শফিকুর রহমান
রাজনীতিকে পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে নিয়েছি: শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, রাজনীতিকে আমরা কর্তব্য হিসেবে নিয়েছি। যারা রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নিয়েছে, তারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন ও মামলাবাজি করে। গত ১৫ বছর এদেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এসব টাকার মালিক এ দেশের জনগণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কপালে ভালো পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে না। চাঁদাবাজ, মামলাবাজদের ভয়ে সাধারণ মানুষ অস্থির। বংশানুক্রমিকভাবে রাজার ছেলে রাজা হবে—এ ধারণা পরিবর্তন করতে চাই।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, দুর্নীতি আমাদের আগাগোড়া খেয়ে ফেলেছে। এর জন্য সাধারণ মানুষ নয়, যারা বিগত দিনে দেশ শাসন করেছেন, মূলত তারাই এর জন্য দায়ী। আমাদের দেশের মানুষের হাতের ছোঁয়ায় অন্য দেশের কপাল বদলে যায়, কিন্তু এ দেশের কপাল বদলায়নি শুধুমাত্র অসৎ নেতৃত্বের কারণে। ভোটের সময় এরা জনগণের কাছে যায় পীর-দরবেশ সেজে, বসন্তের কোকিল হয়ে সুবাতাস উপভোগ করার জন্য। উন্নয়নের গঙ্গা বইয়ে দেয়। পরে তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য ময়দানে নেমেছি। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দুর্নীতি চাঁদাবাজদের হাত বন্ধ করে দেব। ব্যবসায়ীদের রাতের ঘুম হারাম হবে না, ফুটপাতের হকারদের চোখের পানি ফেলতে হবে না। আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জনগণের সম্পদের পাহারাদার হব। জনগণের তহবিলের অপব্যবহার করব না। প্রত্যেক সাংসদ প্রতি বছর নিজের এবং পরিবারের সকল সদস্যের সম্পদের হিসাব দেবেন। সরকারি প্লট ও ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। প্রয়োজনে রিকশায় বা পায়ে হাঁটব।
এই রাজনীতিক আরও বলেন, তরুণরা বেকার ভাতা চায় না, মর্যাদার কাজ চায়। এজন্য গ্রামে কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে।
যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা তৈরি হয়ে যাও, আগামী দিনের বাংলাদেশ তোমাদের হাতে তুলে দিতে চাই।
মায়ের জাতিকে সম্মান করার অনুরোধ জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক ভাই-বন্ধু কীভাবে বলেন— বোরকা, নেকাব, হিজাব পরে আসলে তা খুলে ফেলবেন? বলতে বলতে তারা একদিন পুরো কাপড়ই খুলে ফেলবেন। এরা কী কোনো মায়ের গর্ভ থেকে দুনিয়াতে আসেনি? যদি এসে থাকে, তবে তাদের বলব, মায়ের জাতিকে সম্মান দেওয়া শিখুন; আপনার মাকে সম্মান করুন; তা হলেই দেশের ৯ কোটি মাকে সম্মান করতে পারবেন।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জামায়াতের আমির বলেন, অনেক হয়েছে, এসব আর বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনে জীবন দেব, কিন্তু মায়ের ইজ্জত কেড়ে নিতে দেব না। হাদি, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদসহ সকল শহিদের হত্যাকারীদের ন্যায়বিচার করা হবে।
সরকারি কর্মচারীদের প্রতি নির্বাচনে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা কেবল জামায়াতের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।
জেলা জামায়াতের আমির মখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, কাজী মহসিন আহমেদ, ড. আহমদ আব্দুল কাদেরসহ স্থানীয় ও কেদ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
১২ দিন আগে
সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে: শফিকুর রহমান
সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, এই বাংলাদেশে যারা মাইনরিটির (সংখ্যালঘু) অধিকার নিয়ে বেশি হাল্লাচিল্লা করতেন, সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকার আপনাদের পাশে সাঁওতাল পল্লীতে (গাইবান্দার সাহেবগঞ্জ) কী করেছে, আপনারা কি দেখেন নাই? তারা কি আমাদের ভাইবোন না? তারা কি এ দেশের নাগরিক না? আমরা তাদের কথা দিচ্ছি, আমরা সবাইকে বুকে ধারণ করে সামনে আগাব। আমরা সকলের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করব।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের এটিম মাঠে নওগাঁ জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, কোনো পরিস্থিতি হলেই যারা মুসলমান নন, তারা ভয়ের সংস্কৃতিতে থাকবেন কেন? সেই ভয়ের সংস্কৃতিকে আমরা গুড়িয়ে একাকার করে দিতে চাই। সেই পরিবেশ আমরা রাখব না। এদেশ আমাদের সকলের। সবাইকে নিয়েই আমরা চলব।
নারীদের ঘরে ও কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মায়েদের জন্য ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে—সব জায়গায় মর্যাদা আর নিরাপত্তা—এই দুইটা জিনিস নিশ্চিত করা হবে। কোনো জালিম সাহস করবে না নারী জাতির কারও দিকে চোখ তুলে তাকানোর, সেই পরিবেশ তৈরি করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই অবস্থা দেখে অনেকে বেসামাল। ভাই, মাঘ মাসে মাথা গরম করবেন, চৈত্র মাস সামনে। এখনি যদি মাথা গরম করেন, চৈত্র মাসে কী করবেন? মাথা ঠান্ডা রাখেন। মানুষ কী ভাবছে, কান পেতে শোনেন। দেশ বাঁচলে আপনিও বাঁচবেন। এই ভোটটা আগামীতে হবে ইনশাআল্লাহ ইনসাফের প্রতীক।’
শফিকুর রহমান বলেন, নারীদের হুমকি-ধমকি, গায়ে হাত এগুলো যদি বন্ধ না রাখেন, তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, জুলাইয়ের ১৫ তারিখে মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়ার জন্য যেভাবে যুবক ভাইয়েরা গর্জে উঠেছিলেন। আবার বিস্ফোরিত হবে, গর্জে উঠবে। মায়ের অপমান সহ্য করবে না।
তিনি বলেন, ‘শুধু রাজার ছেলে রাজা নয়, বংশ পরম্পরায় নেতা নয়, বরং আজকে যিনি কঠোর পরিশ্রম করে রিকশা চালিয়ে নুন আনতে পান্তা ফুরায়, তার ছেলেরও যে মেধা আছে সেই মেধাকে বিকশিত করে আগামীর প্রধানমন্ত্রী যেন বের হয়ে আসে। তাহলে ওরা বুঝবে, দুঃখি মানুষের কষ্ট। আর এভাবেই জমিদারি প্রথার রাজনীতি ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে।’
সরকার গঠন করলে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতবাজদের জামায়াত প্রশ্রয় দেবে না উল্লেখ করে দলটির আমির বলেন, ‘আমাদের অঙ্গীকার চাঁদাবাজি আমরা করি না। চাঁদাবাজি আমরা কাউকে করতে দেব না। দুর্নীতি আমরা পছন্দ করি না। বগলের নিচে দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় দেব না। ব্যাংক ডাকাতি আমরা করি না। কোনো ব্যাংক ডাকাতের সঙ্গে আমাদের আপোষ হবে না। মামলাবাজি আমাদের খাসলত (স্বভাব) নয়। মামলা বাণিজ্য যারা করেছেন তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, ৫৪ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা নিজেদের পকেট পুরেছেন। ব্যাংক, বিমা লুট করেছেন। বড় বড় মেগা প্রকল্পের মেগা দুর্নীতি করেছেন। দুর্নীতির টাকা দেশে রাখতে পারে নাই। সেই টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। ক্ষমতায় এলে এই সব চোরদের মুখে হাত ঢুকিয়ে পেট থেকে সব টাকা বের করে আনা হবে।
উত্তরবঙ্গে কৃষির রাজধানী উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘সারা দেশের মধ্যে নওগাঁ জেলায় দশ ভাগের এক ভাগ উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু এই জেলা তার ন্যায্য পাওনা পায়নি। নওগাঁ শহরের ভেতর দিয়ে চলা প্রধান সড়কটি চার লেন হওয়া দরকার। জামায়াত ক্ষমতায় এলে এই সড়কটি চার লেন করা হবে। এই জেলায় ব্যাপক পরিমাণে ধান ও ফল উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু কৃষকেরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় না। উৎপাদিত ফল সংরক্ষণের জন্য সংরক্ষণাগার তৈরি করা হবে। ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা হবে। প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো সংরক্ষণ করে পর্যটন শিল্পকে আরও বিকশিত করা হবে।
নওগাঁ জেলা জামায়াতের আমির ও নওগাঁ-৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আব্দুর রাকিবের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন নওগাঁর বিভিন্ন আসনের প্রার্থীসহ অন্যান্য নেতারা।
১৪ দিন আগে
জামায়াতের আমির জানতেন তার ছেলে জঙ্গি সংগঠনের সদস্য: সিটিটিসি প্রধান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান নতুন গঠিত জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সঙ্গে তার ছেলে ডা. রাফাত সাদিক সাইফুল্লাহর জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান আসাদুজ্জামান এ দাবি করেছেন।
সিটিটিসি প্রধান বলেন, জামায়াতের আমির জানতেন যে তার ছেলে জঙ্গিবাদে জড়িত। ‘কিন্তু তিনি নীরব ছিলেন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এ তথ্য জানাননি।’
তিনি বলেন, ‘যদি কেউ জঙ্গিবাদে জড়ানোর পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়, পরিবার আবেদন করে, তাহলে বিবেচনা করা যেতো। কিন্তু তিনি (শফিকুর রহমান) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানিয়ে পুরো বিষয়টি গোপন করেছিলেন।’
গত ৯ নভেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে শফিকুর রহমানের ছেলে রাফাতসহ তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: হাজিগঞ্জে ১১ নারী ‘জামায়াত কর্মী’ আটক
রাফাত আনসার আল ইসলামের সদস্য ছিলেন এবং তাদের নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ায় যোগ দেয়ার জন্য কিছু সমর্থক সংগ্রহ করেছিলেন।
সিটিটিসি প্রধান দাবি করেছেন, সম্প্রতি বাড়ি ছেড়ে আসা একদল যুবক রাফাতের নেতৃত্বে বান্দরবানে যায়, সেখান থেকে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি সশস্ত্র গ্রুপ কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর সঙ্গে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণের জন্য সিলেটে যায়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে ১৩ ডিসেম্বর জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৭ ডিসেম্বর ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, জামায়াত প্রধানের দ্বারা নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়াকে সমর্থন ও অর্থায়ন করার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।
এদিকে ঢাকার আদালত থেকে দুই জঙ্গির পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সিটিটিসি প্রধান আজ (বৃহস্পতিবার) বলেন, ‘এখনও বলার সময় আসেনি। তারা এখনও দেশ থেকে পালাতে পারেনি।’
আরও পড়ুন: নতুন জঙ্গি সংগঠনকে মদদ দিচ্ছেন জামায়াতের আমীর: ডিএমপি কমিশনার
রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে ২ পুলিশ আহত
১১৫৫ দিন আগে
মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান মারা গেছেন
মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স কো. লিমিটেডের উপদেষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান (মুন্না) গত মঙ্গলবার (২৩শে আগস্ট) ইন্তেকাল করেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি তাঁর মা, স্ত্রী, একমাত্র মেয়ে, নাতি-নাতনি এবং আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
শফিকুর রহমান স্কাইওয়েজ টেকনো সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান, এস রহমান অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং কমফোর্ট রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিবি ১৯৯১-১৯৯৬) একজন নির্বাহী সদস্য এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ২০০২-২০০৫) উপদেষ্টা ও গ্রাউন্ডস অ্যান্ড ফ্যাসিলিটিস কমিটি এবং বিসিবির (২০০৩-২০০৫) চেয়ারম্যান ছিলেন।
তিনি চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়াম, নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু ও পিচ তৈরি করেন।
তিনি ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি (২০০১-২০০৬) ছিলেন।
আরও পড়ুন: প্রত্যাশা কম রেখেই এশিয়া কাপ খেলতে উড়াল টাইগার দলের
এসময়ে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব ২০০১-২০০২ ও ২০০২-২০০৩ মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে টানা দুই বছর চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল।
এছাড়াও তিনি ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক (১৯৮৫) ও ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রিকেট সেক্রেটারি (১৯৭৫-১৯৮০) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব ১৯৭৫-১৯৭৬ সালে ঢাকা ক্রিকেট লীগ চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করে এবং ১৯৭৬-১৯৭৭ সালে রানার্সআপ হয়।
শফিকুর রহমান আব্দুর রাজ্জাক রাজ, অলোক কাপালি, মঞ্জুরুল রানা, সাকিব আল হাসান, আফতাবদের মতো ক্রিকেট খেলোয়াড়দের তৈরি করেছেন।
তিনি ১৯৭৫ সাল থেকে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক দেয়ার মাধ্যমে ক্লাব ক্রিকেটে পেশাদারিত্ব আনার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
শফিকুর রহমান ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব, ঢাকা ক্লাব লিমিটেড ও গুলশান ক্লাব লিমিটেডের আজীবন সদস্য ছিলেন। এছাড়াও তিনি ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।
ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ এই ক্রীড়া সংগঠক ক্রিকেট বোর্ডে অনেক ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন এবং ২০০৭ সালে গঠিত বিসিবির অন্তর্বর্তী কমিটিরও সদস্য ছিলেন। তিনি বোর্ডের গ্রাউন্ডস অ্যান্ড ফ্যাসিলিটিস কমিটির দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং প্রথম বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।
আরও পড়ুন: আমি আমার ভূমিকা সম্পর্কে পরিষ্কার: শ্রীধরন শ্রীরাম
ডমিঙ্গো পদত্যাগ করেননি: বিসিবি
১২৭২ দিন আগে