প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ঈদের ছুটিতেও মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু থাকবে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ঈদের ছুটিতেও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সচল রাখছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশের একটি কপি আজ (বুধবার) ইউএনবির হাতে এসেছে।
মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব রোজলিন শহীদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ মার্চ পর্যন্ত সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রম চালু থাকবে। তিনটি শিফটে ২০ জন কর্মকর্তা ও ২৪ জন কর্মচারী পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপিত হয়েছে প্রবাসী কল সেন্টার, লিফট-৭, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ইস্কাটন, ঢাকায়। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইন নম্বর হলো: দেশ থেকে ১৬১৩৫ এবং বিদেশ থেকে +৮৮০৯৬১০১০২০৩০।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকবেন ওয়েজ আর্নারস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, আর ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-১ শাখার উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা প্রয়োজনে বিদেশস্থ শ্রমকল্যাণ উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন এবং তথ্যাদি ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দেবেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১০ মার্চ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ কার্যক্রম চালু রয়েছে। ঈদের ছুটিতেও প্রবাসীদের সেবা অব্যাহত রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় হতে সোমবার (৯ মার্চ) জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার থেকে আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু থাকবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রবাসী কল সেন্টার, লিফট-৭, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ইস্কাটন, ঢাকা—এই ঠিকানায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য কোনো বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী মন্ত্রণালয়ের হটলাইন নম্বর +৮৮০৯৬১০১০২০৩০-এ সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারবেন।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া নিয়ন্ত্রণকক্ষের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-১ শাখার উপসচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল নিয়ন্ত্রণকক্ষের প্রধান কেন্দ্র কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়াও অফিস আদেশে কার্যপরিধি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আজ (মঙ্গলবার) থেকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে বিদেশস্থ শ্রমকল্যাণ উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
৮ দিন আগে
সুদানফেরতদের পুনর্বাসনে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের
সুদানে সাম্প্রতিক গৃহযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার সুদান থেকে ৭ শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশিকে নিরাপদে ফেরত আনার ব্যবস্থা করেছে।
সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রত্যাবর্তনকারী বাংলাদেশি কর্মীদের আর্থ-সামাজিক পুনর্বাসনের বিষয়ে আলোচনার জন্য এক সভায় সভাপতিত্ব করেন।
এতে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সুদান থেকে জেদ্দা হয়ে দেশে ফিরেছেন ৫১ প্রবাসী বাংলাদেশি
সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:
ক) যেসকল কর্মী দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আগ্রহী তাদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে তিন লাখ টাকা, সহ-জামানতে পাঁচ লাখ টাকা এবং জামানতসহ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ ঋণ দেওয়া হবে।
খ) সুদানফেরত যেসব কর্মী পুনরায় বিদেশ যেতে চান, প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসাপেক্ষে তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের পছন্দের দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হবে।
বিশেষ করে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অন্য যেসব দেশে কর্মী পাঠায়, সেখানে অগ্রাধিকারভিত্তিতে তাদের নেওয়া হবে।
গ) আগ্রহী কর্মীদের বিনামূল্যে দক্ষতা উন্নয়ন/উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ/কাউন্সেলিং সেবা দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগসমূহ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য সুদানফেরত কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে একটি ডাটাবেস তৈরি করা হবে।
এ বিষয়ে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড/সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের (ডিএমও) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ প্রত্যাগত কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
এ ব্যাপারে সুদানফেরত সকলকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন মন্ত্রী।
উল্লেখ্য, বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রত্যাগত কর্মীদের সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে (ডিএমও) যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
ডিএমও-এর ঠিকানা www.bmet.gov.bd-তে পাওয়া যাবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খায়রুল আলম, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’র মহাপরিচালক মো. শহিদুল আলম এনডিসি, বোয়েসেল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঞা, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান প্রমুখ।
আরও পড়ুন: সুদান থেকে ৫৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে
সুদান থেকে দেশে ফিরলেন আরও ২৬২ বাংলাদেশি
১০৩৮ দিন আগে