দ. কোরিয়া
মন্ত্রিসভার বৈঠক এড়িয়ে যাওয়ায় দ. কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৭ বছরের জেল
মন্ত্রিসভার বৈঠক এড়িয়ে যাওয়া এবং নিজের গ্রেপ্তার আটকানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ এপ্রিল) সিউলের একটি আপিল আদালত এই রায় দেন।
২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে স্বল্প সময়ের জন্য সামরিক আইন জারি করেন ইয়ল। তার ওই কর্তৃত্ববাদী পদক্ষেপ দক্ষিণ কোরিয়ার গণতন্ত্রকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকটে ফেলেছিল।
এর আগেই অবশ্য তিনি বিদ্রোহ-সংক্রান্ত মামলায় আজীবন কারাদণ্ডের শাস্তি ভোগ করছেন। ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা ও অন্যান্য অভিযোগে পাওয়া এই দণ্ড তার সঙ্গে যুক্ত হলো।
এদিন সিউল হাইকোর্টের বিচারক ইউন সুং-সিক বলেন, সাবেক এই রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট সামরিক আইন জারির আগে আইন অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠক এড়িয়ে যান, সেই ত্রুটি গোপন করতে নথিপত্র জাল করেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করতে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ‘ব্যক্তিগত বাহিনী’র মতো ব্যবহার করেন।
রায় ঘোষণার সময় ইউন নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশটির নিম্ন আদালত ইয়লকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। তবে সামরিক আইন জারির আগে মন্ত্রিসভার বৈঠক-সংক্রান্ত ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ থেকে সে সময় তাকে আংশিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে তখন বলা হয়, বৈঠকে আমন্ত্রিত দুই সদস্যের অনুপস্থিতির জন্য তিনি দায়ী নন। কিন্তু সিউল হাইকোর্ট সেই রায় বাতিল করে তাকে সব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে।
আদালত রায়ে উল্লেখ করে, তিনি শুধু ওই দুই সদস্যের অধিকারই লঙ্ঘন করেননি, বরং মন্ত্রিসভার আরও সাতজন সদস্যকে না জানিয়ে সীমিত কয়েকজনকে নিয়ে একটি বৈঠকের অভিনয় করে আইনি প্রক্রিয়া ভঙ্গ করেছেন।
প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ইয়ল ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর যে সামরিক আইন জারি করেছিলেন, তা দেশটিকে গভীর রাজনৈতিক সংকটে ফেলে দেয়। এটি রাজনীতি ও উচ্চপর্যায়ের কূটনীতিকে অচল করে দেয় এবং দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির করে তোলে। এরপর গত বছরের জুন মাসে আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে উদারপন্থি লি জে মিয়ং জয়ী হওয়ার পর এই অস্থিরতা প্রশমিত হয়।
২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর উদারপন্থি রাজনীতিকদের নেতৃত্বাধীন আইনসভা তাকে অভিশংসনের মাধ্যমে সাময়িকভাবে ক্ষমতা থেকে বরখাস্ত করেন। এরপর ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে সাংবিধানিক আদালত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অপসারণ করেন।
ক্ষমতা থেকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর ইউন সিউলের একটি আদালতের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করার পরোয়ানা মানতে অস্বীকৃতি জানান। এ ঘটনায় দেশটিতে এক ধরনের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারির শুরুতে কয়েকজন তদন্তকারী প্রেসিডেন্টের বাসভবনে পৌঁছালেও প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনী ও যানবাহনের ব্যারিকেডের কারণে তারা বাধাপ্রাপ্ত হন। ওই মাসের শেষের দিকে তাকে আটক করা হয়, তবে মার্চে আরেকটি আদালত তাকে মুক্তি দেয়। পরে জুলাই মাসে আবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর থেকে তিনি হেফাজতেই রয়েছেন। আর তার বিরুদ্ধে চলমান একাধিক ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
১৫ দিন আগে
দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক-ইওলকে গ্রেপ্তার করে তার বাসভবনে তল্লাশির জন্য পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির একটি আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্ত অফিস (সিআইও), জাতীয় তদন্ত অফিস (এনওআই) ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত ইউনিট।
পরোয়ানা জারি হলেও গ্রেপ্তার কার্যকর করার কোনো সময়সূচি নির্ধারণ করে দেয়নি আদালত। তবে দেশটিতে আদালতের এ ধরনের রায় কার্যকর করতে সাধারণত এক সপ্তাহ সময় থাকে।
এই রায়ের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলো।
আরও পড়ুন: গ্রেপ্তারের পর আত্মহত্যার চেষ্টা দ. কোরিয়ার সাবেক প্রতিরক্ষা প্রধানের
যৌথ তদন্ত ইউনিট ইয়ুনকে ১৮, ২৫ ও ২৯ ডিসেম্বর তিনবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে বলে, তবে অভিশংসিত এই প্রেসিডেন্ট ওই সমন গ্রহণ করতে এবং নিজের জন্য প্রতিরক্ষা আইনজীবী নিয়োগের নথি জমা দিতে অস্বীকার করেন। এরপর বিদ্রোহ ও অন্যান্য অভিযোগে সিউলের পশ্চিম জেলা আদালতে ইয়ুনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির আবেদন করে ইউনিট।
পরোয়ানা জারির অনুরোধের কয়েক ঘণ্টা পরই অবশ্য ইয়ুনের পক্ষ থেকে লিখিত মতামত জমা এবং সিউল আদালতে প্রতিরক্ষা আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে।
৪৯৯ দিন আগে
দ. কোরিয়ায় ফুটপাতে গাড়ি চাপা ও ছুরিকাঘাতে ১৩ পথচারী আহত
দক্ষিণ কোরিয়ার সেওংনাম শহরে এক ব্যক্তি গাড়ি চাপা দিয়ে এবং ছুরিকাঘাত করে কমপক্ষে ১৩ জনকে আহত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) শহরের একটি পাতাল রেল স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
দক্ষিণ গিয়াংগি প্রাদেশিক পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা ইউন সুং-হিউন বলেছেন, গাড়ি চাপায় কমপক্ষে ৯ জন এবং ছুরিকাঘাতে আরও চার জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তির গাড়ি প্রথমে ফুটপাথে ধাক্কা খেলে তিনি গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর নিকটস্থ পাতাল রেলস্টেশনে লোকজনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করতে থাকেন। এ সময় অন্তত ১৩ জন আহত হন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের জন্য ৩ মিলিয়ন ডলার মানবিক সহায়তা দেবে দ.কোরিয়া
তবে আহতদের অবস্থা গুরুতর কি না- তা নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
ঘটনাস্থল থেকে আটক অজ্ঞাতনামা সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
দেশটির ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সি জানিয়েছে, তারা আঞ্চলিক পুলিশ প্রধানদের সঙ্গে একটি অনলাইন সভা করবে। সেখানে ছুরিকাঘাত এবং অন্যান্য আক্রমণ মোকাবিলা করার উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গত মাসে রাজধানী সিউলের একটি রাস্তায় এক ব্যক্তি অন্তত চার পথচারীকে ছুরিকাঘাত করে। এদের মধ্যে একজন নিহত হয়।
আরও পড়ুন: দ. কোরিয়ার সমুদ্রতীরবর্তী শহরে দাবানল, পালিয়েছে শত শত মানুষ
দুর্নীতির অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট লিকে বিশেষ ক্ষমা ঘোষণা দ. কোরিয়ার
১০১৫ দিন আগে
চীনা ভ্রমণকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়াল দ. কোরিয়া
চীনে চান্দ্র নববর্ষের ছুটির পর দেশটিতে কোভিড-১৯ এর বিস্তার আরও বাড়তে পারে-এই আশঙ্কায় ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত দেশটি থেকে স্বল্পমেয়াদী ভ্রমণকারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
জানুয়ারির শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়া চীনে তার কনস্যুলেটগুলোতে বেশিরভাগ স্বল্পমেয়াদী ভিসা দেয়া বন্ধ করে দেয়। চীন ডিসেম্বরে হঠাৎ করে করোনাভাইরাস বিধিনিষেধ শিথিল করে এবং নতুন মিউটেশনের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে দেশে ভাইরাসের বৃদ্ধির উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
চীন, হংকং এবং ম্যাকাও থেকে আসা সমস্ত যাত্রীদের তাদের আগমনের ৪৮ ঘন্টা আগে নেতিবাচক পরীক্ষার প্রমাণ জমা দিতে এবং তারা পৌঁছানোর পরে তাদের আবার পরীক্ষা করার জন্য বাধ্যতামূলক করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
মূলত জানুয়ারি মাসের জন্য এই পদক্ষেপগুলো আরোপ করা হয়েছিল। যা দক্ষিণ কোরিয়ার স্বল্পমেয়াদী ভিসা আবেদন স্থগিত করে প্রতিশোধ নিতে চীনকে উসকে দিয়েছিল।
এমন একটি দেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ জাগিয়েছিল যা চীনে রপ্তানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার কোভিড-১৯ প্রতিক্রিয়া নিয়ে একটি বৈঠকের পরে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ চীন থেকে স্বল্পমেয়াদী ভ্রমণকারীদের ওপর করোনভাইরাস নিয়ন্ত্রণের বিধিনিষেধ আরও এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরও পড়ুন: ছবিতে চীনা নববর্ষ
চীনের প্রধান শহরগুলোতে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব ধীর হয়ে যাওয়ার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা এই সপ্তাহে শেষ হওয়া চান্দ্র নববর্ষের ছুটিতে বিশাল সমাবেশ এবং ক্রস-কান্ট্রি ভ্রমণের পরে ভাইরাল পুনরুত্থান নিয়ে উদ্বিগ্ন।
স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, চীনের কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে তা স্পষ্ট হয়ে গেলে বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল করার সম্ভাবনাটি উন্মুক্ত রাখেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এজেন্সির তথ্যানুসারে ২ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার(২৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত চীন থেকে আসা ছয় হাজার ৯০০ স্বল্পমেয়াদী ভ্রমণকারীর প্রায় ১০ শতাংশ বিমানবন্দরে পরীক্ষা করার পর ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়।
বিদ্যমান ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর অনুমতি দেয়ার সময় সরকারি প্রয়োজন, কূটনৈতিক এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং মানবিক কারণ ছাড়া বেশিরভাগ স্বল্পমেয়াদী ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে চীনে অবস্থিত দক্ষিণ কোরিয়ার কনস্যুলেট।
আরও পড়ুন: রাজাকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় থাই যুবকের ২৮ বছরের কারাদণ্ড
১২০৩ দিন আগে
ভাইরাস ইস্যুতে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে দ. কোরিয়ানদের ভিসা স্থগিত করল চীন
দক্ষিণ কোরিয়ায় চীনা ভ্রমণকারীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে দেশটির নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করেছে চীন।
মঙ্গলবার সিউলের চীনা দূতাবাসের অনলাইনে পোস্ট করা একটি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে দক্ষিণ কোরিয়ায় ‘চীনা পর্যটকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা’ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
এতে বিস্তারিত আর কোনও বিবরণ দেয়া হয়নি, যদিও চীন সেই দেশগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে। চীনে ভ্রমণকারীদের জন্য গত ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নেয়া কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক পরীক্ষার ফলাফল দেখাতে হবে।
আরও পড়ুন: করোনাভাইরাস শনাক্ত: ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ৪ চীনা নাগরিক আইসোলেশনে
চীনে প্রবেশকারী ভ্রমণকারীদের জন্য একই ব্যবস্থা প্রয়োজন।
বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে চীনের প্রাদুর্ভাবের অবস্থার তথ্য গোপন রাখার অভিযোগ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে চীন থেকে আগত ভ্রমণকারীদের জন্য কোভিড নেতিবাচক পরীক্ষার শর্তারোপ করেছে।
চীন হঠাৎ করে গত মাসে তার কঠোর মহামারি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তাগুলোকে উল্টে দিয়েছে। এটি বলেছে যে প্রাদুর্ভাবের পরিবর্তনশীল প্রকৃতি ছিল। এটি তিন বছরের লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন এবং গণহারে পরীক্ষার পরে এসেছিল যা বেইজিং এবং অন্যান্য বড় শহরগুলোতে প্রতিবাদের সৃষ্টি করেছিল। যা তিন দশকে দেখা যায়নি।
সবচেয়ে আশাবাদী পূর্বাভাস বলছে যে চীনের ব্যবসা এবং ভোক্তা কার্যকলাপ এই বছরের প্রথম প্রান্তিকের প্রথম দিকে আগের অবস্থায় ফিরতে পারে। তবে এটি হওয়ার আগে, উদ্যোক্তা এবং পরিবারগুলো ভাইরাসের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির কারণে একটি বেদনাদায়ক চাপের সম্মুখীন হয় যা নিয়োগকর্তাদের যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর কর্মী ছাড়াই ফেলেছে এবং সতর্ক গ্রাহকদের শপিংমল, রেস্তোঁরা, হেয়ার সেলুন এবং জিম থেকে দূরে রেখেছে।
পূর্বাভাসকারীরা বলছেন যে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সরকারের আকস্মিক সিদ্ধান্ত যে কারখানাগুলোকে বন্ধ করে দেয় এবং লাখ লাখ মানুষকে ঘরে আটকে রাখে তা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সময়সীমাকে বাড়িয়ে তুলবে। তবে ব্যবসায় খাপ খাইয়ে নেয়ার কারণে এই বছর কর্মকাণ্ড ব্যাহত করতে পারে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ের সঙ্গেই বাংলাদেশ সুসম্পর্ক বজায় রাখছে, কিন্তু বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং: মোমেন
চীনের কোভিড-১৯ নীতির হাজারের অধিক সমালোচকের সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট স্থগিত
১২২০ দিন আগে
ড্রোন নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই ফের ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার
উ.কোরিয়া তার সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনে শনিবার ফের তার পূর্ব জলসীমার দিকে তিনটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী দ. কোরিয়া উত্তরের দিকে নজরদারি বাড়ানোর অংশ হিসেবে একটি রকেট নিক্ষেপ করার একদিন পরেই উ. কোরিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলো।
প্রতিদ্বন্দ্বী দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা এই সপ্তাহের শুরুতে বেড়েছে। কেননা চলতি সপ্তাহে দ. কোরিয়া পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো উ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ সীমান্ত জুড়ে পাঁচটি ড্রোন উড়ানোর অভিযোগ করে এবং উত্তরের দিকে নিজস্ব ড্রোন পাঠিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা শনিবার সকালে উ. কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের দক্ষিণে একটি অন্তর্দেশীয় এলাকা থেকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে।
এতে বলা হয়েছে, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র কোরীয় উপদ্বীপ ও জাপানের মধ্যবর্তী জলসীমায় অবতরণ করার আগে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার (২২০ মাইল) ভ্রমণ করেছে। আনুমানিক পরিসীমা দেখে বোঝা যায় যে দক্ষিণ কোরিয়াকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: উ. কোরিয়ার ড্রোন সীমান্ত অতিক্রমের পর দ. কোরিয়ার সতর্কীকরণ গুলি
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এই উৎক্ষেপণকে ‘গুরুতর উস্কানি’ বলে অভিহিত করেছেন, যা আন্তর্জাতিক শান্তিকে ক্ষুণ্ন করে।
এতে বলা হয়েছে, দ. কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে উ. কোরিয়ার গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং উ. কোরিয়ার যেকোনো উসকানিকে ‘অপ্রতিরোধ্যভাবে’ প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড বলেছে, এইসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার মধ্য দিয়ে বেআইনিভাবে উ. কোরিয়ার অস্ত্র কর্মসূচির ‘অস্থিতিশীল প্রভাব’ ফুটে উঠেছে এবং এতে দ. কোরিয়া ও জাপানের নিরাপত্তা রক্ষায় মার্কিন প্রতিশ্রুতি ‘আরও দৃঢ় করেছে।’
এর আগে শনিবার জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও উ. কোরিয়ার সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা জানিয়েছে।
দ.কোরিয়া কর্তৃপক্ষ উ. কোরিয়ার ড্রোনগুলো শনাক্ত করারর পাঁচদিন পরেই এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়।
সোমবার দ.কোরিয়ার সামরিক বাহিনী বেশ কিছু যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার পাঠায়, তবে তারা উ. কোরিয়ার কোনও ড্রোনকে গুলি করতে ব্যর্থ হয়।
এসময় উ. কোরিয়ার একটি ড্রোন উত্তর সিউল পর্যন্ত চলে আসে। এতে দ. কোরিয়ার জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল, যেজন্য মঙ্গলবার সামরিক বাহিনী জনসাধারণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিল।
উ.কোরিয়ার উস্কানির বিরুদ্ধে উপযুক্ত জবাব দিতে দ.কোরিয়া সোমবার সীমান্তজুড়ে তিনটি নজরদারি ড্রোন উড়িয়েছে।
এছাড়া দ. কোরিয়া বৃহস্পতিবার ড্রোন ভূপাতিত করার অনুকরণে বড় আকারের সামরিক মহড়া করেছে।
দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল তার দেশের বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এবং উ. কোরিয়ার উস্কানিকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করার অঙ্গীকার করেছেন।
আরও পড়ুন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দ. কোরিয়া মহড়ার পর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার
মে মাসে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ইউনের সরকার উ. কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক হুমকির মুখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিয়মিত সামরিক মহড়া বৃদ্ধি করেছে।
উ.কোরিয়া তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে এই ধরনের মহড়াকে আক্রমণের মহড়া বলে অভিহিত করেছে এবং যুক্তি দিয়েছে যে তার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা প্রতিদ্বন্দ্বীদের কর্মকাণ্ডের পাল্টা প্রতিক্রিয়া।
তবে কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, উ.কোরিয়া ব্যবহার করছে দ.কোরিয়া-ইউএস প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রাগারের আধুনিকীকরণকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে। উ.কোরিয়া মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভবিষ্যতের লেনদেনে এর পরিসর বাড়াতে চাইছে।
শনিবারের ঘটনার আগে চলতি বছর উ. কোরিয়া ইতোমধ্যে ৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে। তাদের মধ্যে অনেকগুলি ছিল পরমাণু-সক্ষম অস্ত্র, যা মার্কিন মূল ভূখণ্ড এবং তার মিত্র দ. কোরিয়া ও জাপানকে আক্রমণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।
শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়া একটি সলিড-ফুয়েলড রকেট উৎক্ষেপণ করেছে। এটি আগামীতে দ. কোরিয়ার প্রথম গুপ্তচর উপগ্রহটিকে কক্ষপথে স্থাপনে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২২ সালের মার্চ মাসে দ.কোরিয়া একটি সলিড-ফুয়েলড রকেটের প্রথম সফল উৎক্ষেপণ করে এবং দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলেছিলেন যে শুক্রবারের উৎক্ষেপণটি আগের উৎক্ষেপণের ফলোআপ পরীক্ষা ছিল।
দ. কোরিয়ার বর্তমানে নিজস্ব কোনো সামরিক পর্যবেক্ষক উপগ্রহ নেই এবং তারা উ. কোরিয়ার কৌশলগত অবস্থান পর্যবেক্ষণের জন্য মার্কিন গুপ্তচর উপগ্রহের ওপর নির্ভর করে।
উ. কোরিয়াও তার প্রথম সামরিক নজরদারি উপগ্রহ অর্জনের জন্য জোর দিচ্ছে।
এই মাসের শুরুর দিকে উ. কোরিয়া বলেছিল যে এটি একটি ক্যামেরা এবং একটি গুপ্তচর উপগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সিস্টেমগুলো পরীক্ষা করার জন্য মহাকাশ উৎক্ষেপণের যান হিসেবে দুটি পুরানো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং পরে দ. কোরিয়ার শহরগুলো দেখানো কম-রেজোলিউশন স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: সিউলে হ্যালোইন উৎসবে পদদলিত হয়ে নিহত অন্তত ১৫১
১২৩০ দিন আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দ. কোরিয়া মহড়ার পর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার
উত্তর কোরিয়া শুক্রবার তার পূর্ব জলসীমার দিকে দুটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ যুদ্ধবিমান মহড়ার পর এটিই উ. কোরিয়ার সর্বশেষ শক্তি প্রদর্শন।
দ. কোরিয়ার সামরিক বাহিনী শুক্রবার বিকাল ৪টা ৩২ মিনিটে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী থেকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে।
উত্তর কোরিয়া এই বছর অনেক বেশি সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ এটিকে ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা (উ. কোরিয়ার ওপর থেকে) তুলে নেয়ার জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের চাপ দেয়ার জন্য তার অস্ত্রের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।
সম্প্রতি উ. কোরিয়া তার প্রথম ‘গুপ্তচর উপগ্রহ’ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম আরও ভ্রম্যমাণ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় বড় পরীক্ষাগুলো করার দাবি করেছে।
শুক্রবার, জাপান বলেছে যে তারা উত্তর কোরিয়ার অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পেরেছে।
আরও পড়ুন: উত্তর কোরিয়ার দূরপাল্লার মিসাইল পরীক্ষা
তবে উত্তর কোরিয়া ঠিক কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোরীয় উপদ্বীপ এবং জাপানের মধ্যবর্তী জলসীমায় পড়ার আগে যথাক্রমে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল) এবং ৩৫০ কিলোমিটার (২২০ মাইল) অতিক্রম করেছে।
জাপানের উপপ্রতিরক্ষা মন্ত্রী তোশিরো ইনো বলেছেন যে জাপানের শনাক্ত করা ক্ষেপণাস্ত্রটি সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) উচ্চতা দিয়ে ৩০০ কিলোমিটার (180 মাইল) পথ পাড়ি দিয়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটিতে একটি ‘অনিয়মিত’ আবিস্কার সম্পর্কে জানাতে পারে। এটি উ. কোরিয়ার ইল্লেখিত অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন পারমাণবিক সক্ষম কেএন-২৩ হতে পারে, যা রাশিয়ার ‘ইস্কান্দার’ ক্ষেপণাস্ত্রের আদলে তৈরি করা হয়েছিল।
দ.কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এই উৎক্ষেপণকে ‘একটি গুরুতর উস্কানি’ বলে অভিহিত করেছে যা আন্তর্জাতিক শান্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
দ.কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে উ. কোরিয়ার পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
ইনো উত্তর কোরিয়াকে বারবার অস্ত্র পরীক্ষার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যভাবে উত্তেজনা বাড়ানোর ব্যাপারে অভিযুক্ত করেছে।
এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ গত মঙ্গলবার কোরীয় উপদ্বীপের কাছে মার্কিন-দ. কোরিয়ার বিমান সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ও দ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে পরমাণু ব্যবহারের হুমকি কিমের
কারণ উ. কোরিয়া এর আগেও বলেছে যে গত মাসগুলোতে তার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম মূলত তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের তার আগে করা সম্মিলিত মহড়ার সতর্কতা হিসাবে করা হয়েছিল।
যদিও ওয়াশিংটন ও সিউল বলেছে যে তাদের মহড়াগুলো প্রতিরক্ষামূলক প্রকৃতির, কিন্তু উত্তর কোরিয়া সেগুলোকে আক্রমণের অনুশীলন বলে অভিযুক্ত করে।
সর্বশেষ মার্কিন-দক্ষিণ কোরিয়ার মহড়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বি-৫২ পারমাণবিক-সক্ষম বোমারু বিমান এবং এফ-২২ স্টিলথ ফাইটার জেট এবং দ. কোরিয়ার অন্যান্য উন্নত যুদ্ধবিমান ড্র করা হয়েছে।
দ.কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, পারমাণবিকসহ সমস্ত সম্ভাব্য সামরিক সক্ষমতা নিয়ে তার এশিয়ান মিত্রকে রক্ষা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি বাড়ানোর বিষয়ে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির অংশ ছিল এই প্রশিক্ষণ।
দ.কোরিয়ার প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলেছেন, দ. কোরিয়ার বিমান বাহিনীর সঙ্গে এই সপ্তাহে আরও যৌথ মহড়ার জন্য এফ-২২ জেটগুলো দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকার কথা ছিল।
তারা আরও জানিয়েছে, কিন্তু মার্কিন বিমানগুরো অবশেষে আবহাওয়ার কারণে জাপানে তাদের ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে।
অন্যদিকে উ.কোরিয়া বলেছে যে সামরিক শক্তি শনাক্তকারী তার প্রথম উপগ্রহ স্থাপনের জন্য রবিবার ক্যামেরা ও অন্যান্য সিস্টেম পরীক্ষা করার জন্য উৎক্ষেপণ বাহন হিসেবে তার পুরানো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করার পরে এই বিমান মহড়া করেছে তারা (মার্কিন-দ.কোরিয়া)।
উ. কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মিডিয়া মহাকাশ থেকে দেখা দক্ষিণ কোরিয়ার শহরগুলোর কম-রেজোলিউশনের ছবিও প্রকাশ করেছে।
উ. প্রধান কিম ইয়ো জং দ. কোরিয়ার মূল্যায়নকে উপহাস করে বলেছেন, উ. কোরিয়ার এখনও জীবিত।
এর আগে দ. কোরিযা বলেছিল আইসিবিএম অর্জনে উ. কোরিয়ার এখনও প্রযুক্তিগত বাধা রয়েছে।
আরও পড়ুন: আবারও ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করল উত্তর কোরিয়া
১২৩৮ দিন আগে