পোশাকশ্রমিক
ডিসেম্বরে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি কার্যকর, বাড়তি বেতন জানুয়ারি থেকে
পোশাকশ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো আগামী ডিসেম্বরে কার্যকর হবে। আর ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে শ্রমিকরা বাড়তি বেতন হাতে পাবেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য পুনর্গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে এ সময়সূচি জানানো হয়।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে সভা শেষে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এ বি এম শামছুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার যৌথভাবে এ ঘোষণা দেন।
নবনিযুক্ত বোর্ড চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানী সভায় সভাপতিত্ব করেন।
পোশাক খাতে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও মজুরি বাড়ানোর দাবিতে ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মধ্যে পুনর্গঠিত বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হলো।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে সৈয়দ আজাদ সুবহানী বলেন, পরবর্তী সভায় মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ মজুরি প্রস্তাব জমা দেবেন।
বোর্ডের নিরপেক্ষ সদস্য একটি প্রস্তাব জমা দেবেন বলেও জানান চেয়ারম্যান। এরপর প্রস্তাবিত মজুরির হার নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।
এর আগে গত রবিবার প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সরকার পোশাকশ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে বোর্ডের নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে যথাক্রমে মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিনিধি করা হয়েছে।
একই দিনে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক এ বি এম শামছুদ্দিন এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারকে যথাক্রমে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের খাতভিত্তিক প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
পরে বুধবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান শেখ আশফাকুর রহমানকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে বদলি করে। একই সঙ্গে সৈয়দ আজাদ সুবহানীকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বদলির কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে তৈরি পোশাক খাতের পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
বৈঠক শেষে দেশের প্রধান জাতীয় দৈনিকগুলোর সম্পাদকদের মাহমুদ হাসান খান বলেন, মজুরি বোর্ডের সময়সূচি দ্রুত ঘোষণা করা হলে পোশাকশ্রমিকরা আশ্বস্ত হবেন এবং এ খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও কাঠেরপুল এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলনে নেমেছেন তারা।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত আন্দোলনরত শ্রমিকরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত অস্থিরতার অপচেষ্টা চলতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, শুধু ডিসেম্বর নয়, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছে সরকার।
তিনি আরও বলেন, যেকোনো মূল্যে এ ধরনের অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা হবে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি সাধারণত পাঁচ বছর পরপর পুনর্নির্ধারণ করা হতো। সর্বশেষ ২০২৩ সালে মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই হিসাবে ২০২৬ সালে নতুন করে মজুরি বোর্ড গঠনের কথা ছিল না।
অতীতের মজুরি পুনর্নির্ধারণের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০৬, ২০১০, ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এবার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনায় নির্ধারিত সময়ের আগেই মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার।
ডা. জাহেদ বলেন, মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে পোশাকশ্রমিকদের জীবন কঠিন হয়ে উঠছে। সরকার এ বাস্তবতা অস্বীকার করছে না। শ্রমিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই নির্ধারিত সময়ের আগে মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরও যেভাবে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনের মধ্যে সহিংসতা ও নাশকতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, কিছু মানুষের মধ্যে যে ধরনের সহিংস আচরণ দেখা গেছে, তা কোনোভাবেই প্রকৃত পোশাকশ্রমিকদের আচরণ হতে পারে না বলে তিনি মনে করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে উপদেষ্টা বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব ঘটনার সঙ্গে সীমান্তের ওপারের সংশ্লিষ্টতার কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সক্ষমতা না থাকলেও দলটির কাছে থাকা বিপুল অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা থাকতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পথ তৈরি করতে এসব অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, বিষয়টি শুধু ডিসেম্বরকেন্দ্রিক নয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত এ ধরনের চেষ্টা চলতে পারে বলে সরকার মনে করে।
তিনি আরও বলেন, ‘এটা ডিসেম্বর না। এটা পুরো সময়, যতদিন উনি বেঁচে আছেন, উনার এই চেষ্টা চলবে বলে আমরা মনে করি এবং আমরা এটাকে প্রতিহত করব।’
এ প্রসঙ্গে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম দিনে শেখ হাসিনার দেওয়া একটি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ওই সময় নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন, এই সরকারকে এক দিনও শান্তিতে থাকতে দেবেন না। সেই মানসিকতার প্রতিফলন এখনও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে বহিরাগত, কিশোর ও তরুণদের অংশগ্রহণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অস্থিরতা মোকাবিলায় সরকার আগের মতো দমন-পীড়নের পথ অনুসরণ করতে চায় না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইন মেনে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী আনুপাতিক হারে বল প্রয়োগ করতে হবে।
পুলিশের বলপ্রয়োগ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পুলিশ কখনোই হাসিনার আমলের পুলিশের মতো হবে না। নাগরিক হিসেবে তিনি মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বল প্রয়োগের আইনি অধিকার রয়েছে। তবে তা অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে এবং আনুপাতিক হতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোথাও কোথাও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বল প্রয়োগের ঘটনা দেখা গেছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকারে থাকা অবস্থায় নয়, নাগরিক হিসেবেও তিনি বিষয়টি বলছেন। সরকার চায়, অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ভয় ও ক্ষয়ক্ষতি যেন যতটা সম্ভব কম হয়।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে কারা যুক্ত হচ্ছেন এবং কীভাবে এসব ঘটনা ঘটছে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তবে সরকার এমনভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চায়, যাতে জনগণের ওপর এর প্রভাব কম পড়ে।
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন দ্রুত শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করে ডা. জাহেদ বলেন, শুরুতে শ্রমিকদের কিছু ন্যায্য দাবি ছিল। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করায় শ্রমিকদের বিষয়টি বোঝানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। শ্রমিকরা আন্দোলন থেকে সরে এলে তাদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অন্য কারও পক্ষে অস্থিরতা সৃষ্টি করা কঠিন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
গাজীপুরে ফের সড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা জোরদার
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গাজীপুরে আবারও বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে নাওজোড় এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
শিল্প পুলিশ জানায়, বেশির ভাগ কারখানা খুলে দেওয়ায় এদিন সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন। তবে বিভিন্ন কারণে অন্তত ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এসব কারখানার বেশির ভাগ শ্রমিক নিরাপদে বাসায় ফিরে যান।
তবে সকাল ৯টার দিকে নাওজোড় এলাকায় কিছু শ্রমিক সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করেন।
এছাড়া চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ ও মৌচাক এলাকাতেও বিক্ষিপ্ত আন্দোলনের খবর পাওয়া গেছে।
বিক্ষোভকারী শ্রমিকরা জানান, তারা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে আন্দোলন করছেন। তবে ভাঙচুর বা সহিংসতা চান না তারা। আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান চান।
এদিকে শ্রমিকের ছদ্মবেশে দুর্বৃত্তরা যাতে সহিংসতা ঘটাতে না পারে, সে জন্য মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অভিযোগ, সহিংস আন্দোলনের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যোগসূত্র রয়েছে। এ ধরনের অপতৎপরতা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
১ দিন আগে
মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে শিগগিরই পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শিগগিরই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
শ্রমিক সংগঠন, গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন ও সরকারের আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি তিন বছর অন্তর শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি ছিল বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই এ বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেয়। মালিকপক্ষ তাদের প্রতিনিধির নাম দিলেও শ্রমিক সংগঠনগুলো নাম দিতে কয়েক দিন সময় নেয়। সর্বশেষ গত পরশু রাতে তারা প্রতিনিধিদের নাম দেয়।
মজুরি বোর্ড রবিবার গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন মজুরি ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়, তাদের জীবনমানের উন্নতি হয় এবং তাদের সব বিষয় বিবেচনায় রেখে অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে মজুরি নির্ধারণ করা হয়।’
আগামী ডিসেম্বরে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের সময়সীমা তিন বছর পূর্ণ হবে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবতার নিরিখে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করবে। এ নিয়ে অসন্তোষের কোনো কারণ নেই।
শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধনের অভিযোগও করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কিছুদিন ধরে পতিত স্বৈরাচারের ফ্যাসিবাদে সমর্থিত কিছু পক্ষ নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু শিল্প মালিক, মিল মালিক জড়িত আছেন। কিছু শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারেও, যারা শ্রমিকদের কল্যাণ চায় কি না, সেটা প্রশ্নবিদ্ধ। তারা অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে। রাস্তায় আন্দোলনের নামে তারা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে, যা কোনোভাবেই শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে না।’
সালাহউদ্দিন আহমদ সতর্ক করে বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের নামে যারা শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলাবিরোধী কাজ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, রবিবারই এ ধরনের কিছু ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ ও কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। অডিও, ভিডিও ও বিভিন্ন সহিংস ঘটনার সচিত্র ভিডিও ক্লিপ সাংবাদিকদের কাছে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনে শ্রমিক নন, এমন ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সরকার ও মালিকপক্ষের আলোচনায় এসেছে। মালিকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে যেসব শিল্পমালিক ও কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে, তাদের তালিকা দিতে মালিকপক্ষকে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু শ্রমিক নেতা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এসব সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামের তালিকাও মালিকপক্ষের কাছে চাওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো শ্রমিক বা শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থাকতে পারে না।
যারা অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, তারা শ্রমিক নয়; বরং পতিত শক্তির চিহ্নিত দুষ্কৃতকারী বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃত শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা কখনও নিজেদের কর্মসংস্থান বিনষ্ট হোক, তা চাইতে পারেন না। গত কয়েক দিনের অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টায় প্রকৃত শ্রমিক বা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জড়িত নন বলে সরকার বিশ্বাস করে।
কেউ ভুলক্রমে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে থাকলে তাদের তা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মুখ্য সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
মিরপুরে পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুন
রাজধানীর মিরপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
এর আগে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সড়কে নামেন তৈরি পোশাকশ্রমিকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দাবি আদায়ে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর অবরোধ করেন। এতে আশপাশের কয়েকটি সংযোগ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সকাল সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
পুলিশ প্রথমে শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে। শ্রমিকরা সেই অনুরোধ উপেক্ষা করলে পুলিশ লাঠিপেটা করে এবং কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথম দফার সংঘর্ষ কিছুটা কমে আসে।
কিন্তু পুলিশের অভিযানের পর শ্রমিকরা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে মিরপুর-১১-এর দিকে সরে যান। সেখানে বিভিন্ন স্থানে নতুন করে সংঘর্ষ হয়।
মিরপুর-১১-এর পূরবী সিনেমা হলের কাছে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুনও দেওয়া হয়।
৩ দিন আগে
বিক্ষোভের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পর্যালোচনায় ৬ সদস্যের বোর্ড গঠন
ঢাকা, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে মাসিক ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কাঠামো পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার।
রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ না করে শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিন পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন নিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী বোর্ডটি গঠন করা হয়েছে। আইনের ১৩৯ ধারা অনুযায়ী পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই বোর্ডকে।
বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে বোর্ডের নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুবকে মালিকদের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে শ্রমিকদের প্রতিনিধি করা হয়েছে।
পাশাপাশি পোশাকশিল্পের দুই প্রতিনিধিও বোর্ডে থাকছেন। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক এ বি এম শামছুদ্দিন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মাসে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের মধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হলো।
ঢাকায় মিরপুর-১০ গোলচত্বর ও গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে রবিবার শ্রমিকরা অবরোধ করেন। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। গাজীপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিকাংশ কারখানা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
৩ দিন আগে
গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে পোশাকশ্রমিক নিহত
গাজীপুরে একটি নির্মীয়মাণ ভবনের সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে এক পোশাকশ্রমিক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে নাওজোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাকিবের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়।
গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ণ ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর রাজিব হোসেন জানান, নাওজোড় এলাকায় তিনতলা ভবনটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ হয়েছে। ভবনটির নিচতলায় সেপটিক ট্যাংকের ওপর দুটি কক্ষ নির্মাণ করে পোশাকশ্রমিকদের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। সাকিবসহ কয়েকজন পোশাকশ্রমিক সেখানে ভাড়া থাকতেন।
আজ (শুক্রবার) সকালে হঠাৎ সেপটিক ট্যাংকটি বিস্ফোরিত হলে সাকিব ঘটনাস্থলেই মারা যান। বিস্ফোরণে কক্ষের দরজা ও জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি জানান, নিহতের মরদেহ বাসন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয়রা তাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি।
৫ দিন আগে
উত্তরায় পুলিশের হস্তক্ষেপে ছত্রভঙ্গ পোশাকশ্রমিকরা, স্বাভাবিক যান চলাচল
বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করা পোশাকশ্রমিকদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকদের সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। কয়েকটি যানবাহনও ভাঙচুর করা হয়।
দুপুর ১২টার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উত্তরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুল ইসলাম রনি বলেন, মহাসড়ক থেকে শ্রমিকদের সরাতে পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে এবং কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এতে শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে চলে যান।
তবে উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদ আলম শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ বা সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, শ্রমিকরা নিজেরাই মহাসড়ক ছেড়ে চলে গেছেন।
ন্যূনতম মজুরিবৃদ্ধি, সময়মতো বেতন ও ভাতা পরিশোধ এবং ইচ্ছামতো ছাঁটাই বন্ধের দাবিতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উত্তরা এলাকার আজমপুর ও রাজলক্ষ্মী অংশে মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকরা।
অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রী ও দূরপাল্লার বাসের যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকেন।
২০ দিন আগে
গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ
গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় মাহমুদ জিন্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা এই অবরোধ করেন।
শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে গত মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা চন্দ্রা ফ্লাইওভারের সংযোগ সড়কের উভয়পাশে অবরোধ করেন।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে ৪ দফা দাবিতে ম্যাটস শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
এতে ওই সড়কে যানজট লেগে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রইছ উদ্দিন জানান, ওই এলাকায় কারখানার শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। শ্রমিকদের সড়ক থেকে বুঝিয়ে সরানোর চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: বকেয়া বেতনের দাবিতে গাজীপুরে বেক্সিমকোর শ্রমিকদের ফের মহাসড়ক অবরোধ
৭০৬ দিন আগে