মহাসমাবেশ
চট্টগ্রামে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার তারেক রহমানের
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তার দল ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে এবং জননিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই যে দুর্নীতি একটি অপরাধ। যে-ই দুর্নীতি করুক না কেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। ইনশাআল্লাহ, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’ দুর্নীতি দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জনগণের প্রতি তাদের প্রধান অঙ্গীকার বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতেও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকার ক্ষমতায় আসার পর এমনকি দলের নিজস্ব নেতা-কর্মীরা অন্যায় করলেও তাদের রেহাই দেওয়া হয়নি।
দলীয় শৃঙ্খলা ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দলের কেউ সন্ত্রাসে জড়িত থাকলে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা হবে এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখানকার মানুষসহ সারা দেশের জনগণ একটি নিরাপদ পরিবেশ চায়, যেখানে তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারবে। একই সঙ্গে তারা চায় তাদের সন্তানরা নিরাপদ পরিবেশে লেখাপড়া করুক।’
তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষের একটি বড় দাবি ছিল চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। বিএনপি সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করলেও সময়ের অভাবে তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। গত ১৫ বছরে এই উদ্যোগ নিয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইনশাআল্লাহ, আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে বেগম খালেদা জিয়ার নেওয়া বাণিজ্যিক রাজধানীর উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।’
তারেক রহমান জানান, ‘চট্টগ্রামে অবস্থিত ইপিজেডগুলো বিএনপির শাসনামলেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বর্তমানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে আরও নতুন ইপিজেড গড়ে তোলা হবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে আস্থা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে—পাহাড় বা সমতল, মুসলিম বা অন্য ধর্মাবলম্বী—একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।’
বিএনপির নির্বাচনি স্লোগান ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ ওয়াসিমসহ জুলাই শহিদ এবং সব শহিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
ভোটের দিনের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি সমর্থকদের পরামর্শ দেন যেন তারা তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ পড়ে ভোর হওয়ার আগেই ভোটকেন্দ্রে লাইনে গিয়ে দাঁড়ান।
এর আগে, তারেক রহমান তার বক্তব্যে শুরুতে বলেন, ‘আজ আমরা সবাই একত্র হয়েছি একটা লক্ষ্য সামনে রেখে। অর্থাৎ, একটি পরিবর্তন সামনে রেখে আমরা একত্র হয়েছি। এই সেই চট্টগ্রাম, এই সেই পুণ্যভূমি, যেখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শহীদ হয়েছিলেন।’
বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি ও আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।’
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে তিনি নগরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে অবস্থান নেন। আজ (রবিবার) সকাল ৯টায় তিনি সেখানে ‘দ্য প্ল্যান’ শিরোনামে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পোলোগ্রাউন্ড মঞ্চে উপস্থিত হন এবং দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি আরেকটি নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। এরপর তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, সুয়াগাজী, দাউদকান্দি ও পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে সমাবেশে অংশ নেবেন।
৪ দিন আগে
জামায়াতের মহাসমাবেশ: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ শনিবার দুপুরে ‘জাতীয় মহাসমাবেশ’ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ উপলক্ষে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিল করে সেখানে জড়ো হচ্ছেন দলের নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তার অনেক আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
এই সমাবেশের সভাপতিত্ব করবেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতাও এতে বক্তব্য দেবেন বলে জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত থেকেই দলের অনেক নেতাকর্মী সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। শনিবার ভোর হতেই রাজধানীর নানা প্রান্ত দিয়ে মিছিল নিয়ে উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন তারা। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের।
এ সময় তাদের কারও মাথায় কাপড় বাঁধা ছিল, কেউ কেউ দলের পতাকা বহন করছিলেন, কেউবা আবার বাংলাদেশের লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা হাতে মিছিল করছিলেন। অনেকের পরনে ছিল দলের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা খচিত টি-শার্টও।
জামায়াত নেতাদের দাবি, দলটির সাত দফা দাবির পক্ষে জনমত গড়ে তুলতেই এই সমাবেশের আয়োজন।
১৯৪ দিন আগে
ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ: ১৬ দফা ঘোষণা
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান দলের ১৬ দফা ঘোষণা করেছেন। শনিবার (২৩ জুন) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ থেকে এই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়।
১৬ দফা ঘোষণাপত্রে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক(পিআর) নির্বাচন গ্রহণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের নির্দেশিকা নীতিগুলোর মধ্যে ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন, সংসদের উভয় প্রস্তাবিত কক্ষে আনুপাতিক ভোটদান (পিআর) পদ্ধতি চালু এবং বৈষম্যহীন শোষণ নিপীড়ন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আগামী মাসে ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভবিষ্যতের স্বৈরতন্ত্রকে রোধ করতে দলটি দ্রুত, মৌলিক সংস্কার, জনপ্রশাসন পুনর্গঠন, নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য এবং ‘পতিত ফ্যাসিবাদের’ সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত কর্মকর্তাদের অপসারণের আহ্বান জানিয়েছে।
দুর্নীতির বিচার, পলাতকদের ফিরিয়ে আনা, পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধার এবং চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসবাদ এবং হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও জোর দেওয়া হয়েছে ঘোষণাপত্রে।
পড়ুন: সংস্কার প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ঘোষণাপত্রে ভারতের সঙ্গে সকল চুক্তি প্রকাশ এবং যেকোনো ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ চুক্তি বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। এটি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের আগে সকল স্তরের স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন করার এবং একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এই ধরনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে।
দলটি চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি, ঋণ খেলাপি এবং অপরাধীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং ধর্ম ও রাষ্ট্রের প্রতি বিরূপ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যেরও আহ্বান জানিয়েছেন দলটি।
ইসলামী আন্দোলন সার্বভৌমত্ব রক্ষা, নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং টেকসই শান্তি ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনসহ শাসনব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে ইসলামী মূল্যবোধ অনুশীলনের আহ্বান জানানো হয়েছে ঘোষণায়।
২১৫ দিন আগে
হেফাজতের ১২ দফা সনদ ঘোষণা, ২৩ মে সারা দেশে বিক্ষোভ
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল ও রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক করিডোর প্রত্যাখান করে ১২ দফা সনদ ঘোষণা করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
শনিবার (৩ মে) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
এছাড়া ধর্ম অবমাননাকারীদের কঠোর শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন ও ‘আহমদিয়া সম্প্রদায়কে’ অমুসলিম ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
পল্টন জোন আয়োজিত সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।
সমাবেশে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন সংগঠনটির নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, আমরা একটি জাতীয় সংকটের সময়ে দেশের ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের জন্য এখানে সমবেত হয়েছি।
আরও পড়ুন: পাঁচ দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ চলছে
ঘোষিত সনদে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন এবং তাদের ‘কোরআনবিরোধী’ সুপারিশ বাতিলের দাবি জানিয়েছে হেফাজত।
তারা পশ্চিমা মতাদর্শকে বাদ দিয়ে দেশের নিজস্ব সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে ইসলামী ব্যক্তিত্ব এবং ধর্মপ্রাণ নারী প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি নতুন কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
সংবিধান থেকে আত্মঘাতী ধারণা ‘বহুত্ববাদ’ বাতিল করে ‘আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
‘সামাজিকভাবে ধ্বংসাত্মক এবং ধর্মীয়ভাবে অগ্রহণযোগ্য’ ও সমকামী সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করে—এমন লিঙ্গ পরিচয়, লিঙ্গ বৈচিত্র্য ও তৃতীয় লিঙ্গ এবং এলজিবিটিকিউ’র মতো শব্দ ব্যবহারের তীব্র বিরোধীতা করেছেন তারা।
হেফাজত দাবি করেছে, এলজিবিজিকিউ পরিচয়কে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো ধরণের বয়ান অবিলম্বে বাতিল করা হোক এবং প্রচেষ্টা বন্ধ করা হোক। আগামী নির্বাচনের আগে শাপলা চত্বরের গণহত্যা ও জুলাই আন্দোলনের সময় চালানো গণহত্যার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া ও ট্রাইব্যুনালকে শক্তিশালী করার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
তারা আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা এবং অভিযুক্ত অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।
আল্লাহ ও রাসূলকে (সা.) নিয়ে কটূক্তিকারীর সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন করার দাবির কথাও সনদ পাঠের সময় উচ্চারণ করেন মাওলানা মাহফুজুল হক।
তিনি সনদের আরেক দফায় পাঠ করেন, ‘ধর্ম অবমাননার শাস্তি সংক্রান্ত আইনের বিধান বাতিল করার জন্য মিডিয়া সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাতিল করা উচিত, তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
চিন্ময় দাশের জামিন বাতিল এবং তার বিচারের দাবিও জানান তিনি।
সরকারকে গণঅভ্যুত্থানের সরকার আখ্যা দিয়ে তারা শেখ হাসিনার শাসনামলে সারা দেশে ইসলামিক পন্ডিত, মাদরাসা শিক্ষার্থী, ইসলামপন্থী লোকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহারে অথবা নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও বলেছেন ‘...জঙ্গিবাদ বা জঙ্গি নাটকের নামে হত্যা বা নির্যাতন করার সঙ্গে যারা জড়িত—তাদের বিচারের আওতায় আনা নিশ্চিত করতে হবে।’
আরও পড়ুন: আদালতের মালখানার তালা ভেঙে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরি, ৩ জন হেফাজতে
গাজায় ইসরায়েলের ‘চলমান গণহত্যা’ এবং ভারতে মুসলিমদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারকে আরও শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থান গ্রহণ ও দেশ দুটির পণ্য বয়কটের আহ্বান জানানো হয়েছে। ‘আমাদের অভ্যুত্থানের সরকারকে আরও কূটনৈতিকভাবে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে।’
বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উল্লেখ করে তারা করে প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত সকল স্তরে ইসলাম শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি মানবিক করিডোর অনুমোদনেরও সমালোচনা করেছেন তারা। এটিকে একটি আত্মঘাতী পদক্ষেপ এবং দেশের ভৌগলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরুপ উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে হেফাজত।
২৭১ দিন আগে
২৩ মে সারা দেশে হেফাজতের বিক্ষোভ কর্মসূচি
নারীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আগামী তিন মাসের মধ্যে বিভাগীয় সম্মেলন এবং নারী সংস্কার কমিশন বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আগামী ২৩ মে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
শনিবার (৩ মে) দুপুরে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসমাবেশে নতুন এই দুই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনটির মহাসচিব সাজিদুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘নারীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আগামী তিন মাসের মধ্যে বিভাগীয় সম্মেলন করা হবে। আগামী ২৩ মে বাদ জুমা চার দফা দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।’
এর আগে, হেফাজত ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত নারী কমিশনের সুপারিশ বাতিলসহ ১২ দফা ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
মহাসমাবেশে বক্তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো নীতি বাস্তবায়ন করা যাবে না। এক্ষেত্রে আমরা কোনো ছাড় দেবো না। এই বিতর্কিত কমিশন ও কোরআনবিরোধী প্রতিবেদন অবিলম্বে বাতিল করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম অংশীদার আলেম-ওলামার পরামর্শ নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করুন।
আরও পড়ুন: পাঁচ দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ চলছে
পাশাপাশি শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তারা। বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন দিতে প্রস্তুত। কিন্তু কুরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।
বক্তারা বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য কমিশন হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের গণহত্যার জন্য কমিশন হয়েছে, কিন্তু মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত গণহত্যার বিচারের জন্য কেন তদন্ত কমিশন গঠন হবে না?
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হলেও হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে করা মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। এসব মামলা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান তারা।
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন সম্পর্কে সমালোচনা করে হেফাজতে ইসলামের নেতারা বলেন, নারীবিষয়ক যে সংস্কার কমিশন, তাতে যেসব প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা কুরআন-সুন্নাহবিরোধী। তাদের সংস্কার প্রতিবেদন যদি পাস করা হয় তাহলে জীবন দিয়ে তা রুখে দেওয়া হবে। মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে হেফাজতে ইসলাম।
মহাসমাবেশ থেকে ফিলিস্তিন ও ভারতে ‘মুসলিম গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধে’ সরকারকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
২৭১ দিন আগে
পাঁচ দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ চলছে
অবিলম্বে নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহারসহ পাঁচ দফা দাবিতে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ শুরু হয়েছে।
শনিবার (৩ মে) ভোর থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হেফাজতে ইসলামের নেতা–কর্মীরা মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন।
আয়োজকদের তথ্য অনুসারে, সমাবেশটি সকাল ৯টা নাগাদ শুরু হয়েছে, যা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
এদিকে, সমাবেশে অংশ নিতে আসা নেতা–কর্মীদের ভিড়ে ভোর থেকেই শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সীমিত হয়ে আসে।
হেফাজতে ইসলামের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, আজকের সমাবেশে তাদের দাবি পাঁচটি। এর মধ্যে অন্যতম হলো, অনতিবিলম্বে হেফাজত নেতাদের নামে থাকা সব মামলা প্রত্যাহার।
আরও পড়ুন: শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে: ডা. শফিকুর রহমান
সংগঠনটির হিসাবমতে, সারা দেশে হেফাজত নেতাদের নামে প্রায় ৩০০টি মামলা রয়েছে। এছাড়া ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে পরিচালিত অভিযান ও হতাহতের ঘটনার বিচার, ২০২১ সালের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত মৃত্যুর ঘটনার বিচার। এ ছাড়াও নারীর অধিকার সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবিত কমিশন বাতিল এবং ফিলিস্তিন ও ভারতে মুসলমানদের উপর কথিত গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন হেফাজত নেতারা।
এর আগে, হেফাজতের কর্মীরা রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় একটি মিছিল বের করেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। সে সময় ইসলাম ও ন্যায়বিচারের পক্ষে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
এদিকে, এই সমাবেশকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে পুলিশসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
২৭১ দিন আগে
৬ দফা দাবিতে বরিশালে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মহাসমাবেশ
২০২১ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত ক্রাফটদের মামলার রায় বাতিলসহ ৬ দফা দাবিতে বরিশালে মহাসমাবেশ করেছে পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই মহাসমাবেশ করেন তারা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ের লক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। এছাড়া নানা ধরনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে মহাসমাবেশে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: লাল কাপড়ে ঢেকে দেয়া হলো ঢাকা পলিটেকনিকের নামফলক
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর পদবি পরিবর্তন ও মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা, ২০২১ সালে রাতের আঁধারে নিয়োগপ্রাপ্ত ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে বাতিল এবং বিতর্কিত নিয়োগবিধি অবিলম্বে সংশোধন করাসহ ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
২৮৪ দিন আগে
৯ দফা দাবিতে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মহাসমাবেশের ডাক
নয় দফা দাবি আদায়ে সচিবালয়ের অভ্যন্তরে সমাবেশ ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী বুধবার মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে এই মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো: বাদিউল কবীর।
এসময় দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগে একজন যুগ্মসচিবের অপসারনের দাবিও জানান তিনি।
দাবি আদায়ে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, দাবি আদায়ে আমরা মাঠে আছি। গড়িমসি না করে আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানাচ্ছি।
নয় দফা দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, পতিত স্বৈরাচারের আমলে চাকরি হতে অন্যায়ভাবে আরোপিত সকল আদেশ প্রত্যাহার ও ভূতাপেক্ষ জৈষ্ঠতা প্রদানসহ নিয়মিত চাকরির ন্যায় ভূতাপেক্ষভাবে আর্থিক সুবিধাদি প্রদানের নির্দেশনা প্রদান।
কর্মচারী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় পে-কমিশন গঠন এবং বেতন বৈষম্য দূরীকরণ, ন্যায় বিচার ও সমতার ভিত্তিতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেডের পরিবর্তে ১০টি বেতন গ্রেড নির্ধারণ করা। পূর্ণাঙ্গ পে-কমিশন বাস্তবায়নের পূর্বে সকল স্তরের কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বাস্তবায়ন এবং ২০তম গ্রেডে (অফিস সহায়ক) কর্মরতদের বেতন গ্রেড ১৭তম গ্রেডে উন্নীত করা। ১০ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত করা।
পূর্বের ন্যায় ১০০ শতাংশ পেনশন গ্রাচুইটি প্রথা চালু করা, সকল স্তরের কর্মচারীদের জন্য পূর্বের ন্যায় টাইম-স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড চালু করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বার্ষিক আয়সীমা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়করমুক্ত রাখা, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ন্যায় সচিবালয় ভাতা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ন্যায় রেশনিং প্রথা চালু করা।
চাকরির বয়সসীমা ৫৯ বছরের ০৩ বছর বর্ধিত করে ৬২ বছর নির্ধারণ করা, সচিবালয় কর্মচারীরা তাদের কর্মস্থলের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ও যৌক্তিক পদনাম প্রদান এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে চরমভাবে বঞ্চিত বাংলাদেশ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য প্রাপ্যতানুযায়ী সংখ্যানুপাতে পদ সংরক্ষণের আদেশ জারি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর, সমাবেশ সঞ্চালনা করেন মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদ, বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টা মো. তোয়াহা, মো. শাহীন, বেলাল হোসেন, সুমন, সিনিয়র নেতা মাহে আলম তৌহিদুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি নুরুজ্জামান, জনপ্রশাসনের প্রতিনিধি আরিফ হোসেন ও নজরুল ইসলামসহ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: আনসারদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আবারও সচিবালয় অবরুদ্ধ
৪২৭ দিন আগে
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর
২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবল নিহতের মামলাসহ দুই মামলায় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হকের আদালত শুনানি শেষে ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আরও পড়ুন: আমীর খসরু একদিনের রিমান্ডে
এদিকে বুধবার রমনা ও পল্টন মডেল থানার পৃথক আট মামলায় তার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জেল হোসেনের আদালতে গ্রেপ্তার ও জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।
এদিন আমীর খসরুকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এ জন্য শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন আদালত।
গত রবিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালত শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।
তারও আগে আমীর খসরুর আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ গ্রেপ্তার ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা আমীর খসরু আটক
জানা গেছে, ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় আমীর খসরুর বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলা হয়। দু’টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এজন্য অপর আট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ আট মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে রমনা মডেল থানায় চার এবং পল্টন মডেল থানায় চারটি মামলা রয়েছে।
গত ২ নভেম্বর দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গুলশানের ৮১ নম্বর রোডের বাসা থেকে আমীর খসরুকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
পুলিশ কনস্টেবল হত্যা মামলায় গত ৩ নভেম্বর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ মামলায় তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ১০ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও আলাল গ্রেপ্তার
এরপর পল্টন থানার নাশকতার আরেক মামলায় গত ১৪ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক সুমিত কুমার সাহা গ্রেপ্তার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে দুদিনের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা আমীর খসরু জামিনে মুক্ত
৭৪২ দিন আগে
২৮ অক্টোবরে মহাসমাবেশ থেকে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, কারাগারে মৃত্যু
গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামের এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।
মারা যাওয়া গোলামুর রহমান চট্টগ্রাম নগরীর মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের হাই সিকিউরিটি ইউনিটের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার(২৫ নভেম্বর) দুপুরে কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন গোলাপুর রহমান। তাকে দ্রুত কারাগারের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান সুব্রত কুমার।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইদ্রিস আলী জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে টেলিফোনে তার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাশিয়ার ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা বিএনপির: রিজভী
ইদ্রিস বলেন, তার লাশ নিতে পরিবারের সদস্যদের কাশিমপুর কারাগারে যেতে বলা হয়েছে।
গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় যান গোলাপুর রহমান। সমাবেশের সময় নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে মোহরা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম ও গোলাপসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তারা কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া তালিকা ধরে নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করবে ইসি: বিএনপি
৭৯৫ দিন আগে