প্রবাসী
ইরাকে নিহত প্রবাসী শ্রাবনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
ইরাকে নিহত বাংলাদেশি রেমিট্যান্সযোদ্ধা মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ইসলাম ওবায়েদ।
শুক্রবার (২৯ মে) ভোর পৌনে ৫টায় মরদেহ বহনকারী তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করলে সরকারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তা গ্রহণ করা হয়।
নিহত মোহাম্মদ শ্রাবন মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বকুলতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং মোহাম্মদ নলি মিয়ার ছেলে। জীবিকার সন্ধানে প্রায় ১০ বছর আগে তিনি ইরাকের বাগদাদে যান।
সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চলাকালীন বাগদাদে নিক্ষিপ্ত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনি নিহত হন। তার এই অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাগদাদে বাংলাদেশ দূতাবাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সরকারি প্রক্রিয়ায় তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। গত ২৭ মে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহটি পাঠানো হয়। পরে তুরস্কে ২৯ ঘণ্টার ট্রানজিট শেষে ফ্লাইটটি আজ (শুক্রবার) সকালে ঢাকায় পৌঁছায়।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিহতের বাবা, স্ত্রী ও কন্যার কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মরদেহ পরিবহন ও দাফন-কাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকাসহ প্রাপ্য অন্যান্য আর্থিক সহায়তা পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ২৫ মে বাগদাদে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) পারভেজ আলম চৌধুরী দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ দেশে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১ দিন আগে
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১৭০ বাংলাদেশি
লিবিয়ার বেনগাজী থেকে আরও ১৭০ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা বাংলাদেশে পৌঁছান।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে দেশটির সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের এ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অভ্যর্থনা জানান।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।
৫ দিন আগে
ওমানে নিহত ৪ ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
ওমানের দক্ষিণ আল বাতিনাহর মুলাদ্দা এলাকায় গাড়ির ভেতরে গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নিহত চার প্রবাসী ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রারের রাঙ্গুনিয়ায় জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের মরদেহ পৌঁছায়।
এ সময় রাঙ্গুনিয়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা হুম্মাম কাদের চৌধুরী স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন। তিনি এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মরদেহ পরিবহন ও দাফনের জন্য পরিবারগুলোকে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এরপর আজ (বুধবার) ভোরে চার ভাইয়ের মরদেহ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় নেওয়া হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টায় উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বন্দেরাজাপাড়া এলাকায় হোসনাবাদ লালানগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চার ভাইয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বন্দেরাজাপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে পাশাপাশি খনন করা চারটি কবরে তাদের দাফন করা হয়।
নিহতরা হলেন— রাশেদুল ইসলাম, সাহেদুল ইসলাম, মো. সিরাজ ও মো. শহিদ।
গত ১২ মে রাতে আল মিলিদ্দা, আল মোছানা স্টেট অব আল বাতিনাহ এলাকায় গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় এসির এক্সহস্ট থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ ঘটনায় রয়্যাল ওমান পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং আবদ্ধ গাড়ির ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকার সতর্কতা জারি করেছে।
১০ দিন আগে
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি
লিবিয়ার বেনগাজী থেকে ১৭০ জন স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনেচ্ছুক বাংলাদেশিকে আজ মঙ্গলবার দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোর ৫টায় তারা দেশে পৌঁছান।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশিরভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে।
১০ দিন আগে
লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার ২ যুবক নিহত
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়ের জেবদীন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা দুজনই সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা।
সোমবার (১১ মে) স্থানীয় সময় দুপুরে এই হামলা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
নিহতরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফসার আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।
ভালুকা চাঁদপুর মডেল হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক আল কালাম আবু ওয়াহিদ ওই দুই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে মরদেহ দুটি নাবাতিয়ের নাবিহ বেররী হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ওই এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দফায় দফায় হামলা চালায়। নিহত বাংলাদেশিরা সেখানে কর্মরত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ হতাহত হয়েছেন।
১৮ দিন আগে
প্রবাসীদের মেধা ও শ্রমে শক্তিশালী হচ্ছে দেশের অর্থনীতি: তথ্যমন্ত্রী
প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের জন্য অমূল্য সম্পদ উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তাদের জ্ঞান, মেধা, প্রজ্ঞা ও পরিশ্রম দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি ভবিষ্যতেও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের টেমসাইড কাউন্সিলের সিভিক মেয়র কাউন্সিলর শিবলি আলমের সঙ্গে সাক্ষাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ইংল্যান্ড গণতন্ত্রের সূতিকাগার। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সাক্ষাৎকালে কাউন্সিলর শিবলি আলম বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীরা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশি নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
৪০ দিন আগে
ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ‘মারা যাওয়ার ভান করে’ বাঁচল ছেলে
ভোলার সদর উপজেলায় ঘরে ঢুকে ছেলের সামনে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগমকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ৮ বছর বয়সী ছেলে আবির গুরুতর আহত হয়েছে। বর্তমানে সে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ মো. জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগর রাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আজ (শনিবার) সকালে নিহত নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সরদার বাড়ির দক্ষিণ পাশে বসবাস করতেন দুবাই প্রবাসী আল-আমিনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগম। গতকাল (শুক্রবার) রাতে খাওয়া শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর নাসিমা ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তারা। পরে নাসিমার ছেলে আবিরের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশকে খবর দেন।
আবিরের দাবি, রাতের আঁধারে জিহাদ নামের এক যুবক ঘরে প্রবেশ করে তার মাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করেন তিনি। পরে সে মারা যাওয়ার ভান করলে জিহাদ চলে যায়। এরপর সে ঘরের বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে।
নিহত নাসিমার চাচাশ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ছুটে এসে তার মাকে হত্যার বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পাই। এরপর ছেলেটিকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম জানান, আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. জিহাদকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।
৪১ দিন আগে
বাহরাইনে নিহত প্রবাসী গিরিশ চন্দ্রের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
বাহরাইনে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ আজ সকালে দেশে পৌঁছেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন। এরপর নিহতের ছোট ভাই সমর চন্দ্র সূত্রধরের কাছে তিনি মরদেহটি হস্তান্তর করেন।
এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সরকারের পক্ষ থেকে গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ সৎকারের জন্য তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, ওয়ারিশ সনদ প্রাপ্তি সাপেক্ষে নিহতের পরিবারকে আরও ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বিদেশগামী সকল কর্মীকে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মাধ্যমে নিবন্ধন করে বিদেশ যাওয়ার আহ্বান জানান, যাতে তারা সরকারের আনুষ্ঠানিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন এবং প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা পেতে পারেন। তিনি প্রবাসে কর্মরত সকল বাংলাদেশির নিরাপত্তা ও সুস্থতা কামনা করেন এবং নিহত গিরিশ চন্দ্র সূত্রধরের আত্মার শান্তি কামনা করেন।
উল্লেখ্য, গিরিশ চন্দ্র সূত্রধর সিলেট জেলার সদর উপজেলার পূর্ব মাছপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কিছুদিন আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইনক কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
৪৪ দিন আগে
ঈদের ছুটিতেও মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঈদের ছুটিতেও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সচল রাখছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশের একটি কপি আজ (বুধবার) ইউএনবির হাতে এসেছে।
মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব রোজলিন শহীদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ মার্চ পর্যন্ত সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রম চালু থাকবে। তিনটি শিফটে ২০ জন কর্মকর্তা ও ২৪ জন কর্মচারী পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপিত হয়েছে প্রবাসী কল সেন্টার, লিফট-৭, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ইস্কাটন, ঢাকায়। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর হলো: দেশ থেকে ১৬১৩৫ এবং বিদেশ থেকে +৮৮০৯৬১০১০২০৩০।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকবেন ওয়েজ আর্নারস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, আর ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-১ শাখার উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা প্রয়োজনে বিদেশস্থ শ্রমকল্যাণ উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন এবং তথ্যাদি ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দেবেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১০ মার্চ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ কার্যক্রম চালু রয়েছে। ঈদের ছুটিতেও প্রবাসীদের সেবা অব্যাহত রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৭২ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় হতে সোমবার (৯ মার্চ) জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার থেকে আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু থাকবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রবাসী কল সেন্টার, লিফট-৭, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ইস্কাটন, ঢাকা—এই ঠিকানায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য কোনো বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী মন্ত্রণালয়ের হটলাইন নম্বর +৮৮০৯৬১০১০২০৩০-এ সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারবেন।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া নিয়ন্ত্রণকক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-১ শাখার উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল নিয়ন্ত্রণকক্ষের প্রধান কেন্দ্র কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়াও অফিস আদেশে কার্যপরিধি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আজ (মঙ্গলবার) থেকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে বিদেশস্থ শ্রমকল্যাণ উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
৮০ দিন আগে