ব্যাটারিচালিত রিকশা
সরকার ৩ চাকার বৈদ্যুতিক যান নিয়ন্ত্রণে আনবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইকসহ আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ তিন চাকার বৈদ্যুতিক যানকে শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু (সংরক্ষিত নারী আসন-৪) কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেওয়া নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তুলনামূলক কম ভাড়া, সহজলভ্যতা ও স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের সুবিধার কারণে গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক ও এ ধরনের তিন চাকার বৈদ্যুতিক যান শহর ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, এ খাত চালক, মালিক, গ্যারেজ মালিক ও শ্রমিক, ব্যাটারি ও খুচরা যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী, চার্জিং সেবা প্রদানকারী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নিয়ে একটি বড় অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থান নেটওয়ার্কও তৈরি করেছে।
তবে এ খাতের দ্রুত ও অনেকাংশে অনিয়ন্ত্রিত সম্প্রসারণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, যানজট, পরিবেশদূষণ, জনস্বাস্থ্য ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক যানবাহন একই সময়ে চার্জ দেওয়ায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে।
মন্ত্রী এসব যানবাহনে ব্যবহৃত লিড-অ্যাসিড ব্যাটারি অনিরাপদভাবে ব্যবহার এবং নিয়ম না মেনে পুনর্ব্যবহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ তিন চাকার বৈদ্যুতিক যান দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবহার করে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এই বিপুল চাহিদার বিপরীতে দেশে বৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে মাত্র প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি। অন্যদিকে শুধু ঢাকাতেই অনানুষ্ঠানিক বা অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে ৪৮ হাজারের বেশি। তিনি বলেন, এর ফলে অনুমোদনহীনভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে সরকার বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
নিবন্ধনহীন যানবাহন, অপ্রশিক্ষিত চালক, ত্রুটিপূর্ণ নকশা, দুর্বল ব্রেক ও আলোকব্যবস্থা, অতিরিক্ত গতি এবং মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচলের কারণে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তার উল্লেখ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৯১১ জন নিহত ও ১৪ হাজার ৮১২ জন আহত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ ছিল ব্যাটারিচালিত রিকশা।
রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে অননুমোদিত ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে পরিচালিত রিকশার গ্যারেজের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ও ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) যৌথ অভিযানও পরিচালনা করছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অটোরিকশাকে শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হলে অনুমোদিত ও বৈধ অটোরিকশাকে নম্বর প্লেট দেওয়ার মাধ্যমে লাইসেন্সিং ব্যবস্থার আওতায় আনা, কিউআর কোডের মাধ্যমে চালকদের নিবন্ধন শনাক্ত করা এবং ধাপে ধাপে চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্য নির্দেশনার আলোকে অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়া, রুট নির্ধারণ, চালক ও তাদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন ব্যবস্থাপনা এবং আইন প্রয়োগ করা হবে। এসব পদক্ষেপ রাজধানীর যানজট কমাতে, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে বলে জানান তিনি।
যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে রাজধানীর ১৭টি ট্রাফিক সিগন্যালে বর্তমানে ৫০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা চালু রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে এসব ক্যামেরা ইতিবাচক ফল দিয়েছে। রমনা ও তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের আওতায় আরও ২০০টি এআইভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া ঢাকার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়েও ধীরে ধীরে আরও এআইভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
রেহানা আক্তার রানু তার নোটিশে বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এআইভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা স্থাপনের পর, বিশেষ করে রাজধানীর সড়কে ধীরে ধীরে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। লাল বাতি অমান্য করা, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে লেন পরিবর্তন ও গতিসীমা অতিক্রমের মতো আইন লঙ্ঘনের ঘটনা কমেছে। তবে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো এখনও নিয়ম না মেনে বেপরোয়াভাবে চলাচল করছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, এসব যানবাহনে নম্বর প্লেট না থাকায় এআই ক্যামেরা সেগুলো শনাক্ত করতে পারলেও জরিমানা করা সম্ভব হয় না।
তিনি আরও বলেন, এসব বেপরোয়া যান নিয়ন্ত্রণের কোনো বিকল্প নেই। অন্তত প্রধান সড়কগুলো থেকে এসব রিকশা সরিয়ে নিতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি অটোরিকশার নকশার ত্রুটি দূর করে নম্বর প্লেট সংযোজন, চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও লাইসেন্স দেওয়াসহ সবকিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় আনার ওপর জোর দেন তিনি।
বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা এ খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল পুরোপুরি বন্ধ না করে সরকারকে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা উচিত বলেও মনে করেন রানু। তিনি বলেন, জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা না করে তাদের যানবাহন জব্দ করে ফেলে দেওয়া এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা ঠিক নয়।
জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ব্যবহারকেও শর্ত হিসেবে রাখা হবে এবং নিবন্ধন নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে সংযোগ নিয়ে অবৈধ চার্জিং স্টেশন পরিচালনার কারণে রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে এবং এর সঙ্গে দুর্নীতিও জড়িত। যারা এসব অবৈধ চার্জিং কার্যক্রম পরিচালনা ও ব্যবহার করছে, তাদের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের কিছু কর্মকর্তাও এর সঙ্গে জড়িত বলেও মন্ত্রী অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, বেকারত্ব যাতে না বাড়ে, কর্মসংস্থান যাতে ব্যাহত না হয়, পরিবেশ সুরক্ষিত থাকে, যানবাহনে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নতি হয়—সরকার সব দিক বিবেচনায় রাখবে।
৮ দিন আগে
ঢাকার মূলসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকার মূলসড়কে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত ব্যাটারিচালিত রিকশার (ই-রিকশা) স্ট্যান্ডার্ড মডেল ও প্রোটোটাইপ নির্মাণের বিষয়ে হালনাগাদ অগ্রগতি এবং ভবিষ্যত করণীয় নির্ধারণ শীর্ষক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ঢাকার মূলসড়কে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না। তবে শহরের অভ্যন্তরের সড়কে চলবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অনুমোদিত ব্যাটারিচালিত রিকশা।’
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে ও যানজট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার (ই-রিকশা) স্ট্যান্ডার্ড মডেল ও নীতিমালা প্রস্তুতের জন্য অল্পসময়ের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যারের কমিটি গঠন করা হবে।
আরও পড়ুন: অটোরিকশা চলাচল বন্ধে শিগগিরই অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক
সভায় বুয়েটের বিইপিআরসি ইজিবাইক প্রজেক্ট নতুন স্ট্যান্ডার্ডাইজ মডেলের তিন চাকার স্বল্প গতিতে ই-রিকশার টাইপ-অনুমোদন ও রেজিস্ট্রেশন প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী প্রোটোটাইপ প্রস্তুত করতে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগে. জেনা. মঈন উদ্দিন, ডিএনসিসির মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ প্রমুখ।
৫০৪ দিন আগে
ব্যাটারিচালিত রিকশার মালিকানায় নতুন নীতিমালা
ব্যাটারিচালিত রিকশা পরিচালনায় একটি নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাত আলী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে ব্যাটারিচালিত রিকশা মালিক ও শ্রমিক সমিতির সঙ্গে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, 'প্রস্তাবিত নির্দেশনায় কোনো ব্যক্তি একটির বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশার মালিক হতে পারবেন না।’ এই নীতিমালার মূল কথাই হলো চালকদের রিকশার মালিক হতে হবে।
এসব যানবাহনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, 'ব্যাটারিচালিত রিকশা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করলেও নানা সমস্যার সৃষ্টি করেছে। আমাদের সম্মিলিতভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে।’
প্রধান সড়ক ও বাস রুট পরিহার করে এসব রিকশা যাতে চালানো যায়, মালিক ও চালকদের প্রতি সেই আহ্বানও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে থেকে ঢাকায় প্রবেশকারী ব্যাটারিচালিত রিকশা ঠেকাতে আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
বৈঠকে পরিবহন খাতে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে কমিশনার বলেন, 'কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। মালিক-শ্রমিক কাউকেই চাঁদার টাকা দিতে হবে না। এ ধরনের টাকা দাবি করলে নিকটস্থ থানা বা ফাঁড়িতে অভিযোগ করুন।’
রিকশা মালিক ও শ্রমিক সমিতির প্রতিনিধিরা বিভিন্ন উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং তা সমাধানে ডিএমপি কমিশনারের সহযোগিতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন: ঢাকায় রিকশার ব্যাপক বিশৃঙ্খলা, কর্তৃপক্ষ নীরব
৬০০ দিন আগে
ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে বাধা নেই, সুপ্রিম কোর্টের স্থিতাবস্থা জারি
ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করে এক মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি রেজাউল হক সোমবার (২৫ নভেম্বর) এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে এ বিষয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আরও পড়ুন: ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এ আদেশের ফলে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে আর কোনো বাধা নেই।
নিরাপত্তা উদ্বেগ ও সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে গত ২০ নভেম্বর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধে তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে এসব যানবাহন থামাতে তাদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের রিকশা মালিক ঐক্য জোটের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ডিএমপির আশ্বাসে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের কর্মসূচি স্থগিত
নিষিদ্ধ অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভে রাজধানীতে যান চলাচলে স্থবিরতা
৬৫৯ দিন আগে
ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল
ঢাকা মহানগর এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার (২৫ নভেম্বর) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
দুপুরে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে রবিবার (২৪ নভেম্বর) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর মুহাম্মদ আজমী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে পিটিশনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আজ বা আগামীকাল আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে বিচারপতির কাছে আবেদনটি পেশ করতে পারি।
তিনি বলেন, স্থগিতাদেশের আবেদনে ব্যাটারিচালিত রিকশা বা অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং তাই হাইকোর্ট এই সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারে না বলে উল্লেখ থাকবে।
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে গত ২০ নভেম্বর হাইকোর্ট তিন দিনের মধ্যে ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা চলাচল বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে এসব যানবাহনের কার্যক্রম বন্ধে তাদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা ব্যাখ্যা করতে রুল জারি করে।
৬৫৯ দিন আগে
জুরাইন লেভেল ক্রসিংয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের অবরোধ, রেল চলাচল ব্যাহত
রাজধানীর জুরাইনে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা রেলক্রসিং অবরোধ করায় সড়ক ও রেল উভয় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে।
শ্যামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমতি চেয়ে বেলা ১১টার দিকে কয়েকশ’ রিকশাচালক বিক্ষোভ শুরু করেন।
পুলিশ প্রথমে বিক্ষোভকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করে এলাকা খালি করে দেয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা তা মানতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয় এবং তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। দুপুর ১টার দিকে তাদেরকে পুরোপুরি সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানান ওসি শফিকুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, অবরোধের কারণে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও খুলনার মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে।
ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জগামী দুটি ট্রেন দেরিতে ছেড়েছে।
এছাড়া খুলনাগামী নকশি কাথার কমিউটার ট্রেন ও রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মধুমতি এক্সপ্রেসও তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি।
তবে বিকাল ৩টা ২০ মিনিটের মধ্যে রেললাইন খালি করা হয় এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার তিন কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
পরদিন রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে চালকরা।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ডাউন লাইন দিয়ে চলাচল স্বাভাবিক
৬৬২ দিন আগে
তিন দিনের মধ্যে ঢাকা মহানগরে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের নির্দেশ
আগামী তিন দিনের মধ্যে ঢাকা মহানগর এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, আইজিপি, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের আদালতের এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী ও ব্যারিস্টার তাহসিনা তাসনিম মৃদু।
আরও পড়ুন: শহীদ নাফিজকে বহনকারী ‘রিকশা’ জুলাই বিপ্লব স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে
ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা প্যাডেল রিকশামালিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে রিট লড়ছি। গত তিন মাসে ব্যাটারিচালিত রিকশা বেপরোয়াভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি অবৈধ বিদুৎতের মাধ্যমে এসব রিকশা চার্জ করা হচ্ছে।’
এসব বিষয় আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে আদালতে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘হাইকোর্ট রুল দিয়েছেন এবং তিন দিনের মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের নির্দেশ দিয়েছেন।’
রাজধানীতে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রিকশা চলছে। এর একটি অংশ ব্যাটারিচালিত। এছাড়া প্যাডেলচালিত রিকশায় ব্যাটারি লাগিয়ে যান্ত্রিক করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ঢাকাসহ সারা দেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। অলিগলিসহ মূল সড়কে রিকশার দাপটে ভেঙে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থা। অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও ঝুঁকিপূর্ণ বাহনটি সড়কে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল সড়কের পাশাপাশি অলিগলিতেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব রিকশা।
রাজধানীর খিলগাঁও, মান্ডা, বাসাবো, মানিকনগর, রামপুরা, বাড্ডা, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, সবুজবাগ, শ্যামপুর, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, বছিলা, উত্তরা, ভাটারা, দক্ষিণখান, উত্তরখান, ময়নারটেক, মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার আধিক্য চোখে পড়ার মতো।
আরও পড়ুন: সিলেটে গাড়িচাপায় রিকশাযাত্রীর মৃত্যু
৬৬৫ দিন আগে
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (২০ মে) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওলামা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এ কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা যেন চলতে না পারে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘স্বল্প আয়ের মানুষের কষ্টের কথা বিবেচনা করে শুধু ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’
এ সময় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও জানান, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২২টি মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ থাকবে।
এর আগে গত ১৫ মে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠকে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এরপর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধে অভিযানে নামে পুলিশ।
রবিবার রাজধানীর মিরপুরে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের প্রতিবাদে দিনভর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন চালকরা।
এ সময় রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন চালকরা।
আরও পড়ুন: ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো চালকদের বিক্ষোভ
ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধ: মিরপুরে পুলিশবক্সে আগুন দিয়েছে চালকরা
৮৪৮ দিন আগে
ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো চালকদের বিক্ষোভ
ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীর রামপুরা ও ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন এসব যানবাহনের চালকরা।
এ কারণে সোমবার ওই এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) আরিফুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে থ্রি-হুইলার চালকরা রামপুরা সড়কে জড়ো হয়ে এসব যানবাহন বাতিলে সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।
তিনি বলেন, বিক্ষোভের কারণে রামপুরা থেকে পল্টন ও সায়েদাবাদগামী বাস চলাচল করতে পারেনি। পরে বিক্ষোভকারীরা মালিবাগের আবুল হোটেলের দিকে রওনা দেন।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানান তিনি।
এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, বিক্ষোভের কারণে খিলগাঁও ও মালিবাগ ফ্লাইওভারে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।
সকাল ১০টার দিকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার হাজিনগর রোডে ব্যারিকেড দিয়ে অবরোধ করেন থ্রি-হুইলার চালকরা।
ডিএমপির ডেমরা ট্রাফিকের সহকারী কমিশনার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানান, এ সময় চালকেরা গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা চালান। তবে তারা ব্যর্থ হয়েছেন।
এর আগে রবিবার মিরপুর-১০ নম্বর মোড়ে দাবি আদায়ে জড়ো হন কয়েকশ থ্রি-হুইলার চালক। মিরপুর, পল্লবী, আগারগাঁও, তালতলা, কালশী ও মিরপুর-১৩ এলাকায় বিক্ষোভ করেন তারা।
গত বুধবার সড়কে ব্যাটারিচালিত থ্রি হুইলার চলাচল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
৮৪৮ দিন আগে
ব্যাপক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মধ্যেও চলছে ব্যাটারিচালিত রিকশা
চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কিছু কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও, সারা দেশে বিপুল সংখ্যক ব্যাটারিচালিত রিকশা চালু রয়েছে; যার কারণে বিদ্যুতের ঘাটতি আরও বাড়ছে।
জেলার পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি) কর্তৃপক্ষ জেলার বাসিন্দাদের জীবনকে বিপর্যস্ত করে এমন ব্যাপক লোডশেডিংয়ের জন্য কিছু কারণ চিহ্নিত করেছে। যার মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা একটি শীর্ষস্থানীয় কারণ বলে মনে করছে তারা।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার তথ্যমতে, পৌরসভায় নিবন্ধিত ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা দুই হাজার ৪০০ হলেও বাস্তবে এ ধরনের প্রায় চার হাজার রিকশা রাস্তায় চলাচল করছে।
এতে বলা হয়েছে, এই যানবাহনগুলো প্রতিদিন গড়ে ৩৩ হাজার ইউনিট এবং প্রতি মাসে ৯লাখ ৯০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।
এতে আরও বলা হয়, একটি পরিবার প্রতি মাসে প্রায় ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যার মানে মোট তিন হাজার ৩০০ পরিবার এই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে; যা ব্যাটারি চালিত রিকশা চার্জ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন: দেশে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং শুরু
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চার্জার স্টেশনের মালিকরা জানান, রিকশার ব্যাটারি চার্জ করতে তারা ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা নেন। এছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশার চালককে দৈনিক ৩০০ টাকা দিতে হয় মালিককে।
তারা আরও জানান,‘একটি সম্পূর্ণ চার্জযুক্ত ব্যাটারি চালিত রিকশা ২০০ কিলোমিটার যেতে পারে। কখনও কখনও দীর্ঘ দূরত্ব চালানোর জন্য বিকালের মধ্যে চার্জ কমে যায়। ’
জেলার ইজিবাইক চালক মো. কালাম বলেন, এই ধরনের রিকশার একজন চালক প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় করেন।
ঠাকুরগাঁও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেন, চার্জিং স্টেশনের জন্য আলাদা বিদ্যুতের দর রয়েছে। ‘ব্যাটারি চালিত রিকশা চার্জ করার জন্য ফ্ল্যাট রেট ৭ টাকা ৬৪ পয়সা, অফ পিক রেট ৬টাকা ৮৮ পয়সা এবং পিক রেট ৯ টাকা ৫৫ পয়সা।
মামুনুর বলেন, যারা ডবল ট্যারিফ মিটার ব্যবহার করেন তারা পিক এবং অফ পিক রেট অনুযায়ী তাদের বিল পরিশোধ করেন; আর যাদের একক ট্যারিফ মিটার, তারা ফ্ল্যাট রেট হারে তাদের বিল পরিশোধ করে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে প্রভাবিত করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দৈনিক দুই ঘণ্টা লোডশেডিং এর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
পরে দৈনিক এক ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের সংশোধিত সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
তিনি বলেন, ‘এলাকা অনুযায়ী, আমরা সারা দেশে প্রতিদিন এক ঘণ্টার লোডশেডিং শুরু করব। প্রয়োজন হলে, সিদ্ধান্তটি এক সপ্তাহ পরে পুনর্বিবেচনা করা হবে।’
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার দেশে মোট ১৯১৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং
লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি লোডশেডিং অধিকাংশ বিতরণ সংস্থার
সরকার রাত ৮ টার মধ্যে শপিং মল বন্ধ, এয়ার কুলারের সীমাবদ্ধ ব্যবহার সহ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের ঘোষণা করেছে। এছাড়া অফিসের সময় সীমিত করার এবং সপ্তাহে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার পরিকল্পনাও চলছে।
১৫১৩ দিন আগে