ঢামেক
ঢামেকে বাথরুম থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বাথরুম থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর ঝুলন্ত ও রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। তার বয়স আনুমানিক ২৮ বছর।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের ১১০ ও ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝামাঝি জায়গায় থাকা বাথরুম থেকে ওই নারীর দেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বাথরুম পরিষ্কার করতে গিয়ে ওই নারীকে রক্তাক্ত ও ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা শাহবাগ থানা পুলিশকে খবর দেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বাথরুম পরিষ্কার করতে গিয়ে পানির পাইপের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই নারীকে দেখতে পান।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি এবং শাহবাগ থানা পুলিশকে খবর দিই। তারা ঘটনাস্থলে আসছে।
এসআই সেলিম বলেন, ওই নারীর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল এবং তার হাত কাটা অবস্থায় রয়েছে। এ কারণে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি এবং এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয়েও এখনই বলা যাচ্ছে না।
১০ দিন আগে
ঢামেকে চিকিৎসাধীন হাজতির মৃত্যু
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক হাজতি মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৭০১ নম্বর ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়।
মৃত মো. শাহিন আলমের (৪০) হাজতি নম্বর ২৮২১০/২৬। তিনি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার টেকপাড়া এলাকার মো. বশির উদ্দিনের ছেলে। তবে কোন মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
কারারক্ষী আমিরুল ইসলাম জানান, গতকাল (বুধবার) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শাহিনকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। পরে তাকে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। এরপর আজ সকালে তিনি মারা যান।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। এরপর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১৪ দিন আগে
রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুই নারীর মৃত্যু
রাজধানীর কদমতলী ও শাহবাগ থানা এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কদমতলীর শনির আখড়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে জোসনা বেগম (৩৫) নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়। অপরদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর (৬০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কদমতলী থানার শনির আখড়ার ২৪ ফুট রাস্তার ৮ নম্বর রোডের সাফা টাওয়ার নামে একটি নির্মাণাধীন ভবনে আজ দুপুর ১টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের সহকর্মী মো. ইউনুস জানান, জোসনা ওই ভবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অন্য সহকর্মীরা নামাজ ও দুপুরের খাবারের বিরতিতে নিচে যান। এ সময় ভবনের নিরাপত্তাকর্মী বাড়ির মালিককে জোসনার পড়ে যাওয়ার বিষয়টি জানান। পরে সহকর্মীরা জানতে পারেন, জোসনা পঞ্চম তলার লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বামী মধু মিয়া জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার শান্তিপুর গ্রামে। বর্তমানে তারা শনির আখড়ার গোবিন্দপুর নূর মসজিদ এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
অপরদিকে, বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পেছনের ওয়েটিং রুমের সামনে এক বৃদ্ধাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন হাসপাতাল কর্মীরা। পরে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আইয়ুব আলী জানান, নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে তিনি ভবঘুরে প্রকৃতির ছিলেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, দুটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। অজ্ঞাত ওই নারীর পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
২০ দিন আগে
ঢামেকে অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ ফেলে পালাল ২ ব্যক্তি
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ট্রলির ওপর অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়েছে দুই ব্যক্তি।
বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৫ বছর।
হাসপাতালের ট্রলিম্যান আব্দুর রউফ জানান, ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী দুই পুরুষ একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে ওই কিশোরীকে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। তাদের দেখে তিনি ট্রলি নিয়ে এগিয়ে গেলে ওই দুই ব্যক্তি মেয়েটিকে ট্রলিতে তোলেন এবং জরুরি বিভাগের টিকিট কাটার কথা বলে কৌশলে সেখান থেকে সরে পড়েন। পরে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগার স্পষ্ট দাগ এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাত ও গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, বা অন্য কী কারণে মারা যেতে পারে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পরিদর্শক মো. ফারুক আরও বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় ওই কিশোরীর নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অটোরিকশাসহ পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৬৪ দিন আগে
রাজধানীতে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২
রাজধানীর মুগদা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৃথক দুর্ঘটনায় এক রাজমিস্ত্রি ও এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) মুগদা জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণাধীন নতুন আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে মো. ইউসুফ (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রি নিহত হয়েছেন।
আজ (রবিবার) দুপুর সোয়া ২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ইউসুফের বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার খনচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম পিয়ার মোল্লা।
হাসপাতালে নিহতের ভাতিজা মো. শাকিল জানান, ‘আমার চাচা রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। আজ দুপুরের দিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণাধীন নতুন আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলায় কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে আমরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, আমার চাচা আর বেঁচে নেই।’
অন্যদিকে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় মো. সোলায়মান দেওয়ান (৪৩) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজের নিচে রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মো. সোলায়মান পেশায় স্টিলের আলমারির মিস্ত্রি ছিলেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সোলায়মান দেওয়ানের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মজিদ দেওয়ান।
নিহতের শ্যালক লিটন জানান, সোলায়মান একটি প্রতিবেশীকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে গ্রামে ফিরছিলেন। পথে শনির আখড়া এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাকে দ্রুত ঢামেকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেলেও ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে এই দুই মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
৭৪ দিন আগে
ঢামেক থেকে রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার সময় প্যাথলজির ‘দালাল’ আটক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে থেকে রোগীকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে হযরত আলী (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। অভিযোগ রয়েছে, তিনি চাঁনখারপুলের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে তাকে আটক করে প্রথমে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে নেওয়া হয়। পরে তাকে হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করা হয়।
হাসপাতালের আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. শাহাদাত জানান, নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলে এক রোগী ও তার স্বজনকে ফুসলিয়ে চাঁনখারপুলের একটি বেসরকারি প্যাথলজিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টি রোগীর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা আনসার সদস্যদের জানান। পরে হযরত আলীকে আটক করে প্রশাসনিক ব্লকে নেওয়া হয় এবং হাসপাতাল পরিচালকের নির্দেশে তাকে পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করা হয়। অভিযোগকারী রোগীর স্বজনদেরও পুলিশ ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের বিপরীত পাশে চাঁনখারপুল এলাকায় অসংখ্য বেসরকারি প্যাথলজি গড়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত দালাল চক্র হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে রোগীদের কম খরচে দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাইরে নিয়ে যায়।
শনিবার আনসার সদস্যদের হাতে আটক হযরত আলী চাঁনখারপুলের ‘মাই হেলথ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার’-এর কর্মী বলে জানা গেছে।
এছাড়া হাসপাতালের কয়েকজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এসব প্যাথলজি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৮৯ দিন আগে
ঢামেকে চিকিৎসকের সঙ্গে ‘হাতাহাতি’, পুলিশে দেওয়া হলো রোগীর স্বজনকে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকের সঙ্গে হাতাহাতি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ফাহিয়া আক্তার নামে এক নারীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের গাইনি বিভাগের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ফাহিয়া আক্তার সাভারের কাউনিয়া এলাকার জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী।
এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, রাতে মনি আক্তার নামে সাভার থেকে আসা এক রোগী গাইনি বিভাগের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হন। তার সঙ্গে স্বজন হিসেবে ওই ওয়ার্ডে ছিলেন ফাহিয়া। এ সময় চিকিৎসক ফাহিয়াকে বাইরে যেতে বলেন। তবে তিনি বাইরে যেতে অস্বীকৃতি জানান। পরে সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. ফারজানা আক্তার মীম ও মেডিকেল অফিসার ডা. সাবিনা সুলতানা তাকে হাত ধরে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে ওয়ার্ডের অপারেশন থিয়েটারের সামনে ফাহিয়া আক্তার চিকিৎসকদের সঙ্গে হাতাহাতি, গালাগালি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এ সময় হাসপাতালের আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যান। পরে তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৮ এপ্রিল ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হামলায় ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হন। ওই ঘটনার পর প্রায় চার ঘণ্টা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ঘটনা সমাধানের ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
১৮৬ দিন আগে
ঢামেক হাসপাতালের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের মসজিদের পাশ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নিহতের বয়স আনুমানিক ৪০ বছর।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আজিম জানান, আজ সকালে খবর পেয়ে নতুন ভবনের নুর মসজিদের পাশে অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে কয়েকজন ট্রলিম্যানের সহায়তায় তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক জানান তিনি আর বেঁচে নেই।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকদের জিজ্ঞেস করে ওই যুবকের নাম পরিচয় জানা যায়নি। তাই প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
২০৪ দিন আগে
বাড্ডার ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার হাসান উদ্দিন রোডের মিশ্রিটোলা এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষে তাহিয়া আক্তার মিন্নি (২০) নামে গৃহবধূর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত তাহিয়া আক্তার দক্ষিণখান আইনুসবাগ এলাকার আব্দুল আউয়ালের মেয়ে ছিলেন। বর্তমানে স্বামীর সঙ্গে মিশ্রিটোলার মীর কাশেম আলীর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন তিনি।
নিহতের বাবা আব্দুল আউয়াল বলেন, আমরা খবর পেয়ে বাড্ডার ওই বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো, ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পাই। পরে অচেতন অবস্থায় দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই।
তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে অভিমানে আমার মেয়ে সিলিং ফ্যানে সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ওই গৃহবধূর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বাড্ডা থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
২৯২ দিন আগে
চীন থেকে ফিরেই নুরের খোঁজ নিতে ঢামেকে নাহিদ-সার্জিস
সম্প্রতি চীন সফর শেষে দেশে ফিরেই গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সার্জিস আলমসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুরের খোঁজ নিতে যান এনসিপি নেতারা। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছান তারা।
এনসিপি নেতারা নুরের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
আরও পড়ুন: নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
এ সময় এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবসহ আরও কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের পর আল রাজী টাওয়ারের সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন নুরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। ঘটনাস্থল থেকে নুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
৪০৯ দিন আগে