নিয়োগ
দুদক চেয়ারম্যান-কমিশনার নিয়োগে সিভি আহ্বান
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আহ্বান করেছে এ বিষয়ে গঠিত বাছাই কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৩ জুলাই সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ সচিবালয়ের নির্ধারিত স্থানে জীবনবৃত্তান্ত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া যাবে। তবে যারা ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দিয়েছেন, তাদের পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন হবে না।
এতে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর লক্ষ্যে গঠিত বাছাই কমিটি চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগে আগ্রহীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী ব্যক্তিদের আইনের ধারা ৮(১) অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে ধারা ৮(২)-এ উল্লিখিত অযোগ্যতার আওতাভুক্ত কোনো ব্যক্তি কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন না।
জীবনবৃত্তান্তে প্রার্থীর নাম, পিতা ও মাতার নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, জন্ম তারিখ, জাতীয়তা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, চাকরি ও অভিজ্ঞতার বিস্তারিত বিবরণ (মেয়াদকালসহ), মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা উল্লেখ করে স্বাক্ষরসহ জমা দিতে হবে।
এছাড়া জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার স্বপক্ষে সব সনদপত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে। খামের ওপর ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান/কমিশনার পদের জন্য জীবনবৃত্তান্ত’ উল্লেখ করতে হবে।
জীবনবৃত্তান্ত সচিবালয়ের কেন্দ্রীয় পত্র গ্রহণ কেন্দ্র (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, গেট নম্বর-৫) অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি নীতি শাখা, কক্ষ নম্বর-৯৩৫, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ভবন নম্বর-১ (নতুন), বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকায় জমা দেওয়া যাবে।
জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ১৩ জুলাই সোমবার বিকেল ৪টা।
৭ দিন আগে
৮ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ
দেশের ৮টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আলাদা আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খুলনা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে আগামী এক বছরের জন্য নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (খুউক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এস এম শফিকুর আলম। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনকে এবং রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রউক) নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন মো. আবুল কালাম আজাদ।
একই দিনে জারি করা অন্য প্রজ্ঞাপনগুলোর মাধ্যমে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে রেজাউল হাসান লোদী, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে মো. সামসুজ্জামান সামু, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে মোতাহার হোসেন তালুকদার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে উদবাতুল বারী আবু এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে মাশুকুল ইসলাম রাজিবকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়োগ পাওয়া এই ৮ চেয়ারম্যানের ক্ষেত্রে শর্ত দেওয়া হয়েছে যে, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাদের এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলী চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।
এছাড়া, অপর এক প্রজ্ঞাপনে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার।
২৭ দিন আগে
গাজীপুরে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
মামলা, ষড়যন্ত্র ও মব সৃষ্টি করে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নিয়োগে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে এবং চার দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে গাজীপুরে ডুয়েট গেট এলাকার একটি হলরুমে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সংস্থায় উপসহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া মামলা, মব সৃষ্টি ও অভ্যন্তরীণ চাপের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে— দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিভিন্ন সংস্থায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা, মব সৃষ্টি ও অভ্যন্তরীণ চাপের কারণে বন্ধ থাকা নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত চালু করা এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন বন্ধ করা।
সংবাদ সম্মেলনে আফসার উদ্দিন, ইসহাক পিকু, সাইফুল ইসলাম শুভ ও সাওদা আক্তার বক্তব্য দেন।
৫৮ দিন আগে
প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হচ্ছে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
২০২৪ সালের জুলাই মাসে জারিকৃত একটি পরিপত্র অনুযায়ী সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামের (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৯৩ শতাংশ পদ মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হচ্ছে, ৫ শতাংশ পদ মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত; ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য এবং ১ শতাংশ পদ প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের জন্য সংরক্ষিত।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের (পাবনা-৫) অন্য এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বারী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল, ৩৯ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং ৫৬৪ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি ও রাজনীতিকরণের অভিযোগ বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং সুপারিশের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের (চট্টগ্রাম-১৩) এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জনবলের হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত ‘সরকারি কর্মচারী পরিসংখ্যান ২০২৪’ অনুযায়ী, সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরে মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি।
এর মধ্যে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের শূন্য পদ ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডের ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, ত্রয়োদশ থেকে ষোড়শতম গ্রেডের ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি এবং সপ্তদশ থেকে বিংশতম গ্রেডের পদ সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি। এছাড়া সম্মানি, নির্ধারিত বেতন এবং চুক্তিভিত্তিক ক্যাটাগরিতে ৮ হাজার ১৩৬টি শূন্য পদ রয়েছে।
তিনি বলেন, এসব শূন্যপদ পূরণের জন্য ছয় মাস, এক বছর এবং পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২ হাজার ৮৭৯টি, এক বছরের মধ্যে ৪ হাজার ৪৫৯টি এবং পাঁচ বছরের মধ্যে ৩ হাজার ১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও জানান, সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসগুলোর শূন্যপদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি। কর্মপরিকল্পনায় বর্ণিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারীর নিয়োগ’-এর বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা এবং শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
৮৪ দিন আগে
আরও ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ
দেশের আরও ১৪ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নতুন প্রশাসক পাওয়া জেলাগুলো হলো: ঢাকা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, পাবনা, নড়াইল, বরগুনা, জামালপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, হবিগঞ্জ, চাঁদপুর ও ফেনী।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. ইয়াছিন ফেরদৌস মোরাদ ঢাকা, মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী নীলফামারী, এ কে এম মমিনুল হক লালমনিরহাট, মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম পাবনা, মো. মোস্তাফিজুর রহমান আলেক নড়াইল, মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা বরগুনা, মো. সিরাজুল হক জামালপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
এছাড়া চৌধুরী ইশরাত আহমদ সিদ্দিকীকে গাজীপুর, জামিলুর রশিদ খানকে মানিকগঞ্জ, তোফাজ্জল হোসেনকে নরসিংদী, মো. আফজাল হোসেন খান পলাশকে ফরিদপুর, আহমেদ আলীকে হবিগঞ্জ, এ কে এম সলিম উল্যা সেলিমকে চাঁদপুর এবং অধ্যাপক এম এ খালেককে ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ১৫ মার্চ দেশের ৪২ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা বেশিরভাগই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
১০০ দিন আগে
আরও ৫ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ
দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে এই নিয়োগ দিয়ে শনিবার (১৪ মার্চ) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের মধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনে অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে মো. মাহফুজুর রহমান, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে মো. রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটি করপোরেশনে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মো. ইউসুফ মোল্লাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং তারা বিধি মোতাবেক ভাতা প্রাপ্য হবেন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই আদেশ জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই নিয়োগ দিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এ নিয়ে দেশের ১১ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার। তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে আদালতের আদেশে বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন।
১১৭ দিন আগে
মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আউটসোর্সিং বাতিল
মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে জনবল নিয়োগে আউটসোর্সিং বাতিল করা হয়েছে। এ প্রকল্পের সপ্তম পর্যায়ের মতো অষ্টম পর্যায়ের অনুমোদিত জনবল নিয়োগে অর্থ বিভাগ সম্মতি দিয়েছে। পাশাপাশি এখন থেকে কেবল পাঁচ ক্যাটাগরিতে ২৩টি সেবা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ক্রয়ের জন্য বলা হয়েছে।
গত ২৫ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ-১-এর ২৩ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীকের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (অষ্টম পর্যায়) প্রকল্পের পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, পিএ, ফিল্ড সুপারভাইজার, ক্যাশিয়ার কাম হিসাব সহকারী, উচ্চমান সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটরসহ মোট ১০ ক্যাটাগরিতে ১২৪টি পদ প্রেষণে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এ প্রকল্পে সাকুল্য বেতনে সরাসরি নিয়োগের জন্য ১০টি ক্যাটাগরিতে ৬৪০ জনবল নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পদগুলো হলো— সহকারী পরিচালক (হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা), ফিল্ড অফিসার, মাস্টার ট্রেইনার, ফিল্ড সুপারভাইজার, হিসাবরক্ষক, ক্যাশিয়ার, উচ্চমান সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কাম অফিস সহকারী, স্টোর কিপার ও আরঅ্যান্ডডি ক্লার্ক।
তবে ড্রাইভিং, অফিস কর্ম সহায়ক, ক্লিনার, সুইপার ও সিকিউরিটি গার্ড—এই পাঁচ ক্যাটাগরিতে ২৩টি পদে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সেবা ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিন পদ্ধতিতে মোট ৭৮৭ জনবল নিয়োগ বা ক্রয়ে সম্মতি পাওয়া গেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এছাড়া, গত ২০ মার্চ জারি করা এ প্রকল্পের পদ বা জনবল সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সুপারিশের কার্যবিবরণীটি বাতিল করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
৪৬৯ দিন আগে
আপিল বিভাগে দুই বিচারপতির নিয়োগ
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়োগ পেয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের দুজন বিচারপতি। সোমবার (২৪ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন— বিচারপতি এ, কে, এম, আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের শপথ পড়ানো হবে।
সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ এই শপথ পাঠ করাবেন। এর মধ্য দিয়ে তাদের নিয়োগ কার্যকর হবে।
রাষ্ট্রপতি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫-এর দফা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি এ, কে, এম, আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুবকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: হাইকোর্টের বিচারপতি খিজির হায়াতকে অপসারণ
বিচারপতি আসাদুজ্জামান ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হন। বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট আসাদুজ্জামানকে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করা হয়। ২০০৫ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হন। তিনি একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়সহ বেশ কিছু আলোচিত মামলায় রায় দিয়েছেন।
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ১৯৯৪ সালের ৯ এপ্রিল এবং ২০০২ সালের ১৫ মে যথাক্রমে হাইকোর্ট বিভাগ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবী নিযুক্ত হন। বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট একই বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন তিনি।
তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয়কে অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছেন।
৪৭২ দিন আগে
বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ নিয়ে রিট শুনতে বিব্রত বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর চারটি ধারার বৈধতা নিয়ে রিট শুনতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্টের একজন বিচারপতি। আদালত রিটের নথিটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। সোমবার (১৭ মার্চ) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘আমি এখানে পক্ষ। কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে সভায় ছিলাম। তাই আবেদনটি শুনতে পারছি না।’
এরপর রিটটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলেন আদালত। এ সময় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আরজি জানান।
পরে আদালত বিব্রতবোধের কথা উল্লেখ করে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আদেশ দেন। নিয়ম অনুযায়ী, বিষয়টি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তিনি শুনানির জন্য যে বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেবেন, সেই বেঞ্চে রিটের শুনানি হবে।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, আহসানুল করিম ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।
আরও পড়ুন: সাবেক বিচারপতি মানিকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগের লক্ষ্যে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ শিরোনামে অধ্যাদেশ গত ২১ জানুয়ারি গেজেট আকারে জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
অধ্যাদেশের কয়েকটি ধারা সংশোধনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে গত ২৩ জানুয়ারি আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আজমল হোসেন।
এ বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়। আইনি নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন তিনি। অধ্যাদেশের ৩, ৪, ৬ ও ৯ ধারার বৈধতা নিয়ে রিটটি করা হয়।
৪৭৯ দিন আগে
পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে বিশেষ উদ্যোগ সরকারের
স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে শূন্য পদ পূরণে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিনের দ্বিতীয় কার্য-অধিবেশন শেষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের এ অধিবেশন হয়।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, ‘ডিসিরা নানান রকমের প্রশ্ন করেছেন। বিশেষ করে হাসপাতাল সংক্রান্ত সমস্যা, মেডিকেল কলেজ সংক্রান্ত সমস্যা, নানান সমস্যার কথা বলেছেন। সেই সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমরা জানি। আমরা চেষ্টাও করছি সেগুলো এড্রেস করার জন্য।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে হচ্ছে বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধমূলক কিছু করা উচিত। যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিক হচ্ছে, এর কারণগুলো কি, এগুলোর জন্য আমরা কি পদক্ষেপ নিতে পারি, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে কি করতে পারি? ছোট ছোট বাচ্চারা এখন ই-সিগারেটের অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। এগুলো নিয়ে আমরা সচেতনতা বাড়াতে পারি। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের আইন আছে কিন্তু আইনের প্রয়োগটা নেই।’
‘আইনের প্রয়োগটা দিয়ে যারা দুষ্টামি করছে, তাদেরকে কিভাবে শায়েস্তা করা যায়, তাও আমরা তাদের বলার চেষ্টা করেছি,’ বলেন নুরজাহান বেগম।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদূতদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার খুবই দুঃখজনক: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘তাদের (ডিসি) দিক থেকে যেসব ইনপুট এসেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, কিছু জায়গায় অসঙ্গতি যেমন- জনবলের অভাব রয়েছে। অবকাঠামো তৈরি হয়ে আছে, সেগুলো ফাংশনাল করা যাচ্ছে না। এই সমস্যাগুলোর কথা তারা বলেছেন। কোথাও ৫০০ শয্যার জায়গায় এক হাজার ২০০ রোগী থাকছে। কোথাও কোথাও ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি এগুলো প্রতিষ্ঠা করার চাহিদা রয়েছে বা এগুলো কার্যকর করার জন্য বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের বেআইনি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে ওনারা (ডিসি) আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে যেন আমাদের স্বাস্থ্য কাঠামোর পাশে থাকেন, সেই বিষয়ে বলা হয়েছে। সেটা মোটা দাগে এই স্বাস্থ্যের যে জনবল কাঠামো, সেটা নিয়ে আরও ভালো স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া সম্ভব। আমরা তাদের কাছে এ আহ্বান জানিয়েছি।’
‘স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা একটি রাষ্ট্রের কল্যাণমুখী রূপান্তরের মৌলিক উপাদান। আমরা আশা করব জেলা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসন রাষ্ট্রের কল্যাণমুখী রূপান্তরে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’
বিশেষ সরকারী বলেন, ‘আমরা গত কয়েকদিনে স্পষ্ট দেখেছি যে, এন্ট্রি পদে প্রায় ৫ হাজারের বেশি পদে চিকিৎসক প্রয়োজন। এ ছাড়া বিশেষজ্ঞ পদ এবং অন্যান্য আধুনিক হাসপাতালগুলোতে আমাদের পদের প্রয়োজনীয়তা আছে। পদ সৃষ্টি এবং এর আর্থিক সংশ্লেষ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আমরা ইতোমধ্যে পাঁচ হাজার পদ সৃষ্টির জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি। ইউনিয়নেও যেমন পদের ঘাটতি রয়েছে, তেমনি মেডিকেল কলেজেও রয়েছে।’
অধ্যাপক সায়েদুর রহমান বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে চেষ্টা করছি আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। অল্প দিনে যদি এই উদ্যোগটি সফল হয়; অল্প দিনে বিশেষ বন্দোবস্তে যদি আমরা নতুন পদে জনবল নিয়োগ করতে পারি; তখন এ সমস্যা থেকে উত্তরণ হবে।’
‘শূন্য পদ পূরণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এখন সর্বোচ্চ অ্যাফোর্ড দিচ্ছে। চিহ্নিত করে শূন্য পদ পূরণে যেগুলো স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভব সেগুলো স্থানীয় পর্যায়ে, যেগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে সম্ভব সেগুলো পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই শূন্য পদপূরণ আমাদের একটি অগ্রাধিকার। যেসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের সৃজন করা প্রয়োজন, অন্যান্য ক্ষেত্রে শূন্য পদপূরণ অগ্রাধিকার।’
এক প্রশ্নের জবাবে বিশেষ সহকারী বলেন, আহতদের চিকিৎসা নিয়ে যেটুকু অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে, আমরা মনে করি ১২-১৪ হাজার আহতের তুলনায় সে সংখ্যাটা আসলে খুবই কম। অসন্তোষের মাত্রা কোনোভাবেই এক শতাংশও না।
ওষুধের ভেজাল রোধ করে মান রক্ষায় সব জেলায় মিনি ল্যাব সম্প্রসারণ করতে হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব মাসুদ রানা
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ৪০ জনকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠিয়েছি। আমরা কখনোই টাকার দিকে তাকাইনি। আমরা তাদেরকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাদের চিকিৎসা করার জন্য আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ডাক্তারদেরও এনেছি।’
তিনি বলেন, আমরা তাদের ট্রমাটা ওইভাবে এড্রেস করতে পারছি না। এটা (চিকিৎসা নিয়ে অসন্তোষ) আস্তে আস্তে কমে যাবে, আমরা তাদের সমন্বিতভাবে পুনর্বাসনের চেষ্টাও করছি। আমরা তাদের পুনর্বাসন করলে আর অসন্তোষ থাকবে না।
৫০৮ দিন আগে