কলম্বিয়া
কলম্বিয়ায় কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ: ভেতরে আটকে ১২ শ্রমিক
গ্যাস জমে বিস্ফোরণের কারণে কলম্বিয়ার মধ্যাঞ্চলের একটি কয়লা খনিতে অন্তত ১২ জন শ্রমিক আটকা পড়েছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (৪ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান দেশটির কর্মকর্তারা।
ঘটনার পর উদ্ধারকর্মী ও অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে।
কলম্বিয়ার কুন্দিনামার্কা প্রদেশের গভর্নর হোর্হে এমিলিও রেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানান, গতকাল (সোমবার) বিকেলে বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে ১৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তবে তাদের মধ্যে তিনজন ‘নিজ প্রচেষ্টায়’ বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। তাদের একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ওই কয়লা খনিটি কলম্বিয়ার সুতাতাউসা এলাকায় অবস্থিত। দেশটির রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৪৬ মাইল দূরে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮ হাজার ২০০ ফুট উঁচুতে এর অবস্থান।
কলম্বিয়ার মধ্যাঞ্চলে খনি দুর্ঘটনা নতুন কিছু নয়। প্রায়ই ঘটে থাকে এ ধরনের দুর্ঘটনা।
২০২৩ সালে সুতাতাউসার আরেকটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ১১ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন। এছাড়া ২০২০ সালে কুন্দিনামার্কা প্রদেশের আরেক পৌর এলাকা কুকুনুবাতে একটি খনি দুর্ঘটনায় ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল।
৫ দিন আগে
কলম্বিয়ার বাসে বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত, আহত ৩৮
কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা থেকে ছেড়ে আসা একটি বাসে বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৮ জন।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) কাজিবিও পৌরসভায় প্যান-আমেরিকান মহাসড়কে চলন্ত বাসটিতে বিস্ফোরণ হয় বলে জানিয়েছেন কাউকা অঞ্চলের গভর্নর অক্তাভিও গুজমান।
এ ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান। মাদক পাচারকে ঘিরে ওই অঞ্চলে চলমান সহিংসতার জের ধরে এই হামলা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
কাউকা স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব ক্যারোলিনা কামার্গো জানান, আহতদের মধ্যে ৫টি শিশু রয়েছে।
কলম্বিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল হুগো লোপেস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এটি একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’এবং এর জন্য ‘ইভান মর্দিস্কো’ নামের এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নেটওয়ার্ক এবং
‘হাইমে মার্তিনেস’ নামের এক গোষ্ঠীকে দায়ী করা হচ্ছে। এই গোষ্ঠীগুলো এখনও ওই অঞ্চলে সক্রিয় এবং এরা বিলুপ্ত ফার্ক বিদ্রোহী সংগঠনের ভিন্নমতাবলম্বী একটি অংশ।
এই দল এবং ব্যক্তিদের মধ্যে কেউই ২০১৬ সালে সরকারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তি মেনে চলে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘যারা এই হামলা চালিয়ে অসংখ্য সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে, তারা সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট এবং মাদক ব্যবসায়ী।’
১৪ দিন আগে
কলম্বিয়ায় ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪
কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিধসে শনিবার নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার কুইবদো ও মেডেলিন শহরের সংযোগকারী পার্বত্য এলাকার একটি ব্যস্ত পৌর সড়কে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট প্রাথমিকভাবে বিবৃতিতে জানিয়েছে, অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, অন্তত আহত ৩৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চোকো গভর্নরের কার্যালয় থেকে নতুন মৃত্যুর সংখ্যা জানানো হয়েছে, যেখানে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সমন্বয়ের জন্য একটি সমন্বিত কমান্ড পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ১৭টি লাশ শনাক্ত করা হয়েছে এবং কর্মকর্তারা আরও ১৭ জনকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
প্রসিকিউটর অফিস নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: ভারতের শিমলায় ভূমিধসে ২১ জনের মৃত্যু: মুখ্যমন্ত্রী সুখু
এর আগে কলম্বিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সিয়া মার্কেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ভূমিধসে আটকা পড়াদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
হতাহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু রয়েছে বলে তিনি জানান। তবে তিনি কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
কী কারণে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট। তবে শুক্রবার রাতে প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, ওই এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে উদ্ধার কাজ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো শুক্রবার এক্সে বলেন, তার সরকার এই 'ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে' প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেবে।
আরও পড়ুন: ভারতের উত্তরাখণ্ডে ভূমিধসে ৫ তীর্থযাত্রী নিহত
ভারতে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭
৮৪৭ দিন আগে
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে কলম্বিয়ায় হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভ
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্থানীয় সময় সোমবার (২৮ আগস্ট) দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার প্রধান শহরগুলোতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, কলম্বিয়ার প্রথম বামপন্থী সরকার জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে। ফলে দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে উঠছে এবং দেশে খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কিন্তু প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোর সরকার বলছে, গ্যাসোলিন ভর্তুকি বাবদ বছরে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়।
তারা বলেছে, জাতীয় তেল কোম্পানি ইকোপেট্রোলকে ঋণ পরিশোধের জন্য ভর্তুকি বাদ দিতে হবে এবং সামাজিক কর্মসূচির জন্য আরও তহবিল খালি করতে হবে। ইকোপেট্রোল দেশটির বেশিরভাগ জ্বালানি উৎপাদন করে।
দারিদ্র্য হ্রাস করার এবং দেশের অবশিষ্ট বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে শান্তি স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর পরেই পেট্রোর প্রশাসনের ওপর জনগণের অসন্তোষ বেড়েছে এবং বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুসারে, পেট্রোর প্রশাসন দেশের গ্রামীণ অংশে সহিংসতা বন্ধ করতে এবং কলম্বিয়ার অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য সংগ্রাম করেছে। তবে ২০২৩ সালে দেশটির অর্থনীতি মাত্র এক শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কলম্বিয়ার সুপারমার্কেটের জন্য হিমায়িত খাবার এবং অন্যান্য পণ্য পরিবহনকারী একটি ছোট কোম্পানির ম্যানেজার আলেজান্দ্রা মেন্ডোজা বলেছেন, ‘এই সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যা ব্যবসা-বিরোধী।’
তিনি তার কোম্পানির হলুদ জ্যাকেট পরে সোমবারের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন।
মেন্ডোজা বলেন, ‘আমাদের খরচ এক তৃতীয়াংশ বেড়েছে এবং পেট্রলের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতি মাসে আমাদের বাজেট সামঞ্জস্য করতে হবে।’
আরও পড়ুন: স্কুলে বোরকা পরা নিষিদ্ধ করবে ফ্রান্স: শিক্ষামন্ত্রী
কলম্বিয়ায় গ্যাসোলিনের দাম গত বছরের আগস্ট মাসে ৯ হাজার পেসো প্রতি গ্যালন (২ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার) থেকে বেড়ে বর্তমানে ১৪ হাজারের বেশি (৩ দশমিক ৪০ ডলার) হয়েছে, কারণ কলম্বিয়ার সরকার প্রতি মাসে ভর্তুকি কমিয়েছে।
কলম্বিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা বছরের শেষ নাগাদ গ্যাসোলিনের দাম গ্যালন প্রতি ১৬ হাজার পেসো বা প্রায় ৪ ডলার করতে চান। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমান গ্যাসের দামের সমান। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি কলম্বিয়ার ন্যূনতম মজুরির চেয়ে চার গুণ বেশি। কলম্বিয়ার ন্যূনতম মজুরি মাসে ২৮০ ডলার।
গত জুলাই মাসে মন্ত্রণালয় জানায়, অক্টোবরে মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনের পর ডিজেলের জন্য ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করা হবে এবং আগামী বছরের শেষে ডিজেল জ্বালানির দাম দ্বিগুণ হবে।
অথচ, কলম্বিয়ার বেশিরভাগ পণ্যবাহী ট্রাক চালাতে ডিজেল ব্যবহৃত হয়।
পেট্রোর সরকারের যুক্তি, দেশের পেট্রোলে ভর্তুকি দেওয়ায় বেশিরভাগ ধনী কলম্বিয়ানরা উপকৃত হয়েছে, যারা যানবাহনের মালিক।
তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কিছু গ্রুপের সঙ্গে তিনি গ্যাসোলিনের দাম নিয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক।
গত শনিবার পেট্রোর প্রশাসন দেশের ট্যাক্সি ড্রাইভার ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে একটি চুক্তি বাতিল করেছে।
তবে কলম্বিয়ার বিরোধী দলের সদস্যরা বলছেন, সরকারের জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ডেলিভারি কর্মী, চালক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ইতোমধ্যে তারা মহামারির ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সংগ্রাম করছে।
কংগ্রেসওম্যান জেনিফার পেড্রাজা সোমবারের বিক্ষোভ সংগঠিত করতে সাহায্য করেছিলেন।
জেনিফার বলেন, সরকার পেট্রল ও ডিজেলের উপর কম বিক্রয় কর ধার্য করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ প্রশাসনকে একটি ভিন্ন পেট্রল নীতি নিয়ে আলোচনা করতে বলছে।’
তিনি আরও বলেন, কলম্বিয়ার জাতীয় তেল কোম্পানির ‘সবার জন্য পেট্রল সাশ্রয়ী করতে আগ্রহী হওয়ার সময় এসেছে।’
আরও পড়ুন: মাদাগাস্কারে ইন্ডিয়ান ওশান আইল্যান্ড গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্টেডিয়াম বিধ্বস্ত, নিহত ১২
সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে একমত মোদি-শি জিনপিং
৯৮৫ দিন আগে
কলম্বিয়ার কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১
কলম্বিয়ার কুন্দিনামার্কা বিভাগে মঙ্গলবারের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো বলেছেন, আরও ১০জন আটকে পড়া খনি শ্রমিকের লাশ পাওয়া গেছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট এক টুইটে লিখেছেন, ‘আমাকে এইমাত্র গভর্নর জানিয়েছে যে সব ধরনের উদ্ধার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, দুর্ভাগ্যবশত সুতাতাউসায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ২১ জন প্রাণ হারিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কয়লা খনি এলাকায় শ্রম ও ব্যবসায়িক পুনর্গঠন পরিকল্পনা ক্রমশ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। প্রতিটি শ্রমিকের মৃত্যু শুধু ব্যবসায়িক ব্যর্থতা নয়, সামাজিক ও সরকারি ব্যর্থতাও।’
আরও পড়ুন: রাশিয়ায় কয়লা খনি বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৫২
কুন্দিনামার্কার গভর্নর নিকোলাস গার্সিয়া বলেছেন, উদ্ধারকারীরা ১০টি লাশ দেখেছেন এবং উত্তোলন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক সেবার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সাহায্যে সরকারের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
কুন্দিনামার্কা ফায়ার ক্যাপ্টেন আলভারো ফারফানের মতে, বিস্ফোরণ থেকে বেঁচে যাওয়া ৯জন খনি শ্রমিকদের মধ্যে আটজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এবং পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
ফারফান বলেন, ন্যাশনাল মাইনিং এজেন্সি মিনমাইনার কোম্পানির অন্তর্গত আন্তঃসংযুক্ত খনিতে বিস্ফোরণের কারণ নির্ধারণের জন্য তদন্ত শুরু করবে, যেটি ৩০ বছর ধরে কাজ করছে।
ন্যাশনাল মাইনিং এজেন্সি বলেছে যে তারা মিনমিনারের কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে এবং বিস্ফোরণের পর খনির পরিস্থিতি মূল্যায়ন শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: চীনের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে নিহত ১৫, আহত ৯
চীনে কয়লা খনি ধসে ২১ শ্রমিক নিহত
১১৫০ দিন আগে
কলম্বিয়ায় ভূমিধসে ৩৩ জন নিহত
কলম্বিয়ার রিসারালদা প্রদেশে একটি মহাসড়কের ওপর ভূমিধসে যানবাহন চাপা পড়ে মৃতের সংখ্যা ৩৩ জনে পৌঁছেছে। সোমবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলফোনসো প্রাদা এ খবর নিশ্চিত করেন।
গত দু’দিনে রাজধানী বোগোতা থেকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশটির দু’টি গ্রামে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে ঘরবাড়ির ছাড়াও বিধ্বস্ত হয়েছে রাস্তাঘাট। টানা ভারি বৃষ্টির কারণেই এই দুর্যোগ বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
রিসারালদায় যে ভূমিধসে ঘটেছে তা পশ্চিম-মধ্য বিভাগের পেরেইরা-কুইবডো হাইওয়েতে একটি গাড়ি এবং একটি মোটরসাইকেল সহ পশ্চিমাঞ্চলীয় ভ্যালে দেল ককা বিভাগের কালি থেকে পশ্চিম চোকো বিভাগের কন্ডোটোতে যাত্রী বহনকারী একটি বাসকে চাপা দিয়েছে।
প্রাদা বলেছেন, আমরা তিন শিশুসহ ৩৩ জন মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছি। আমরা নয়জনকে জীবিত উদ্ধার করেছি, তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা বর্তমানে গুরুতর।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬৮
তিনি বলেন, কলম্বিয়ার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের কর্মীরা এবং পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন ডিরেক্টরেট, পুলিশ বিভাগ এবং সামরিক বাহিনী হতাহতদের উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
প্রদা বলেছে, ভূমিধসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ একটি দেশব্যাপী দুর্যোগের সর্বোচ্চ সতর্কতা ঘোষণা করার পরিকল্পনা করেছে, যা আরও কয়েক মাস অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, কলম্বিয়ার পেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে সড়কপথের অবস্থা নির্ধারণ করতে মঙ্গলবারের মধ্যে রাজধানী বোগোটায় একটি জাতীয় ঐক্যবদ্ধ কমান্ড পোস্ট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন।
রিসারালদার গভর্নর ভিক্টর ম্যানুয়েল তামায়ো সাংবাদিকদের বলেছেন যে হাইওয়েটি দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তার অবস্থা বেশি ভালো নয়। জীবিতদের খুঁজে বের করা এবং নিহতদের লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫২
১২৫১ দিন আগে
কলম্বিয়ায় ষাঁড়ের লড়াই, স্ট্যান্ড ধসে নিহত ৪
কলম্বিয়ার মধ্যাঞ্চলে ষাঁড়ের লড়াইয়ের সময় স্টেডিয়ামের কাঠের স্ট্যান্ডের কিছু অংশ ধসে পড়ে অন্তত চারজন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রবিবার দেশটির টলিমা প্রদেশের এল এসপিনাল শহরের একটি স্টেডিয়ামে ঐতিহ্যবাহী ইভেন্ট ‘কোরালেহা’ এর সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ইভেন্টে ষাঁড়কে উত্তেজিত করতে মানুষ রিংয়ে প্রবেশ করেন।
টলিমার গভর্নর জোসে রিকার্ডো ওরোজকো স্থানীয় ব্লু রেডিওকে বলেছেন, ‘আমরা টলিমাতে হাসপাতাল নেটওয়ার্ক সক্রিয় করেছি।’
আরও পড়ুন: জার্মানিতে আশ্রয় কেন্দ্রে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ৫
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত চারজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে দুজন নারী, একজন পুরুষ ও একজন শিশু।’
মেয়র হুয়ান কার্লোস তামায়ো বলেছেন, যে অংশটা ধসে পড়েছে সেখানে ৮০০ দর্শক বসে ছিলেন।
রবিবার বিকালে টলিমার স্বাস্থ্য সচিব মার্থা প্যালাসিওস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ধসের ঘটনার পর ৩২২ জন মানুষ চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে যান।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় নাইটক্লাবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু
এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বয়স ১৮ মাস বলেও জানান তিনি।
চারজন নিহত ছাড়াও আরও চারজন নিবিড় পরিচর্যায় এবং দুজন অস্ত্রোপচার থেকে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
১৪১৩ দিন আগে