জাতীয় ঈদগাহ
জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ওই জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নারীসহ ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। নামাজে অংশগ্রহণ করা মুসল্লিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারবেন।
তবে আবহাওয়ার কারণে ঈদগাহ ময়দান নামাজ আদায়ের অবস্থায় না থাকলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদ জামাতের আয়োজন করেছে ঢাকা সিটি করপোরেশন। এ উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন করেন।
৭ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক জাতীয় ঈদগাহে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী।
এছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদের জামাত সকাল ৭টা, সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টা ও বেলা পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম জামাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান, দ্বিতীয় জামাতে বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, তৃতীয় জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন, চতুর্থ জামাতে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় বিকল্প ইমাম হিসেবে থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম।
৮ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রধান উপদেষ্টা
জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় নামাজ শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও নামাজ আদায় করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানসহ অনেকে।
নামাজে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। জামাতে অংশ নিতে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটের দিকে প্রধান উপদেষ্টা ঈদগাহ মাঠে আসেন।
আরও পড়ুন: সারা দেশে আজ পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা
এর আগে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আসুন আমরা পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের শিক্ষা ধারণ করি এবং জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর বৈষম্যমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’
এ সময় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাঁর দেশবাসী এবং বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের ধারাবাহিক সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন তিনি।
২৯২ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
এক মাস সিয়াম সাধনার পর সাম্য-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বার্তা নিয়ে আবার এসেছে খুশির ঈদ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। এছাড়া মোকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
জাতীয় ঈদগাহে এবার প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির ঈদের নামাজের জন্য স্থান প্রস্তুত করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেন। তার সঙ্গে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
এদিন সকাল থেকেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে জড়ো হতে থাকেন মুসল্লিরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ময়দানজুড়ে ছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
নামাজ শেষে মোনাজাতের আগে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য দেন। এ সময়ে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সবা সব বাংলাদেশিকে ঈদ মোবারক জানিয়ে তিনি ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের পর দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
৩৬০ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রধান উপদেষ্টা
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রবিবার (৩০ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল (১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন।
এছাড়া, ঈদের দিন বিকাল ৪টায় তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তিনি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলেও জানান তিনি।
৩৬১ দিন আগে
জাতীয় ঈদগাহে ঢাকাবাসীকে অভ্যর্থনা জানাতে আমরা প্রস্তুত: শেখ তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস জানিয়েছেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাতে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনীতিকসহ অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং ঢাকাবাসীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, রাষ্ট্রপতি আমাদের সঙ্গে ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, সচিব, কূটনীতিকসহ ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করবেন। ঢাকাবাসী ও সাধারণ মুসল্লিরা সবার জন্য সুষ্ঠু আয়োজন করা হয়েছে। ওজুখানাসহ মহিলাদের জন্য আলাদা পথ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী জনগণের আইনজীবী ছিলেন: শেখ তাপস
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাতের সার্বিক প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, পর্যাপ্ত খাবার পানির ব্যবস্থা রেখেছি। যাতে করে এই ভ্যাপসা গরমে কেউ যেন কষ্ট না পান। সবদিক বিবেচনা করে হঠাৎ করে ঝড় বৃষ্টি হলে যাতে পানি জমতে না পারে, বা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত না হতে পারে, তাই পুরোটাই আমরা ত্রিপল দিয়েছি এবং পর্যাপ্ত পাখা (স্ট্যান্ড ফ্যান) ও চিকিৎসা সহযোগিতার ব্যবস্থাও রেখেছি। গতবারের তুলনায় এবার স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র বেশি রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকও বেশি রাখা হয়েছে। কারণ, যে তীব্র তাবদাহ চলছে, তাতে কেউ অসুস্থ হলে যেন সেবা দেওয়া যায়, সেজন্য সিভিল সার্জন অফিসসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আলাদা স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছে। আর যেহেতু রাষ্ট্রপতি আসবেন, তাই এসএসএফসহ আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে।
শেখ তাপস বলেন, আমরা আশাবাদী, একটি সুন্দর-সুষ্ঠু পরিবেশে ব্যাপক মুসল্লির অংশ্রগহণে আমরা ঈদের মূল জামাতের আয়োজন করতে পারছি। সুতরাং, আমরা পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছি।
এছাড়া জাতীয় ঈদগাহে সবাইকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে আমরা অপেক্ষায় আছি।
আরও পড়ুন: ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে
এডিস নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে: শেখ তাপস
১০৭০ দিন আগে