ওবায়দুল কাদের
ফেনী মাসুম হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১৭৮ জন আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
জুলাই অভ্যুত্থানকালে ফেনীতে নিহত ছাত্র মাহবুবুল হাসান মাসুম হত্যা মামলায় আত্মগোপনে থাকা শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ১৭৮ জন আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ফেনীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ছালামাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আদেশ জারির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। অন্যথায়, তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।
ঐ মামলায় আত্মগোপনে থাকা ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনী–৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও ফেনী–২ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ ১৭৮ জনকে আদালতে হাজির হতে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে ফেনীর মহিপালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিতে মাহবুবুল হাসান হত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ মামলায় ওবায়দুল কাদের ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ১৬২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। মামলায় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাতে মহিপালে নিহত মাহবুবুল হাসানের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় এ মামলা করেন।
নিহত মাহবুবুল হাসান সোনাগাজী উপজেলার চর চান্দিয়া এলাকার নোমান হাসানের ছেলে। তিনি ছাগলনাইয়ার আবদুল হক চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফলপ্রার্থী ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফেনী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন ২২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি ফেনীর জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হাসান এই অভিযোগপত্র আমলে নেন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ ১৭১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এ মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন— ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল, ফেনী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল।
মামলায় অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল কবির, পরশুরাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম, ছাগলনাইয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. মোস্তফা, সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ, আওয়ামী লীগ নেতা জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, জেলা যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম ও ছাত্রলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন। ছাত্র–জনতার আন্দোলনে গুলি করতে প্ররোচনা, উসকানি ও নির্দেশনার অভিযোগে তাদের আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ মামলায় ৫১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিবর্ষণে মাহবুবুল হাসানের মাথা, বুকে ও পিঠে গুলি লাগে। পরে তাকে চট্টগ্রামের পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭ আগস্ট তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। সেদিন সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই দিন মোট ৭ জন নিহত হন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এ ছাড়া অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী ও শীর্ষ নেতারাও দেশে ছেড়ে বিদেশে আশ্রয় নেন।
১ দিন আগে
রংপুরে শিক্ষার্থী হত্যা: শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা
রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ-আল তাহির নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ আরও অনেকের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৩০০ জনকে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নিহত তাহিরের বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে শিক্ষার্থী হত্যা: শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
নিহত আবদুল্লাহ-আল তাহির বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকসের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, রংপুর রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি আব্দুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার উত্তম পাল, এডিসি (অপরাধ) উৎপল কুমার রায়, এডিসি (ডিবি) নুর ইসলাম পাটোয়ারী, কোতোয়ালি থানার ওসি মোন্তাছের বিল্লাহ, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ছায়াদাত হোসেন বকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক মাজেদ আলী বাবুল, রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক প্রামাণিক, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাফিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নাছিমা জামান ববি, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলামসহ রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪০ জন।
এছাড়াও ৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
১৯ জুলাই ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিটি বাজারের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিতে নিহত হন আবদুল্লাহ আল তাহির।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা: সাবেক আইজিপিসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা, অজ্ঞাত আসামি ৩০-৩৫ জন
৬৬৬ দিন আগে
জয়পুরহাটে শিক্ষার্থী হত্যা: শেখ হাসিনা-ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
জয়পুরহাটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিতে কলেজছাত্রের নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নিহত নজিবুল সরকার ওরফে বিশালের বাবা মজিদুল সরকার বাদী হয়ে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমানের আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় হাসিনা-কাদেরসহ আওয়ামী লীগের ১০১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
মামলার বাদীর পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মোমিন ফকির জানান, মামলার আসামির তালিকায় রয়েছেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক হুইপসহ জয়পুরহাটের দুই সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা।
মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করতে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে পাঁচবিবি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নজিবুল সরকার ওরফে বিশাল (১৮) নিহত হন।
আরও পড়ুন: নাটোরে শিক্ষার্থী হত্যা: শেখ হাসিনা, সাবেক এমপি শিমুলসহ ১১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৬৬৬ দিন আগে
নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাংগঠনিক বৈঠকের পর কর্মবিরতির বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।
গত ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অচলাবস্থা নিরসনে শনিবার (১৩ জুলাই) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।
ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি শিক্ষক প্রতিনিধি দলকে তাদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন এবং তাদের স্পষ্ট করে বলেছেন যে এই প্রকল্প ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সাল থেকে এই প্রকল্প শুরু হবে বলে সংসদে প্রধানমন্ত্রী যে তথ্য দিয়েছিলেন তা ভুল ছিল, পেনশন প্রকল্পটি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হবে। আমরা বিষয়টি স্পষ্ট করেছি।’
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন করে: ফখরুল
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা আমাদের তিনটি দাবি নিয়ে আলোচনা করেছি। শিক্ষক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে আমরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলব।’
সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাঁপা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৪ জুলাই ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে শিক্ষকদের বৈঠক স্থগিত করা হয়।
আরও পড়ুন: পেনশন স্কিম: কাদেরের সঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
৭০৩ দিন আগে
মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের
সারা দেশে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বুধবার (১৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক যে, ইদানিং যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে সেখানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। দুর্ঘটনার চিত্র দেখলে দেখা যায়, মোটরসাইকেলে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে, এরপর ইজিবাইক; এর সঙ্গে বেপরোয়া ড্রাইভিংও আছে, এটাকে বাদ দেওয়ার উপায় নেই।’
এ বিষয়ে দ্রুত নীতিমালা করার জন্য সচিবকে বলবেন বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা যেন চলতে না পারে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। সেজন্য নীতিমালাটা জরুরি। মানুষের জীবন আগে, জীবিকা পরে। জীবিকাকে রক্ষা করতে গিয়ে জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।’
‘ভোটের রাজনীতি যারা করেন তাদের এতে সায় আছে। হাইওয়েতে ইজিবাইক চলে- এটি অনেকে সমর্থন করেন, অথবা পেছন থেকে মদদ দেন। ঢাকায় যে নিয়ম চালু করেছি, তাতে ৯৮ শতাংশ ক্ষেত্রে (মোটরসাইকেলের) দুজনেরই হেলমেট থাকে।’
তিনি বলেন, ‘সড়কে এবার ঈদযাত্রা অনেকটা ভালো হয়েছে, কিন্তু ফিরতি পথের বিষয়টি এখনও রয়েছে। এদিকে নজর অনেকটা কম থাকে, তাই দুর্ঘটনাও ঘটে অনেক সময়। তাই ফিরতি পথটাও এখন দেখতে হবে।’
রাস্তায় শৃঙ্খলা আনতে পারলে দুর্ঘটনা কমবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তাই শৃঙ্খলাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।’
৭২৭ দিন আগে
আজিজ-বেনজীরকে নিয়ে বিব্রত নয় সরকার: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজির আহমেদ ইস্যুতে সরকার বিব্রত নয়।
তিনি বলেন, সরকারের বিচার করার সৎ সাহস আছে। সরকার তাদের অপরাধ অস্বীকার করে পার পেয়ে যাবার সুযোগ দেয়নি। দুর্নীতির ব্যাপারে সরকার আপোষহীন।
আরও পড়ুন: ইহসানুল করিমের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক
মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা সারাবিশ্বে একজন সৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত। এবং বাংলাদেশে তার জনপ্রিয়তার মূলে তার সততা ও পরিশ্রম। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবসময় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।’
বেনজীরের বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'দুদক স্বাধীন। শেখ হাসিনা দুদককে স্বাধীনতা দিয়েছেন। দুদক জানিয়েছে, বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং আরও তদন্ত করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘যেহেতু তদন্ত চলছে, সেহেতু তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। শেখ হাসিনার শাসনামলে কোনো অপরাধী ছাড় পাবে না। সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ -তিনি যদি অপরাধী হন, তার বিরুদ্ধেও তদন্ত করতে পারবে দুদক। অপরাধী হলে অপরাধের জন্য শাস্তি পেতেই হবে। তিনি যেই হোন।’
বুয়েট ছাত্র হত্যা মামলা ও বিশ্বজিৎ মামলার কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'গত ৭৫ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি অপরাধী হলেও তার নিজের দলের লোকজনকেও ক্ষমা করেন না। তিনি তা প্রমাণ করেছেন।’
আরও পড়ুন: অপরাধীদের বিষয়ে সরকারের নীতি জিরো টলারেন্স: ওবায়দুল কাদের
সাংবাদিকদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশের প্রয়োজন নেই, সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে: ওবায়দুল কাদের
৭৪৮ দিন আগে
সাংবাদিকদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশের প্রয়োজন নেই, সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশের কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ তাদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য ব্যাংকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘কোন দেশে অবাধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ঢোকা যায়? যে কেউ কি ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ করতে পারে? সবকিছুই ওয়েবসাইটে আছে। কেন আপনার প্রবেশ করা দরকার?’
আরও পড়ুন: সন্তোষজনক ভোটার উপস্থিতিতে স্থানীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে: হাছান মাহমুদ
শনিবার(১৮ মে) রাজধানীর ঢাকার ধানমন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
র্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'নৈশভোজের পর সাংবাদিকদের সামনে তার বক্তব্য যথাযথভাবে প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে একবার কথা বললেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। তিনি (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা) হয়তো মার্কিন আসিসট্যান্ট সেক্রেটারিকে এটি (নিষেধাজ্ঞা) প্রত্যাহার করতে বলেছেন।’
বিএনপির ভারতবিরোধী অবস্থান প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, তিনি গণমাধ্যমে দেখেছেন বিএনপি তাদের ভারতবিরোধী অবস্থান পুনর্বিবেচনা করবে। ‘বিরোধিতা না করে তারা কি মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে পারে? তাদের হাতে কোনো বিষয় নেই, তারা তাদের অস্তিত্বের জানান দিতেই কিছু নিয়ে আসে। শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থান থেকে সরে এসে তাদের লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে আশ্রয় নিতে হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বিএনপির সমাবেশ মানেই অগ্নিসংযোগ-ধ্বংসযজ্ঞ-রক্তপাত: ওবায়দুল কাদের
৭৫৮ দিন আগে
রোহিঙ্গা প্রবেশের ক্ষেত্রে উদারতার সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের
মিয়ানমারের চলমান সংঘাতে বাংলাদেশে নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশের উদারতা দেখানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে আমাদের যেন কোনো শঙ্কা বা উদ্বেগের কারণ না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছি। বিশেষ করে চীন ও ভারতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি।
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীর সেতু ভবনে এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: ভোটাররা বিএনপিকে বর্জন করেছে: ওবায়দুল কাদের
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছে। তারা বলেছেন, সংঘাতে যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে তাদের ফেরত নেবেন তারা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, তবে এখন আর নতুন করে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করতে দেবো না। এর আগে উদারতা দেখিয়ে সীমান্ত খুলে দেওয়া হয়েছিল। এখন সেই উদারতা দেখানোর সুযোগ নেই। তারা আমাদের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সাহায্য অনেক কমে গেছে। এ বোঝা আমরা আর কতদিন সইবো?
বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে কাদের বলেন, আন্দোলনে ব্যর্থ ও নির্বাচনে না আসায় বিএনপি এখন চরম হতাশ। সেই হতাশা কাটাতে দলটির নেতারা এখন সরকার বিরোধীতার নামে বিরোধীতাই তারা করবে। এটা তারা সিদ্ধান্ত নিয়েই করেছে। সরকারের ইতিবাচক হলেও নেতিবাচক কিছু বলতে হয়, সেরকম উক্তি করছে।
আরও পড়ুন: বিএনপির কালো পতাকা মিছিল অবৈধ: ওবায়দুল কাদের
এর আগে সেতুভবনে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বুধবার সকালে রাজধানীর বনানীতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। পাঁচ বছর মেয়াদী এ প্রকল্প ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে ব্যক্তিগত ক্ষোভের কথা জানান।
তিনি বলেন, প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন। সড়ক দুর্ঘটনা এবং ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাচ্ছে না।
সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পকে অগ্রাধিকার প্রকল্প উল্লেখ করে এখন থেকে নিজেই তত্ত্বাবধান ও মনিটরিং করবেন বলে জানান তিনি।
প্রকল্পের দুর্নীতি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে অস্বস্তিতে নেই আ.লীগ: ওবায়দুল কাদের
৮৫৯ দিন আগে
বিএনপির কালো পতাকা মিছিল অবৈধ: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির কালো পতাকা মিছিল অবৈধ। অনুমতি ছাড়া রাজপথে ফ্রি স্টাইল কর্মসূচি সরকার মেনে নেবে না।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পুলিশ অনুমতি দেয়নি। অনুমতি ছাড়া ফ্রি স্টাইল কর্মসূচির সুযোগ নেই। অনুমতি নিবে না, রাস্তায় ফ্রি স্টাইল কর্মসূচি করবে আর আমরা মেনে নিব তা মনে করার কোনো কারণ নেই।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘের কোনো কার্যকারিতা বাস্তবে নেই : ওবায়দুল কাদের
ওবায়দুল কাদের বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেউ ত্রুটিপূর্ণ বলেনি। নির্বাচনের ফলাফলের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
সর্বশেষ সংসদ অধিবেশনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন। সংসদের প্রথম অধিবেশনেও যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি লক্ষ্য করি। এর মানে কি দাঁড়ায়? আমাদের নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ বলেনি। সবাই একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তিনি বলেন, সরকার শুধু কথা নয়, কাজও করে যাচ্ছে। সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়েছেন। সে অনুসারে কাজও শুরু করে দিয়েছে। তবে রাতারাতি নিয়ন্ত্রণ হয়ে যাবে না। সরকার শুধু কথা বলছে এমন নয়। সরকার অ্যাকশনে আছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে অস্বস্তিতে নেই আ.লীগ: ওবায়দুল কাদের
মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা আইন ভঙ্গ করবে তারা যেই হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেবে আওয়ামী লীগ।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা জিএম কাদেরের সংসদের কার্যকারিতা নিয়ে বক্তব্যের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, পার্লামেন্ট ফাংশনাল না হলে তিনি কেন এলেন?
স্পিকারকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে তিনি যা বলেছেন মনে হয় তুলকালাম কাণ্ড ঘটাবেন। নিয়ম লঙ্ঘন করে তিনি কথা বলেছেন। উনার কথা বলার যথেষ্ট সুযোগ ছিল সামনে।
আরও পড়ুন: ভোটাররা বিএনপিকে বর্জন করেছে: ওবায়দুল কাদের
৮৬৭ দিন আগে
নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে অস্বস্তিতে নেই আ.লীগ: ওবায়দুল কাদের
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক যে বক্তব্য দিয়েছে তা নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার সামান্যতম অস্বস্তিতে নেই বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) ধানমন্ডিতে আওয়ামীলীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
কাদের বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আছে। সম্পর্ক আরও ভালো করার জন্য আমরা যথেষ্ট ধৈর্যশীল। আর বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়া ছিল দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচনের পরেও বিএনপির নেতৃত্বে চিহ্নিত অপশক্তি নির্বাচনকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারা করছে।
তিনি বলেন, অগণতান্ত্রিক পন্থায় অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় বসাতে দেশি-বিদেশি অপতৎপরতা ছিল। তবে এখন নেই - সেটা বলা যায় না।
কাদের বলেন, শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন নির্বাচিত সরকারের অধীনে একটি নির্বাচন সম্ভব। বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো। তবে তাদের অনুপস্থিতিতেও নির্বাচন ভোটারশূন্য ও প্রতিদ্বন্দিতাহীন হয়নি।
আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: ওবায়দুল কাদের
এ সময় বিএনপির চুপ থাকা প্রসঙ্গে কাদের বলেন, তারা এখন শক্তি সঞ্চয় করছে বড় ধরনের সহিংসতার জন্য। তাদের প্রতি নতুন করে আর কোনো আহ্বান নেই আমাদের। তারা নেতিবাচক রাজনীতি থেকে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসুক এটাই চাই।
তিনি আরও বলেন দেশের সমস্যা নিয়েই এখন শেখ হাসিনা সরকারের সব ভাবনা। ফেলে যাওয়া সংকট নিয়ে সময় ক্ষেপণ করার সময় আমাদের নেই। দায়িত্বশীল পদে যারা রয়েছেন, তাদের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলা উচিত।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া হ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।
আরও পড়ুন: টিআইবি বিএনপির ‘দালাল’: কাদের
৮৭৯ দিন আগে