বাজুস
স্বর্ণ খাতকে বৈধ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় আনতে নীতিমালা সংশোধন হচ্ছে
দেশের স্বর্ণ খাতকে অনানুষ্ঠানিক অবস্থা থেকে বের করে একটি বৈধ, স্বীকৃত ও জবাবদিহিমূলক ব্যবসায়িক খাতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে খসড়া ‘স্বর্ণ নীতিমালা ২০১৮ (সংশোধিত) ২০২৬’ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের আগামী রবিবারের মধ্যে লিখিত মতামত দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে খসড়া নীতিমালার ওপর আয়োজিত এক সভায় এ নির্দেশনা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সভাপতি এনামুল হক খান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ। এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও স্বর্ণ খাতের প্রতিনিধিরা মতামত তুলে ধরেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও যথাযথ নীতি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অভাবে এটি পুরোপুরি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। এ অবস্থার জন্য শুধু ব্যবসায়ীদের দায়ী না করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বলতাও বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মানসিকতা ঠিক করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বীকৃত ব্যবসায়িক খাত আনুষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে থাকাটা যথাযথ হয়নি। সময়মতো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ না নেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমরা এখন খাতটিকে বৈধ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে চাই।’
সরকারের লক্ষ্য স্বর্ণ খাতকে দেশের অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসায়িক খাতের মতো পরিচালনার সুযোগ দেওয়া উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, খাতটি আনুষ্ঠানিক হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈধ আমদানি, রাজস্ব আদায় এবং স্বর্ণের মজুত ও লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়বে। ব্যবসায়ীরা নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক-কর পরিশোধ করবেন এবং সরকারও ব্যবসাবান্ধব বিধিবিধান নিশ্চিত করবে।
তিনি বলেন, বৈধভাবে আমদানি করা স্বর্ণের ক্রয়, বিক্রয় ও মজুতের প্রতিটি ধাপ হিসাবভুক্ত করতে হবে। ব্যবসায়ীদের কাছে কী পরিমাণ স্বর্ণ রয়েছে, কত বিক্রি হচ্ছে এবং কোথা থেকে তা সংগ্রহ করা হয়েছে—এসব তথ্য নিয়মিতভাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।
স্বর্ণের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থের অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে মূল্য সংরক্ষণ করা। একইভাবে স্বর্ণও আন্তর্জাতিকভাবে মূল্য সংরক্ষণের একটি স্বীকৃত মাধ্যম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণ সংরক্ষণ করে।
তিনি বলেন, ‘দেশে ৪ বিলিয়ন বা ১০ বিলিয়ন ডলারের স্বর্ণ বৈধভাবে আমদানি হওয়ার পর সেটি যদি দেশের মধ্যেই থাকে এবং অবৈধভাবে বাইরে চলে না যায়, তাহলে এর মাধ্যমে মূলত দেশের ভেতরে মূল্য সংরক্ষিত হচ্ছে।’
এ সময় স্বর্ণ যাতে চোরাচালানের মাধ্যমে অন্য দেশে চলে না যায়, সে জন্য দেশের বাজারমূল্য ও আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের মধ্যে অস্বাভাবিক পার্থক্য তৈরি না করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো পণ্যের স্থানীয় মূল্য প্রতিবেশী বা নিকটবর্তী দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম হলেই সেটি অবৈধভাবে বাইরে যাওয়ার অর্থনৈতিক প্রণোদনা তৈরি হয়।
‘কোনো ব্যবসায়ী অন্য দেশের ব্যবসায়ীকে লাভবান করতে গিয়ে নিজের লোকসান করবেন না’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, শুল্ক ও করহার নির্ধারণের সময় স্বর্ণের আন্তর্জাতিক মূল্য, বিশেষ করে দুবাইসহ প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্রের বাজারদর বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি বলেন, নীতিমালায় শুধু স্বর্ণ আমদানির বিষয় নয়, দেশে মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে স্বর্ণালংকার তৈরি ও রপ্তানির সম্ভাবনাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ন্যূনতম ও যৌক্তিক শুল্কে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ তৈরি করা গেলে স্থানীয় কারিগর ও উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পণ্য তৈরি করতে পারবেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমত দেখতে হবে, আন্তর্জাতিক বাজারদরে স্বর্ণ এনে দেশে মূল্য সংযোজনের পর তা রপ্তানি করা যায় কিনা। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও স্বর্ণের বড় চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণের ব্যাপক ব্যবহার থাকায় সাধারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টিও নীতিমালায় বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
স্বর্ণের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যৌক্তিক নীতি ও সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং ভোক্তারাও তুলনামূলক ন্যায্য মূল্যে স্বর্ণ কেনার সুযোগ পাবেন।
খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করার আগে ভারতসহ স্বর্ণালংকার রপ্তানিকারক তিন-চারটি দেশের নীতি ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আমদানি ব্যবস্থা, শুল্ক কাঠামো, মজুত ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি সুবিধা ও তদারকি পদ্ধতির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত নীতিমালার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হবে।
তিনি এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সম্ভাব্য প্রশ্ন, ঝুঁকি এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত জটিলতা চিহ্নিত করে লিখিত মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নীতিমালা প্রণয়ন করে খাতটিকে নতুন কোনো সংকটে ফেলা সরকারের উদ্দেশ্য নয়। এখানে সংশ্লিষ্ট সবাই অভিজ্ঞ ও সচেতন। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সম্মিলিতভাবে এমন একটি কাঠামো তৈরি করতে হবে, যাতে স্বর্ণ খাত বৈধ, স্বচ্ছ ও টেকসই ব্যবসায়িক খাতে পরিণত হয়।’
সভায় জানানো হয়, বিভিন্ন অংশীজনের কাছ থেকে পাওয়া মতামত সংকলনের পর প্রয়োজন হলে তাদের নিয়ে আবার সভা করা হবে। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশোধিত স্বর্ণ নীতিমালা চূড়ান্ত করার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
সপ্তাহে দ্বিতীয়বার কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২২১৬ টাকা
চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পাকা) সোনা ও রূপার দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনা-রূপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি ভিন্ন হতে পারে। যেহেতু স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা অপরিবর্তিত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ১০ জুলাই ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৯০ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৫ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয়ের কারণে মূল্য পরিবর্তন করা হয়েছে।
এদিকে, সোনার পাশাপাশি রূপার গহনার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার গহনার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৭৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ৫৯ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৫৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ বার দাম বেড়েছে এবং ২৮ বার কমেছে।
২৪ দিন আগে
নির্ধারিত তালিকার বাইরে স্বর্ণের মূল্যতালিকা প্রকাশে বাজুসের নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ‘বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’ কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য তালিকাই দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। এর বাইরে অন্য কোনো মূল্য তালিকা প্রকাশ বা প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
রবিবার (১২ জুলাই) এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় বাজুসের নির্ধারিত সরকারি মূল্য তালিকার পরিবর্তে জেলা শাখা, উপজেলা শাখা, সমবায় সমিতি, বাজার সমিতি বা মার্কেট সমিতির নামে ভিন্ন মূল্য তালিকা প্রচার করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের অননুমোদিত মূল্য তালিকা তৈরি ও প্রচারের ফলে একদিকে সাধারণ জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে ক্রেতারাও বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এটি বাজুসের শৃঙ্খলা ও সুনামের পরিপন্থী।
বাজুস আরও জানায়, জেলা ও উপজেলা শাখায় শুধুমাত্র ‘বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’-এর চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত অফিসিয়াল মূল্য তালিকা ও বিজ্ঞপ্তিই প্রকাশ ও প্রচার করা যাবে।
সংগঠনটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারির পর কোনো প্রতিষ্ঠান, জেলা বা উপজেলা শাখা যদি বাজুস নির্ধারিত তালিকার বাইরে ভিন্ন কোনো মূল্য তালিকা বা ভিন্ন স্বাক্ষরে কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৫ দিন আগে
কমার এক দিন পরই আগের জায়গায় স্বর্ণের দাম
দাম কমার এক দিন পর আজ (শনিবার) দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে এই মানের সোনার নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ভরিপ্রতি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন দর কার্যকর হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা।
স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
এর আগে গতকাল (শুক্রবার) বিশ্ববাজারে সোনার দরপতনের প্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানো হয়েছিল। আজ আবার ঠিক একই অঙ্কে দাম বাড়ানো হলো। গতকাল সোনার পাশাপাশি রুপার দামও ভরিপ্রতি ১৭৫ টাকা কমানো হয়েছিল।
গত সপ্তাহজুড়ে দেশের বাজারে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সোনার দাম ভরিপ্রতি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়ানো হয়। তার আগের দিন সোমবার সকাল ও বিকেলে দুই দফায় সোনার দাম কমে মোট ১২ হাজার ১৪ টাকা। এরও আগে, গত ২৯ জানুয়ারি ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানো হলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
মূলত বিশ্ববাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়। শুক্রবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৯৮ ডলার ৫৮ সেন্ট বেড়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সোনার দাম দাঁড়িয়েছে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৯৬৬ ডলার ২৬ সেন্ট।
১৮০ দিন আগে
২ হাজার ৪০৩ টাকা বেড়ে নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের বাজারে মূল্যবান এ ধাতুটির দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। ফলে এখন এক ভরি স্বর্ণে দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
গতকাল (শনিবার) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ এক হাজার ৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৭১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম এক লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬৭৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।
২৪৯ দিন আগে
স্বর্ণের দামে ৪২ বার পরিবর্তন, ভরিতে কমল ১৫৭৫ টাকা
দেশের বাজারে ভরিতে এক হাজার ৫৭৫ টাকা স্বর্ণের দাম কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। চলতি বছর এ নিয়ে ৪২ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বেড়েছে ২৭ বার, আর কমেছে ১৫ বার।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার (৭ জুলাই) স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস, যা মঙ্গলবার (৮ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯২ টাকা।
আরও পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ, ১ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
৩৯৫ দিন আগে
জুয়েলারি দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বদলালো বাজুস
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সহ-সভাপতি রিপনুল হাসানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য জুয়েলারি দোকান বন্ধের ঘোষণা দিলেও একদিনের মাথায় সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, মো. রিপনুল হাসানকে ভুয়া ও বানোয়াট রাজনৈতিক পদ দেখিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় ২৮ মে রাজধানীর তাঁতীবাজারে নিজ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ডিবি পুলিশের সদস্যরা গ্রেফতার করেন।
পুলিশ ওই মামলায় যে রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করেছেন, রিপনুল হাসান কখনোই সেই পদে ছিলেন না। এমনকি কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সে জড়িত নয় এবং কোন রাজনৈতিক দলের সদস্যপদ কোনদিনও রিপনুল হাসান গ্রহণ করেন নি বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
বাজুস জানিয়েছে, রিপনকে গ্রেফতারের কারণে সারা দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ক্ষুদ্ধ ও মর্মাহত। তার ন্যায়বিচার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আজ সারাদেশের সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে দিনভর সমাবেশ, মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে তারা।
ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা, শিল্প উপদেষ্টা, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে বাজুস।
পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল আজহা ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় অনির্দিষ্টকালের জন্য জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধের কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানায় বাজুস।
শুক্রবার (৩০ মে) থেকে সকল জুয়েলারী প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাজুস। তবে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রিপনের নাম প্রত্যাহার ও ন্যায়বিচার না পেলে পরবর্তীতে কর্মসূচী ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
৪৩৪ দিন আগে
আজ থেকে দেশের সব স্বর্ণের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সহ-সভাপতি মো. রিপনুল হাসানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে ঢাকাসহ দেশের সব জুয়েলারি দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (২৮ মে) রাতে বাজুসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সংগঠনটি জানায়, বাজুসের সহ-সভাপতি মো. রিপনুল হাসানকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর প্রতিবাদ এবং তাকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকাসহ সারা দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
বাজুসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গুলজার আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বাদল চন্দ্র রায়সহ কেন্দ্রীয় নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘সহ-সভাপতি রিপনুল হাসানকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার গভীর উদ্বেগজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর তাঁতীবাজার এলাকায় নিজ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে রিপনুল হাসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
৪৩৪ দিন আগে
ভরিপ্রতি ৩৫৭০ টাকা কমে আজ থেকে নতুন দরে বিক্রি হবে স্বর্ণ
দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণে ৩ হাজার ৫৭০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।
শনিবার (৩ মে) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আজ (রবিবার) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে করে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকা।
আরও পড়ুন: টানা দুইদিন বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম
নতুন দর অনুযায়ী, সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬১ হাজার ৩০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৩৮ হাজার ২৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৪ হাজার ২৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল স্বর্ণের দাম ভরিতে ৫ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এই সময়ে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৯ বার, কমানো হয়েছে ৮ বার।
৪৫৯ দিন আগে
টানা দুইদিন বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম
টানা দুইদিন দাম বাড়ার অস্থিরতার মধ্যে আজ কমেছে স্বর্ণের দাম। ভালোমানের স্বর্ণের প্রতিভরিতে কমেছে ৫ হাজার ৪০১ টাকা।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) বাজুস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।
এর আগে মঙ্গলবার(২২ এপিল) ভালো মানের প্রতিভরি স্বর্ণে দাম ৫ হাজার ৩৪৩ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। আর সোমবার (২১ এপ্রিল) বাড়িয়েছিল৪ হাজার ৭১৩ টাকা।
আরও পড়ুন: ভরিতে ১৭৭৩ টাকা বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী প্রতিভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা। ১৮ ক্যারেট প্রতিভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭০ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকা।
একইভাবে রূপার দামও নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেট এক ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৮৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেট ২ হাজার ৭১৮ টাকা। ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৩৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রূপার দাম পড়বে ১ হাজার ৭৫০ টাকা।
৪৭০ দিন আগে