জগন্নাথ হল
সরস্বতী পূজা কাল, জগন্নাথ হলে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হলে বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা-১৪৩২ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল (শুক্রবার)। পূজা উদযাপনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হল কর্তৃপক্ষ।
বসন্ত পঞ্চমীতে দেবী সরস্বতীর আরাধনা করতে অসংখ্য মণ্ডপ প্রস্তুত করা হয়েছে জগন্নাথ হলে। সেখানকার এক মণ্ডপে এবার বাক দেবী আসবেন ‘ঘরের নারীর’ আবহে। এ বছর জগন্নাথ হল প্রশাসনের কেন্দ্রীয় পূজাসহ মোট ৭৬টি মণ্ডপে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে প্রতিবছরের মতো এবারও সরস্বতী পূজা উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা পূজার আয়োজনে অংশ নেবেন। এ বছর পূজা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে জগন্নাথ হল প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মোট ৭৬টি পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়েছে।
জগন্নাথ হলের দীর্ঘদিনের পূজার ঐতিহ্যকে ধারণ করে অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ভক্তিমূলক সংগীত ও প্রসাদ বিতরণসহ নানা আয়োজন থাকবে। নারী ও শিশু ভক্তদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসহ আগত দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাতে প্রয়োজনীয় আয়োজনও করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থী, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।
পূজায় সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আতশবাজি ও ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞাসহ কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে হল প্রশাসন।
হল কর্তৃপক্ষ আরও বলেছে, ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হল সৃষ্টির প্রারম্ভ থেকেই সকল ধর্ম-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করে আসছে। আমরা সর্বদাই সকল ধর্মের প্রতি সমান ও বৈষম্যহীন আচরণের মাধ্যমে এক সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন টেকসই সমাজ বিনির্মাণে সদা যত্নশীল।
সকল ধর্ম, মত, আদর্শ, শ্রেণি, পেশার মানুষকে জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে সরস্বতী পূজায় স্বাগত ও সাদর নিমন্ত্রণ জানিয়েছে জগন্নাথ হল প্রশাসন। এই উৎসবে আগত সকল পুণ্যার্থীর শুভাগমনে জগন্নাথ হল সম্প্রীতির বন্ধনের এক অপূর্ব মিলনমেলায় রূপ নেবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে তারা।
৯ দিন আগে
ঢাবিতে জগন্নাথ হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের সঞ্জু বড়াইক নামে এক শিক্ষার্থী হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১৪ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টায় তিনি জগন্নাথ হলের ১০ তলা বিশিষ্ট রবীন্দ্র ভবনের ছাদ থেকে নিচে লাফ দেন বলে জানিয়েছেন তার হলের সহপাঠীরা।
নিহত সঞ্জু ঢাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এবং জগন্নাথ হলের আবাসিক ছাত্র। তার বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায়। তার বাবা-মা চা–শ্রমিক।
জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল বলেন, ‘সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অনুযায়ী, ভোর ৪টা ১ মিনিটে সঞ্জু হলের পূর্ব পাশের গেট দিয়ে হলে প্রবেশ করেন। তারপর রবীন্দ্র ভবনের লিফটে করে ছাদে যান। এরপর ৫টা ৩৬ মিনিটে তিনি ভবনের পশ্চিম পাশে, পুকুরপাড়ের রাস্তার দিকে লাফ দেন। পরে হলের প্রহরীরা রিকশায় করে তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান এবং চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
প্রাধ্যক্ষ আরও জানান, সঞ্জু গত কয়েক দিন ধরে প্রেমঘটিত কারণে কিছুটা মানসিক কষ্টে ছিলেন এবং গত দুই দিন হলে ছিলেন না। তিনি বকশীবাজার এলাকায় সরল নামের এক বাল্যবন্ধুর কাছে ছিলেন।
আরও পড়ুন: ছয় বন্ধুর পাঁচজন পেল জিপিএ ৫, আরেকজনের আত্মহত্যা
দেবাশীষ পাল আরও জানান, সরল জানিয়েছেন গতরাতে তারা একসঙ্গে ঘুমিয়েছিলেন। কিন্তু সকালে সরল কল পেয়ে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, সঞ্জু তার পাশে নেই এবং পরে আত্মহত্যার খবর পান।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মুনসুর বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তার সহপাঠীরা জানান, আত্মহত্যার আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সঞ্জু লেখেন—‘আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। আমি দিনের পর দিন কাউকে ডিস্টার্ব করে গেছি। উল্টো মানুষকে দোষারোপ করা আমার একদম ঠিক হয়নি। আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি দিনের পর দিন অন্যায় করেছি। নিজের দোষ ঢেকে অপরজনকে দোষ দেওয়া আমার ঠিক হয়নি। আমি সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আমার কারণে কারও কোনো ক্ষতি হয়ে থাকলে, সে দায় একান্তই আমার। আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’
২০২ দিন আগে
জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে দুই উপদেষ্টা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা। তারা হলেন- তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তারা।
সরস্বতী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে দুই উপদেষ্টা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা পূজার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
আরও পড়ুন: আজ সরস্বতী পূজা
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্যরা। এবার জগন্নাথ হলের মূল পূজামণ্ডপের বাইরে ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের আরও ৭২টি পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়।
৩৬৩ দিন আগে
ঢাবির জগন্নাথ হল ভবন থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের দশম তলা থেকে পড়ে এক আবাসিক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: জগন্নাথ হল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ভবন থেকে পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম লিমন কুমার রায় (২০)।’
লিমন কুমার রায় রংপুর জেলার বাসিন্দা এবং ঢাবির ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর) বিভাগের ছাত্র।
সে জগন্নাথ হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের ৪০২১ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী।
হল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টার দিকে হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের দশম তলা থেকে ঝাঁপ দেয় ওই শিক্ষার্থী। পরে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবন থেকে পড়ে যান লিমন নামের এক ছাত্র। শব্দ শুনে হলের শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।’
তবে তার মৃত্যু আত্মহত্যা কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ঘুমের ঘোরে ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে কুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
১১৬৬ দিন আগে
জগন্নাথ হল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হল থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জগন্নাথ হল তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অমিত সরকার (২৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।
তিনি যশোরের বালিয়াঘাট গ্রামের চিত্তরঞ্জন সরকারের ছেলে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে নববধূ হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন
জানা যায়, অমিতকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রাবাসে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অমিতের রুমমেট সজিব মিত্র বলেন, ‘আমরা জগন্নাথ হলের ৪০১১ নম্বর রুমে থাকি। গতকাল রাত দেড়টার দিকে অমিত ঘুমিয়ে পড়েন। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমরা তাকে ঘুম থেকে জাগানোর চেষ্টা করলে সে কোনো সাড়া দেয়না। পরে অন্য রুমমেটদের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।’
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ওই শিক্ষার্থীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। বর্তমানে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: অর্থ আত্মসাত: অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জালালের ১২ বছর কারাদণ্ড
১৫০ আসনে ইভিএম: ইসির ৮৭১১ কোটি টাকার প্রকল্প চূড়ান্ত
১২২৯ দিন আগে