সারাহ কুক
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির
শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম।
রাষ্ট্রপতি যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের ‘পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ব্রিটেনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি দুই দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
তিনি আরও বলেন, কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়ন ও অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
সাক্ষাৎকালে সারাহ কুক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলের কাছে একটি অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনবার্তার জন্য রাষ্ট্রপতি রাজা তৃতীয় চার্লসের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মাধ্যমে ব্রিটিশ রাজার প্রতি তার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।
শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আরও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ, কমনওয়েলথের শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুসংহত করতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
ওয়েস্টমিনিস্টার পদ্ধতির গণতন্ত্র চর্চায় যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, পারস্পরিক সফর ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতিকে জানান, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ পণ্য আরও তিন বছর যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে।
রাষ্ট্রপতি এ সুবিধাকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সারাহ কুক বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ডিজিটাল জলবায়ু-সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়ের একটি উদ্যোগের বিষয়েও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। মির্জা ফখরুল এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আবহাওয়া ও জলবায়ু-সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় আবহাওয়ার পূর্বাভাস আরও নির্ভুল করতে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব, ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচে দারুণ লড়াই হবে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার
ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ম্যাচে ‘দারুণ এক লড়াই হবে’ মন্তব্য করে বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, মানুষের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলার এক ‘অসাধারণ ক্ষমতা’ রয়েছে ফুটবলের, যা বাংলাদেশে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘দুই দলই খুবই শক্তিশালী এবং তাদের দলে কিংবদন্তি খেলোয়াড় রয়েছেন। ইংল্যান্ডে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের মতো তারকা আছেন, আর আর্জেন্টিনায় আছেন লিওনেল মেসি। মাঠে এত প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকায় আমি নিশ্চিত, এটি দারুণ এক ফুটবল ম্যাচ হবে।’
আন্তর্জাতিক ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন অধ্যায় শুরু হবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য ইংল্যান্ডের।
এ সময় ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশে মানুষের উন্মাদনার প্রশংসা করে সারাহ কুক বলেন, ‘এখানে ফুটবলের প্রতি মানুষের আবেগ অবিশ্বাস্য।’
তিনি বলেন, ‘বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে বসে খেলা দেখা, প্রিয় দলকে সমর্থন করা কিংবা একসঙ্গে খেলাটি উদযাপন করা—ফুটবল এমন এক বন্ধন তৈরি করে, যা সীমান্তের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।’
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ‘এ কারণেই ফুটবল যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বছর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের খেলা সত্যিই দারুণ ব্যাপার।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি, বাংলাদেশের অনেক মানুষ আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবেন। তবে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় যত ইংল্যান্ডের পতাকা দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে, এখানে ইংল্যান্ডের সমর্থকও কম নন। একটি অসাধারণ ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
ইংল্যান্ডকে সমর্থন করা বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানিয়ে সারাহ কুক বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে সমর্থন করার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের সমর্থন আমরা সত্যিই মূল্যায়ন করি।’
তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া উৎসাহ দলটির জন্য অনেক বড় প্রেরণা। বাংলাদেশেও এত মানুষ ইংল্যান্ডের সমর্থন করেন, তা দেখে তিনি আনন্দিত।
খেলার ফল নিয়ে অনুমান করতে এক প্রশ্নের জবাবে সারাহ কুক বলেন, ‘আমি আগেভাগে কিছু বলতে চাই না। তবে ইংল্যান্ড যদি ফাইনালে ওঠে, তাহলে নিশ্চয়ই অনেক উদযাপন হবে। আমরা সবাই আশা করছি, এ বছর ফুটবল ঘরে ফিরবে।’
৬৩ দিন আগে
নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য
বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সাংবাদিকদের এ আগ্রহের কথা জানান।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারত্বের শক্তি ও গভীরতা পুনর্ব্যক্ত করে উভয় দেশ অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়।
তিনি বলেন, যৌথ অগ্রাধিকার অনুযায়ী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহযোগিতা শক্তিশালী করার বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বে আছে এবং আমরা দেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আগ্রহী।
বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা নিয়ে আশা প্রকশা করেন এবং দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১৯৬ দিন আগে
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাক্ষাৎ
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
মঙ্গলবার(১৯ আগস্ট) দুপুরে প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ে এ সাক্ষাতটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তারা পারস্পারিক কুশলাদি বিনিময় করেন এবং বিচার বিভাগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান বিচারপতি বিগত এক বছরে বাংলাদেশের বিচারবিভাগের উন্নয়নে তার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার প্রধান বিচারপতির এক বছর পূর্তিতে তাকে অভিনন্দন জানান। তিনি বিগত এক বছরে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রধান বিচারপতির প্রচেষ্টা ও কর্মপরিকল্পনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে, প্রধান বিচারপতির একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিচারবিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ ঘোষণা, বিচার সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা আনয়নে ১২ দফা নির্দেশনা দেওয়া, মামলায় বিবাদী পক্ষকে লিগ্যাল এইড প্রদানে ক্যাপাসিটি টেস্ট চালু, সুপ্রিম জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের মাধ্যমে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ আইন প্রণয়ন, বিচারপ্রার্থীদের জন্য সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন চালু এবং অধস্তন আদালতের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমগুলোকে কার্যকরী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।
পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে সহায়তা করবে যুক্তরাজ্যের শিল্প কৌশল: সারা কুক
আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এছাড়া, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সারাহ কুক।
৩৯২ দিন আগে
এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে নাহিদ ইসলামসহ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থন এবং একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথ নিয়ে তারা আলোচনা করেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানায় হাইকমিশন।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ইউরোপীয় দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপির নেতারা। সে সময় দলের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন তারা। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সমর্থনের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা বৈঠকে দলটির প্রতিনিধিত্ব করেন।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যে প্রেক্ষাপটে এনসিপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সে সম্পর্কে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া এনসিপির প্রস্তাবিত সংস্কার ও বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের কথা বৈঠকে তুলে ধরা হয়।
৫১৭ দিন আগে
সহিংসতা বর্জন করে সংযম বজায় রাখার আহ্বান ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত সারাহ কুকের
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক 'অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ' নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন, সহিংসতা পরিহার এবং একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি গত ২৮ অক্টোবরের সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় যুক্তরাজ্যের গভীর উদ্বেগের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
বুধবার(১ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কুক। আসন্ন নির্বাচন ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
বিস্তৃত আলোচনায় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের শক্তিশালী আধুনিক অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের প্রতিফলন ঘটে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্য থেকে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরাতে এসওপি হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
হাইকমিশনার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ কৌশলগত সংলাপে উভয় পক্ষের অঙ্গীকারের সঙ্গতি রেখে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন।
দ্বিপক্ষীয় অভিবাসন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম আলোচনা করতে উভয়েই সম্মত হন।
তারা অ্যাকসেস টু জাস্টিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন অবদান নিয়েও আলোচনা করেন। এটি প্যারালিগ্যাল সেবার মাধ্যমে দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বিচার ব্যবস্থায় আরও ভাল সুবিধা পেতে সহায়তার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই সংলাপে উৎসাহ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১০৪৯ দিন আগে
ব্রেক্সিট-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ও অন্য ইন্দো প্যাসিফিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত যুক্তরাজ্য: সারাহ কুক
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সোমবার (৯ অক্টোবর) বলেছেন, তারা একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিককে সমর্থন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেখানে সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করা হয় এবং দেশগুলো জবরদস্তি, বিভ্রান্তি ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থেকে পছন্দের পথ বেছে নিতে পারে।
তিনি বলেন, ‘প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বহাল রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাজ্য। আমরা সেই দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ এবং আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।’
হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাজ্যের লক্ষ্য হলো একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো প্যাসিফিক; এমন একটি অঞ্চল যা নিরাপদ ও স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধি ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক এবং বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় ‘ডিফাইনিং কম্পিটিশন ইন দ্য ইন্দো-প্যাসিফিক’- শীর্ষক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস এবং বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুরও বক্তৃতা করেন।
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ কপ২৬ এর আগে বিশ্বব্যাপী উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়াতে অংশীদারিত্বে কাজ করেছে।
ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত বলেছেন, তারা চলতি বছরের মার্চ মাসে সই হওয়া যুক্তরাজ্য/বাংলাদেশ জলবায়ু চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতিগুলোকে কাজে পরিণত করার জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য: প্রধানমন্ত্রীকে সারাহ কুক
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের অভিযোজন, প্রশমন ও জলবায়ু অর্থায়নের পাশাপাশি লস অ্যান্ড ড্যামেজে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়।’
জলবায়ু-সংক্রান্ত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ চালানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে ভূমিকা স্থিতিশীল, দীর্ঘমেয়াদি ও আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পরিচালিত হবে। যেমন আসিয়ান কেন্দ্রীয়তা।
তিনি বলেন, ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও কার্যকর অংশীদারিত্ব আমাদের লক্ষ্য অর্জনের মূল চাবিকাঠি। আমরা ইন্দো প্যাসিফিকের আঞ্চলিক অংশীদার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এবং তাদের মাধ্যমে কাজের বিষয়ে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’
উদাহরণস্বরূপ- ২৫ বছরে আসিয়ানের প্রথম নতুন সংলাপ অংশীদার আমরা এবং সিপিপিপিপি-তে আমাদের সদস্য পদ রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘একইভাবে আমরা আইআরএ এবং বিমসটেক-এর মতো অন্যান্য আঞ্চলিক উদ্যোগগুলোকে বঙ্গোপসাগরে বাস্তব পরিবর্তন আনতে সাহায্য করতে কাজ করছি।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব অনন্য ও মূল্যবান সম্পর্ক। এ সম্পর্ক দুই দেশের প্রবাসী, সাংস্কৃতিক, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে সুসংহত।
সারাহ কুক বলেন, ‘আমরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করছি। জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য থেকে শুরু করে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নিয়ম ও কানুনের আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা পর্যন্ত।’
তিনি তিনটি মূল ক্ষেত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন; নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার (আরবিআইএস) গুরুত্ব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য: সারাহ কুক
১৯৭১ সালে বিশ্বের দ্বিতীয় দরিদ্রতম দেশ থেকে বাংলাদেশ এখন ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদায় উন্নীত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাজ্য এই সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হতে পেরে গর্বিত।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখন একটি আধুনিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে উন্মুখ, যা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অর্থনীতিকে টেকসই করতে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার ও রপ্তানি বহুমুখীকরণকে সমর্থন করে।’
যুক্তরাজ্যের নতুন ডেভেলপিং কান্ট্রিস ট্রেডিং স্কিম ২০২৯ সাল পর্যন্ত অস্ত্র ছাড়া সব কিছুতেই যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার দেবে এবং তারপরে ৯৮ শতাংশ পণ্যের জন্য যুক্তরাজ্যের বাজারের প্রবেশাধিকার দেবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ডিসিটিএস হলো সবচেয়ে উদার বৈশ্বিক বাণিজ্য অগ্রাধিকার প্রকল্প এবং বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী।’
কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে সমুন্নত না করে এবং এগিয়ে না নিয়ে প্রবৃদ্ধি অর্জন ও সমৃদ্ধি গড়ে তোলা অসম্ভব হবে।
হাইকমিশনার বলেন, ভারতের সঙ্গে একত্রে যুক্তরাজ্য বঙ্গোপসাগরের জন্য একটি রিজিওনাল মেরিটাইম সেন্টার অব এক্সিলেন্স তৈরি করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ সমগ্র অঞ্চলের মেরিটাইম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে অপরাধ মোকাবিলা থেকে শুরু করে ঝড়ের আগাম সতর্কতা প্রদান প্রভৃতির মাধ্যমে কেন্দ্র উপসাগরের স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে নৌ সহযোগিতার দীর্ঘ ঐতিহ্য আমাদের স্থায়ী সম্পর্কের ভিত্তি।’
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য চাপ অব্যাহত রাখছে যুক্তরাজ্য
১০৭২ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য: প্রধানমন্ত্রীকে সারাহ কুক
নবনিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী।
সোমবার (১৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
ইহসানুল বলেন, তারা উভয়েই চলমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, ব্রিটেন বিশেষ করে বাংলাদেশের নারীদের শিক্ষায় সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
নতুন হাইকমিশনার বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। যাতে প্রত্যাবাসনের পর তাদের কাজে লাগানো যায়।
কুক বলেন, তারা চান বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। আগামী বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য তাদের দীর্ঘ ২১ বছর (১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬) সংগ্রাম করতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত: সুইস রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটের বিজয়ের পর, তারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে বিজয় উদযাপন করেছে, শত শত মানুষকে হত্যা করেছে, নারীদের ধর্ষণ করেছে এবং সারা দেশের বিভিন্ন গ্রাম লুট করেছে।
তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘আমরাই বাকস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছি এবং গণমাধ্যমকে বেসরকারি খাতের জন্য উন্মুক্ত করেছি।’
তিনি বলেন, এক সময় একটি মাত্র রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ছিল, কিন্তু এখন দেশে ৪০টির বেশি বেসরকারি চ্যানেল চলছে।
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু আন্তর্জাতিক স্পটলাইটে থাকলে তাদের প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত হবে।
রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের ক্ষেত্রে কক্সবাজার অঞ্চলে সামাজিক সমস্যা আরও বাড়বে বলে হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী।
জলবায়ু ইস্যুতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয়ভাবে জলবায়ু সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নিতে দুই দেশ চলতি বছরের মার্চ মাসে একটি জলবায়ু চুক্তি সই করেছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য: সারাহ কুক
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করতে ওআইসির প্রতি আহ্বান বাংলাদেশের
১১২৮ দিন আগে
বাংলাদেশে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য: সারাহ কুক
চট্টগ্রাম বিভাগে বড় আকারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের জন্য ২৫ হাজার পাউন্ড মানবিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
এই অর্থ দিয়ে বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজার জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ সহায়তা পাবে।
রবিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, কারিতাস বাংলাদেশ ও অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করা স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ এটি বরাদ্দ করবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার পাশে রয়েছে যুক্তরাজ্য।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ও দেশের ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের জন্য ১১.৬ মিলিয়ন পাউন্ড মানবিক সহায়তা যুক্তরাজ্যের
তিনি বলেন, ‘আমি ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত যে ইউকে জরুরি প্রয়োজনে সাড়া দিতে ২৫ হাজার পাউন্ড মানবিক সহায়তা দিয়েছে।’
এই সহায়তা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি কিট, আশ্রয় সামগ্রী এবং ক্ষতিগ্রস্ত ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষকে নগদ টাকা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করবে।
তিনি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিক্রিয়াকে পরিপূরক করে এবং বাংলাদেশে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়া দেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের দীর্ঘস্থায়ী সহায়তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের ব্যাপক সহযোগিতা আরও গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমি: সারা কুক
আমরা বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই, যুক্তরাজ্যের মন্ত্রীকে মোমেন
১১২৯ দিন আগে
ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জাপা চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রবিবার (২৩ জুলাই) জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এসময় তারা বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন।
যুক্তরাজ্য জানায়, তারা বাংলাদেশে ‘বিশ্বাসযোগ্য, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনকে উৎসাহিত করে।
আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে আমরা সব ত্যাগ করতে প্রস্তুত: জিএম কাদের
বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: জিএম কাদের
বর্তমান পদ্ধতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: জিএম কাদের
১১৫০ দিন আগে