ফারুক আহমেদ
হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফারুক আহমেদ
হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ফারুক আহমেদ।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হাইওয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফারুক আহমেদ ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে ১৯৯৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন।
প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, ৫ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং লাইবেরিয়া ও দারফুরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া মৌলভীবাজার ও কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রশাসনিক দক্ষতা, অপারেশনাল নেতৃত্ব এবং কৌশলগত পরিকল্পনায় তিনি দীর্ঘ কর্মজীবনে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন।
গত ৪ জুন তিনি অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি পান।
কর্মজীবনে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের পুলিশিং বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
১০ দিন আগে
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা: ৬ মাসের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তির নির্দেশ
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার বিচার ৬ মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
রবিবার (২৭ আগস্ট) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
একইসঙ্গে এ মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত।
আরও পড়ুন: আপিল বিভাগে মেয়র জাহাঙ্গীরের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা
আদালতে আসামি মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম।
গত ১৯ জুলাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে জামিন আবেদন করায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যান মুক্তি।
সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মুক্তি। যে আবেদনের ওপর আজ শুনানি হয়।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে এ হত্যায় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান ও তার ভাইদের নাম আসে।
২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।
এ মামলায় আমানুর ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ওরফে কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পাসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়।
আরও পড়ুন: মাইকেল জ্যাকসনের বিরুদ্ধে আনা যৌন নির্যাতনের মামলার শুনানি শুরু আপিল বিভাগে
বিচারপতিকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য, মেয়রকে আপিল বিভাগে তলব
১০৫৫ দিন আগে