আব্দুল আউয়াল মিন্টু
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছেড়ে ভোটের মাঠে আব্দুল আউয়াল মিন্টু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভুঞা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বৈধ ঘোষণা করেছেন। মিন্টু হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি গত ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। নিজের নামে কোনো ঋণ নেই, তবে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে ২৯৪ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির বাজার মূল্য ৩৩৩ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা, যার মধ্যে অকৃষি জমি ৭ কোটি ১৫ লাখ, আবাসিক-বাণিজ্যিক ভবন ৪২ লাখ এবং বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট ৩০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদ ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার, নগদ ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, ব্যাংকে ১ কোটি টাকা, শেয়ার ও বন্ডে ১৫১ কোটি টাকা।
হলফনামায় তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমার সম্পদ ৯৯ কোটি ২৪ লাখ, বড় ছেলে তাবিথ আউয়াল ৫৯ কোটি, মেজো ছেলে তাফসির ৪৯ কোটি, ছোট ছেলে তাজোয়ার ২৬ কোটি টাকা। দেশে তার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয় ১ কোটি ১২ লাখ, আয়কর ৩৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
মিন্টুর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলায় খালাস বা অব্যাহতি হয়েছে; তবে ধানমন্ডির সিএমএম আদালতে ২০০৭ সালে জামিনপ্রাপ্ত একটি মামলা স্থগিত রয়েছে। তিনি ১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন, ফেনীর দাগনভুঞা উপজেলার আলাইয়াপুর ফরাজি বাড়িকে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বর্তমানে গুলশানে বসবাস করছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর।
২ দিন আগে
বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টুর হাইকোর্টে আগাম জামিন
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক দুই মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার সশরীরে হাজির হয়ে আবেদন জানালে হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সেলিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান।
আরও পড়ুন: মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা: সহিদুর রহমানের জামিন আবেদন খারিজ
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান, আইনজীবী আকতার রসুল মুরাদ, সৈয়দ নুরে আলম সিদ্দিকী, মোসাদ্দেক বিল্লাহ।
গত ২৯ আগস্ট সোনাগাজীতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১০ জন আহত হন। ঘটনার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ৪০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করে।
আরও পড়ুন: দুদকের মামলায় হাইকোর্টে জামিন পাননি হলমার্কের জেসমিন
পরদিন ৩০ আগস্ট সোনাগাজী মডেল থানায় আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ বিএনপির ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৩৪৪ নেতাকর্মীর নামে পৃথক দুটি মামলা করে পুলিশ। দুটি মামলার বাদী উপপরিদর্শক (এসআই) সুরজিৎ বড়ুয়া ও এসআই মাইন উদ্দিন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন-সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও চরচান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জামাল উদ্দিন সেন্টু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঁইয়া, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন, সদস্যসচিব রাসেল হামিদী, উপজেলা ছাত্রদল নেতা পিয়াস প্রকাশ পিচ্চি পিয়াস প্রমুখ।
আরও পড়ুন: সম্রাটের জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে দুদকের আবেদন
১২২৪ দিন আগে