যুবক
নরসিংদীতে ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
নরসিংদী রেলস্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে দুই বগির মাঝে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম মো. আমীর হোসেন (২৮)। তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার নগর বানিয়াদী গ্রামের মৃত সামসুল হকের ছেলে।
রেলওয়ে পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে দুই বন্ধুর সঙ্গে আমীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় কেল্লা শাহের মাজারে গিয়েছিলেন। তারা রাতভর সেখানে থেকে শুক্রবার সকালে তিতাস কমিউটারের ছাদে উঠে নরসিংদী ফিরছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ট্রেনটি নরসিংদী রেলস্টেশনে পৌছায়।
এ সময় ভিড়ের মধ্যেই ছাদে উঠা লোকজন স্টেশনে নামছিল। ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কোথাও টান লেগে আমীর নিয়ন্ত্রণ হারান এবং ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে পড়ে যান। এ সময় ট্রেনটি তাকে অন্তত ৩০ গজ দূরে টেনে নিয়ে যায়।
রেলস্টেশনে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবির জানান, ট্রেনে কাটা পড়া ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার মরদেহ রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আমীরের ঠিক আগে ট্রেনের ছাদ থেকে নেমেছেন তার বন্ধু আক্রাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গেই আমরা তিন বন্ধু কেল্লা শাহর মাজারে গিয়েছিলাম। ভোরে ট্রেনে উঠার সময় ভিড়ের কারণে ভেতরে যেতে না পেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠি। নরসিংদী আসার পর দুজন ছাদ থেকে নামতে পারলেও আমীর পারেনি। চলতে শুরু করা ট্রেনের দুই বগির মাঝে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।’
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার বলেন, আমীরের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
গাবতলীতে মাছবাহী গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যুবক নিহত
রাজধানীর গাবতলীতে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ইমরান হোসেন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক মো. ফারুক হোসেন (৪০) আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে গাবতলীর দীপনগর মাছের আড়তের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমরানের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায়। তার বাবার নাম সারোয়ার মোল্লা। নিহত ও আহত দুজনই দীপনগরের একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানে কাজ করতেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ফারুক হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত ইমরানের মামাতো ভাই সবুজ জানান, দীপনগর এলাকায় একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানের সামনে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ি মেরামত ও গ্যাস ভরার কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ গাড়িটির সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে ইমরান ও ফারুক হোসেন আহত হন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, ইমরানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ফারুক জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৯ দিন আগে
খুলনায় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার
খুলনা নগরীতে শিবলী হোসেন রুবেল (৪৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) ও সদর থানা পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহদুজ্জামান মিয়া।
গ্রেপ্তার রুবেল রূপসা উপজেলার ইলাইপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ৪ আগস্ট ভোর পৌনে ৪টার দিকে নগরীর দোলখোলা মোতলেবের মোড়ে আব্দুল হক হাওলাদার নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনার সূত্র ধরে নগর গোয়েন্দা পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রযু্ক্তির সহায়তায় রুবেলকে নিরালা আবাসিক এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানের সময় তার শয়নকক্ষ থেকে শপিং ব্যাগের মধ্যে প্যাচানো অবস্থায় একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার রুবেল খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ ও আশিক গ্রুপের সদস্য। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘খুলনায় কোনো সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। গ্রেপ্তার রুবেল খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ ও অপর সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের সদস্য। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
১২ দিন আগে
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত
খুলনা নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ইসমাইল (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে সোয়া ১২টার দিকে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া বড় খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইসমাইল ওই এলাকার শাজাহানের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে ইসমাইল এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা ইসমাইলের মাথায় গুলি করেছে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহত ইসমাইলের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
১৮ দিন আগে
শিশুকে উত্ত্যক্ত করে টিকটকে ভিডিও, যুবক আটক
ফেনীতে টিকটক ভিডিও বানানোর সময় ছয় বছরের এক মেয়ে শিশুকে উত্যক্ত, হাত ধরে টানাটানি এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মোজাম্মেল হোসেন প্রকাশকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় তাকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিন যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
আটক মোজাম্মেল হোসেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মৈশাইল এলাকার মনির হোসেনের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ফেনী সদর উপজেলার উত্তর সিলোনিয়া মাদানিয়া মাদরাসা-সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন পশ্চিম সিলোনিয়া এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সালমান (২০) এবং যাত্রাসিদ্ধি এলাকার মনির আহাম্মদের ছেলে মাহফুজ (১৯)।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে ফেনী সদর উপজেলার গোবিন্দপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে উত্ত্যক্ত করে ওই তিন যুবক। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। পরে সন্ধ্যায় শহরতলীর লালপোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটি স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন যুবক তার পথরোধ করেন। তাদের মধ্যে দুজন শিশুটির হাত ধরে টানাটানি ও অশালীন আচরণ করেন। তারা শিশুটিকে শ্লীলতাহানি ও উত্ত্যক্ত করে। অপর একজন পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে পরে টিকটকে পোস্ট করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পরদিন শিশুটি তার বাবাকে পুরো ঘটনা জানায়। পরে ৩০ জুলাই সকালে স্বজনদের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি দেখে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত করে শিশুটির বাবা ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে শিশুটি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এবং প্রায়ই কান্নাকাটি করছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে ফেনী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে এক শিশুকে উত্ত্যক্তের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের নজরে আসে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত মোজাম্মেল হোসেনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দিয়েছেন।
ওই মামলায় আটক যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
১৮ দিন আগে
খুলনায় দিনে-দুপুরে যুবককে গুলি
খুলনা নগরীতে আরিফ শিকদার (২৪) নামে এক যুবককে গুলি করে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে খুলনার লবণচরা এলাকার রূপসা রিভারভিউ ইকোপার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত আরিফ শিকদার লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা এলাকার আবুল কালাম শিকদারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে আরিফসহ আরও দুই যুবক ইকোপার্কের পাশে বসে গল্প করছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে এসে ছয়জন দুর্বৃত্ত আরিফকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় একটি গুলি তার বুকের ডান পাশে বিদ্ধ হয়। এরপর হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার দুই পায়ে একাধিক আঘাত করে।
দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর স্থানীয়রা আরিফকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে কারা এবং কী কারণে তার ওপর হামলা এ চালিয়েছে, তা কেউ বলতে পারেননি।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, বর্তমানে আরিফ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কে বা কারা তার ওপর হামলা চালিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২২ দিন আগে
প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে অপহরণ, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে এক তরুণীকে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি জয় দাসকে (২৩) নেত্রকোনা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯ ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি)। এ সময় যৌথ অভিযান চালিয়ে অপহৃত তরুণীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) র্যাব-৯ এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার জয় দাস নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী থানার শিবপুর গ্রামের হরিধন দাসের ছেলে।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী তরুণীকে সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানাধীন করেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় করেরপাড়া সিটি মডেল স্কুল থেকে সদ্য এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে জয় প্রায়ই তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি ভুক্তভোগী তরুণী তার পরিবারকে জানালে, তার বাবা অভিযুক্তের বোন জামাই রিংকু দাসের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেন। তখন রিংকু দাস ওই তরুণীকে আর বিরক্ত করা হবে না বলে আশ্বাস দেন।
গত ১৬ জুলাই দুপুর ৩টার দিকে ভুক্তভোগী হাওলাদারপাড়ায় তার খালার বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি সেখানে না পৌঁছালে তার পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে তারা প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারেন, করেরপাড়া পয়েন্ট এলাকা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় জয় ও অজ্ঞাতনামা ২ থেকে ৩ জন মিলে জোরপূর্বক ওই তরুণীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছেন।
র্যাব জানায়, এই ঘটনায় তরুণীর বাবা বাদী হয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) জালালাবাদ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব-৯।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার র্যাব-৯ (সদর কোম্পানি) ও এসএমপি পুলিশের একটি যৌথ দল নেত্রকোনার খালিয়াজুরী থানার মুরাদপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি জয়কে গ্রেপ্তার করা হয় এবং অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উদ্ধার হওয়া তরুণী ও গ্রেপ্তার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
২৭ দিন আগে
হাজারীবাগে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
রাজধানীর হাজারীবাগে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সাগর হোসেন বুলেট (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে হাজারীবাগ পার্কের পাশের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশাচালক ইব্রাহিম জানান, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে আমার অটোরিকশাটি গ্যারেজে রাখার জন্য যাচ্ছিলাম। এ সময় হাজারীবাগ পার্কের পাশের সড়কে মন্দিরের গলিতে ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তখন তার মাথার বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে স্থানীয় আরেকজনের সহযোগিতায় ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং আমাকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। পরে আমি তাকে নিয়ে রাত আড়াইটার দিকে ঢামেক হাসপাতালের নিয়ে যাই। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওই যুবককে ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। আজ ভোরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাই শাওন বলেন, পুলিশ ও স্থানীয়দের মাধ্যমে আমরা এ ঘটনার ব্যাপারে জানতে পারি। কে বা কারা আমার ভাইকে মেরে ফেলে গেছে, এ ব্যাপারে আমরা কিছুই বলতে পারব না। আমার ভাই নির্দিষ্ট কোনো কাজ করত না। একেক সময় একেক কাজ করত। বেশ কিছুদিন যাবত সে একটি গাড়ির হেলপার ছিল।
তিনি আরও বলেন, আমরা ঢাকার হাজারীবাগের ভাগলপুর লেন ১৫ নং এর স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের বাবার নাম শাহাদাত হোসেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
২৭ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে বাবা-ছেলের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে ইলিয়াস হোসেন (২৭) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তি ও তার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে রায়গঞ্জ উপজেলার কালিঞ্জা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইলিয়াস ওই গ্রামের মৃত আ. সাত্তারের ছেলে। রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গতকাল (রবিবার) কালিঞ্জা গ্রামের খেলার মাঠে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা নিয়ে ইলিয়াসের সঙ্গে রাসেলের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ওই দিন গভীর রাতে রাসেল ও তার ছেলে সিয়াম আহমেদ ইলিয়াসের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে তারা তাকে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ইলিয়াসকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের পর ওই ব্যক্তি ও তার ছেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আজ (সোমবার) সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, এর আগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের রাসেল শেখ (৪২) ও সোহেল খানকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৭ জনকে আসামি করে রায়গঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
২৯ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে পূজার সময় কালী মন্দিরে হামলা-ভাঙচুর, যুবক আটক
নারায়ণগঞ্জে মন্দিরে পূজার সময় হামলা ও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইয়ামিন নাবিল নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন মন্দিরের লোকজন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে শহরের নয়ামাটি এলাকার শ্রী শ্রী দরিদ্র ভান্ডার কালী মন্দিরের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ইয়ামিন নাবিল বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকার বাসিন্দা।
মন্দিরের পুরোহিত কমল চক্রবর্তী বলেন, দুর্গাপূজার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দুপুরে কাঠাম পূজার আয়োজন করা হয়েছিল। এ সময় ওই যুবক মন্দিরে ঢুকে ‘আল্লাহ পূজা নিষেধ করেছেন’ বলে পূজার সামগ্রীতে লাথি মেরে ফেলে দেন। এ সময় মন্দিরের লোকজনকেও লাথি মারতে থাকেন তিনি। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে বসবাস করছি, কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
ইয়ামিন নাবিলের বড় ভাই অমিত হাসান দাবি করেন, তার ভাই দীর্ঘদিন ধরে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। তবে এ বিষয়ে এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তারেক আল মেহেদী বলেন, দুপুরে এক যুবক মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালিয়েছে। তার পরিবার দাবি করেছে, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে তারা যদি এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারে, তাহলে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্যথায়, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩৩ দিন আগে