ক্লোজড
আ.লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের হাত থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কর্মকর্তাসহ ৫ পুলিশ সদ্যকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন— ইন্দুরকানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পলাশ সাহা, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আলমগীর হোসেন, এএসআই মো. রুহুল আমিন, কনস্টেবল মো. আল মামুন ও মো. রেজাউল করিম।
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বুধবার (২৬ ফ্রেবুয়ারি) রাতে তাদের প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) খাঁন মোহাম্মদ আবু নাসের।
আরও পড়ুন: চাঁদাবাজির অভিযোগে কোম্পানীগঞ্জ থানার ১৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
তিনি বলেন, ‘গত সোমবার বিকালে বিস্ফোরক মামলার আসামি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল খানকে আটকের সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে জোর করে হেলাল খানকে ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তাদের ক্লোজ করা হয়েছে।’
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের ছয় নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।’
২৮ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে কোম্পানীগঞ্জ থানার ১৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ১৩ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রাসেলুর রহমানের সই করা আদেশে তাদের ক্লোজ করা হয়।
ক্লোজড পুলিশ সদস্যের মধ্যে রয়েছেন ২ জন উপপরিদর্শক (এসআই), ২ জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ও ৯ জন কনস্টেবল।
এরা হলেন— এসআই খোকন চন্দ্র সরকার ও মিলন ফকির, এএসআই শিশির আহমেদ মুকুল ও শামীম হাসান। কনস্টেবল নাজমুল আহসান, মুন্না চৌধুরী, নাইমুর রহমান, তুষার পাল, আবু হানিফ, সাখাওয়াত সাদী, সাগর চন্দ্র দাস, মেহেদী হোসেন ও কিপেস চন্দ্র রায়।
আরও পড়ুন: আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গোমস্তাপুরের ওসির বদলি, ৭ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
স্থানীয়রা জানান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহ আরেফিন টিলা কেটে পাথর উত্তোলন শুরু করেন স্থানীয়রা। টিলার পাথরবাহী গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওঠে কোম্পানীগঞ্জ থানার কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।
এ-সংক্রান্ত কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর তাদের ক্লোজ করে সিলেট পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘কোম্পানীগঞ্জ থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ পাই আমরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের আপাতত অন্য কোনো কর্মস্থলে দেওয়া হয়নি। তাদের সিলেট পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৪৪ দিন আগে
সিলেটে চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ পুলিশ সদস্য ‘ক্লোজড’
পাথর ও বালুবাহী ট্রলি আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে জেলার পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ জানুয়ারী) রাতে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পাওয়া) শাহরিয়ার বিন সালেহ স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে তাদের পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
এই দুই পুলিশ সদস্য হলেন- ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল মো. সুমন মিয়া ও মো. শাহরিয়ার হোসাইন। তাদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কলাবাড়ি এলাকায় পাথর ও বালুবাহী ট্রলি আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছিলেন এলাকাবাসী।
আরও পড়ুন: বাস চালককে মারধর, বরিশালে ট্রাফিক সার্জেন্ট ক্লোজড
জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ থানার ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো.শাহাব উদ্দিন খান গত ২৪ ডিসেম্বর ওই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ওই দুই পুলিশ সদস্য তাকে না জানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চলে যেতেন। বারবার তাদের সতর্ক করার পরও তারা চেইন অব কমান্ড মানেননি।
সিলেটের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (কোম্পানীগঞ্জ-গোয়াইনঘাট সার্কেল) প্রভাস কুমার সিংহ জানান, মূলত চেইন অব কমান্ড ভাঙার অভিযোগে ওই দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। নির্দিষ্ট জায়গায় দায়িত্ব দেয়া হলেও তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় স্থান ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যাওয়ার অভিযোগ আছে। এ ছাড়া স্থানীয়ভাবে বালু ও পাথরবাহী ট্রলি আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগও আছে। বিষয়টি পরবর্তী সময়ে তদন্ত করে দেখা হবে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় অন্তঃসত্ত্বা নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, কর্তব্যে অবহেলার অভিযাগে ৩ পুলিশ ক্লোজড
৮০৯ দিন আগে
বাস চালককে মারধর, বরিশালে ট্রাফিক সার্জেন্ট ক্লোজড
বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে বাস পার্কিং করা নিয়ে বিতণ্ডায় এক চালককে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক সার্জেন্ট মো.টুটুলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই সার্জেন্টকে ক্লোজড করে বরিশাল পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। এর পরপরই বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা ধর্মঘটের হুশিয়ারি দিলে রাতে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজড করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, ‘আমাদের সচিব মহোদয় আসছিলেন বরিশালে। তখন রাস্তা ক্লিয়ার করতে সার্জেন্ট টুটুল বাসগুলো দ্রুত সরানোর কাজ করছিলো। এর মধ্যে একটি বাস লাঠি দিয়ে সরানোর সময় ওই বাসের ড্রাইভারের হাতে লাঠির আঘাত লাগে। এই নিয়ে শ্রমিকরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে পরে। পরবর্তীতে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজড করা হয়। শ্রমিকরা লিখিত অভিযোগ নিয়ে আসলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আরও পড়ুন: স্ত্রী নির্যাতন মামলা: চট্টগ্রামে সার্জেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, সার্জেন্ট টুটুল আমাদের এক শ্রমিককে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেছে। আরফি পরিবহনের চালক আলী হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে শের-ই -বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে। আমরা হুশিয়ারি দিয়েছি সার্জেন্ট টুটুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
তিনি বলেন, সার্জেন্ট টুটুল বিভিন্ন সময় বাস চালকদের হয়রানি করে আসছিলো। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানিয়েছি।
আরও পড়ুন: ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত, বরিশালে দুই পুলিশ সার্জেন্ট ক্লোজড
রাজশাহীতে তল্লাশিচৌকিতে ট্রাফিক সার্জেন্টকে পিটিয়ে রক্তাক্ত
৮৪৮ দিন আগে
নার্সের ওপর হামলা: ৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢুকে সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইফুল ইসলামের ওপর হামলা করায় ট্যুরিস্ট পুলিশের তিন সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল রিজিওন এর পুলিশ সুপার রেজাউল করিম।
তিনি জানান, নার্সের ওপর হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করে ট্যুরিস্ট পুলিশের হেড কোয়াটারে সংযুক্ত করা হয়েছে। এরা হলেন- ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল জোনের ইন্সপেক্টর বুলবুল আহমেদ, কনস্টেবল জাভেদ ও মেহেদী।
প্রসঙ্গত, ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক বুধবার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে তাকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এসময় রোগীর নাম জিজ্ঞাসা করা নিয়ে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইফুল ইসলামের সঙ্গে তর্ক হয় ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক বুলবুলের সঙ্গে। এই নিয়ে এক পর্যায়ে নার্স সাইফুল ইসলামের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে হাসপাতালের নার্সরা দুই ঘন্টা কর্মবিরতি করলে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা কাজে ফিরে যান।
আরও পড়ুন: শেবাচিম হাসপাতালের ব্রাদারকে মারধর, নার্সদের কর্মবিরতি
ফরিদপুরে ব্যাংক কর্মকর্তার নাচের ভিডিও ভাইরাল
১১১৩ দিন আগে