ব্রিটেন
ছায়া বহর সন্দেহে রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল ব্রিটেন
আটলান্টিক মহাসাগরের ইংলিশ চ্যানেল থেকে রাশিয়ার একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে ব্রিটেন। ট্যাংকারটি শ্যাডো ফ্লিট (ছায়া বহর) হিসেবে ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে সন্দেহে তদন্ত শুরু করেছে ব্রিটেন।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ জুন) দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ তথ্য জানান।
রবিবার ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করার সময় রাশিয়ার ‘স্মির্টোস’ নামের জাহাজটিতে অভিযান চালিয়ে সেটিকে আটক করে ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী ।
ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, তদন্তের জন্য জাহাজটিকে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের কাছে রাখা হয়েছে। সেখানে এটিকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
শ্যাডো ফ্লিট হলো তেল ও অন্যান্য নিষিদ্ধ পণ্য বহনকারী অনিবন্ধিত জাহাজের একটি গোপন নেটওয়ার্ক। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে রাশিয়া শত শত জাহাজ নিয়ে গঠিত এসব নৌবহর ব্যবহার করে আসছে।
রবিবার ফ্রান্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ে মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর আগে ফ্রান্সও শ্যাডো ফ্লিট-সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি জাহাজ আটক করেছিল।
এ বিষয়ে স্টারমার বলেন, ‘এই অভিযান পুতিনের বিরুদ্ধে আরও একটি বড় আঘাত হানবে। পাশাপাশি যারা ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পুতিনকে যুদ্ধের রশদ যোগান দিচ্ছে, তারা কেউই লুকিয়ে থাকতে পারবে না।’
এদিকে, যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের অভিযান রাশিয়ার নৌসম্পদের ওপর সরাসরি আঘাত হেনেছে। মহাসাগরে চলাচলকারী এসব ছায়া বহর ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে আসছিল। নৌপথে মিত্র দেশগুলোর সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে এমন অভিযান আব্যাহত থাকলে ইউরোপীয় দেশগুলোতে রাশিয়ার হুমকি দেওয়ার ক্ষমতা কমে আসবে।
৫ দিন আগে
ব্রিটেনে গর্ভপাতের পর ‘শোক ছুটি’ পাবেন মা-বাবা
ব্রিটেনে গর্ভপাতের পর দুই সপ্তাহের ‘শোক ছুটি’ পেতে যাচ্ছেন মা-বাবারা। দেশটির লেবার পার্টির শ্রমিক অধিকার সংস্কারের অংশ হিসেবে এই ছুটি চালু করতে যাচ্ছে ব্রিটেন।
গর্ভধারণের ২৪ সপ্তাহের আগে গর্ভপাত হলে এই শোক ছুটি পাবেন তারা। নতুন আইনের মাধ্যমে শ্রমিক অধিকার সংক্রান্ত বিলটিতে এই পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে লেবার পার্টি। আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিলটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে উত্থাপনের কথা রয়েছে।
এই বিলটি চূড়ান্ত হলে ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও স্কটল্যান্ডের বাসিন্দারা এই ছুটি পাবেন। এর আগে দেশটিতে গর্ভধারণের ২৪ সপ্তাহ অতিক্রম হওয়ার পর গর্ভপাত হলে কিংবা মৃত বাচ্চার জন্ম দিলে শোক ছুটি পেতেন। সংশোধিত বিলের আওতায় এখন ২৪ সপ্তাহের আগে গর্ভপাত হলেও শোক ছুটি পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাতের অধিকারের দাবিতে বিক্ষোভ
সংশোধিত এই বিলটিরে প্রচার চালিয়েছিলেন লেবার পার্টির এমপি সারাহ ওয়ান। তার নের্তৃত্বাধীন নারী ও সমতা বিষয়ক কমিটি চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এই দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এই বিলটি সারাহর জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সন্তান হারানোর পর বাবা-মায়ের শারীরিক ও মানসিক কষ্ট লাঘবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।
ব্রিটেনে প্রতিবছর প্রায় আড়াই লাখ গর্ভবতী মহিলা গর্ভপাতের শিকার হন। গর্ভধারণের প্রথম ১২ সপ্তাহের মধ্যেই ১০ থেকে ২০ শতাংশ গর্ভপাত হয়ে থাকে।
গর্ভপাতের কষ্টের অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্রিটেনের এক ব্যবসায়ী জোনাথান রেনল্ডষ বলেন, ‘আমি জানি এই সময়টা কতটা কষ্টকর। অনেকের মতো আমিও এই অভিজ্ঞতা করেছি। এটি অত্যন্ত কঠিন সময়।’
সংশোধিত বিলে যেসব বাচ্চার জন্মদানের সময় তার মা মারা গেছেন; তবে শিশু জীবিত রয়েছেন ওই বাচ্চার বাবাও এই শোক ছুটি পাবেন বলে জানা গেছে।
৪৭০ দিন আগে
ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে বিএনপির অভিনন্দন
যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিএনপি।
শনিবার (৬ জুলাই) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিনন্দন জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, যেসব দেশে গণতন্ত্রের অভাব রয়েছে সেসব দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ভূমিকা রাখবেন।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি ব্যাপক ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছে। লেবার পার্টির প্রধান স্যার কিয়ার স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই।’
মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতোমধ্যে টুইটারে কিয়ার স্টারমারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ‘আমি দলের পক্ষ থেকে তাকে আবারও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
বিএনপি মহাসচিব আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, 'যুক্তরাজ্যের অভিজ্ঞতা হলো সেখানে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি অনেক দেশের গণতান্ত্রিক ঘাটতি ও সংকট মোকাবিলায় তার (স্টারমার) জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করতে পারে।’
আরও পড়ুন: সরকারের সঙ্গে পেনশন বিরোধে শিক্ষকদের পাশে বিএনপি, আন্দোলনকে 'যৌক্তিক' বললেন রিজভী
তিনি আরও আশা করেন, স্টারমার তার যোগ্য নেতৃত্বে ব্রিটেনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।
১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়ে মধ্য-বামপন্থী বিরোধী দল লেবার পার্টি ব্যাপক বিজয়ের পর যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন কিয়ার স্টারমার।
এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় মাসুদ পেজেশকিয়ানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, তার নেতৃত্বে ইরান এগিয়ে যাবে।’
ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কট্টরপন্থী সাঈদ জালিলিকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন সংস্কারপন্থী প্রার্থী মাসুদ পেজেশকিয়ান।
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ওপর বছরের পর বছর ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা ও বিক্ষোভের মধ্যে পেজেশকিয়ান পশ্চিমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার এবং ইরানের বাধ্যতামূলক হিজাব আইনের প্রয়োগ শিথিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন করে: ফখরুল
৭১৩ দিন আগে
ব্রিটেনের পার্লামেন্টে লেবার পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা, নতুন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে কেয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি।
শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে স্কাই নিউজ জানায়, পার্লামেন্টের ৬৫০ আসনের মধ্যে ৪৬৭টি আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে; যার মধ্যে লেবার পার্টি পেয়েছে ৩২৬টি আসন।
এদিকে কোনো সংবাদ মাধ্যমে ফল ঘোষণা হওয়ার আগেই নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করে নেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।
বিবিসি, আইটিভি ও স্কাই নিউজের বুথফেরত জরিপে ফল ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, লেবার পার্টি ৪১০টি আসনে বিশাল জয় পাবে, অন্যদিকে কনজারভেটিভদের আসন সংখ্যা ১৩১টিতে নেমে আসবে।
সুনাক বলেন, 'লেবার পার্টি এই সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়েছে এবং আমি স্যার কেয়ার স্টারমারকে ফোন করে তার জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিটিশ জনগণ আজ রাতে একটি রায় দিয়েছে যা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে... আর হারের দায় আমি নিচ্ছি।’
ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর স্টারমারের ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পথ প্রশস্ত করতে সুনাক শিগগিরই পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
লেবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হওয়ার পরে সেন্ট্রাল লন্ডনে জনতার উদ্দেশে স্টারমার বলেন, “আমরা পেরেছি। আপনারা এর জন্য প্রচারণা চালিয়েছিলেন, এর জন্য লড়াই করেছিলেন- এবং জয় এসেছে। 'পরিবর্তন এখন শুরু।’”
তিনি আরও বলেন, 'ব্রিটিশ জনগণকে পরীক্ষা করে দেখতে হয়েছিল যে আমরা তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারি কি না এবং এটি এখনই থামবে না।’
স্টারমার বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না, যে এটি সহজ হবে। কিন্তু যখন চলা কঠিন হয়ে উঠবে, মনে রাখতে হবে আজকে রাতের কথা।’
আরও পড়ুন: পরাজয় মেনে প্রধানমন্ত্রীর শেষ ভাষণ দিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়েছেন সুনাক
৭১৪ দিন আগে
ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের আমন্ত্রণে বেলজিয়াম গেলেন পলক
ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের বিশেষ আমন্ত্রণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বেলজিয়ামের উদ্দেশ্যে সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।
সফরকালে প্রতিমন্ত্রী বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিতব্য টনি ব্লেয়ার ইন্সটিটিউট ফর গ্লোবাল চেঞ্জ’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘টেক অ্যাক্সিলেরেটর প্রোগ্রাম ২০২৩’ এ অংশগ্রহণ করবেন।
এই এক্সেলেরেটর প্রোগ্রামে বাংলাদেশ, ব্রিটেন, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, জাম্বিয়া, সিঙ্গাপুর, মরক্কো, আলবেনিয়া, ভিয়েতনাম, ভিয়েতনাম, তিমুর, বুলগেরিয়া, রিসা, গ্রীস, ইউকে, ম্যাক্রা, রোমানিয়াসহ বিশ্বের ৩১টি দেশ থেকে মন্ত্রী, মেম্বার অব পার্লামেন্ট, সরকারি, বেসরকারিসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করবেন।
৯৭০ দিন আগে
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্রিটেনের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্রিটেনের সহযোগিতা চায়।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার তার সীমিত সম্পদ দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন: দেশকে দূষণমুক্ত করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী
সোমবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রণীত জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায় (ন্যাপ) মোতাবেক ১১৩টি কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ছাড়া জলবায়ু সহিষ্ণুতা বাস্তবায়ন এবং অর্জন করা বাংলাদেশের পক্ষে কঠিন। তাই আমরা যুক্তরাজ্যের মতো উন্নত দেশ থেকে সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, মোট বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাসের শূন্য দশমিক ৪৮ শতাংশের কম নির্গমণ করলেও বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাজ্য সরকারের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, গ্লোবাল গোল অন এডাপটেশন, মিটিগেশন ওয়ার্ক প্রোগ্রাম এবং লস এন্ড ড্যামেজ এর জন্য তহবিল ব্যবস্থার বৈশ্বিক লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ব্রিটেনের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গৃহীত কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে।
বাংলাদেশের এনডিসি এবং ন্যাপ এর প্রশংসা করে হাইকমিশনার বলেন, সদ্যপ্রণীত মুজিব ক্লাইমেট প্রসপ্যারিটি প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ বিশ্বে জলবায়ু কর্মকাণ্ডে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে।
তিনি এসময় বাংলাদেশের ইকোসিস্টেম বেইজড এডাপটেশনের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু কর্মকাণ্ডে ব্রিটেনের চলমান সহযোগিতা ক্রমবর্ধমান গতিতে অব্যাহত থাকবে।
বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের জলবায়ু ও পরিবেশ টিমের টিম লিডার এলেক্স হারভেসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর পরিকল্পনা অনুসরণে দেশে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ হচ্ছে: পরিবেশমন্ত্রী
বাংলাদেশে বাঘ সংরক্ষণে ভারতের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী
১১১৭ দিন আগে
'কমনওয়েলথের অভিভাবক' হিসেবে ব্রিটেনের রাজার গুরুত্ব অপরিসীম: মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে আগামী ৪-৮ মে যুক্তরাজ্য সফর করবেন।
তিনি বলেন, আগামী ৬ মে বাকিংহাম প্যালেসে আয়োজিত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্য জুড়ে এবং তার বাইরেও লাখ লাখ মানুষ রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক উদযাপনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তিনি জানান, আগামী ৬ মে ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানের পূর্বে ৫ মে বিকালে বাকিংহাম প্যালেসে মহামতি রাজা এবং কুইন কনসোর্টের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও, একই দিনে মার্লবোরো হাউসে রাজার উপস্থিতিতে কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল কর্তৃক আয়োজিত কমনওয়েলথ লিডার্স ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে। এসব অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী অংশগ্রহণ করবেন।
এবার ৭০ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে প্রায় ১৩০টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান (কমনওয়েলথভুক্ত অধিকাংশ দেশের সরকার প্রধানসহ) অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা যায়। কমনওয়েলথ এর অভিভাবক হিসেবে ব্রিটেনের রাজার গুরুত্ব অপরিসীম।
আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ একটি মডেল দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোমনে বলেন, অন্যদিকে বর্তমানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। যুক্তরাজ্য এখন বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য, দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগ উৎস ও রেমিটেন্সের চতুর্থ বৃহত্তম উৎস।
এসবের পাশাপাশি রাজনৈতিক, উন্নয়ন সহযোগিতা, সংস্কৃতি, শিক্ষা ইতাদি খাতে দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হয়ে উঠছে। এরই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে রাজি হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, এ সফরে কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। এছাড়াও, যুক্তরাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রীও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে পারেন।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লন্ডনের একটি হোটেলে আয়োজিত একটি নাগরিক সংবর্ধনায়ও অংশগ্রহণ এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশি ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মোমেন বলেন, আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাজ্য সফর সফল ও ফলপ্রসূ হবে।
আগামী ৯ মে দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
আরও পড়ুন: আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফর: প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ ৮টি চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা
১১৫২ দিন আগে
‘একাকীত্ব' মোকাবিলায় রাজা চার্লস নিজের সঙ্গে একটি টেডি বিয়ার রাখেন: হ্যারি
ব্রিটেনের বর্তমান রাজা চার্লসের ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি তার বহুল আলোচিত বই ‘স্পেয়ারে’ প্রকাশ করেছেন যে তার বাবা সব সময় নিজের সঙ্গে একটি টেডি বিয়ার রাখেন। রাজা চার্লস তার শৈশবের এই টেডি দিয়ে একাকীত্ব মোকাবিলা করেন।
হ্যারি তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ‘টেডি পা'র সঙ্গে সব জায়গায় যায়। এটার অবস্থা করুণ। এর হাত ভাঙা, সুতো বের হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় গর্ত হয়ে গেছে।’
হ্যারি আরও বলেন, ‘টেডি তার (চার্লসের) শৈশবের অপরিহার্য নিঃসঙ্গতা খুব ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।’
ডিএইচ কনসাল্টিং-এর মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল হ্যাগ বলেছেন কিভাবে রাজা চার্লসের স্টাফ খেলনা তার সুস্থতায় তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
আরও পড়ুন: আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেনের রাজা হলেন তৃতীয় চার্লস
১২৫২ দিন আগে
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যারা থাকছেন
ব্রিটেনের রাজ পরিবারকে নিয়ে বিশ্বের মানুষ ও মিডিয়ার যে আগ্রহের শেষ নেই তা আলাদা করে বলতে হয় না। বিশেষ করে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে নিয়ে। বিশ্ব প্রমাণ পেয়েছে তার মৃত্যুতে। শোক যেমন আছে, শেষযাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ে খুঁটিনাটি কী হচ্ছে তাও জানতে নেট দুনিয়ায় ঘুরে আসতে ভুল হচ্ছে না।
সোমবার হচ্ছে রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন নেতাদের যানজট এড়াতে তাদের বাসে করে চলাচল করার অনুরোধ করা হয়েছে। বিষয়টি মানুষের মাঝে বেশ আগ্রহ জাগিয়েছে। একইভাবে এই আয়োজনে কে থাকবেন আর কে থাকবেন না তা নিয়েও খোঁজখবর শুরু হয়েছে।
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে অতিথিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। বরং যারা আয়োজনে অংশ নিবেন তাদেরকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।
আারও পড়ুন: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাক্রম
রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যারা থাকবেন
শুধু যুক্তরাজ্য নয়, বিশ্বের মানুষ সোমবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় তার গৌরবময় জীবন ও উত্তরাধিকারকে স্মরণ করবে। রানি ৯ সেপ্টেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এবং তখন থেকেই রাজপরিবার ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের মানুষ শোক পালন করছে।
১৯৬৫ সালে উইনস্টন চার্চিলের পর রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াই যুক্তরাজ্যে প্রথম রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। একটি রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া মানে যুক্তরাজ্য সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার দিনটিকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করে। যা শোক প্রকাশের জন্য করা হয়।
ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। এখানেই প্রিন্স উইলিয়ামস ও কেট মিডলটনের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।
আারও পড়ুন: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ যখন প্রথমবার বাংলাদেশে আসেন
রাজপরিবারের সদস্যরা
রানির পরিবারের অধিকাংশই উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থার (এএনআই) মতে, তালিকায় রাজা চার্লস তৃতীয় এবং রানি কনসোর্ট ক্যামিলা পার্কার বোলস, প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল, প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন, রানির কন্যা প্রিন্সেস অ্যানে ও স্যার টিমোথি লরেন্স, প্রিন্সের মতো রানির সবচেয়ে কাছের পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অ্যান্ড্রু ও সারা এবং প্রিন্স এডওয়ার্ড ও সোফি।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারা
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য সরকারের সিনিয়র সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।
বিশ্ব নেতারা
এএনআই অনুসারে, প্রায় ৫০০ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় আমন্ত্রিতদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ, আইরিশ প্রেসিডেন্ট মাইকেল ডি হিগিন্স, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন।
অন্যান্য দেশের রাজ পরিবার
এএনআই আরও জানায় যে ইউরোপজুড়ে রাজপরিবারদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ ও রানি ম্যাথিল্ড, নেদারল্যান্ডের রাজা উইলেম-আলেকজান্ডার এবং রানি ম্যাক্সিমা, স্পেনের রাজা ফিলিপ ষষ্ঠ ও রানি লেটিয়া, সুইডেনের রাজা কার্ল গুস্তাফ ও রানি সিলভিয়া এবং মোনাকোর প্রিন্স আলবার্ট ও রাজকুমারী শার্লিন।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শেষকৃত্যের জন্য ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুক্তরাজ্যে থাকবেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁও তার যুক্তরাজ্য সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নেপাল থেকে তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নারায়ণ খাডকা সেখানে থাকবেন এবং শ্রীলঙ্কা থেকে রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহে শেষকৃত্যে অংশ নিতে যুক্তরাজ্যে যাবেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রানির শেষযাত্রায় অন্যান্যদের সঙ্গে অংশ নিবেন।
আারও পড়ুন: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতিকৃতি বিশিষ্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার এখন কি করা হবে?
রানির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যারা থাকবেন না
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য দেশের রাজনৈতিক প্রধান থেকে শুরু করে রাজপরিবারের স্বতন্ত্র সদস্য এবং বিশ্বজুড়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অনেক অতিথি যুক্তরাজ্যে উপস্থিত হতে শুরু করেছে।
যদিও আনুষ্ঠানিক অতিথির তালিকা প্রকাশ করা হয়নি, তবুও এএনআই একটি তালিকা প্রকাশ করেছে যারা রানিকে বিদায় জানাতে যুক্তরাজ্যে যাবেন না। এর মধ্যে দেশের তালিকায় যে দেশগুলো থাকছে:
রাশিয়া
বেলারুশ
আফগানিস্তান
মিয়ানমার
সিরিয়া
ভেনেজুয়েলা
আারও পড়ুন: পর্দায় রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি রাজা চার্লস তৃতীয়কে তার সিংহাসনে আরোহণে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিন্তু পুতিনের এই শুভেচ্ছা যুক্তরাজ্যের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। স্বাভাবিকভাবেই পুতিন যুক্তরাজ্যে থাকছেন না।
এখানে এটাও লক্ষণীয় যে উত্তর কোরিয়া, ইরান এবং নিকারাগুয়াকে আমন্ত্রণ পাঠানো হলেও তা শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতদের, ওই দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের নয়।
আরেকটি খবর যা সম্প্রতি ছড়িয়েছে তা হল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও উপস্থিত থাকবেন।
তবে এএনআইয়ের মতে, যুক্তরাজ্য সরকার এই গুজবকে বাতিল করেছে। বরং শুধুমাত্র বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।
এএনআই জানিয়েছে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় সাত লাখ ৫০ হাজার মানুষ উপস্থিত থাকবে।
আারও পড়ুন: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
১৩৭১ দিন আগে
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ যখন প্রথমবার বাংলাদেশে আসেন
ব্রিটেনের প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ দেশ স্বাধীন হওয়ার ১২ বছর পর ১৯৮৩ সালের ১৪ নভেম্বর প্রথমবার বাংলাদেশ সফরে আসেন।
ইউপিআইয়ের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দেশটির তৎকালীন সামরিক সরকারের রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে অল্প সংখ্যক ব্যক্তির উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে স্বামী প্রিন্স ফিলিপের সঙ্গে রানি সে রাতে নিজস্ব বিমানে করে বংলাদেশে আসেন।
ধূসর নীল রঙের স্যুট পরিহিত রানি ও তার স্বামীকে মোটর শোভাযাত্রায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যেখানে তারা শেষবার ১৯৬১ সালে এসেছিলেন। তখন বাংলাদেশের নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান।
রাজকীয় এই দম্পতি কমনওয়েলথ সম্মেলন উদ্বোধন করার উদ্দেশ্যে ভারতের নয়াদিল্লি যাওয়ার আগে বাংলাদেশে ১৪ থেকে ১৭ নভেম্বর অবস্থান করেন।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে তখন বিশ্বের তৃতীয় দরিদ্রতম দেশ বলে অভিহিত করা সত্ত্বেও বাংলাদেশের তৎকালীন সামরিক সরকার ঢাকায় রানির সফরের জন্য দুই মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের রঙিন পোস্টার, ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’- লেখা ব্যানার এবং ইউনিয়ন জ্যাক পতাকায় বিমানবন্দর থেকে ১৮ মাইল পথ সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাক্রম
রানির বাংলাদেশ সফরের উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে একটি ছিল জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন। যেখানে তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সম্মানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছিলেন।
রাজধানী ঢাকা থেকে ৩৫ মাইল দক্ষিণে একটি ‘মডেল ভিলেজ’ পরিদর্শনের জন্য রানি ট্রেনে ভ্রমণ করেছিলেন এবং সেখানে দেখেছিলেন কীভাবে চাল থেকে মুড়ি তৈরি হয়, পাশাপাশি হস্তশিল্প, লেপ ও মৃৎপাত্র তৈরির প্রক্রিয়াও দেখেছিলেন।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও প্রিন্স ফিলিপ ঢাকার ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে সুবিধাভোগীদের সঙ্গে দেখা করেন।
আরও পড়ুন: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ সম্পর্কে ১০টি বিষয়
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে ফখরুলের শোক
১৩৭৯ দিন আগে