বীরশ্রেষ্ঠ
নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহম্মদ শেখের ৯০তম জন্ম বার্ষিকী পালিত
নড়াইলে স্বাধীনতা যুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহম্মদ শেখের ৯০ তম জন্ম বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নড়াইল সদরের চণ্ডীবরপুর ইউনিয়নের নূর মোহম্মদ নগরে তার জন্ম বার্ষিকী দিবস পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ ট্রাস্ট্রের উদ্যোগে কোরআনখানি, র্যালি, স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি, গার্ড অব অনার প্রদান, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল এর আয়োজন করা হয়।
এ উপলক্ষে মোহম্মদ নগরে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নূর মোহাম্মদের বসতভিটায় নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। পরে স্মৃতিস্তম্ভে নড়াইল জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ট্রাস্ট, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মহাবিদ্যালয়, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের একটি চৌকস বাহিনীকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ আবদুল ছালাম ।
এছাড়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী অফিসার মো. আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ ) মো. নূর-ই-আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আহসান মাহমুদ রাসেল, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহম্মদের ছেলে মোস্তফা কামাল, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখের পরিবারের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন (বর্তমানে নূর মোহাম্মদ নগর)। বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা।
১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার ঝিকরগাছার গোয়ালহাটিতে পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন নূর মোহাম্মদ। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়।
৫ দিন আগে
বিমান বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যদের জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম ছাড়া লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব। আশা করি আপনারা এগুলো সম্পর্কে সচেতন হবেন এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তুলবেন।‘
বুধবার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) বহরে ‘গ্রোব জি-১২০ টিপি’ প্রশিক্ষণ এয়ারক্রাফ্ট অন্তর্ভুক্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যশোরে বিএএফ ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
আরও পড়ুন: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বিশেষ কার্ড পাবেন ১ কোটি মানুষ: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধে নয় শান্তিতে বিশ্বাস করে, কারণ দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।
তিনি বিমান বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে প্রযুক্তি, যুদ্ধ ও অন্যান্য সমস্ত প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, যদি আমাদের ওপর কখনও হামলা হয় সে চিন্তা মাথায় রেখে অবশ্যই আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজে গতি আনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমান বাহিনীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত ও যুগোপযোগী ফ্লাইট প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য, সরকার ইতোমধ্যেই ডিজিটাল ককপিটের সঙ্গে অত্যাধুনিক ফ্লাই-বাই-ওয়্যার ও ওয়াইএকে- ১৩০ কমব্যাট ট্রেনার, কে-৮ ডব্লিউ জেট ট্রেনার, এল-৪১০ পরিবহন প্রশিক্ষক, এডাব্লিউ ১১৯ কেএক্স,হেলিকপ্টার প্রশিক্ষক এবং বাহিনীকে বিভিন্ন ধরনের সিমুলেটর দিয়েছে।
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১২টি গ্রোব জি-১২০ প্রশিক্ষণ এয়ারক্রাফ্ট বিমান বাহিনীর বহরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও কয়েকটি গ্রোব জি-১২০ প্রশিক্ষণ বিমান বাহিনীতে যুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বাঙালি জাতির মাথা উঁচু করে চলার স্লোগান ‘জয় বাংলা’: প্রধানমন্ত্রী
১৪৪৮ দিন আগে