যুবক
নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অনিক (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় স্থানীয় নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত অনিক দড়িগাঁও এলাকার নাজিম উদ্দিন গ্রুপের সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নিলক্ষা ইউনিয়নের দড়িগাঁও এলাকায় নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আজ (মঙ্গলবার) ভোরে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ । এ সময় কয়েকজন যুবক ও কিশোরকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নিতে দেখা গেছে|
এ সময় দুই পক্ষের সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে অনিক, রাজু, সুমন, কাশেম ও মোবারকসহ অন্তত দশজন গুরুত্বর আহত হন। আহতদের মধ্যে অনিক, রাজু ও মোবারককে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসাপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়র। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের তিনজনকেই ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অনিক মারা যান।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ছিল। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ভোরে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ, র্যাব ও উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ সংঘর্ষে অনিক নামে একজন নিহত হয়েছেন।
৩ দিন আগে
যশোরে প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৩ যুবক গ্রেপ্তার
যশোরের শার্শা উপজেলার ছোট বসন্তপুর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৩ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সোমবার (১৫ জুন) ভোরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন—নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের হাসিব আল হাসান (১৯) এবং ছোট বসন্তপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ইমন (২০) ও মেহেদী হাসান তুতুল (২১)।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৩ জুন রাতে এ ঘটনা ঘটে। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বাইরে বের হন ওই নারী। এ সময় একদল যুবক তাকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। সে সময় ঘটনা কাউকে জানালে ভুক্তভোগীকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
পরে ভুক্তভোগী তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। ভুক্তভোগীর পরিবার এ ব্যাপারে শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ আজ (সোমবার) ভোরে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় জড়িত অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি নির্জন মাঠে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিন আসামিকে সোমবার বিকেলে যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।’
৪ দিন আগে
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই যুবক নিহত
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১ জুন) সকাল ও দুপুরে উপজেলার পৃথক দুটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতরা হলেন— নাগেশ্বরী পৌর এলাকার ফকিরটারী বাগডাঙ্গা গ্রামের শাহিনুর আলমের ছেলে মাহবুবুল হাসান মুহিত এবং বামনাঙ্গা ইউনিয়নের কুটি বামনডাঙ্গা এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে সাবু মিয়া।
নিহতদের স্বজনরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুহিত বাড়িতে আইপিএসে ব্যাটারির সংযোগ দেওয়ার কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, দুপুর ১২টার দিকে বামনডাঙ্গা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। অনুষ্ঠানের সাউন্ড বক্সের সংযোগ দেওয়ার সময় বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে আহত হন সাবু মিয়া। পরে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিনে পৃথক দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চলছে আহাজারি।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান বলেন, দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৮ দিন আগে
রংপুরে চিরকুটসহ যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার
রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় রেললাইনের পাশে চিরকুটসহ এক যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৩১ মে) দুপুরে পীরগাছা উপজেলার উচাপাড়া ও দুধিয়াবাড়ী রেলগেটের মধ্যবর্তী স্থানে ট্রেনের নিচে মাথা দিয়ে এক যুবক আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বিষয়টি পীরগাছা থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
মরদেহের পাশে পাওয়া একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। চিরকুটে লেখা ছিল, আমার মৃত্যুর জন্য আমি নিজে দায়ী। আমার জন্য দোয়া করবেন। মরদেহের হাতে মেহেদি দিয়ে লেখা ছিল হোসাইন। তবে প্রাথমিকভাবে ওই যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিবুল ইসলাম মুন বলেন, মরদেহের এখনও পুরোপুরি পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
১৯ দিন আগে
ময়মনসিংহে গাছের সঙ্গে বাঁধা অজ্ঞাত যুবকের মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গাছের সঙ্গে বাঁধা এক যুবকের মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে উপজেলার মশাখালী ইউনিয়নের দরিচারবাড়িয়া গ্রামের শাহ ভিটা নামকস্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, বুধবার (২০ মে) রাতের কোনো এক সময় নির্জন জঙ্গলে দুর্বৃত্তরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। নিহত যুবকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে উপজেলার মশাখালী ইউনিয়নের দরিচারবাড়িয়া গ্রামের এক যুবক প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে পরিত্যক্ত শাহ ভিটার জঙ্গলে যান। এ সময় জঙ্গলের ভেতরে একটি জামগাছের সঙ্গে হাত বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের মস্তকবিহীন মরদেহ দেখতে পান তিনি। পরে তিনি স্থানীয়দের খবর দেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানান তারা। নিহত যুবকের পরণের শার্ট ও গেঞ্জি দিয়ে গাছের সঙ্গে দুই হাত বাঁধা ছিল। তার পরণে প্যান্ট ছিল এবং বাঁ হাতে ঘড়ি পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল কবির জানান, এ ঘটনার বেশ কয়েক বছর আগে এখানে আরও একটি হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গফরগাঁও সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনোতোষ পাল জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নিহত ওই যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
২৯ দিন আগে
গেন্ডারিয়ায় বাসা থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার কে বি রোড লোহারপুল এলাকার একটি বাসায় ছুরিকাঘাতে মো. সিয়াম (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
মঙ্গলবার (১৯ মে ) সকাল ৬টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিয়ামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
নিহত সিয়াম পল্টনের একটি ট্রাভেল কোম্পানিতে চাকরি করতেন।
সিয়ামকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার বড় ভাই অটোরিকশাচালক পিন্টু বলেন, রাত ৩টার দিকে বাসায় ফিরে দেখি, আমার ছোট ভাই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে আমরা তাকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কে বা কারা আমার ভাইকে ছুরিকাঘাত করেছে, এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।
তিনি আরও জানান, তারা গেন্ডারিয়ার কে বি রোড লোহারপুলের ৯৭ নম্বর বাসায় থাকেন। ওই বাসার মন্টু মিয়ার তিন ছেলের মধ্যে সিয়াম ছিল সবার ছোট।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সিয়ামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।
৩১ দিন আগে
মিরপুরে অজ্ঞাত দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় যুবক নিহত
রাজধানীর মিরপুরে অজ্ঞাত দ্রুতগামী এক গাড়ির ধাক্কায় সজীব (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৮ মে) দুপুর পৌনে ১টার দিকে পল্লবী থানার সাগুপ্তা মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালেরর জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তানভীর জানান, নিহত সজীব বিভিন্ন জায়গায় কন্ট্রাকে গ্রিলের কাজ করতেন। তার ওয়ার্কসপ মোহাম্মদপুরে। আজ (সোমবার) সকালের দিকে পল্লবীর সাগুপ্তা মোড় এলাকায় রাস্তা পারাপার সময় অজ্ঞাত দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। পরে আমরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টার (ওসেকে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, নিহত সজীব ঢাকার কেরানীগঞ্জের মহিউদ্দিনের ছেলে ছিলেন। পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। অল্প কিছুদিন আগে তিনি বিয়ে করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
৩২ দিন আগে
ময়মনসিংহে শাশুড়িকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীকে (৬৫) হত্যার দায়ে তার জামাই সুজিত শীলকে (৪২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় দেন। ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক মোস্তাসিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর বোর্ড বাজার গ্রামের বাসিন্দা সুজিতের সঙ্গে তার স্ত্রী ইতি রানী শীল ও শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। এর জেরে ২০২১ সালে ৬ অক্টোবর রাতে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে গেলে সুজিত তার স্ত্রী ইতিকে হত্যার উদ্যেশে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় সুজিতের শাশুড়ি বিষয়টি টের পেলে তাকেও দা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন তিনি।
তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরদিন সকালে জ্যোৎস্না রানী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় ইতির বড় বোন সন্ধ্যা রানী শীল বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। সেই মামলার যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ (বুধবার) দুপুরে বিশেষ দায়রা জজ আদালত এ রায় দেন।
৩৭ দিন আগে
প্রেমের টানে বগুড়া থেকে কুষ্টিয়ায়, এরপর বিষ খেয়ে হাসপাতালে যুবক
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণীর সঙ্গে পরিচয়। পরিচয় থেকে গড়ে ওঠে প্রেম। প্রেমের পরিণতি দিতে বিয়ে করতে বগুড়া থেকে কুষ্টিয়ায় ছুটে এসে মেয়ের বাড়িতে অনশনে বসেন যুবক। মেয়ে এবং মেয়ের পরিবার একপর্যায়ে বিয়েতে রাজি হলেও ছেলের পরিবার রাজি না হওয়ায় অভিমানে বিষপান করে এখন হাসাপাতালে ভর্তি ওই যুবক।
চিকিৎসকরা তার শরীর থেকে বিষ উত্তোলন করেছেন। বর্তমানে ওই যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তবে এখন দুই পরিবারের কেউই ওই যুবকের আর কোনো খোঁজ খবর নিচ্ছে না। ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার এলাকায়।
যুবকের নাম ইলিয়াস সরদার। বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের নিচ্চুনপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর ধরে টিকটক এবং ফেসবুকের মাধ্যমে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ইলিয়াসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয় কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের চৌদুয়ার এলাকায় এক তরুণীর। দুজনের বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ইলিয়াস চলে আসেন মেয়ের বাড়িতে। এসে বিয়ের দাবি জানালে একপর্যায়ে মেয়ের পরিবার বিয়ে দিতে রাজি হলেও ছেলের পরিবার মানতে নারাজ। উল্টো তার বাবা-মা তাকে বকাবকি করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অভিমানে ওই যুবক বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ইলিয়াস সরদার বলেন, মেয়ে রাজি, আমিও রাজি, মেয়ের পরিবারও রাজি, কিন্তু আমার পরিবার থেকে কেউ আসছে না, তাই বিয়েও হচ্ছে না। আমার বাবা-মা না আসায় আমাদের বিয়ে হচ্ছে না। এখন আমি এখানেই থেকে যাব।
বাবা-মা বকাবকি করার কারণেই যে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন, সেকথাও অকপটে স্বীকার করেন তিনি।
মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পিযূষ কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত ১১ মে রাতে ইলিয়াস নামের এক যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা তার শরীর থেকে বিষ বের করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত, তবে পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
আজ (বুধবার) সকাল পর্যন্ত ওই যুবকের পরিবার থেকে কেউ হাসপাতালে আসেনি বলেও জানান এই চিকিৎসা কর্মকর্তা।
৩৭ দিন আগে
ধানমণ্ডিতে বহুতল ভবন থেকে পড়ে যুবক নিহত
রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকায় একটি বহুতল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মো. আল-মোকাব্বর ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধানমণ্ডির ১১ নম্বর সড়কের ৩১ নম্বর বাসার ১এ ও ১বি ফ্ল্যাটের মাঝখানের ফাঁকা জায়গার কংক্রিটের ওপর থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ধানমণ্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ রাজিব হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আল-মোকাব্বর ইসলাম ১১তলা ভবনের ছাদ থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নিহত যুবক তার বাবার একটি স্কুল ছিল। তিনি সেটি দেখাশোনা করতেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪৮ দিন আগে