প্রশিক্ষণ কর্মশালা
এমপিদের নিয়ে বিএনপির দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলছে
দ্বিতীয় দিনের মতো বিএনপি আয়োজিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। আজকের কর্মসূচিতে ঢাকাসহ তিন বিভাগের সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল ১০টায় কর্মশালার সমাপনী দিনের সকালের অধিবেশন উদ্বোধন করেন। অধিবেশনে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।
বিকেলের সমাপনী অধিবেশনে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সংসদ সদস্যদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান এবং জ্যেষ্ঠ নেতা ওসমান ফারুকসহ আরও অনেকে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান গতকাল (শুক্রবার) এ দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। প্রথম দিনে সকালের অধিবেশনে সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নেন এবং বিকেলের অধিবেশনে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কিছু সংসদ সদস্য এতে যোগ দেন।
আসন্ন সংসদ অধিবেশনের জন্য নিজেদের সংসদ সদস্যদের প্রস্তুত করতে বিএনপি এই কর্মশালার আয়োজন করেছে। সংসদ বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ এবং অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা সংসদকে কার্যকর করতে এমপি এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করছেন।
বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, এই কর্মশালায় সংসদ সদস্যদের কীভাবে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপন করতে হয়, বিলের ওপর বিতর্কে অংশ নিতে হয়, নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকার সমস্যাগুলো সংসদে তুলে ধরতে হয়, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা করতে হয় এবং সংসদ অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয় তা শেখানো হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ সকাল ১১টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই অধিবেশন আহ্বান করেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে বিএনপির ২০৯ জন এমপির মধ্যে ১৪৬ জনই এবার প্রথমবারের মতো সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
৭ দিন আগে
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম (বিসিজেএফ) ও জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের (নিমকো) যৌথ উদ্যোগে ‘জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় গণমাধ্যম’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ মে) সকালে নিমকোর সভাকক্ষে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
সাবেক সচিব সত্যব্রত সাহা বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। দুর্যোগ হলো জলবায়ু পরিবর্তনের অনেকগুলো অনুষঙ্গের ফলাফল। বিভিন্ন কারণে দুর্যোগ বেড়েছে। বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, খরা-বন্যা ও বিভিন্ন প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার খবরগুলো আমরা সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত করছি ও দেখছি। আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে আরও বেশি অনুসন্ধানী ও পর্যালোচনাধর্মী প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে খাদ্য মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক: খাদ্যমন্ত্রী
তিনি বলেন, এখন যেভাবে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হচ্ছে, সেভাবে চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যেই আমাদের কার্বন বাজেট শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ, প্রাক-শিল্পায়ন সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য আমাদের কাছে ১০ বছরেরও কম সময় আছে। তার মানে, বিশ্বজুড়ে কার্বন-ডাই অক্সাইড নির্গমন কমিয়ে আনার জন্য আগামী ১০ বছরের মধ্যেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইতিহাসের এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে নির্ধারিত হবে আগামী ৫০ বছরে পৃথিবীর চেহারা কেমন হতে যাচ্ছে। আমাদের হাতে সময় নেই। আমাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। সাংবাদিকদের বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। তাহলে এ বিষয়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সম্ভব।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তন্ময় সাহা বলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্য বলেছিলেন, পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রেখে যেতে হবে, আগামী প্রজন্মের কাছে এই হোক অঙ্গীকার। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে উন্নয়নের একটি সংযোগ রয়েছে। যেসব দেশ উন্নতি করেছে, তারা জলবায়ুর ক্ষতি করেই উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করেছে, সুতরাং সেসব দেশের এখন দ্বায়বদ্ধতা খুব বেশি।
তন্ময় সাহা বলেন, আগে গ্রামের কৃষকরা বাংলা সনের তারিখ দেখে ফসল বুনতো, এখন ঋতু পরিবর্তন হয়ে গেছে, কৃষকরা এখন আর আকাশের দিকে তাকিয়ে চাষাবাদ করে না।
তিনি এসময় ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে সাংবাদিকদের স্টাডি করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৪০ জন সংবাদকর্মী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তন্ময় সাহা, দৈনিক কালবেলার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক প্রণব সাহা।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) সুফী জাকির হোসেন।
এছাড়াও আরও ছিলেন বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের (বিসিজেএফ) সভাপতি কাওসার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন।
আরও পড়ুন: দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য সংরক্ষণের আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের
পুনরায় সিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় শেখ মুহম্মদ বেলালকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
৬৫৫ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে কুষ্টিয়ায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে কুষ্টিয়ায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের উদ্যোগে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত দিনব্যাপী এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক ও শিক্ষা) শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আরিফুল হক মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন। কর্মশালায় কি-নোট উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মৃনাল কান্তি দে।
আরও পড়ুন: তৃণমূলের উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
কর্মশালায় বলা হয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রতিটি নির্বাচনী ইশতেহারেই দেশের সকল মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাসহ দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়কে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনের নিরিখে বিশেষ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন, সবার জন্য বিদ্যুৎ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশুর মানসিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, পরিবেশ সুরক্ষা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি অন্যতম যা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দশ উদ্যোগ নামে পরিচিত।
কর্মশালায় প্রধান মন্ত্রীর ১০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং নতুন সম্ভাবনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি উদ্যোগসমূহের বহুল প্রচারের করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে দলীয় আলোচনাসহ সুপারিশ করা হয়।
দিনব্যাপী এ কর্মশালায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, রাজনীতিবিদ আইনজীবী, সাংবাদিক, এনজিও সংস্থার প্রতিনিধি, চেম্বারের প্রতিনিধিসহ প্রায় ১২০ জন অংশগ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: উন্নয়ন প্রকল্পে পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
১৩৮২ দিন আগে