ধর্মমন্ত্রী
আলেম-ওলামাদের ওপর কোনো জুলুম হতে দেওয়া হবে না: ধর্মমন্ত্রী
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, আলেম-ওলামাদের ওপর কোনো ধরনের অবিচার, অত্যাচার বা জুলুম হতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকার সোচ্চার রয়েছে এবং মাদরাসাগুলোকে বঞ্চিত না করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
রবিবার (১৭ মে) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে আলেম-ওলামাদের করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী আছি। কিন্তু আলেম-ওলামাদের ওপর কোনো অবিচার-অত্যাচার, জুলুম হতে দেব না, ইনশাআল্লাহ। মাদরাসাগুলোকে যেন বঞ্চিত করা না হয়, তাদের প্রতি যেন অবিচার না করা হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার বিষয়ে আমরা সোচ্চার আছি।
তিনি বলেন, ওলামায়ে কেরামদের জন্য ইসলাম টিকে আছে, টিকে থাকবে। ইসলামের প্রচার ও মাদরাসাগুলো পরিচালনার জন্য কারও সাহায্যের প্রয়োজন হয় না। আল্লাহপাকই কিয়ামত পর্যন্ত এগুলো টিকিয়ে রাখবেন।
এ দেশের আলেম সমাজ একটি প্ল্যাটফর্মে আসতে পারলে অনেক কিছুই সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন ধর্মমন্ত্রী।
কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে আলেমদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে অনেক সময় দাম না পেয়ে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার ঘটনা ঘটেছে, যা কাম্য নয়।
মন্ত্রী বলেন, এমনটি যেন না ঘটে, সেই চেষ্টা আপনাদের করতে হবে। সরকারও এ বিষয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে। চামড়ার গুণগত মান যেন ভালো থাকে, সেভাবে চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ সময় তিনি চামড়া সিন্ডিকেট ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
আলেমদের সমাজের ধারক ও বাহক হিসেবে উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৯ সালের গণভোটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর কোনো সংগঠন ছিল না। বাংলার জমিনের পীর-মাশায়েখ, কওমি ওলামায়ে কেরাম, মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলেন। তারাই সেদিন তাকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে বিজয় এনে দিয়েছিলেন।
তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে কওমি আলেম-ওলামাদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার প্রসঙ্গ তুলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকারপ্রধানই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার কথা চিন্তা করেননি। তারেক রহমান সেটা করেছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিরা এই সম্মানী ভাতা পাবেন।
আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। এছাড়া বক্তব্য দেন শেখ মুর্শিদুল ইসলাম, ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান, হাফেজ মুফতি যুবায়ের আহমদ ও হাফেজ মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন।
বক্তারা কোরবানির চামড়ার যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন মাদরাসার মুহতামিম, শিক্ষক, বিভিন্ন মসজিদের খতিব, ইমামসহ আলেম-ওলামা ও মাশায়েখরা অংশ নেন।
১৬ দিন আগে
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে এত কাজ করছেন, অনেকে সহ্য করতে পারছে না: ধর্মমন্ত্রী
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবার সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হয়ে ব্যাপক কাজ করছেন, যা অনেকেই সহ্য করতে পারছে না। তাই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
ধর্মমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশংসা করে বলেন, সমাজে কিছু ব্যক্তি ভুল করলেও পুরো সাংবাদিক সমাজকে দায়ী করা যায় না। তিনি প্রয়াত সাংবাদিক আলতাফ মাহমুদের সততা, সরল জীবনযাপন ও দেশপ্রেমের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘তিনি বড় সাংবাদিক হয়েও অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। তার সততা ও নিষ্ঠা আমাকে মুগ্ধ করত। আমি জনগণের একজন কর্মী। সাংবাদিকরা যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি আমার কাছে আসতে পারবেন।’
গণতন্ত্র রক্ষায় সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে সহ্য করতে পারছে না যে তারেক রহমান প্রথমবার এমপি ও প্রধানমন্ত্রী হয়ে এত কাজ করছেন। তাই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, যারা সরকারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারেনি, তারাই নানা ধরনের বক্তব্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা বিভিন্নভাবে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে কায়কোবাদ বলেন, বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন সহ্য করা হবে না।
তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, কিন্তু এখানে কোনো সংখ্যালঘুদের ওপর, কোনো অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচার, অবিচার, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করবো না ইনশাআল্লাহ।’
একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিকভাবে উদ্যোগ নেবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত তো বিশাল দেশ। উনাদের আমি শ্রদ্ধা করি, যেহেতু উনাদের দেশে গণতন্ত্রটাকে উনারা খুব লালন করেন। তবে মনের থেকে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব যদি উনারা ওই দেশের সংখ্যালঘুদের আপন করে নেয়, নিরাপত্তা দেয় এবং জনগণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়।’
সামাজিক অবক্ষয় ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, গ্রামাঞ্চলেও মাদক, জুয়া ও ফেনসিডিলের বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদক সম্রাটদের মুখোশ উন্মোচনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটিও খেয়াল রাখতে হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মীয় গুজব ছড়িয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।
এ প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারের সময় করা আইনটি অপব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু আইনটি পুরোপুরি বাতিল করে অপপ্রচারকারীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচার ঠেকাতে নতুনভাবে আইন প্রয়োজন।’
তিনি দাবি করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনো মতপ্রকাশ দমনের পক্ষে নন। বিরোধী মত দমন বা সাংবাদিকদের হয়রানির জন্য আইন ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
রমজান ও ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তি প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ইসলাম ধর্মে স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখেই রোজা রাখা ও ঈদ উদযাপনের নির্দেশনা রয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ করতেই হবে—এমন কোনো নির্দেশনা কোরআন-হাদিসে নেই।
হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, হজ মৌসুমে তিনি নিজেই গভীর রাত পর্যন্ত হাজী ক্যাম্পে অবস্থান করে হাজীদের সমস্যা পর্যবেক্ষণ ও সমাধানের চেষ্টা করছেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোথাও খাবারের মান খারাপ হয়, প্রমাণ দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব। পর্যটন করপোরেশন খুব ভালো মানের খাবার সরবরাহ করছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খাবারের দামও কম রাখা হয়েছে।’
হজযাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাজীরা আল্লাহর মেহমান। আল্লাহই তাদের হেফাজত করবেন। যুদ্ধ পরিস্থিতিও অনেকটা কমে এসেছে। এ বছরও শান্তিপূর্ণভাবে হজ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
হজ এজেন্সিগুলোর অনিয়ম ও হজের ব্যয় কমানোর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে হজের খরচ কিছুটা কমিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, ভবিষ্যতে হজের খরচ আরও কমবে।
বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে সরকার খুশি হবে। তবে সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘একজনকে জোর করে রাজি করানো যায় না। উদ্দেশ্য ভালো থাকলে তখন সম্ভব হয়। এখানে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে সহ্য করতে পারছে না। আল্লাহ পাক উনাদেরকে এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিন। আল্লাহ উনাদের মিলের ব্যবস্থা করে দিন এবং আগের মতো সুন্দর পরিবেশে যেন তারা তাবলিগের কাজ করতে পারেন।’
২২ দিন আগে
প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছাড়ব, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন সহ্য করব না: ধর্মমন্ত্রী
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন, কিন্তু কোনো সংখ্যালঘু বা অন্য ধর্মের মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করা হবে না।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভারত তো বিশাল দেশ। তাদের আমি শ্রদ্ধা করি। তাদের দেশে গণতন্ত্রকে খুব লালন করা হয়, এজন্য আমি শ্রদ্ধা করি। তবে মন থেকে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব, যদি তারা তাদের দেশের সংখ্যালঘুদের আপন করে নেয়, নিরাপত্তা দেয় এবং তাদের জনগণের একটি অংশ হিসেবে মনে করে সমস্ত ব্যবস্থা নেয়।
তিনি বলেন, ‘তবে আমি একটা কথা বলি, ভারতে কী ঘটছে, সেটা বড় বিষয় নয়। ভারতে ঘটছে বলে বাংলাদেশেও ঘটবে, এমনটা হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, কিন্তু এখানে কোনো সংখ্যালঘুদের ওপর, কোনো অন্য ধর্মাবলম্বীর ওপর অত্যাচার, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন সহ্য করব না ইনশাআল্লাহ।’
এ বিষয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই আমরা চেষ্টা করব। আমাদের সরকারপ্রধান আছেন, তিনি অবশ্যই বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করছেন। এ ব্যাপারে তিনি অবশ্যই তার পক্ষ থেকে কথা বলবেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
২২ দিন আগে
১৭ এপ্রিল রাতে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ১৭ এপ্রিল রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি বছরের হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
হজ ফ্লাইট কবে উদ্বোধন হবে—জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১৭ এপ্রিল রাতে প্রধানমন্ত্রী হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন।’
তিনি বলেন, ‘সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন কীভাবে হাজীদের খেদমত করতে হবে, কীভাবে আল্লাহর মেহমানদের খেদমত করতে হবে। উনি পরিষ্কার ভাষায় বলে দিয়েছেন, কোনো অন্যায় অপরাধ, হাজীদের ওপর কোনো অবিচার সহ্য করা হবে না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থেকে অনেক কিছু জানতে পেরেছি বুঝতে পেরেছি। উনি হাজীদের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। উনি দু-একদিনের মধ্যে হাজী ক্যাম্পে যাবেন, যে হাজি ক্যাম্পে হাজিরা এসে উঠবেন। উনি নিজে থেকেই সেখানে যাওয়ার কথা বলেছেন।’
তেলের দামের কারণে হজ ফ্লাইটে সম্ভাব্য জটিলতার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘হাজিরা আল্লাহর মেহমান; ইনশাল্লাহ আল্লাহ সব ব্যবস্থা করবেন। ইনশাআল্লাহ, কোন জটিলতা হবে না।’
৫১ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী
সরকার মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা জানান।
বিমানবন্দর পরিদর্শন করে ধর্মমন্ত্রী সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। সে সময় তিনি আটকে পড়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের উদ্বেগের কথা শোনেন এবং এই কঠিন সময়ে সরকার তাদের পাশে রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণই সরকারের অগ্রাধিকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত তাদের যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে। তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। আম্মান, কুয়েত, দুবাই, আবুধাবি, দোহা, বাহরাইনসহ বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনেক ওমরাহ যাত্রীও আটকে পড়েছেন।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যাত্রীদের তথ্য প্রদান করতে কাজ করে যাচ্ছে।
৯৪ দিন আগে
জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারাই রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি: ধর্মমন্ত্রী
ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, ‘জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারাই রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি। এছাড়া জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করলে কোনো বাধাই সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’
শুক্রবার (১২ জুলাই) ইসলামপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী মন্ডল মিলনায়তনে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: হজ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হলে আমাদের সবাইকে যে যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। সরকারের সব উন্নয়ন নীতির মূলে রয়েছে সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত কাজের সুযোগ সৃষ্টির প্রয়াস। এছাড়া প্রতিটি সেক্টরে আমরা যাতে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারি সেজন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।’
ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী আব্দুস সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আখন্দ, আবিদা সুলতানা যুঁথী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এএএম আবু তাহের, সহকারী পুলিশ সুপার (ইসলামপুর সার্কেল) অভিজিৎ দাস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ: ধর্মমন্ত্রী
বিশ্বের অন্যতম স্মার্ট হজ ব্যবস্থাপনা হবে বাংলাদেশে: ধর্মমন্ত্রী
৬৯০ দিন আগে
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ: ধর্মমন্ত্রী
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।
তিনি বলেন, এটি আমাদের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক।
শনিবার (১৮ মে) বরিশালে জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি অডিটোরিয়ামে পুরোহিত ও সেবাইতদের বিভাগীয় সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: দেশের ভাবমূর্তি যেন নষ্ট না হয় সতর্ক থাকুন: হজ গাইডদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী
ধর্মমন্ত্রী বলেন, আবহমানকাল থেকেই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পীঠস্থান। বিভিন্ন ধর্ম-গোত্রের মানুষ এখানে মিলেমিশে বসবাস করে। উৎসব-পার্বণে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনার অন্যতম হলো অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। স্বাধীনতার এই চেতনাকে সামনে রেখেই প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমরা আজ সম্মানজনক একটি জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন শুধু স্বপ্ন দেখে না, স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে।
পুরোহিত ও সেবাইতদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দেশ ও জাতির উন্নয়নে আপনাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আপনারাই পারেন কমিউনিটির মানুষের মধ্যে সঠিক ধর্মীয় জ্ঞানের প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি তাদের আদর্শ ও নিষ্ঠাবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে।
তিনি বলেন, আমাদের সমাজে বিদ্যমান সামাজিক ব্যাধি ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে, মাদকাসক্তি, দুর্নীতি, ভেজাল প্রভৃতি প্রতিরোধেও আপনারা তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এছাড়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য যেন কোনোভাবেই বিনষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রূপকল্প-২০৪১। এছাড়া জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমরা সবাইকে সমান তালে এগিয়ে নিতে চাই। সব ধর্মের মানুষকে সমান গুরুত্ব দিয়ে তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আগামী দিনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কল্যাণে আরও বেশি কাজ করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
আরও পড়ুন: হজ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী
বিশ্বের অন্যতম স্মার্ট হজ ব্যবস্থাপনা হবে বাংলাদেশে: ধর্মমন্ত্রী
৭৪৫ দিন আগে
হজ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী
হজ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, আগামী বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
বুধবার (১ মে) সকালে জামালপুরে জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে হজ প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৪-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘এদেশের হজযাত্রীরা যাতে একেবারেই যৌক্তিক খরচে হজব্রত পালন করতে পারে, সে বিষয়ে আমরা তৎপর রয়েছি। হজযাত্রীদের নিবন্ধন থেকে শুরু করে দাপ্তরিক সকল প্রক্রিয়া কিভাবে সহজ করা যায়, কিভাবে হজযাত্রীদের আরেকটু বেশি কমফোর্ট দেওয়া যায়- সে বিষয়েও আমরা কাজ করছি। আগামী বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’
ধর্মমন্ত্রী বলেন, টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বৃদ্ধির পরও গত বছরের তুলনায় এ বছর সাধারণ হজ প্যাকেজের খরচ কমানো হয়েছে। সরকার হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে বদ্ধপরিকর।
হজযাত্রী প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে ফরিদুল হক খান বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সফলতা ও উৎকর্ষতার প্রধান হাতিয়ার হলো প্রশিক্ষণ। সহিহ-শুদ্ধভাবে হজব্রত পালন করতে পারার জন্যই এই প্রশিক্ষণ।
হজযাত্রীদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী বলেন, নিজেদের গ্রুপের সকলের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও উষ্ণ সম্পর্ক তৈরি করে নেবেন। গ্রুপের গাইড ও প্রত্যেক সদস্যের মোবাইল নম্বর সংগ্রহে রাখবেন। শুধু প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড় ও অন্যান্য উপকরণ সঙ্গে নেবেন। কোনোভাবেই দলছুট হবেন না। খাবার-দাবার গ্রহণে অবশ্যই পরিমিতি বোধ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সবকিছুতেই শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে, দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা অথবা অন্য কোনো বিষয়ে অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে প্রশাসনিক দলের সদস্যদের জানানোর জন্য পরামর্শ দেন তিনি।
জামালপুর হাজী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ বছর জামালপুর থেকে হজে গমনেচ্ছুরা এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে।
ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আব্দুর রেজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. শফিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসাইন ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আতিকুর রহমান সানা বক্তব্য দেন।
৭৬২ দিন আগে
দেশের ভাবমূর্তি যেন নষ্ট না হয় সতর্ক থাকুন: হজ গাইডদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী
দেশের ভাবমূর্তি যেন নষ্ট না হয় সেজন্য হজ গাইডদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।
তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবে আপনার পরিচয় একজন হজ গাইড নয় বরং আপনার পরিচয় আপনি বাংলাদেশি। তাই আপনার আচার-আচরণ, কথাবার্তা ও চলাফেরার মাধ্যমেই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ফুটে উঠবে।’
হজ গাইডদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনার কারণে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ ও সম্মানহানি যেন না ঘটে, সেদিকে বিশেষভাবে সর্তক থাকবেন।’
শনিবার (৯ মার্চ) সকালে ঢাকার আশকোনায় হজ অফিসে সরকারি হজ গাইড প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন: সাবেক ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
হজ পালনের ফজিলত তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক সুস্থ ও সামর্থ্যবান মুসলমান নর-নারীর উপর হজ আদায় করা ফরজ। ইসলামি শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে হজের বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক হজযাত্রী যাতে সহিহ্ ও শুদ্ধভাবে হজ পালন করতে পারে সে বিষয়ে হজ গাইডদের সর্বদা সোচ্চার থাকতে হবে। হজ গাইডদের গাফলতির কারণে একজন হজযাত্রীর হজ পালনও যদি নিয়ম অনুযায়ী না হয় সেই দায়ভার হজ গাইডের উপরই বর্তাবে।
হজ গাইডদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, আপনাদের দক্ষ হজ গাইড হিসেবে গড়ে তোলার জন্যই এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের প্রতিটি অধিবেশনে শতভাগ মনোযোগী থাকবেন।
তিনি বলেন, হজের নিয়ম কানুন, হুকুম-আহকাম ও ধারাবাহিক কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে পুরোপুরি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। কোনো কিছু বুঝতে সমস্যা হলে প্রশিক্ষকদের বারবার জিজ্ঞাসা করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ যথাযথভাবে গ্রহণ করলেই আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, ইনশাল্লাহ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে: ধর্মমন্ত্রী
ধর্মমন্ত্রী হজ গাইডদের উদ্দেশে বলেন, আপনি হলেন আপনার দলের হজযাত্রীদের জিম্মাদার, পথ প্রদর্শক ও পরামর্শক। হজযাত্রীদের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, হজযাত্রা শুরুর পর থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত নিজ দলের হজযাত্রীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক অবস্থান করতে হবে। হজের আরকান-আহকাম এবং সফরের যাবতীয় বিষয়াদি সম্পর্কে হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
প্রশিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দক্ষ হজ গাইড গড়ে তুলতে আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রশিক্ষণার্থীই যাতে পিছিয়ে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ধীরে শেখে এমন প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।
হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মতিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- ধর্ম সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার।
এসময় হজ অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মো. মঞ্জুরুল হক ও হজ অফিসের পরিচালক মুহম্মদ কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এতে মোট ১০২ জন হজ গাইড প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন।
আরও পড়ুন: সাবেক ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমানের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
৮১৬ দিন আগে
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে: ধর্মমন্ত্রী
ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার ও বন্ধুত্বপূর্ণ। আগামীতে দুই দেশের মধ্যকার এ সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে।
রবিবার (২১ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ে ধর্মমন্ত্রী তার অফিস কক্ষে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসেফ ঈসা আল দুহাইলেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে চীনা অর্থ ছাড় আগের চেয়ে সহজ হবে: অর্থমন্ত্রী
সাক্ষাৎকালে তারা আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক দৃঢ় ও সুসংহত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
এ ছাড়া হজের নিবন্ধন পরিস্থিতি, হজযাত্রী পরিবহন, ঢাকায় অ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউট স্থাপন, বাংলাদেশে আটটি আইকনিক মসজিদ স্থাপনের বিষয়সহ দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন: সরকার কারো স্বীকৃতির অপেক্ষায় নেই: ওবায়দুল কাদের
মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় মো. ফরিদুল হক খানকে অভিনন্দন জানান সৌদি রাষ্ট্রদূত।
এসময় ধর্ম সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার ও হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মতিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ইস্যুকে জাতিসংঘের আলোচ্যসূচির শীর্ষে রাখতে মহাসচিবের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ
৮৬৩ দিন আগে