আসাদুজ্জামান
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৫৯ জনের সাজা, ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড: আইনমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা সাতটি মামলায় মোট ৫৯ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ১৩ জনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। বাকি আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
সংসদ সদস্য মাসুম মোস্তফার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মোট ৮০টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৭৩টি মামলার কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।
চলমান ৭৩ মামলার মধ্যে ২২টি রয়েছে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে। অন্য ৫১টি মামলা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত এসব মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪৬৩ জন। এদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৭৪ জন। পলাতক রয়েছেন ২৮৮ জন। এ ছাড়া একজন আসামি মৃত্যুবরণ করেছেন এবং একজন খালাস পেয়েছেন।
৫ দিন আগে
এনায়েতনগর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জ থেকে র্যাব-১১-এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। আসাদুজ্জামান ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেপ্তার
র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন আসাদুজ্জামানের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বলেছেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।’
গ্রেপ্তারের পর তাকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।
৪৭০ দিন আগে
আসাদুজ্জামানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বন্ধের নির্দেশ বিএফআইইউর
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তার স্ত্রী-সন্তানদের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ফিন্যান্সিয়াল)।
একই সঙ্গে তাদের অ্যাকাউন্টে থাকা সব ধরনের লেনদেনের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বিএফআইইউর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইউএনবিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক সদরঘাট থেকে গ্রেপ্তার: ডিএমপি
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠানো বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান, তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, ছেলে সাফি মুদ্দাসীর খান ও মেয়ে সাফিয়া তাসনিম খানের নামে থাকা সব ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক হিসাব বন্ধ রাখতে হবে।
আসাদুজ্জামান খান ও তার পরিবারের সদস্যদের নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্র চেয়েছে বিএফআইইউ। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ অনুযায়ী বিএফআইইউ এ আদেশ জারি করে।
প্রাথমিকভাবে পরবর্তী ৩০ দিনের জন্য সংশ্লিষ্টরা কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবেন না। প্রয়োজনে সাময়িক স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ
৬৮২ দিন আগে
শেখ হাসিনা, কাদের, আসাদুজ্জামানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের
গত ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশের গুলিতে মুদি দোকান মালিক আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খানসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালতে ব্যবসায়ী ও মোহাম্মদপুরের আদাবর এলাকার বাসিন্দা আমির হামজা স্বেচ্ছায় মামলাটি দায়ের করেন বলে তার আইনজীবী মামুন মিয়া নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান ও ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার।
আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের নাম: উপদেষ্টা আসিফ
মামলায় আমির বলেন, গত ১৯ জুলাই বিকেল ৪টার দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে আবু সাঈদ নিহত হন। আইজিপি ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ জনতার ওপর গুলি চালায়।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলায় বসবাস করেন। অভিযোগে আমির বলেন, এই মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করতে পারছে না ভুক্তভোগীর পরিবার।
এছাড়া মামলায় বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী মামুন মিয়া।
আরও পড়ুন: দেশ ছাড়ার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি শেখ হাসিনা: জয়
৬৮২ দিন আগে
জনদুর্ভোগ বা সম্পত্তি নষ্ট হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আসাদুজ্জামান
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকারের কোনো বাধা থাকবে না।
তিনি বলেন, বিএনপিকে বলে দেওয়া হয়েছে আন্দোলনের নামে জানমাল বা সম্পত্তি ধ্বংস অথবা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোরের নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সরকার পরিবর্তন করতে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী ২৭ জুলাই বিএনপির সমাবেশ নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলে সরকারের কোন বাধা নেই।
তিনি বলেন, আপনারা (সাংবাদিক) দেখেছেন তারা পদযাত্রা করেছে তারা মানববন্ধন করেছে, যা করেছে আমরা কিন্তু কোনোটাতেই বাধা দিইনি। তারা সুন্দরভাবে এসব কর্মসূচি পালন করেছেন।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও যদি তারা করতে চান করবেন। সেখানেও আমাদের বাধা থাকবে না। কিন্তু যখন জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করবে, জানমাল ধ্বংস করতে চাইবে তখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, এটাই তাদের বলে দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা পদযাত্রার পরে অতি সম্প্রতি একটা লং মার্চ করল, তারুণ্যের একটা সমাবেশও করল। এখন তারা একটা বড় সমাবেশ করার জন্য আমাদের পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি দিয়েছেন। পুলিশ কমিশনার এখনো তার মতামত জানাননি। আশা করছি, শিগগিরই মতামত জানিয়ে দেবেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত কী হবে? দেখুন, হঠাৎ করেই তারা (বিএনপি) এমন-এমন কর্মসূচি দিচ্ছে যেগুলোয় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তারা বলছেন আন্দোলন শুরু করেছেন, আন্দোলন করবেন। আমরা সেখানে কোনো বাধা দিচ্ছি না।
তিনি বলেন, যদি জনগণ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে আসে তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু জনগণকে জোর করে আনলে আমাদের আপত্তি।
আমাদের আপত্তি সেখানেই যদি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে, রাস্তাঘাট বন্ধ করে তারা যদি কিছু করে কিংবা জান-মালের ক্ষতি করে অথবা জীবননাশ হয়, আমরা তখনই বাধা দেব।
আওয়ামী লীগ বিএনপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশ জনগণের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেয় কি না, এমন প্রশ্নের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা আপনারাই দেখছেন।
রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের আগে কর্মসূচি দেয়, শুধু আওয়ামী লীগের কর্মসূচি দেখছেন কেন?
আরও অন্যান্য পার্টিও তো দিচ্ছে। সেগুলোও আপনার নজরে নিশ্চয়ই পড়েছে। ২০ জন নিয়ে রাস্তায় নামতে পারেন না তিনিও একটা কর্মসূচি দেওয়া শুরু করেছেন।
কাজেই সবাই কর্মসূচি দিচ্ছে। সবাই রাস্তায় থাকবে। আমরা এটুকুই বলব, যতক্ষণ পর্যন্ত জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করবেন, জান-মালের ক্ষতি না করবেন, গাড়ি ভাঙচুর না করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা তাদের কোনো ধরনের কর্মসূচিতে বাধা দেবো না।
আরও পড়ুন: আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
হিরো আলমের ওপর হামলা, পুলিশের গাফিলতি খতিয়ে দেখা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১০৬৭ দিন আগে