বৃক্ষরোপণ
প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) ডুলহাজারার মালুম ঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করে জনসাধারণের প্রতি তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেশের সকলের কাছে অনুরোধ করব, আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, আপনার সন্তান যেন একটি সুন্দর পরিবেশে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে, এই বিষয়টি মাথায় রেখে আজকে থেকে প্রত্যেকে দয়া করে যার যেখানে সম্ভব সেখানে একটি করে বৃক্ষের চারা রোপণ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই বৃক্ষরোপণ অভিযানকে সফল করতে পারি, তাহলে এতটুকু আমরা ধারণা করতে পারি যে, আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিকভাবে বুক ভরে পরিষ্কার শ্বাস নিতে পারবে।
‘আসুন, আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিশ্চয়তা দিই, একটি পরিষ্কার একটি দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে পারি যেখানে আমাদের প্রজন্ম পরিষ্কার পরিবেশে বাস করবে।’
নির্বাচনের আগে বিএনপির দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন, আমরা নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি যেগুলো দিয়েছিলাম, তার মধ্যে একটি প্রতিশ্রুতি ছিল যে আমরা যদি আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে আমরা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করব। আমাদের লক্ষ্য থাকবে বছরে অন্তত ৫ কোটি গাছ লাগানো। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চার রোপণ করব আমরা।
জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি, তাহলে আগামী দিনে বাংলাদেশের বাতাসকে আমরা অনেক মুক্ত, পরিষ্কার, বিশুদ্ধ একটি বাতাসে আমরা রূপান্তর করতে পারব।’
১ দিন আগে
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশ সুরক্ষা জোরদার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে একটি গর্জন গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।
জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল-ক্ষমতায় এলে সারাদেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে।
কক্সবাজারের মালুমঘাটে এই কর্মসূচির উদ্বোধনের মাধ্যমে সরকার তাদের আরেকটি নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করল।
পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
প্রথম ধাপে দেশের ৪৯টি জেলার ১৪৯টি উপজেলায় দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার প্রমুখ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। এরপর ঢাকার কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ এবং সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি’ উদ্বোধনের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় পাইলটিং প্রকল্প শুরু করে সরকার। একই সঙ্গে সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য সম্মানী ও স্পোর্টস কার্ড প্রদান কর্মসূচিরও সূচনা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটাই তার প্রথম কক্সবাজার সফর। সফরসূচি অনুযায়ী, পাতলী খালের খনন উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে এক পথসভায় বক্তব্য দেন। পরে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন এবং মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে পেকুয়ায় গিয়ে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহিদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একই সফরে পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনেরও কথা রয়েছে।
বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনসভা শেষে তিনি কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত এলাকা পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ পর্যায়ে হোটেল লং বিচের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন।
সব কর্মসূচি শেষে রাত প্রায় ১০টার দিকে আকাশপথে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। দীর্ঘদিন পর এমন উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফরে নতুন প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার।
২ দিন আগে
অঞ্চলভিত্তিক মাটি ও পরিবেশের ধরন অনুযায়ী বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাটি ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গাছ নির্বাচন ও রোপণ করা হলে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-সংক্রান্ত এক সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ নির্দেশনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় তারেক রহমান বলেন, দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। তাই প্রতিটি এলাকার মাটি ও পরিবেশের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত গাছ নির্বাচন করে রোপণ করতে হবে। এতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়বে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়া যাবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হত, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে।
তিনি বলেন, প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও বৃক্ষসম্পদ কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তাই পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
সভায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের সরকারি পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এই বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কৌশল এবং বিভিন্ন অঞ্চলে কীভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সে বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের ডুলাহাজারায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রাইহান কাওসার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৮ দিন আগে
বৃক্ষরোপণ ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
দেশব্যাপী ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে কর্মপর্যায়ভিত্তিক জলবায়ু বার্তা ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি সভাপতিত্ব করেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বিভিন্ন বাস্তবায়ন পর্যায়ে প্রচারের জন্য জলবায়ুবিষয়ক বার্তা এবং বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
৯ দিন আগে
বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিতে জনগণকে পাশে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের স্বার্থ রক্ষা ও তাদের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গড়ার কর্মসূচিতে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকারের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আসুন, কাজ করে নিজের দেশকে নিজেরাই গড়ে তুলি। বিদেশ নিয়ে নয়, আমরা বাংলাদেশ নিয়ে গর্ব করব।
শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সদর উপজেলার কাশিপুরের ঐতিহ্যবাহী বাঁশিয়া খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকারের (বিএনপি) এক নম্বর দায়িত্ব হচ্ছে, এই দেশের মানুষের স্বার্থ দেখা; এই দেশের মানুষের সমস্যার সামাধান করা। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, বাংলাদেশকে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। অন্যান্য উন্নত দেশের পাশাপাশি আমরা বাংলাদেশকে দাঁড় করাতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।
নিজের ‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান দিয়ে তিনি বলেন, আসুন, কাজ করে নিজের দেশকে নিজেরাই গড়ে তুলি। বিদেশ নিয়ে নয়, আমরা বাংলাদেশ নিয়ে গর্ব করব।
এর আগে, দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।
উদ্বোধন শেষে উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খালটি ১৯৭৭ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খনন করেছিলেন। এরপর চলতে চলতে খালটি আবার বন্ধ হয়ে গেছে। এই খালটি আমরা কাটতে চাই।
তিনি বলেন, খালটি কাটলে প্রায় ৮০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। এর বাইরে আরও প্রায় দেড় লাখ কৃষক উপকার পাবেন। এতে করে বর্তমানে খালের দুপাশে যে পরিমাণ ফসল উৎপাদন হয়, তার চেয়ে প্রায় ৭ হাজার টন ফসল বেশি উৎপাদিত হবে।
৪৩ দিন আগে
বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ঢাকার সবুজায়ন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছাবে: মেয়র তাপস
বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ঢাকার সবুজায়ন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
তিনি বলেন, রাজধানীর শ্যামপুর, জিরানি, মান্ডা ও কালুনগর খালের উভয় পাড়ে মোট ৩৯ দশমিক ৬ কি.মি. দৈর্ঘ্য ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (৮ মে) সকালে মুগদা এলাকার শাপলা ব্রিজ সংলগ্ন ‘মান্ডা খাল পুনরুদ্ধার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি’ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে মত বিনিময়কালে মেয়র এ মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: ইসলামপুর পৌর মেয়রকে বরখাস্তের আদেশ হাইকোর্টে স্থগিত
মেয়র বলেন, ‘আমরা জানি, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ঢাকা শহরের জন্য যে সবুজায়ন বা বনায়নের প্রয়োজন সেই মানদণ্ড পর্যন্ত আমরা পূরণ করতে পারিনি। এই মান্ডা খালের পাড় দিয়ে আমাদের প্রকল্পের আওতায় আমরা প্রায় ৩৫ হাজার গাছ রোপণ করব। যার মাধ্যমে এই এলাকায় একটি সুন্দর ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি হবে। এর সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শহরের জন্য সবুজায়ন ও বনায়নের যে কার্যক্রম সেটা আরও বেগবান হবে, ত্বরান্বিত হবে। কিন্তু এই খালগুলো (প্রকল্পভুক্ত শ্যামপুর, জিরানি, মান্ডা ও খালুনগর খাল) এবং আদি বুড়িগঙ্গার পাড় ঘেঁষে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ আমরা সবুজায়নের সেই আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত হতে পারব।’
আগামী বছরের জুনের মধ্যে খালগুলোর দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খালগুলো নিয়ে যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তার মধ্যে মান্ডা খাল সবচেয়ে বড় ৮ দশমিক ৭ কিলোমিটার। এরপরে শ্যামপুর ৪ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার, জিরানি ৩ দশমিক ৯ কিলোমিটার এবং কালুনগর ২ দশমিক ৪ কিলোমিটার খাল। সেই প্রেক্ষিতে বুধবার থেকে মান্ডা খাল পুনরুদ্ধার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির কাজ শুরু হচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রকল্পের সবগুলো কাজ শুরু হয়ে যাবে। ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকাবাসী একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করবে এবং আগামী বছরের জুনে একটি আমূল পরিবর্তন আসবে। সেভাবেই আমাদের সকল পরামর্শক, ঠিকাদার ও কর্মকর্তারা কাজ করছে। আমরা আশাবাদী, আগামী এক বছরের মধ্যে (খালগুলোর) দৃশ্যমান ও নান্দনিক পরিবর্তন আমরা নিয়ে আসতে পারব।’
উল্লেখ্য, ৮৯৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে শ্যামপুর, জিরানি, মান্ডা ও কালুনগর খাল পুনরুদ্ধার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে ৮ দশমিক ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মান্ডা খাল পুনরুদ্ধার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টিতে ব্যয় হবে ৩৯৭ কোটি টাকা। মান্ডা খাল পুনরুদ্ধার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির আওতায় ভূমি উন্নয়ন, খালের বর্জ্য ও পলি অপসারণ, বাই সাইকেল লেন ও এপ্রোচ রোড নির্মাণ, ৩টি এম্পিথিয়েটার নির্মাণ, ব্যায়াম করার সেড-ফোয়ারা-ওয়াকওয়ে-ঘাট নির্মাণ, ৩২টি পথচারী পারাপার সেতু ও ৬টি গাড়ি চলাচল সেতু নির্মাণ, বসার বেঞ্চ নির্মাণ, বাচ্চাদের খেলার জায়গা-ফুডকোর্ট ও কফিশপ নির্মাণ, আর. সি. সি. রিটেনিং ওয়াল ও ঢাল সুরক্ষা নির্মাণ, দৃষ্টিনন্দন সুরক্ষা বেষ্টনী ও পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ইত্যাদি অনুষঙ্গ রয়েছে।
আরও পড়ুন: ৫৪টি ওয়ার্ডে মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক প্রচার শুরু: ডিএনসিসি মেয়র
ডিএসসিসির কর্মচারীদের আবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: ডিএসসিসি মেয়র
৭৬৭ দিন আগে
বৃক্ষরোপণে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ পরিবেশমন্ত্রীর
ঢাকা শহরসহ সারা দেশে বনায়নের জন্য জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের জন্য প্রধান বন সংরক্ষককে নির্দেশনা দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।
যেসব গাছ তাপমাত্রা কমাতে পারে বা পরিবেশের জন্য অপেক্ষাকৃত ভালো তা নির্ণয় করে নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নির্দেশ দেন তিনি।
আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন ৫৩৪ বিলিয়ন ডলার: পরিবেশমন্ত্রী
তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরে তাপমাত্রা কমাতে বৃক্ষরোপণের জন্য জায়গা খুঁজে বের করে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে এবং জলাশয় রক্ষা করতে হবে।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এডিপিভুক্ত প্রকল্পগুলোর মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ৮০ নম্বর না পেলে কোনো প্রকল্প বিবেচনা করা হবে না।
তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা, উদ্বাস্তু ও অভিযোজনমূলক কর্মকাণ্ডে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ যাবত ৩ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৬২টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। যার মধ্যে ২৯৮টি চলমান রয়েছে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
পরিবেশমন্ত্রী প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন যথাসময়ে এবং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেন।
আরও পড়ুন: পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে: পরিবেশমন্ত্রী
জলবায়ু অভিযোজনে সহায়তা দ্বিগুণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
৭৭৫ দিন আগে
শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৃক্ষরোপণ
বাঙালি জাতির জন্য শোকাবহ মাস আগস্টের শুরুতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টে শাহাদাত বরণকারী তাদের পরিবারের সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমি চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: ১৬ দিনের প্রচারণা: বৃহত্তর ঢাকার জোন্টা ক্লাবের রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ ও রিকশা র্যালির আয়োজন
এ কর্মসূচিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতাসহ শাহাদাত বরণকারী তাদের পরিবারের ১৬ জন সদস্যের স্মরণে ১৬টি গাছের চারা রোপণ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
১০৪৮ দিন আগে
কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস-এর বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন
ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয় এবং বন বিভাগ- এর সহযোগিতায় কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস সম্প্রতি বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনা কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২০ হাজারেরও বেশি চারা ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করা হয়। যার মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজারেরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দা উপকৃত হবে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এই বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে, নেট-জিরো কার্বন নিঃসরণ, ওয়াটার স্ট্যুয়ার্ডশিপ ও ওয়ার্ল্ড উইদাউট ওয়েইস্ট-এর মত দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচিকে সামনে রেখে জলবায়ু মোকাবিলায় টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেড।
এরই ধারাবাহিকতায় পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এই বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই বছরের জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও জাতীয় পরিবেশ ও বৃক্ষমেলা ২০২৩ এর প্রতিপাদ্য-‘গাছ লাগিয়ে যত্ন করি, সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি’।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, আ ন ম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস ও জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৩ এর প্রাক্কালে কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ অভিযান উদযাপন ও গাছের চারা বিতরণের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, ময়মনসিংহ বন বিভাগ এটিকে স্বাগত জানাচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে অপরাপর কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গ অবদান রাখলে বৃক্ষরোপণে আপামর জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং এ ধরনের সামাজিক আন্দোলন এক টেকসই রূপ পরিগ্রহ করবে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে পানির নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন ও ওয়াটারএইড এর যৌথ উদ্যোগ
আয়োজনটির প্রশংসা করে পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক, দিলরুবা আহমেদ বলেন,‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগোপযোগী ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বে বর্তমান সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কার্যকরভাবে মোকাবিলায় বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং সেগুলো সুষ্ঠু বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, সেখানেও পরিবেশ সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে’।
তিনি আরও বলেন, ‘কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস দেশের এই উদ্যোগে অংশীদার হিসেবে সামিল হচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। পরিবেশ রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমাদের এমন আরও সফল পাবলিক-প্রাইভেট উদ্যোগ গ্রহণ করে সবার জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে।’
সিসিবিবিএল’র পাবলিক রিলেশনস, কম্যুনিকেশন এন্ড সাস্টেইনেবিলিটি’র পরিচালক আনোয়ারুল আমিন বলেন, ‘কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে এ ধরণের আয়োজন খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমাদের বিশ্বাস’।
তিনি বলেন, ‘রোপণ করা প্রতিটি চারাই ভবিষ্যতের জন্য মূল্যবান বিনিয়োগ, আর আগামী প্রজন্মের মাঝে এই বিনিয়োগের গুরুত্ব অনুধাবন করার সক্ষমতা আমাদেরকেই তৈরি করে যেতে হবে। এই আয়োজনে আমাদের সর্বোত সহযোগীতা করার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ’।
প্রতিষ্ঠানের পাবলিক রিলেশনস, কম্যুনিকেশন এন্ড সাস্টেইনেবিলিটি’র পরিচালক আনোয়ারুল আমিন; পরিবেশ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (উপসচিব) দিলরুবা আহমেদ; ও ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, আ ন ম আব্দুল ওয়াদুদ সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যত গড়ার চাবিকাঠি হিসেবে তরুণ শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারাগুলো তুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্রিটেনের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশবান্ধব লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘বর্ণন’ এর যাত্রা শুরু
১০৮৩ দিন আগে
জলবায়ু পরিবর্তন থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে গাছ লাগান: শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে পরিবেশ বাঁচানোর জন্য আহ্বান জানাতে চাই, কারণ বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা আমাদের কর্তব্য।’
সোমবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৩ উপলক্ষে গণভবন প্রাঙ্গণে তিনটি চারা রোপনের পর তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে তিনি পরিবেশ মেলা-২০২৩, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং বৃক্ষমেলা- ২০২৩ -এরও উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, ‘আজ যেহেতু বিশ্ব পরিবেশ দিবস, তাই গাছ লাগিয়েছি। আমি আশা করি বাংলাদেশের সকল (জনগণ) এটি অনুসরণ করবে (গাছ লাগানো)।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আরও সুন্দর ও উন্নত করতে তারা ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ যেন কোনো ক্ষতির সম্মুখীন না হয়। তাই, আমি সবাইকে গাছ লাগাতে বলি।’
বিশ্বব্যাপী পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে ফল, শাকসবজি এবং অন্যান্য পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রতিটি খালি জায়গায় গাছ লাগাতে এবং প্রতিটি অঞ্চলকে উৎপাদনের আওতায় আনতে তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: বিএনপি শাসনামলের বিচারহীনতা থেকে আ. লীগ দেশকে মুক্ত করেছে: প্রধানমন্ত্রী
বৈশ্বিক উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক উন্নত দেশও লড়াই করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দেশের জনগণকে রক্ষা করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রত্যেক নাগরিককে তিনটি গাছ লাগাতে অনুরোধ করতে চাই এবং সম্ভব না হলে অন্তত একটি গাছ লাগান।’
তিনি শিক্ষার্থীদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে গাছ লাগাতে বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, তার দল-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৮৪ সালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ১৯৮৫ সালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করে। বাংলাদেশ কৃষক লীগও এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।
তিনি বলেন, আ.লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে অন্তত তিনটি কাঠ, ফল ও ভেষজ গাছ লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: অস্থির বৈশ্বিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, তার দল বিগত বছরের মতো এবারও আষাঢ় মাসের প্রথম দিনে বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু করবে।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও পরিবেশ সচিব ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন শেরে বাংলা নগরে ৫ থেকে ১১ জুন পরিবেশ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বৃক্ষমেলা ২০২৩ ঈদুল আজহার কারণে ৪ দিনের বিরতি রেখে ৫ জুন থেকে ২৬ জুন এবং ১ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সারাবিশ্বে ‘প্লাস্টিক দূষণের সমাধান’- থিম নিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৩ পালিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করুন: প্রধানমন্ত্রী
১১০৫ দিন আগে