ভূমিসেবা
তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে ভূমিসেবা সহজ ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টা ৫ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে বোতাম টিপে মেলার উদ্বোধন করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী ভূমি মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকাশনার মোড়কও উন্মোচন করেন।
উদ্বোধনের পর একযোগে দেশের সব জেলা ও উপজেলায় মেলা শুরু হয়। আগামী ২১ মে পর্যন্ত এ মেলা চলবে।
এবারের মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘জনবান্ধব স্বয়ংক্রিয় ভূমি ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ভূমি ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ’।
নাগরিকদের নতুন ডিজিটাল ভূমিসেবা সম্পর্কে পরিচিত করা এবং কিছু সেবা সরাসরি মেলা প্রাঙ্গণে প্রদান করাই এ মেলার মূল উদ্দেশ্য।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন স্টল ও সেবাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে কল সেন্টার, নাগরিক সেবাকেন্দ্র ও ডে-কেয়ার সেন্টারও ঘুরে দেখেন।
সহজীকৃত ভূমিসেবা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও নাগরিকসেবা সম্পর্কে বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
মেলার মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ভূমি পোর্টালে নিবন্ধন, অনলাইনে ই-নামজারির আবেদন, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, খতিয়ান ও ডিআরসি সংগ্রহ এবং মৌজা ম্যাপ প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন ভূমিসেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
এ ছাড়া মেলা প্রাঙ্গণেই তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সেবা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ই-নামজারির আবেদন গ্রহণ, খতিয়ানের সত্যায়িত অনুলিপি বিতরণ এবং ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণ।
মেলায় ভূমিসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণের জন্য জাতীয় হটলাইন ১৬১২২ এবং বিভাগীয় হটলাইন ০১৭০৬৮৮৮৭৮৭ ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
এ ছাড়া সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ভাষায় ভূমিসেবা তুলে ধরতে ‘ভূমি আমার ঠিকানা’ শীর্ষক একটি বইও বিতরণ করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভূমিসেবার বিষয়ে সাইবার নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার: ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, সরকার ভূমিসেবা সহজীকরণের পাশাপাশি ভূমিসেবা ব্যবস্থায় সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট অসংখ্য কাজ নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। এসব ভূমিসেবা নির্বিঘ্নে দিতে হলে ভূমিসেবা কাঠামোর নিশ্ছিদ্র সাইবার নিরাপত্তা অপরিহার্য।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর ভূমি ভবনের সভাকক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে গতি আনতে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে হবে: ভূমিমন্ত্রী
মন্ত্রী স্পর্শকাতর তথ্য সুরক্ষা ও ভূমিসেবা অবকাঠামোর প্রতি নাগরিকদের আস্থা সমুন্নত রাখতে একটি শক্তিশালী ও সহনশীল সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার সব ডিজিটাল সেবায় সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং ভূমিসেবাও এর ব্যতিক্রম নয়। রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর তথ্যের নিরাপত্তা, নাগরিকদের সম্পত্তি সম্পর্কিত তথ্য এবং সম্পত্তি লেনদেন সম্পর্কিত তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়টি মাথায় রেখে আমাদের কাজ করতে হবে।
ভূমিসেবা কাঠামোর সাইবার নিরাপত্তায় ভূমি মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। যেমন—নিয়মিত ল্যান্ড সার্ভিস সাইটের দুর্বলতা পরীক্ষা (ভালনারেবিলিটি টেস্ট), সাইবার বিশেষজ্ঞ নিয়োগ এবং ভূমিসেবা ব্যবস্থা অবকাঠামোর একটি সমন্বিত আইসিটি নিরাপত্তা নির্দেশিকা (কম্পেহেনসিভ আইসিটি গাইডলাইন) প্রণয়ন।
এসব বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে ভূমিসেবা ব্যবস্থায় সাইবার সিকিউরিটি ব্যবস্থাকে এমনভাবে শক্তিশালী করার ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে সর্বাধুনিক ও নির্ভরযোগ্য সাইবার সিকিউরিটি সিস্টেম সহজে ইন্টিগ্রেট (সংহত) করা যায়।’
আরও পড়ুন: জনকল্যাণে যথাযথ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করুন: ভূমিমন্ত্রী
পরিবেশ সুরক্ষায় চিংড়ি মহালের ফাঁকা স্থানে সবুজায়নের নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর
৮৪৫ দিন আগে
জনকল্যাণে যথাযথ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করুন: ভূমিমন্ত্রী
ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাভুক্ত দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, আপনাদের প্রতি আমি অনুরোধ করছি, জনকল্যাণে যথাযথ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করুন। একই সঙ্গে সতর্কও করছি যেন এর ব্যত্যয় না হয়।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ভূমি ভবনে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সেমিনার হলে আয়োজিত ‘ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত দপ্তর বা সংস্থা সমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ’ সভায় ভূমিমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: ভূমি মালিকদের স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে: ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আমাকে প্রধানমন্ত্রী একটা মিশন নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তা হচ্ছে দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করা। স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করে এই মিশন পূরণ করতে আমি দৃঢ়ভাবে সংকল্পবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আমরা সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যা চাচ্ছেন তা পূরণ করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: পরিবেশ সুরক্ষায় চিংড়ি মহালের ফাঁকা স্থানে সবুজায়নের নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর
ভূমি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সবার বেতন জনগণের ট্যাক্সের টাকা থেকে আসে- বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, বিত্তশালী ও বিত্তহীন সব নাগিরকই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ট্যাক্স দেন। চাকরি করে নাগরিক সেবা দেওয়ার কর্তব্য যথাযথভাবে পালন না করার অর্থ হচ্ছে চাকরির উপার্জন হালাল না হওয়া।
মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, নারী অধিকার নিশ্চিতকরণ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিল্প ও খনিজ সম্পদ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং সর্বোপরি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে ভূমি প্রয়োজন। এজন্য টেকসই, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ভূমি সংস্কার বাস্তবায়ন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অংশ।
আরও পড়ুন: ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে মালিক পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে পারবেন: ভূমিমন্ত্রী
৮৫৩ দিন আগে