সমুন্নত
দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার তারেকের
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র অক্ষুণ্ন রাখা ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করাকে তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেবে তার দল। বাংলাদেশে উগ্রবাদী ও ফ্যাসিবাদীরা আবারও গণতন্ত্রকে কবর দিতে পারে বলে হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
তিনি বলেন, 'আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে, ধর্মীয় উগ্রবাদী ও তাদের মৌলবাদীদের অশুভ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে—উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও দেশে গণতন্ত্রকে কবর দেবে।’
এভাবে চলতে থাকলে গণতান্ত্রিক বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির সংকট দেখা দিতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির এই নেতা।
আরও পড়ুন: ক্ষমতায় গেলে স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে হওয়া সব হত্যার বিচার করবে বিএনপি: তারেক রহমান
বুধবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্মানে বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দেশের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার কর্মসূচিই হবে উগ্রবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদের অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করা। পাশাপাশি গণহত্যার জন্য দায়ী পলাতক মাফিয়া চক্রকে যেকোনো মূল্যে বিচারের আওতায় এনে গণতান্ত্রিক শক্তির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমাধান করা।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, কয়েক হাজার শহীদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথে গণঅভ্যুত্থানের সময় গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্যকে বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের প্রতিটি স্তরের সব নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান। ‘যদি আমরা স্বাধীনতাকামী ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে কোনো চক্রান্তই সফল হবে না।’
জনগণের মধ্যে আস্থা ধরে রাখতে জনগণকে তার কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারেক। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ড বা কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা যদি জনগণের কাছে আরও স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করা যায়—তাহলে তাদের মনের সব সংশয় ও দ্বিধা দূর হবে।
আরও পড়ুন: বিএনপি, গণতন্ত্র-বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র হচ্ছে: তারেক
বিএনপির এই নেতা বলেন, এটা সত্য যে, শুধু একটি জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য আওয়ামী মাফিয়া সরকারকে উৎখাত করা হয়নি।
‘কিন্তু আরও একটি সত্য হলো, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারায় মাফিয়া শাসনের নির্মমভাবে পতন ঘটেছে। তাই একটি নির্বাচনের মাধ্যমে কোনো একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসতে পারবে কি পারবে না, সেটা বিবেচনা করার সুযোগ নেই।’
৯ দিন আগে
বিএনপি আমলে নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা সমুন্নত ছিল: মুরাদ
বিএনপি সরকারের সময় নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার সমুন্নত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুসলিম বিশ্বের মহিয়সী নারী। তার শাসনামলে নারীর জীবনমান উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছিল। নারীদের জন্য তিনি অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।’
শনিবার (৮ মার্চ) ধামরাইয়ের আমতা ও চৌহাট ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে পৃথক আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
চৌহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ বলেন, ‘নারী সেনাবাহিনী ও নারী পুলিশের উন্নয়নে খালেদা জিয়ার শাসনামলে সবচেয়ে বেশি কাজ হয়েছে। জিয়াউর রহমান বিদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি চালু করেছিলেন। আর এটিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। গার্মেন্ট সেক্টরে নারী শ্রমিকদের কর্মসংস্থানে তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন।’
আরও পড়ুন: নারী নির্যাতনসহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করুন: সরকারকে বিএনপি
তিনি বলেন, ‘সমাজের অর্ধেক অংশ নারী এবং তাদের অবদান ছাড়া কোনো সমাজই পূর্ণতা পায় না। পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত নারীরা তাদের দক্ষতা, মেধা এবং শ্রম দিয়ে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এখন অনেক ক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্য, নির্যাতন এবং অবহেলার শিকার হচ্ছেন। আমাদের এই অবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।’
এর আগে আমতা ইউনিয়ন আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেন তিনি।
ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার আইয়ুবের সভাপতিত্ব ও জেলা বিএনপির সদস্য মাসুদ আহম্মেদর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতা এস আহম্মদ, এনায়েত হোসেন, আব্দুস সালাম, কামরুল ইসলাম, ইবাদুল হক জাহিদ, মনিরুল ইসলাম মনির, আবুল হোসেন, রাকিব হোসেন, রনি আহম্মেদ, হাজী লোকমান দেওয়ান, আতিকুর রহমান, আসলাম হোসেন, সামিউল ইসলাম সজীব, কহিনুর ইসলাম, রাজা মিয়া প্রমুখ।
২০ দিন আগে
মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও নেতাদের সম্পৃক্ত করুন: রাষ্ট্রপতি
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও জননেতাদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ইমাম, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক এবং বিভিন্ন পেশাজীবীদের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও জননেতাদের অন্তর্ভুক্ত করলে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নত হবে।
আরও পড়ুন: ডেনমার্কের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রবিবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
'সবার জন্য স্বাধীনতা, সমতা ও ন্যায়বিচার' প্রতিপাদ্য সামনে রেখে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাজের পরিধি সারা দেশে বিস্তৃত উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কমিশন মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান পদক্ষেপ হলো মানবাধিকার ইস্যু সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।
তিনি বলেন, মানবাধিকার সচেতনতা বৃদ্ধি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতিকারের পথ প্রশস্ত করবে।
তিনি পারস্পরিক সংলাপ, সভা, সেমিনার, কর্মশালা, শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় সহযোগিতা বৃদ্ধির সব কার্যক্রমে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে মানবাধিকার সংস্কৃতির বিকাশে কমিশনকে গবেষণা ও প্রকাশনা বৃদ্ধি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের সার্বক্ষণিক মনিটরিং বৃদ্ধি, মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
দেশের যেখানেই মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটছে সেখানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপস্থিতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কমিশনকে নিপীড়িতদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং নিপীড়কদের শাস্তি দেওয়ার জন্য সব প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে এবং শোষিত ও নিপীড়িতদের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হতে হবে।
আরও পড়ুন: উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে দুর্নীতিবিরোধী সক্রিয় প্রচেষ্টার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি সব ধরনের সংঘাতের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে এবং নির্যাতিত ও নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যুদ্ধ নয়, সংলাপের মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিদ্যমান বৈশ্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতিতে যেকোনো বিবেকবান ব্যক্তি বিরক্ত বোধ করবে। যুদ্ধ, জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্নভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে, গাজায় হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে, লাখ লাখ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।’
এ বিষয়ে বিশ্বের নীরবতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, অনেক শক্তিশালী দেশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, অনেক দেশ ও সংস্থা মানবাধিকারের নামে দ্বৈত নীতিতে লিপ্ত।
মানবাধিকার ইসলামকে সর্বজনীন ও সবার জন্য সমান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং কোনো বৈষম্য বা পক্ষপাতিত্ব করা উচিত নয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, 'আমি আশা করি, বিশ্বে যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে, সব দেশ, মানবাধিকার সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা জাতি, ধর্ম, দলমত নির্বিশেষে প্রতিবাদে সোচ্চার হবেন।’
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য সেলিম রেজা, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব গোলাম সারওয়ার এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে ছিলেন।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন পাকিস্তান, মিশর, ভ্যাটিকান সিটি ও শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত
৪৭৪ দিন আগে
বৃহত্তর বৈশ্বিক স্বার্থে বহুপাক্ষিকতাকে সমুন্নত রাখুন: জি২০ সভায় মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার জি২০ উন্নয়ন মন্ত্রীদের সম্মেলনের (ডিএমএম) বিভিন্ন অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছেন এবং বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের বৃহত্তর স্বার্থে বহুপাক্ষিকতার প্রকৃত চেতনাকে সমুন্নত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন।
সোমবার নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি বার্তা অনুসারে, মোমনে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর সামনে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জের ওপর জোর দেন এবং বাস্তবায়ন, অর্থায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়ে উন্নত দেশগুলোর সমর্থনের আহ্বান জানান।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু বিশ্ব শান্তির পক্ষে সোচ্চার ছিলেন: মোমেন
জি২০ দেশগুলোর পাশাপাশি অতিথি দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী/মন্ত্রীরা এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে প্রাথমিকভাবে বহুপাক্ষিকতা, এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং সবুজ উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
মোমেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে এসডিজি বাস্তবায়ন, গ্রিন ডেভেলপমেন্ট এবং ‘লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট’ মিশন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও অর্জন তুলে ধরেন।
তিনি ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে জি২০ উন্নয়ন মন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে তার ভারতীয় প্রতিপক্ষ জয়শঙ্করের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তারা দ্বিপক্ষীয় স্বার্থের বিষয় এবং আগামী দিনে ঘটতে পারে এমন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেন।
মোমেন জি২০ মিটিং সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য এবং ভারতের জি২০ সভাপতিত্বে বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের নেতৃত্বের ভূমিকার জন্য ভারতের প্রশংসা করেন।
উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত বিভিন্ন অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মোমেন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ মালিকি বিন ওসমান এবং ইউএসএআইডির উপ-প্রশাসক ইসোবেল কোলম্যানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
সিঙ্গাপুরের মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মোমেন সিঙ্গাপুরের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি লোক নিয়োগের আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে হবে: মোমেন
ইউএসএআইডির ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে তার বৈঠকে মোমেন বাংলাদেশ এবং ইউএসএআইডির মধ্যে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের কথা তুলে ধরেন।
উভয় বৈঠকেই তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত সব রোহিঙ্গাদের তাদের স্বদেশে দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য সমর্থন চেয়েছেন।
বারাণসীতে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মন্ত্রীদের এ সম্মেলনে অর্থনৈতিক মন্দা, ঋণ মন্দা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, দূষণ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি, ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য ও অসমতা, খাদ্য ও জ্বালানির নিরাপত্তাহীনতা, বিশ্বব্যাপী সরবরাহ-শৃঙ্খল ব্যাঘাত, ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা, জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট প্রভৃতির কারণে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, জি২০ উন্নয়ন মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকটিকে এসডিজি’র অর্জনকে ত্বরান্বিত করার জন্য পদক্ষেপের বিষয়ে সম্মিলিতভাবে একমত হওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখা হয় এবং উন্নয়ন, পরিবেশ ও জলবায়ুর মতো বিষয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করার পাশাপাশি ব্যয়বহুল বাণিজ্য শর্ত এড়িয়ে চলার সুযোগ হিসেবে দেখা হয়; যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর অগ্রগতিকে বাধা দেয়।
ভয়েস অব দ্য গ্লোবাল সাউথ সামিট অনুসারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ভারত আয়োজিত হয়েছিল এবং বারাণসী বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো নিউইয়র্কে সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের এসডিজি শীর্ষ সম্মেলনেও অবদান রাখবে।
বৈঠকে দুটি প্রধান অধিবেশন থাকবে, একটি ‘মাল্টিলেট্যারালিজম: কালেক্টিভ অ্যাকশনস ফর অ্যাসসিলেরেটিং প্রোগেস টুয়ার্ডস এসডিজিস’ এবং আরেকটি ‘গ্রিন ডেভেলপমেন্ট: এ লাইফ (লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট) অ্যাপ্রোচ’ বিষয়ক।
৬-৯ জুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ এবং চূড়ান্ত ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ (ডিডব্লিউজি) সভার আগে উন্নয়ন মন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল।
প্রতিনিধিদের বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম বারাণসীর সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের আভাস দেওয়ার জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী এবং ভ্রমণেরও আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারে ফিরলেই রোহিঙ্গারা সুন্দর ভবিষ্যৎ পাবে: মোমেন
৬৫৫ দিন আগে
দেশের সব ধর্মের অধিকার সমুন্নত রেখেছে আ.লীগ সরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সব ধর্মের অনুসারীদের অধিকার নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ সব সময় কাজ করে যাচ্ছে।
বুধবার বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন।
আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করে তখনই সব ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
শেখ হাসিনা পুনর্ব্যক্ত করেন যে ধর্ম ব্যক্তির কিন্তু উৎসব সবার।
তিনি প্রতিনিধি দলকে বলেন, তার সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাস গুপ্তের নেতৃত্বে নেতারা বলেন, বর্তমানে দেশে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতির মতো সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর হয়েছে।
তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান কারণ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ইরান-বাংলাদেশ বাণিজ্য প্রসারে একত্রে কাজ করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
ডা. জাফরুল্লাহ অত্যন্ত স্পষ্টবাদী, দুঃশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন: বিএনপি
৭১৬ দিন আগে
দেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখুন, বিদেশের আইনকে সম্মান করুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বাগতিক দেশগুলোর আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে এবং বৈধ মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে বলেছেন।
দোহায় বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুলে দেয়া এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘কোনও ব্যক্তি যদি (আয়োজক দেশে) অপরাধ করে এবং এইভাবে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে তাহলে তা আর সহ্য করা হবে না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার কয়েক বছর ধরে সার্বক্ষণিক কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে গেছে এবং বিদেশি ভূখণ্ডে কিছু লোকের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, যা অন্যান্য বাংলাদেশিদের কাজের জন্য বিদেশে পাঠানোর সুযোগকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আরও পড়ুন: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাহায্য বাড়ানোর কথা বিবেচনা করুন: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবশ্যই তারা যে দেশে অবস্থান করছে সে দেশের বিদ্যমান আইন ও নিয়ম মেনে চলতে হবে। আমি স্পষ্ট বলেছি যে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে তাদের আমরা বাঁচানোর চেষ্টা করব না।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশি চাকরিপ্রার্থীদের আইনি চ্যানেল ব্যবহার করতে বলেছেন। তিনি আরও বলেন, আমরা আরও বেশি লোককে বিদেশে পাঠানোর সুযোগ হারিয়ে ফেলেছি।
তিনি বলেন, কোনো প্রবাসী বাংলাদেশি বিদেশে অপরাধ করলে তার দায়ভার সরকার নেবে না।
রেমিট্যান্স সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লিগ্যাল চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠান। আমরা আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছি (ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য)।
আরও পড়ুন: অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে বাংলাদেশি কূটনীতিকদের সক্রিয় হতে হবে: দোহায় প্রধানমন্ত্রী
৭৫১ দিন আগে
আমরা বাংলাদেশে মানবাধিকার সমুন্নত রাখি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিবর্তে মানবাধিকার রক্ষা করে।
বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২২ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার মাছ ধরার ছবি নেটিজেনদের মন ছুঁয়েছে
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে না, বরং সুরক্ষা দেয়। আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার নিশ্চিত করে।’
হত্যা ও জোরপূর্বক গুমের বিষয়ে কথা বলার জন্য বিরোধী বিএনপি নেতাদের নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানই (বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা) দেশে জোরপূর্বক গুমের সংস্কৃতি শুরু করেছিলেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর অনেক অফিসার ও সৈন্যকে হত্যার জন্য দায়ী। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে হত্যার পেছনেও তিনি ছিলেন এবং তাদের গুম করেছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, নিহতদের পরিবার ও স্বজনরা কখনো লাশ দেখতে পায়নি। বিএনপি কিভাবে গুম ও হত্যার কথা বলে?
আরও পড়ুন: তথ্য প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ বাড়াতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক
আ. লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের অনেক পরিবর্তন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৮৩৫ দিন আগে