তিনি বলেন, তবে আমাদের এটাও স্বীকার করতে হবে যে অনেক ক্ষেত্রেই নারীর অধিকার প্রশ্নে ঘড়ির কাটা পেছনের দিকে ছুটছে।মহামারি মেয়েদের ও নারীদের বিদ্যালয় ও কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে রেখেছে।তারা এখন ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য ও সহিংসতার শিকার।
বিশ্বের জরুরি সেবাখাতের অবৈতনিক কর্মের সিংহভাগই নারীর অবদান উওল্লখ করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, শুধুমাত্র জেন্ডারের কারণে তারা সহিংসতা ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।সব দেশেই, অত্যন্ত বেদনাদায়কভাবে ক্ষমতার পরিকাঠামো ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নারীর প্রতিনিধিত্ব কম।
তিনি বলেন,এই বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে নারীরাই জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের অবক্ষয়ের বড় ভুক্তভোগী।এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসই প্রতিটি নারী ও মেয়েদের অধিকার প্রশ্নে ঘড়ির কাটা সামনের দিকে ঘুরিয়ে দেয়ার উপযুক্ত সময়।
নারীদের প্রশিক্ষণ ও শালীন কাজের জন্য ব্যাপক বিনিয়োগ করতে হবে উল্লেখ করে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়ে যেন নিজেদের মতো করে জীবন গড়তে পারে এবং এই বিশ্বকে আমাদের সবার জন্য আরও উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারে।
তিনি বলেন, জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা বন্ধে ও এই গ্রহটাকে রক্ষায় জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।জেন্ডার-ভিত্তিক সংরক্ষিত ব্যবস্থার মতো বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে সর্বক্ষেত্রে নারীর পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়, যার সুফল আমরা সবাই পাব।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ
মহাসচিব বলেন, পুরুষশাসিত বিশ্বে ও পুরুষ নিয়ন্ত্রিত সংস্কৃতিতে জেন্ডার-অসমতা ক্ষমতার পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাটতি। ক্ষমতার পরিকাঠামোর এই ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা জাতিসংঘ সদরদপ্তর এবং বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘের কার্যালয়গুলোয় জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে জেন্ডার-সমতা নিশ্চিত করেছি, যা আমাদের কাজে এবং আমাদের সেবায় উন্নতি ঘটিয়েছে।
আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, আমাদের আরও নারী পরিবেশমন্ত্রী, ব্যবসায়িক নেতা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন। তাঁরা জলবায়ু সংকট চিহ্নিত, পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ন্যায্য ও টেকসই বিশ্ব গড়তে পারবেন।
তিনি বলেন, নারীর অধিকার প্রশ্নে আমাদের ঘড়ির কাটা সামনের দিকে ঘোরাতে হবে।এখনই উপযুক্ত সময়।
পড়ুন: নারীদের এগিয়ে চলা নিয়ে বইমেলায় আইরিশের ‘অপরাজিতা’
২ বছর আগে
আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অভিযোজন ও টেকসই ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া বিষয়ে নারী নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে মঙ্গলবার সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে 'টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য।’
ইউএন উইমেন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২২ সালে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে লিঙ্গ সমতা অর্জনের জন্য পরিবেশগত ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ। যা একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর একটি৷
ইউএন উইমেন বিবৃতিতে আরও বলেছে, ‘লিঙ্গ সমতা ছাড়া টেকসই ও সমতাভিত্তিক ভবিষ্যত আমাদের নাগালের বাইরে থেকে যাবে।’ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২২-এর প্রচারের থিম হল হ্যাশট্যাগ ব্রেক দ্য বায়াস।
সমতার জন্য নারীদের আন্দোলন ও সংগ্রামকে উদযাপন করতে প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
পড়ুন: বিশ্ব নারী দিবস-২০২২ উপলক্ষ্যে টিম গ্রুপের ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠান
দিবসটি উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বছর পাঁচ নারীকে ‘জয়িতা পুরস্কার’ দেয়া হবে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
এ বছর জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ উপজেলার সানজিদা আক্তার শিমু, শিক্ষা খাতে অবদানের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. হোসনে আরা আরজু, সফল মা হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগের খোশনাহার বেগম, নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বরিশাল বিভাগের জেসমিন আক্তার এবং সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য রংপুর বিভাগের রোকেয়া বেগম।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে বিশ্বের সকল নারীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
পড়ুন: নারী দিবস উদযাপনে দারাজের আকর্ষণীয় অফার
২ বছর আগে