জ্বালানি সংকট
শেরপুরে আবাসিক ভবনে মজুদ ১৮ হাজার লিটার ডিজেল, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলা শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। একইসঙ্গে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুদ রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করেছেন। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রাখা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসিক ভবনে জ্বালানি তেল মজুদ রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরপুর জেলা শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। একইসঙ্গে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুদ রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তারা আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করেছেন। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ রাখা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘ বৈঠক: বৈশ্বিক তেল সংকটের চ্যালেঞ্জ ও দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর প্রভাব তুলে ধরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে চলমান বৈশ্বিক তেল সংকটে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর চ্যালেঞ্জ এবং দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর অসম ও বৈষম্যমূলক প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মহাসচিব নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের ধারাবাহিক মানবিক নেতৃত্ব ও উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় সমসাময়িক বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান বৈশ্বিক তেল সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সম্মুখীন চ্যালেঞ্জগুলো এবং দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর অসম ও বৈষম্যমূলক প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ড. রহমান মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। মহাসচিব আমন্ত্রণটি সাদরে গ্রহণ করেন এবং এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
নড়াইলে পেট্রোল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কুয়েত প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম
নড়াইলে পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কুয়েত প্রবাসী মো. আকাশ মোল্যাকে (২২) কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার সমাইজপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আকাশ মোল্যা (২২) নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের মো. জিহাদুল মোল্যার ছেলে।
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাইজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে চায়ের দোকানে বন্ধুদের নিয়ে চা খাচ্ছিলেন আকাশ। এ সময় মাইজপাড়া ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের ৪০ থেকে ৫০ জন এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে চলে যান।
এ ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত আকাশকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঈদের পরের দিন মাইজপাড়া পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে হোসেনপুর গ্রামের কয়েকটি ছেলের সঙ্গে আকাশের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরেই তার ওপর হামলা করা হয়েছে।
আহত আকাশ মোল্যার বাবা মো. জিহাদুল মোল্যা বলেন, আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। ছেলেকে নিয়ে ঢামেক হাসপাতালে যাচ্ছি। ছেলের অবস্থা ভালো না। তার শরীরে অসংখ্য ধারালো অস্ত্রের আঘাত। শুনেছি তার ফুসফুস ছিদ্র হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১ দিন আগে
রংপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, ভোগান্তিতে চালকরা
সারা দেশের মতো রংপুরেও জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য পরিবহনের চালকরা। পাম্প মালিকদের দাবি, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ হচ্ছে না যার কারণে এই সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে মোটরসাইকেল-চালকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে নগরীরর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, নগরীর এ রহমান পাম্প, ছালেক পেট্রোল পাম্প, শাপলা পেট্রোল পাম্প, সিটি পেট্রোল পাম্পসহ প্রায় সবগুলো পাম্পেই মোটরসাইকেল-চালকদের দীর্ঘ লাইন। আবার অনেক পাম্প কালো কাপড়ে ঢাকা।মোটরসাইকেল-চালকদের পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তেল সংগ্রহে তীব্র ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দুই ঘণ্টা থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে তারা তেল সংগ্রহ করছেন। তবে দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষার পর মাত্র ১০০ টাকার তেল পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও অপেক্ষার পর জানা যাচ্ছে তেল শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তেল পাম্প কর্মচারী ও মালিকদের সঙ্গে প্রায় তর্কাতকির মতো ঘটনা ঘটছে। আবার কোথাও কোথাও এ নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে।
এ রহমান পেট্রোল পাম্পে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী সাজ্জাদ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকালে সময় হাতে নিয়ে পাম্পে এসেছি। এক ঘণ্টা হলো, তবু লাইন শেষ হচ্ছে না। কখন যে তেল পাব, তার কোনো ঠিক নেই।’
জুম্মন আলী বলেন, ‘শ্বশুর বাড়ি যাব। কমপক্ষে ৫০০ টাকার তেল লাগবে। প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে তেল পেলাম মাত্র ১০০ টাকার। অনেক অনুরোধ করেও ১০০ টাকার বেশি পাওয়া গেল না। এই ১০০ টাকার তেল দিয়ে কীভাবে চলব?’
রহমত আলী আক্ষেপ করে বলেন, ‘২০০ বা ৩০০ টাকার তেল দিলে কিন্তু পাম্পের লাইন ধরতে হতো না। বাইকাররা পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটছেন এবং লাইনে দাঁড়াচ্ছেন।’
স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘মোটরসাইকেল চালকরা তো তেল ইচ্ছা করে বেশি নিয়ে গিয়ে খায় না। প্রয়োজনেই তো তেল দরকার, সেটাও পাচ্ছি না। অথচ, মন্ত্রী অনবরত তেলের সংকট নেই বলে মিডিয়ায় বক্তব্য দিচ্ছেন; মন্ত্রীর লজ্জাও নেই।’
রংপুর পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ শোভন বলেন, ‘সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাহিদার তুলনায় অনেক কম জ্বালানি সরবরাহ দিচ্ছে। যার কারণে তেল নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। রংপুরে যতটুকু তেল রয়েছে, সেটির সরবরাহও দ্রুত শেষ হওয়ার পথে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মোটরসাইকেল-চালকরা অনেকে আগামী দিনে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থেকে তেল মজুদ করছেন। এমন আশঙ্কা থেকে ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট থাকবে।’
এ সময় তিনি পাম্পের নিরাপত্তায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে পুলিশ মোতায়েনের জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান।
যমুনা পেট্রোলিয়ামের রংপুর অঞ্চলের বিক্রয় কর্মকর্তা মোহসিন আলী জানান, ‘ঢাকা থেকে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়, যার কারণে জ্বালানি সংকটের বিষয়টি নিয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’
১ দিন আগে
জ্বালানি তেল মজুদ করে লাভ নেই, দাম বাড়বে না: ডা. জাহেদ
জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ার বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে পেট্রোল পাম্পের মালিকসহ কেউ তেল মজুদ করে লাভবান হতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি) ডা. জাহেদ উর রহমান।
বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে সরকারের এক মাস পূর্তি উপলক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমি পাম্প মালিকদের উদ্দেশে বলতে চাই, মজুদ করার যদি প্রবণতা কারও থাকে, তারা মনে করছেন যে যেকোনো মুহূর্তে দাম বেড়ে যাবে। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না। সুতরাং এই মজুদ করে রাখার প্রবণতা তাদের জন্য লাভজনক হবে না।
তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে অল্প সময়ের মধ্যে আমরা একটি বৈশ্বিক সংকটে পড়েছি, এমনকি ধনী দেশগুলোও এই চাপের মধ্যে রয়েছে।
আতঙ্কে বেশি করে জ্বালানি কেনা ও মজুদের প্রবণতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন সবার দায়িত্ব মানুষকে বোঝানো—প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটা যেন না করা হয়। পাম্প পর্যায়ে কেউ কেউ মজুদ করার চেষ্টা করছেন, সরকার সেগুলো নজরে রাখছে।
জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করেন। বলেন, যদি একদিন সকালে সবাই ব্যাংকে গিয়ে একসঙ্গে সব টাকা তুলতে চান, তাহলে ব্যাংক ধসে পড়বে। কারণ ব্যাংক ধরে নেয়, সবাই একসঙ্গে টাকা তুলবে না। একইভাবে জ্বালানির ক্ষেত্রেও সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণ মজুদ ও সরবরাহ চেইন বজায় রাখে।
তিনি আরও বলেন, প্যানিক বায়িংয়ের বিষয়টি বাস্তব। আমরা যুদ্ধের খবর শুনছি, পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই অনেকেই শুধু ট্যাঙ্ক ফুল করছেন না, অতিরিক্ত মজুদ করার চেষ্টাও করছেন।
ঈদের আগে জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যে পরিমাণ তেল কয়েক দিন চলার কথা ছিল, তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। এটা মূলত সরকারের অব্যবস্থাপনা নয়, বরং মানুষের ভীতি ও অসচেতনতার ফল।
তবে এই আতঙ্ককে অস্বীকার না করে তিনি বলেন, বিশেষ করে বাইক রাইডারদের মতো যাদের জীবিকা জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল, তাদের উদ্বেগটা বাস্তব। কিন্তু সবাই মিলে সচেতন না হলে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার চাইলে অভ্যন্তরীণভাবে জ্বালানির দাম বাড়াতে পারত। আমরা এখন বেশি দামে জ্বালানি কিনছি। নতুন যে সরবরাহ আসবে, তার মূল্য আরও বেশি হবে। কিন্তু দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপের কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। এই অবস্থায় জ্বালানির দাম বাড়ালে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যেত।
তিনি আরও বলেন, সেই কারণে সরকার এখনো দাম বাড়ানোর পথে যায়নি। আমরা মনে করি, এই পরিস্থিতিতে মানুষকে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
২ দিন আগে
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকায় উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে এক বিশেষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ২ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান এবং বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন।
এ সময় তিনি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিটও উন্মোচন করেন।
আজ (বুধবার) বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রুমন জানান, সাধারণত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হওয়ায় বৈঠকটি এগিয়ে আনা হয়েছে।
২ দিন আগে
জেট ফুয়েলের ৮০% মূল্যবৃদ্ধি ‘অযৌক্তিক’, পুনর্বিবেচনার আহ্বান এওএবির
দেশে জেট ফুয়েলের মূল্য প্রায় ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্ত দেশের বিমান চলাচল খাতের জন্য ক্ষতিকর এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
এওএবি জানায়, ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত বিইআরসি সভায় ৫ থেকে ২২ মার্চ ২০২৬ সময়ের প্ল্যাটস রেটের গড়, জানুয়ারি-জুন সময়ের সংশোধিত প্রিমিয়াম, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার এবং ডিজেলের মূল্য অপরিবর্তিত ধরে জেট এ-১-এর নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য জেট ফুয়েলের দাম প্রতি লিটার ১১২ দশমিক ৪১ টাকা থেকে বেড়ে ২০২ দশমিক ২৯ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার মূল্য ০.৭৩৮৫ ডলার থেকে বেড়ে ১ দশমিক ৩২১৬ ডলারে উন্নীত হয়েছে।
এওএবির সেক্রেটারি জেনারেল মফিজুর রহমান বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। গত ২২ দিনে প্রায় ২৫টি তেলবাহী জাহাজ দেশে এসেছে এবং এসব তেল আগেই নির্ধারিত দামে আমদানি করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম কমেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখিয়ে জেট ফুয়েলের দাম এত বড় পরিসরে বাড়ানো যৌক্তিক নয়।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে মূল্যবৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে বেশি। ভারত ও নেপালে জেট ফুয়েলের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও পাকিস্তানে ২৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বাংলাদেশে এই হার প্রায় ৮০ শতাংশ।
এওএবি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশের এয়ারলাইন্সগুলো মারাত্মক আর্থিক চাপে পড়বে এবং অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপবে। জেট ফুয়েলের ওপর কর বৃদ্ধির ফলে পরিচালন ব্যয় আরও বাড়বে, যা খাতটির টেকসই উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করবে।
সংগঠনটি আরও সতর্ক করে বলেছে, মূল্যবৃদ্ধির ফলে অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
এ অবস্থায় এওএবি সরকারের প্রতি দ্রুত এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য মূল্য নির্ধারণের জোরালো আহ্বান জানিয়েছে, যাতে দেশের এভিয়েশন খাতের স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়।
৩ দিন আগে
লালমনিরহাটে তেলের সংকট, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
চাহিদার তুলনায় ডিপোগুলো থেকে কম সরবরাহের কারণে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে তীব্র তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে জ্বালানি নিতে আসা গাড়ি ও মোটরসাইকেলচালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না।
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে যানবাহনের চাপ ও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে সাধারণ ভোক্তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলচালকসহ সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে গিয়ে অনেক জায়গায় অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটছে। গ্রাহকদের চাপ সামলাতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার হচ্ছে।
এদিকে, তেলের সংকটকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খোলা জায়গায় বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ আরও বাড়ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় জনভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
৩ দিন আগে
গ্রাহকের অতিরিক্ত চাহিদায় তেল সরবরাহ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে: জ্বালানিমন্ত্রী
গ্রাহকদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
দেশে তেলের কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে ডিপো থেকে ট্যাংক-লরি ভর্তি করে সারা দিন বিক্রির পরও তেল উদ্বৃত্ত থাকত। কিন্তু বর্তমানে গ্রাহকরা একসঙ্গে ভিড় করায় মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ডিপো থেকে ট্রাকে তেল ভরতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়, যে কারণে সকালে কিছুটা সমস্যা হলেও পরে সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে।’
চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের একটি বিষয় বুঝতে হবে—হঠাৎ করে ডিমান্ড (চাহিদা) এতটা বেড়েছে যে, সারা দিনের তেল তিন ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। পেট্রোল পাম্পগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় চলে। অস্বাভাবিক ভিড়ের কারণে সেই চেইনটি এখন ভেঙে পড়েছে।’
জ্বালানি তেল রেশনিং করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত তেল আছে, সবাই পাবেন।’
তেল মজুদ রোধে সরকারের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা এখনও দাম বাড়াইনি। এছাড়া দাম নির্ধারণের বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে না, এটি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাজ।’
তিনি আরও বলেন, ‘চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হলে সাময়িক সংকট দেখা দেওয়া স্বাভাবিক বিষয়। বর্তমানে সেটিই ঘটছে।’
আলাপকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতায় পাম্প বন্ধের শঙ্কা পাম্প মালিকদের
জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠন রবিবার (২২ মার্চ) রাতে তাদের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ আশঙ্কার কথা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ, কারণ তারা অয়েল কোম্পনিগুলো থেকে প্রতিদিন যে তেল পাচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমানে ক্রেতাদের চাহিদা পুরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এখন বস্তবতাটা এমন যে দেশে যে কোটি কোটি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী আছেন, তারা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত, বিরক্ত হয়ে পড়ছেন।
একইসঙ্গে পেট্রোল পাম্পগুলো তেল দেওয়ার নজেলম্যানরাও বিরক্ত। তারা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, গণ্ডগোল করতে করতে আর পেরে উঠছে না। আসলে এভাবে বিরামহীন ডিউটি করার অভ্যাসও তাদের নেই। সব মিলিয়ে অবস্থা এখন এমনিই হয়ে পড়েছে, যেকোনো সময় সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো নিরাপত্তা এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ায় বন্ধ হেয়ে যেতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং পাম্পগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে এই সংকট আরও গভীর হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পরিবহন খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
৪ দিন আগে