ছুরিকাঘাতে হত্যা
‘মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে’ মা নিহত, বাবা গুরুতর আহত
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত ও বাবা গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত সুমন মিয়া বর্তমানে পলাতক।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশবাড়ি গ্রামে খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মুনিরা বেগম (৫৬)। আহত সরদার আলী (৬৫) একজন অবসরপ্রাপ্ত টেক্সটাইল প্রকৌশলী।
পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, সুমন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে মা-বাবা তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠান। কিন্তু প্রতিবারই সেখান থেকে পালিয়ে আসেন তিনি।
ঘটনার দিন ভোরে সিরাজগঞ্জ থেকে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রের কর্মীরা সুমনকে নিতে আসেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে সুমন উত্তেজিত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে মা মুনিরা বেগমের বুকে আঘাত করেন। এ সময় স্ত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বাবা সরদার আলীর পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান সুমন।
পরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের কর্মীরা গুরুতর আহত দম্পতিকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুনিরা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। সরদার আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সুমন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে।’
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ দিন আগে
গাজীপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ‘ছুরিকাঘাতে’ গার্মেন্টসকর্মী নিহত
গাজীপুরের কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে গাজী রাফিস আহমেদ (৩২) নামের এক গার্মেন্টসকর্মী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে কাশিমপুরের চক্রবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাফিস খুলনা জেলার দাকোপ থানার বাঁশখালী গ্রামের খোরশেদ আলম গাজীর ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে চক্রবর্তী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি স্ত্রী ও সাত বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
নিহতের খালাতো ভাই শেখ নাজমুল হাসান জানান, গতকাল (বুধবার) রাতে চক্রবর্তী এলাকায় রাস্তার পাশের একটি দোকানে রাফিস ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। এ সময় পাশের আরেকটি দোকানের ঝালমুড়ি বিক্রেতা কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন। রাফিস সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন।
ওই সময় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতা তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফিসসহ আরও দুজনের ওপর হামলা চালান। এতে রাফিসের পেটের ডান পাশে ছুরির গভীর আঘাত লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন।
প্রথমে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নাজমুল হাসান আরও জানান, ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় থানা পুলিশের একটি টহল দল অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
২১ দিন আগে
খুলনায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
খুলনা নগরীর নিরালা এলাকায় মুত্তাকীন (২৩) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে তালুকদার কমিউনিটির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মুত্তাকীন তালুকদার কমিউনিটির সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে কথা বলছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে চারজন দুর্বৃত্ত এসে তাকে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত হয়ে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে কী কারণে এবং কারা মুত্তাকীনকে ছুরিকাঘাত করেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
খুলনা সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
৩৫ দিন আগে
প্রেম নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাত, রাজধানীতে যুবক নিহত
রাজধানীর সবুজবাগে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মো. সাইফ উদ্দিন সিফাত (২৮) নামে এক যুবক নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সবুজবাগের আদর্শপাড়া বরইতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সিফাতের বাড়ি রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকায়। তার বাবার নাম জয়নাল আবেদীন।
সিফাতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার বন্ধু হাসান জানান, নাজিফা শেখ নেহা নামে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে জয় ও আরও ২ থেকে ৩ জনের সঙ্গে সিফাতের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা সিফাতকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
হাসান আরও জানান, নেহার সঙ্গে আগে সিফাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে জয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তিনি। গতকাল (রবিবার) সিফাত মোটরসাইকেলে করে নেহার সঙ্গে দেখা করতে গেলে বিষয়টি জয় দেখতে পান। এরপর তিনি আরও কয়েকজনকে নিয়ে সিফাতের ওপর হামলা চালান।
এ ব্যাপারে নাজিফা শেখ নেহা জানান, বিকেলে সিফাত আদর্শপাড়া এলাকায় তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এ সময় স্থানীয় জয়, রাজিব, ইয়াসিনসহ ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল সিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। হামলার পর সিফাতকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নাজিফা আরও জানান, গত দুই বছর ধরে সিফাতের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাবার্তা চলছিল।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৩৮ দিন আগে
হাজারীবাগে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
রাজধানীর হাজারীবাগে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সাগর হোসেন বুলেট (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে হাজারীবাগ পার্কের পাশের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশাচালক ইব্রাহিম জানান, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে আমার অটোরিকশাটি গ্যারেজে রাখার জন্য যাচ্ছিলাম। এ সময় হাজারীবাগ পার্কের পাশের সড়কে মন্দিরের গলিতে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তখন তার মাথার বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে স্থানীয় আরেকজনের সহযোগিতায় ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং আমাকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। পরে আমি তাকে নিয়ে রাত আড়াইটার দিকে ঢামেক হাসপাতালের নিয়ে যাই। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওই যুবককে ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। আজ ভোরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাই শাওন বলেন, পুলিশ ও স্থানীয়দের মাধ্যমে আমরা এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে পারি। কে বা কারা আমার ভাইকে মেরে ফেলে গেছে, এ ব্যাপারে আমরা কিছুই বলতে পারব না। আমার ভাই নির্দিষ্ট কোনো কাজ করত না। একেক সময় একেক কাজ করত। বেশ কিছুদিন যাবত সে একটি গাড়ির হেলপার ছিল।
তিনি আরও বলেন, আমরা ঢাকার হাজারীবাগের ভাগলপুর লেন ১৫ নং এর স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের বাবার নাম শাহাদাত হোসেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
৮৫ দিন আগে
রাজধানীর কদমতলীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সবজি ব্যবসায়ী নিহত
রাজধানীর কদমতলীর পূর্ব জুরাইন এলাকায় দুর্বৃত্তদেরর ছুরিকাঘাতে মো. কুদ্দুস (৫০) নামে এক সবজি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
নিহত কুদ্দুস পূর্ব জুরাইনের দারোগাবাড়ী রোডের ৯১/এ নম্বর বাসার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় বৌ বাজারে সবজির ব্যবসা করতেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
কুদ্দুসকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কামাল শিকদার জানান, রাতে ব্যবসা শেষে কুদ্দুস পূর্ব জুরাইনের নবারণ গলির পপি স্কুলের সামনের সড়ক দিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
১১৮ দিন আগে
গাইবান্ধায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মোটরসাইকেল চালানো ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই শাকিব শাহরিয়ার (২২) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পৌর এলাকার মাগুরা কেশবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাকিব শাহরিয়ার ওই এলাকার এরশাদুল হক লিটনের বড় ছেলে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আহসান হাবীব সরকার জানান, গতকাল (বুধবার) রাত সাড়ে ৩টার দিকে মোটরসাইকেল চালানোসহ পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ছোট ভাই রাকিব বড় ভাই শাকিবকে ছুরিকাঘাত করে। এতে শাকিব গুরুতর আহত হন।
তাকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। সেখানে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
১১৯ দিন আগে
লালমনিরহাটে তুচ্ছ ঘটনার জেরে কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লিয়াকত আলী লাদেন (১৬) নামে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (৮ জুন) রাতে উপজেলার সারপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত লিয়াকত আলী লাদেন উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের বালাটারী গ্রামের আশরাফুলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্র ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামের রাব্বি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিতর্কের জেরে লিয়াকত আলী লাদেনকে গাঁজাখোর বলে গালি দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লাদেন রাব্বিকে চড়-থাপ্পড় মারেন। বিষয়টি রাব্বি তার পরিবারকে জানালে তার বাবা ও বড় ভাই রকি লাদেনকে আক্রমণের চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেন। এর পরেও রাব্বির পরিবারের লাদেনের প্রতি ক্ষোভ থেকে যায়।
সোমবার রাত ৮টার দিকে লিয়াকত আলী লাদেন তার বাড়ির পাশের সারপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একা বসে ছিলেন। এ সময় রাব্বির বড় ভাই রকি পেছন দিক থেকে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরে স্থানীয়রা লাদেনকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা অভিযুক্ত রকিদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
খবর পেয়ে আদিতমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
১২৮ দিন আগে
সিলেটে মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে র্যাব সদস্য নিহত
সিলেটে মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে র্যাব-৯-এর সদস্য ইমন আচার্য নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে নগরীর কিন ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আসাদউল আলম বাপ্পীকে আটক করেছে পুলিশ।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে আহত হন ইমন আচার্য। তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ইমনের ওপর হামলাকারী বাপ্পী মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম।
তিনি বলেন, দুপুরে কিন ব্রিজ এলাকায় কয়েকজন বসে মাদক সেবন ও বিক্রি করছিল। পুলিশ তাদের দেখামাত্র ধাওয়া করে। সঙ্গে সঙ্গে এসব মাদক ব্যবসায়ীরা দৌড় দেন। ঘটনাস্থলে সাদা পোশাকে ছিলেন র্যাব-৯-এর সদস্য ইমন আচার্য। সে সময় ইমন মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে বাপ্পীকে জাপটে ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ইমনকে ছুরিকাঘাত করেন।
তিনি আরও বলেন, ছুরিকাঘাতে আহত র্যাব সদস্যকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। তার ওপর হামলাকারী বাপ্পীকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আটক করেছে।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, দুপুর ১২টার দিকে মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে ধাওয়া করে পুলিশ। এ সময় তাদের একজন দৌড়ে পালানের সময় সাদা পোশাকে থাকা এক র্যাব সদস্য ইমন তাকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে গিয়ে তোপখানা এলাকায় একটি বাসায় ঢুকে পড়েন বাপ্পী। সেখানে এক শিশুকে গলায় ছুরি ধরে সকলকে জিম্মি করেন তিনি। পরে অনেক চেষ্টায় বাপ্পীকে আটক করা হয়।
১৪৬ দিন আগে
ফেনীতে টাকা না দেওয়ায় মাদকাসক্ত সন্তানের ছুরিকাঘাতে মা নিহত
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মাদক সেবনের জন্য টাকা না পেয়ে এক যুবক ছুরিকাঘাতে মাকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের স্বামী ও মেয়ে।
রবিবার (১০মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম লাকি বেগম (৪৫)। আহতরা হলেন তার স্বামী মো. মোস্তফা (৫৫) ও মেয়ে মিথিলা মোস্তফা (১৮)। তারা দিলপুর গ্রামের মকবুল আহমদ হুদুর বাড়ির বাসিন্দা।
মোস্তফা সৌদি আরব প্রবাসী। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদরাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
এ ঘটনায় ফেনীকে (২১) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল (রবিবার) রাতে রাফি বাড়িতে এসে মাদক সেবনের জন্য তার মায়ের কাছে টাকা চান। এ সময় লাকি বেগম টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে রাফি ধারালো ছুরি দিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে ছুরিকাঘাতের পর বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফি। মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে যান মোস্তফা। সে সময় তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। রাফি তখন পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
আহত তিনজনকে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছে। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে রাফিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরি জব্দ করেছে পুলিশ।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
১৫৮ দিন আগে