মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন
জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে: রাষ্ট্রপতি
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়বোধ ও স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের অসামান্য অবদানকে সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে শহিদ হন। এ বেদনাবিধুর দিনে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার অসামান্য অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিহাসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক অবিস্মরণীয় নাম। মহান মুক্তিযুদ্ধের ঊষালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান এবং তার স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে আলোর পথ দেখায়। তার আহ্বানে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব, রণকৌশল ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।
বাণীতে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা, নাগরিক ও বাকস্বাধীনতা হরণ, নৈরাজ্য, দুর্নীতি ও লুটপাটে রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হলে এক সংকটময় সময়ে দেশের দায়িত্বভার জিয়াউর রহমানের ওপর অর্পিত হয়। জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তার ভূমিকা ছিল ত্রাতার ও উদ্ধারকর্তার। তার সফল নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সর্বদা আলোর পথ দেখাবে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বহুমুখী পরিকল্পনা ও যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা। কৃষি উন্নয়ন, খাল খনন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবার পরিকল্পনা, গ্রাম সরকার, গ্রামীণ উন্নয়ন, গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি জনগণকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেন। যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশুদের বিকাশ এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারেও তার অবদান অবিস্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
বাণীতে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে জিয়াউর রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুসলিম বিশ্ব, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্মানজনক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনিই প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেন, যার ফলে আজ প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহিদ জিয়ার সক্রিয় উদ্যোগের ফলেই পরবর্তীকালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। অল্প সময়ের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও তিনি গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন, যা আজও সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়কের পরিচয় জনগণের মণিকোঠায় চিরজাগরুক থাকবে। তার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা এবং স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম প্রার্থনা করেন।
৮ দিন আগে
সংসদ অধিবেশন বসছে ২২ অক্টোবর
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। রবিবার (২২ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় এ অধিবেশন শুরু হবে।
এর আগে ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একাদশ জাতীয় সংসদের ২৫তম অধিবেশন আহ্বান করেন।
আরও পড়ুন: জরুরি ভিত্তিতে অবৈধ বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
গত ১৪ সেপ্টেম্বর ৯টি অধিবেশনের পর চলতি সংসদের ২৪তম অধিবেশন স্থগিত করা হয়।
২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারির আগে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন করতে হবে।
আরও পড়ুন: জরুরি ভিত্তিতে অবৈধ বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
কপ-২৮ এর আগেই জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
৯৬০ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯তম ভিসি অধ্যাপক মাকসুদ কামাল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২৯তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।
রবিবার (১৫ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপক বিভাগের অধ্যাপক মাকসুদ কামালকে অস্থায়ীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পরবর্তী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে এই নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
বর্তমান ভিসি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৪ নভেম্বর থেকে তিনি দায়িত্ব নেবেন।
প্রফেসর মাকসুদ কামাল ২০২০ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সকল স্তরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দুর্যোগ বিজ্ঞান এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান (২০১২-২০১৭) ছিলেন, যা এখন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপক বিভাগ হিসেবে পরিচিত।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের ভূমিকা গ্রহণের আগে তিনি ২০১২ সাল থেকে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন (চারবার নির্বাচিত) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: জাবি’র নতুন ভিসি প্রফেসর নূরুল আলম
ডিন থাকাকালীন তিনি আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি দুই মেয়াদে (২০১৩-২০১৮) মাস্টার দা সুর্যসেন হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কামাল চার মেয়াদে (২০১৭-২০২০) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এবং তিন মেয়াদে (২০১৪-২০১৬) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও মহাসচিব (২০১৫-২০১৬) হিসেবে তিন মেয়াদে (২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৯-২০২০) দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে অবদান রেখে আসছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
অধ্যাপক মাকসুদ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে ১৯৮৭ সালে স্নাতক ডিগ্রি নেন।
১৯৮৮ সালে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনভায়রনমেন্টাল জিওলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। ১৯৮৮ সালে দশ বছর পর, তিনি ইউনিভার্সিটি অব টুয়েন্টি থেকে অ্যাপ্লায়েড জিওমরফোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং জিওলজিতে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন এবং ২০০৪ সালে তিনি জাপানের টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে বিল্ট এনভায়রনমেন্টের উপর ডক্টরেট ডিগ্রি (ডক্টর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং) নেন।
আরও পড়ুন: কুয়েট ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. মিহির রঞ্জন
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন এর নতুন ভিসি রুবানা হক
৯৬৬ দিন আগে
তথ্য কমিশনকে আরটিআই আইন বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
জনগণের তথ্যে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তথ্য অধিকার আইন (আরটিআই) বাস্তবায়নে তথ্য কমিশন বাংলাদেশকে (আইসিবি) আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন ইউএনবিকে জানান, আইসিবি’র প্রধান তথ্য কমিশনার ড. আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২২ পেশ করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য কমিশনার- শহিদুল আলম ঝিনুক ও মাসুদা ভাট্টি এবং তথ্য কমিশন সচিব জুবাইদা নাসরিন।
বৈঠকে প্রধান তথ্য কমিশনার আইসিবি’র সার্বিক কার্যক্রম; বিশেষ করে জনগণের কাছে তথ্য সরবরাহের বিষয়ে অবহিত করেন।
এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নসহ কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।
আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকুন: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ জনকল্যাণ নিশ্চিত করে এবং দুর্নীতি দমন করে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরটিআই আইন ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা গেলে সমাজ থেকে দুর্নীতি কমবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতি আরটিআই আইনের ব্যবহার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেন। যাতে তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ আইনটির সঠিক ব্যবহার ও প্রয়োগ সম্পর্কে জানতে পারে।
এছাড়া প্রশাসন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে আরটিআই আইনের বাস্তবায়ন বাড়াতে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
এসময় রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভিয়েতনামের বিনিয়োগ চান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর বিদায়ী সাক্ষাৎ
৯৮৭ দিন আগে
বঙ্গবন্ধুর বাণী ছড়িয়ে দিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করুন: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
তৎকালীন কলকাতা দাঙ্গার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, শৈশব থেকে ছাত্রজীবন পর্যন্ত অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে যে বঙ্গবন্ধু একজন অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘জাতির পিতাকে নিয়ে আমি গর্বিত। তার উপস্থিতিতে ছয়বার থাকার সৌভাগ্য আমার হয়েছে- স্বাধীনতার আগে দুবার এবং স্বাধীনতার পর চারবার।
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার শেষ দেখা হয় ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে। বঙ্গবন্ধু আমাকে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের (বাকশাল) পাবনা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন।’
‘মুজিব ভাই’ অ্যানিমেশন মুভিকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ থেকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ রূপান্তরের প্রয়াস হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মুভিটির পরিচালক, প্রযোজকসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
আইসিটি বিভাগ প্রযোজিত অ্যানিমেশন মুভি 'মুজিব ভাই' বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম এবং দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হবে বলে রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জাভেদ তানভীর
অ্যানিমেশন হলো একটি মজার এবং শক্তিশালী মাধ্যম, যা কার্টুন, ফিল্ম ও গেমিং শিল্পে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
অ্যানিমেশনে বিষয়বস্তুর কল্পনাপ্রসূত চিত্র, বিশেষ ইফেক্ট, আলো, সঙ্গীত ও ভয়েস ওভার ব্যবহার করে গল্প বলা হয়।
এটি বিজ্ঞান, শিল্প, কৌতুক, সাহিত্য, সঙ্গীত এবং আরও অনেক কিছুর একটি সমন্বিত সৃষ্টি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মুজিব ভাই’ চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর জীবনযাত্রা, সংগ্রাম ও দেশবাসীর প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা ও মর্মস্পর্শী প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও আইসিটি বিভাগের সচিব, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির দোয়ার আয়োজন
তথ্য-প্রযুক্তিসহ পেশাগত প্রশিক্ষণ দিয়ে বিচারকদের দক্ষ করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
১০১৫ দিন আগে
স্কাউটদের আইসিটিসহ আধুনিক প্রশিক্ষণ দিতে নেতৃবৃন্দের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান
স্কাউটদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
রবিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে বঙ্গভবনে দেশের প্রধান স্কাউট হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান এবং স্কাউট ব্যাজ পরিয়ে দেন।
বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে স্কাউট স্কার্ফ পড়িয়ে দেন।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে স্কাউটদের ভূমিকার প্রশংসা করে সাহাবুদ্দিন বলেন, দেশের যেকোনো প্রয়োজনে তারা যাতে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারে। তাই তাদের তথ্যপ্রযুক্তিসহ উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
এ বিষয়ে স্কাউট নেতাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেন রাষ্ট্রপতি।
আরও পড়ুন: প্রধান স্কাউট হিসেবে শপথ নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
স্কাউট কার্যক্রমে শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে নীতি ও নৈতিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্কাউটিং ছেলে ও মেয়েদের আদর্শিক ভিত্তি তৈরিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে দেশে স্কাউট আন্দোলনের সূচনা করেন। এই আন্দোলন এখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়তে প্রতিটি স্তরে নেতৃত্বের বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শপথ অনুষ্ঠানের পর বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ ও প্রধান জাতীয় কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ স্কাউটসের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
এসময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সম্পাদক সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন, সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান স্কাউটস নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বদ্ধপরিকর: রাষ্ট্রপতি
ভিভিআইপিদের সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন করবেন না: পিজিআরকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
১০৫৬ দিন আগে
প্রধান স্কাউট হিসেবে শপথ নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন প্রধান স্কাউট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রবিবার দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান এবং স্কাউট ব্যাজ পরিয়ে দেন।
এছাড়াও রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে স্বাতন্ত্র্যসূচক স্কাউট স্কার্ফ পড়িয়ে দেন বাংলাদেশ স্কাউটস সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ।
পরে বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি ও প্রধান জাতীয় কমিশনার বাংলাদেশ স্কাউটসের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে অবহিত করেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন, সংযুক্ত সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খানসহ স্কাউটস নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বদ্ধপরিকর: রাষ্ট্রপতি
ভিভিআইপিদের সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন করবেন না: পিজিআরকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ভিয়েতনামের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের
১০৫৭ দিন আগে
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও সংগঠকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী বুলবুল মহলানবীশ এবং রেডিও স্টেশনটির সংগঠক আশফাকুর রহমান খানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, একই দিনে দুই বরেণ্য শিল্পীর মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক অপূরণীয় ক্ষতি। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের অসামান্য অবদান জাতি কখনো ভুলবে না।
আরও পড়ুন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী বুলবুল মহলানবীশ আর নেই
সাহাবুদ্দিন মরহুমদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে রেডিওতে প্রচারিত ‘বিজয় নিশান উড়ছে ওই’ গানটিতে অংশ নিয়েছিলেন বুলবুল।
অন্যদিকে, আশফাকুর যুদ্ধের সময় গোপন রেডিও স্টেশনে প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও সংগঠকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
১০৫৮ দিন আগে
হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
সৌদি বাদশাহর রাজকীয় অতিথি হিসেবে পবিত্র হজ পালন শেষে সোমবার সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি বিমান সোমবার ভোরে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, কূটনৈতিক কোরের ডিন, তিন বাহিনীর প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।
আরও পড়ুন: হজ সফরে জেদ্দায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি সৌদি আরবে অবস্থানকালে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারকে জিয়ারত করেন।
সাহাবুদ্দিনকে মদিনার প্রিন্স মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মদিনার ডেপুটি গভর্নর ওহাইব আল শেহলি, মদিনার রয়্যাল প্রটোকলের প্রধান ইব্রাহিম আল বারী এবং সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী বিদায় জানান।
২৩ জুন তিনি সৌদি আরব চলে যান।
আরও পড়ুন: হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের সময় জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
১০৬৯ দিন আগে
হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
পবিত্র হজ পালনের জন্য ১০ দিনের সফরে শুক্রবার সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন ইউএনবিকে জানিয়েছেন, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সৌদি সরকারের রাজকীয় অতিথি হিসেবে হজ পালন করবেন।
তিনি দুপুর আড়াইটায় হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার স্ত্রী রেবেকা সুলতানা এবং সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে যাত্রা করেন।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, বঙ্গভবন সচিব এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: ভিয়েতনামের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের
সাহাবুদ্দিন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স বদর বিন সুলতান বিন আব্দুল আজিজ, কেএসএ-তে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তারা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় (বাংলাদেশ সময়) জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানাবেন।
সূচি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধান মক্কার আল সাফা রাজপ্রাসাদে অবস্থান করবেন।
হজের যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর রাষ্ট্রপতি ১ জুলাই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মাজার জিয়ারতের জন্য মদিনায় যাবেন।
২ জুলাই মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার।
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি
উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের সময় জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
১০৮০ দিন আগে