নির্বাচন কমিশনার
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনগুণ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য থাকবে। তাই এই উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে মনে করে কমিশন।
সভায় সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন কমিশনার।
পাশাপাশি নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনকারী বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
১ দিন আগে
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে ককরোচ জনতা পার্টি
ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন বিতর্কের জেরে দেশেটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শুক্রবার মুম্বাইয়ে নতুন করে আন্দোলন করেছে জেন-জি নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
একই দাবিতে দিল্লির বিখ্যাত প্রতিবাদ কেন্দ্র ‘যন্তর মন্তরে’ ছাত্র ও নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলোর পূর্বঘোষিত এক সমাবেশ রুখে দিয়েছে পুলিশ। পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলার পাশাপাশি সেখান থেকে বেশ কয়েকজন বিরোধী রাজনৈতিক নেতা ও অসংখ্য বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
বিরোধী দল ও সমালোচকদের অভিযোগ, ক্ষমতাসীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা পাইয়ে দিতেই কমিশনারদের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় কারসাজি করা হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও সরকার উভয় পক্ষই এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।
নির্বাচন কমিশনে অভ্যন্তরীণ বিরোধ
গত মাসে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটার তালিকা সংশোধন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং কমিশনের ডিজিটাল ব্যবস্থার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি তুলেছেন।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই দুই কমিশনার কয়েকটি সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাদের উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করেন। উল্লেখ্য, ভারতের আইন অনুযায়ী তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
তবে নির্বাচন কমিশন এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছে, বিষয়টি কমিশনারদের মধ্যকার ভিন্ন মতামত ও পারস্পরিক আলোচনার অংশ, কোনো লিখিত আনুষ্ঠানিক আপত্তি নয়।
১৩ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি, ২০ আগস্ট ভোট
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুই প্রার্থীর কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রায় ৩৫ বছর পর এবারই প্রথম একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে নির্বাচন ভবনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় বিকেল ৪টার পর সাংবাদিকদের নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মধ্যে কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
তিনি বলেন, আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আমরা ব্যালট পেপার ছাপিয়ে ওই দিন নিয়ে যাব। ব্যালট পেপার হবে সাদা ওপর কালো প্রিন্ট। ভোটগ্রহণ শেষে তখনই প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, আপনারা দেখবেন আমরা কত তাড়াতাড়ি ফলাফল প্রকাশ করতে পারি। আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ভোটগ্রহণের শুরুতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কর্তা হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোটদানকারী সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—কাউন্টারফয়েল ও ব্যালট অংশ। কাউন্টারফয়েলে ক্রমিক নম্বর, সংসদ সদস্যের নাম এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া বিভাগীয় নম্বরসহ তিনটি তথ্য এবং একটি খালি জায়গা থাকবে। ব্যালট পেপার গ্রহণের আগে নির্ধারিত জায়গায় সংসদ সদস্যকে নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণানুক্রমে মুদ্রিত থাকবে। প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত জায়গায় সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। এরপর সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার জমা দেবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য (আদালতের নির্দেশে নির্বাচিত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসন এখনো শূন্য রয়েছে)।
গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। একক প্রার্থী না থাকায় ১৯৯১ সালের পর এবার প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
৫৮ দিন আগে
যেকোনো মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে পারফেক্ট বলব না। তবে অতীতের তুলনায় যেকোনো মানদণ্ডে এই নির্বাচন ভালো হয়েছে।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোটের ফলাফল ঘোষণার মঞ্চে বসে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবেই। ১৮ কোটি ভোটারের দেশ। আপনাদের সহযোগিতা না হলে এই সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারতাম না। সবার কাছে কৃতজ্ঞ। অনেক দেশে সাড়ে ১৭ লাখ লোকও নেই। অথচ এই পরিমাণ লোক নির্বাচন আয়োজনে কাজ করেছে।’
তিনি বলেন, ভোট গুনতে একটু সময় লাগছে। আমরা অত্যন্ত স্বচ্ছ থাকতে চাই। লুকোচুরিতে বিশ্বাস করি না।
সিইসি বলেন, আমাদের কষ্ট, চেষ্টা সার্থক হয়েছে। নির্বাচনের ইতিহাসে যেকোনো মানদণ্ডে ভালো নির্বাচন। নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ফলাফলেও স্বচ্ছতা রাখতে চাই। এটা সম্পূর্ণ হিসাবের ব্যাপার। রিটার্নিং কর্মকর্তা স্বাক্ষর করে যে ফলাফল দিবে সেটাই আমরা দেব। কোনো আনঅফিশিয়াল ফলাফল দেব না।
২৪৫ দিন আগে
ইসি পুনর্গঠন নিয়ে মন্তব্য করতে নারাজ কমিশনার সানাউল্লাহ
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘ইসি পুনর্গঠনের দাবির বিষয়টি রাজনৈতিক হওয়ায় তা নিয়ে কোনো মতামত নেই তাদের।’ তবে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের মধ্যে কোনটি আগে-পরে হবে; তা সরকারের ওপরই নির্ভর করছে বলে জানান এ নির্বাচন কমিশনার।
বুধবার (২১ মে) সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন ইসির পঞ্চম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ। সেখানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করার বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দাবির মধ্যে এমন মন্তব্য এসেছে ইসির পক্ষ থেকে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক হয় নির্বাচন ভবনের সিইসির সভাকক্ষে। চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এ সভায়।
এসময় নির্বাচন ভবনের বাইরে এনসিপির বিক্ষোভ চলছিল। ইসির পদত্যাগের দাবিতে নির্বাচন ভবনের বাইরে এনসিপির দাবি নিয়ে চলমান আন্দোলনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা কোনো মতামত দিতে চাই না।’
এ বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী জুনের মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কথা রয়েছে। এরইমধ্যে বিএনপি দ্রুত নির্বাচন করার দাবি করে আসছে। আর এনসিপি দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি করছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ সিকুয়েন্সিং অব ইলেকশন, কোনটা আগে হবে, কোনটা পরে হবে— এটা ইসির হাতে নেই। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন নির্বাচন আগে হবে, পরে হবে। ইসির দায়িত্ব নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।’
আরও পড়ুন: এক দিনের রিমান্ডে সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ
এনসিপির সমাবেশ থেকে ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পদত্যাগের দাবি দাবি জানিয়ে আসছে এনসিপি। তবে ‘কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে’ মন্তব্য করতে চান না বলে উল্লেখ করেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
‘কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে ও করে যাবে,’ বলেন তিনি। ঢাকা দক্ষিণের মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনের পক্ষে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর গেজেট করে ইসি। এরপর আর আপিল না করায় তা নিয়ে সমালোচনাও চলছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনী সব ধরনের আইনবিধি পযালোচনা করা হয়েছে, তাতে ইসির পক্ষভুক্ত হওয়ার সুযেগ নেই। এছাড়া অতীতেও ইসি এ ধরনের পক্ষভুক্ত হওয়ার নজির নেই।’
৫১২ দিন আগে
২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করছে ইসি: আনোয়ারুল ইসলাম
নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নলী কৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক নেতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সহযোগিতারও আহ্বান জানান।
কমিশনার আরও বলেন, ‘সবার প্রত্যাশা পূরণের জন্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে। পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন: এনআইডির তথ্য ফাঁস: ৫ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তথ্যের প্রমাণ পেয়েছে ইসি
চলমান নির্বাচনী সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেকোনো পরিবর্তন রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা বলেছেন। ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটার নিবন্ধন হালনাগাদ করার কারণে প্রায় ১৬ লাখ মৃত ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী কারচুপির সম্ভাবনা দূর করতেই এই পদক্ষেপ বলেও উল্লেখ করেন এই কমিশনার।
এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুস আলী, মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৬১২ দিন আগে
নির্বাচন ব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কাজ করছে কমিশন: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেছেন, ‘মানুষ যাতে নিজেদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে, সেটাও নিশ্চিত করা হবে। ইতোপূর্বে ভোটার তালিকার তথ্য নিয়ে সমালোচনা ছিল। ইসি ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি শুরু করেছে।’
ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় যাতে নির্ভূলভাবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করা যায়, সেজন্য সংশ্লিষ্টদের সঠিক তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে নওগাঁয় তথ্য সংগ্রকারী, সুপারভাইজার ও নতুন ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে কমিশনার এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরকে সামনে রেখে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে: ইসি সানাউল্লাহ
আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ একটি রাজনৈতিক ঐক্যমত্য প্রক্রিয়ার বিষয়। এ ছাড়াও বিচারিক একটা বিষয় রয়েছে যদি আদালতে গড়ায়।’
তিনি বলেন, ‘এটি নির্বাচন কমিশনের বিষয় নয়। তফসিল ঘোষণা পর যেসব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থাকবে তখন সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল, পুলিশ সুপার সফিউল সারোয়ার, নওগাঁ পৌরসভার প্রশাসক টিএমএ মমিন ও জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল মোত্তালিবসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
৬২০ দিন আগে
নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ বিষয়ে দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) নিয়োগ নিয়ে দেশের কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না মর্মে দেওয়া ‘দায়মুক্তির বিধান’ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
আইন মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাশেদ খান মেননের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
এই বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৮ আগস্ট রিট দায়ের করা হয়। রিটে দায়মুক্তি দেওয়া কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।
রিটকারী আইনজীবীরা হলেন- আব্দুল্লাহ সাদিক, জিএম মোজাহিদুর রহমান, মিসবাহ উদ্দিন, জোবায়দুর রহমান, নোয়াব আলী, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাজ্জাদ সরওয়ার, মোজাহিদুল ইসলাম, মিজানুল হক ও একেএম নুরুন নবী।
রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২ এর ধারা ৯ চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। ধারা ৯ এর মাধ্যমে ইতোপূর্বে নিয়োগকৃত নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে বিচার বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘যা সংবিধানের ২৬, ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ ও ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতি এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিপন্থি। এই ধরনের দায়মুক্তি সম্পূর্ণভাবে অসাংবিধানিক। দেশের তিনটি বিভাগ রয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিভাগ। আইন সভা আইন পাস করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে না। কারণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো। ৯ ধারার মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। রিট আবেদনে আইন মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনকে বিবাদী করা হয়।’
২০১৪-২০১৮ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে দেশের কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না বলে ২০২২ সালে দায়মুক্তির বিধান সম্বলিত ওই আইন করা হয়।
আইনের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতঃপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটি ও তাদের সম্পাদিত কার্যাবলি এবং সেই অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ বলে গণ্য হবে এবং সেই বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে কমিশন গঠন
৭৭৯ দিন আগে
নির্বাচন কমিশনারদের বেতন-সুবিধা সংক্রান্ত আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
বেতন নির্ধারণ করে 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২৪' এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার(২০ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ঈদের ছুটি একদিন বাড়ানোর সুপারিশ মন্ত্রিসভা কমিটির
প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সিইসির বেতন হবে এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা এবং নির্বাচন কমিশনারের বেতন হবে ৯৫ হাজার টাকা। বেতনের পাশাপাশি ৫০ শতাংশ বিশেষ ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা পাবেন তারা।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘এতে মূলত সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সুযোগ-সুবিধা ও বেতন নির্ধারণ করা হয়। প্রস্তাবিত আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আগের আইন অনুসরণ করা হয়েছে।’
বিদ্যমান আইনটি ১৯৮৩ সাল থেকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেহেতু সামরিক শাসনামলে প্রণীত আইন পরিবর্তনের জন্য উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা রয়েছে, তাই খসড়া আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ২০২৭ সালের মধ্যে রপ্তানি ১১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীতকরণের খসড়া নীতিমালায় মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন
মহেশখালীতে মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন
৮৭৮ দিন আগে
সব প্রার্থীই আমাদের কাছে সমান: ইসি রাশেদা সুলতানা
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) বেগম রাশেদা সুলতানা বলেছেন, সব প্রার্থীই আমাদের কাছে সমান; দল বা প্রার্থী বুঝে নয়, অপরাধ বুঝেই প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যে প্রার্থীই আচরণবিধি লঙ্ঘন করবেন, কমিশন তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেবে। এ কার্যক্রম আরও জোরদার হচ্ছে। ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে কমিশন সচেষ্ট রয়েছে। ভোটারেরা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেই ব্যবস্থা আমরা করেছি।
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাটে এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ইসি।
এর আগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তিনি।
সভায় কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠের নানা ধরনের সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান, রংপুরের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: স্থানীয় ২০৭৭৩ পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে: ইসি
একটি ভোটও জাল হলে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হবে: ইসি আহসান হাবিব
শতভাগ নিশ্চিত করতে পারি, আগের রাতে ভোট হবে না: সিইসি
১০২১ দিন আগে