ধর্ষণ
সিলেটে সৎ বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ
সিলেট মহানগরীতে এবার সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয় জনতা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে মহানগরীর বালুচর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। আটক ওই ব্যক্তি ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে ওই ব্যক্তি তার নিজের সৎ মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। এই বিষয়ে এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে বৈঠক করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জানালে তিনি তা অস্বীকার করেন। গতকাল (মঙ্গলবার) মেয়েকে ফের নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টা করলে তখন এলাকার লোকজন মিলে ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। তখন স্থানীয়রা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। তাকে শাহপরাণ (রহ.) থানায় আটক রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়ে ও তার অভিযুক্ত সৎ বাবা দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে, গত বুধবার (২০ মে) সিলেটের জৈন্তাপুরে নিজের ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই শিশুর বাবাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
২ দিন আগে
হবিগঞ্জে শিশুকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, প্রধান অভিযুক্তকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে মুখে গামছা বেঁধে নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্তকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) রাতে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর বাজারে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটক ব্যক্তি ওই উপজেলার বড়চর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে বড়চর গ্রামের ওই শিশু বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাওয়ার পথে আটক ব্যক্তি ও তার এক সহযোগী মিলে শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান এবং পাশবিক নির্যাতন চালান। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
পরদিন ভুক্তভোগী শিশুটিকে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকা ওই ব্যক্তিকে গতকাল রাতে পাশের বাহুবল উপজেলার দিগম্বর বাজারে দেখতে পেয়ে ধরে ফেলেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পরে তাকে বড়চর বাজারে নিয়ে আসার পর জনতা তাকে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে আটক করে হেফাজতে নেয়।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া প্রধান অভিযুক্তকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৩ দিন আগে
কুমারখালীতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধ কারাগারে
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দশ বছর বয়সী একটি ছেলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি তারাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই এলাকার একটি আমবাগানের কেয়ারটেকার (পরিচর্যাকারী)।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে তারাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্র মাঠে ছাগল চরাতে যায়। এরপর সে মাঠের একটি আমবাগানে আম কুড়াতে গেলে বাগানের কেয়ারটেকার তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে প্যান্ট খুলে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বিস্তারিত বললে স্থানীয় মাতব্বররা সালিশে বিষয়টি মিটমাট করার প্রস্তুতি নেন।
এরপর ঘটনাটি পুলিশের নজরে আসলে শিশুটির বাবা গতকাল (সোমবার) রাতে কুমারখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ২০০৯-এর (১) ধারায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর ওইদিন রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
মামলার বাদী বলেন, এমন ঘটনা যেন আর কারও সঙ্গে না ঘটে। সেজন্য আসামির উপযুক্ত শাস্তি চেয়ে থানায় মামলা করেছি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ১০ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশ বসানোর কোনো সুযোগ নেই। সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সচেতন হয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
৩ দিন আগে
হবিগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বড়চর গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার (২৪ মে) বিকালে বড়চর সরকারী প্রাইমারী স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৯ বছর বয়সী ওই শিশুটি গ্রামের দোকানে যাওয়ার পথে একই গ্রামের আফরোজ মিয়া (৩৫) তার সঙ্গী ওই শিশুকে জোরপূর্বক পাশের বাঁশঝাড়ের নির্জন স্থানে মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। স্থানীয়রা মেয়েটির চিৎকার শুনে ধর্ষণকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ওই ছাত্রীর বাবা ওইদিন বাড়িতে না থাকায় আজ (সোমবার) দুপুরে ভুক্তভোগীকে নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে আশঙ্কাকাজনক অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, তার মেয়েটি খাবার কেনার জন্য স্থানীয় একটি দোকানে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে নির্জনস্থানে মেয়েটিকে মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেছে একই গ্রামের কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া ও তার সহকর্মী অজ্ঞাত আরেকজন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ধর্ষকদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।
৪ দিন আগে
নাটোরে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা ছেলে গ্রেপ্তার
নাটোরের বড়াইগ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তি ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৪ মে) ওই শিক্ষার্থীর ভাই বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করলে রাতেই অভিযান চালিয়ে শামসুল আলম ও তার ছেলে আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আজ (সোমবার) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগীর ভাইয়ের অভিযোগ, উপজেলার গোয়ারপাড়া সেতু এলাকার দরিদ্র ওই শিক্ষার্থীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে একই এলাকার শামসুল আলম (৬০) ধর্ষণ করেন। পরে তার ছেলে আরিফও (২৮) তাকে ধর্ষণ করেন। এর ফলে ওই শিক্ষার্থী অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রথমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। বর্তমানে কিশোরীটি ৫ মাসের অন্তঃসত্তা।
ভুক্তভোগীর মা মানসিক প্রতিবন্ধী এবং বাবা গ্রামে গ্রামে ঘুরে সেচ পাম্প মেরামত করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
৪ দিন আগে
শেরপুরে পৃথক ধর্ষণের অভিযোগ: যুবককে পিটুনি, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর গর্ভপাতের ঘটনায় আটক ১
শেরপুর শহরে গৃহবধু ও পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।
সজবরখিলা এলাকার ঘটনায় গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে এনামুল হোসেন নামে এক যুবককে স্থানীয় আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা।
অপরদিকে, শহরের ঢাকলহাটি মহল্লায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় গর্ভপাতের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। ওই ঘটনায় মুল অভিযুক্তকে আটক করতে না পারলেও মামলার অপর আসামি সুন্নত আলী সন্তু (৬০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) শহরের সজবরখিলা ও ঢাকলহাটি এলাকায় এ ঘটনা দুটি ঘটে। ধর্ষণের এসব ঘটনায় শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (শনিবার) রাত ১০টার দিকে শহরের সজবরখিলা এলাকার মোবারক মিয়ার ছেলে এনামুল হোসেনকে স্থানীয় জনতা এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক করে পিটুনি দেয়। সংবাদ পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে এনামুলকে হেফাজতে নেয়। পরে তার শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভও করে এলাকাবাসী।
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ স্বামীর সঙ্গে এনামুলের বাসায় গত ৫ মাস ধরে ভাড়া রয়েছেন। বেশ কিছুদিন ধরে এনামুল ওই গৃহবধূকে মেসেঞ্জারে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি তিনি তার স্বামীকে জানালে পরিবার ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে এনামুলকে সতর্কও করা হয়। এরপর থেকেই এনামুল ওই গৃহবধুর প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এর জেরেই গতকাল দুপুরে বাড়িতে ওই গৃহবধূর স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে এনামুল ঘরে প্রবেশ করে মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি গৃহবধু তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের জানান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এনামুলকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দেয়।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার বলেছেন, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অভিযুক্তকে থানায় নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, জনতার কাছ থেকে এনামুলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, শহরের ঢাকলহাটি মহল্লায় পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় গর্ভপাতের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল (শনিবার) নির্যাতনের শিকার ওই শিশুর পরিবার বাদী হয়ে স্থানীয় যুবক কাউছার ওরফে কায়েস (২৪), সুন্নত আলী সন্তুসহ (৬০) আরও কয়েকজনের নামে সদর থানায় মামলা করেছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, শিশুটিকে বিভিন্ন সময় স্থানীয় কাউছার মিয়া ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন। একাধিকবার এমন নিপীড়নে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে শিশুটি। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক গঠনে পরিবর্তন এলে কাউসার মিয়া অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় তার গর্ভপাত করান। এ সময় শিশুটির ব্যাপক রক্তক্ষরণ হলে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এদিকে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে একটি মহল চাপ প্রয়োগ করে। পরে গত শুক্রবার শিশুটির মা আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করান।
ভুক্তভোগী শিশুর মা বলেন, আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে, এরপর গর্ভপাত করানোর ফলে মেয়ের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। এখন আমার মেয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধীর শাস্তি চাই।
শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তাহেরাতুল আশরাফী বলেন, ১২ বছরের একটি কন্যাশিশু স্ত্রীরোগ-সংক্রান্ত জটিলতায় গাইনি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। শিশুটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এবং চিকিৎসা চলছে। যেহেতু এটি পুলিশ কেস, সে কারণে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, শেরপুর পৌর শহরের একটি মহল্লায় শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে গতকাল বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক তাকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।
৫ দিন আগে
রামিসা হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ অভিযোগপত্র জমা দেন।
এর আগে সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, শনিবার ডিএনএ প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
এর আগে, আজ (রবিবার) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, এ মামলার বিচার প্রক্রিয়া পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা আক্তার তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লার মেয়ে। অভিযুক্ত সোহেল রানা পার্শ্ববর্তী একটি ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া ছিলেন। তিনি শিশুটিকে কৌশলে তার কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে রামিসার ছিন্নভিন্ন মরদেহ বিছানার নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং তার কাটা মাথা বাথরুমের একটি বালতির ভেতর থেকে পাওয়া যায়।
ঘটনার সময় স্বপ্না আক্তারকে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে সোহেল রানা পালিয়ে যান। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
৫ দিন আগে
‘পুলিশ-বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে’ ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা, ক্ষোভে কিশোরীর গলায় ফাঁস
নরসিংদীতে পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে ধষর্ণের ঘটনায় সালিশ চলাকালে ক্ষোভে এক কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের সোনাতলা চকপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কিশোরীকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদীর পাশের শিবপুর উপজেলায় বিয়ে হয়েছিল ওই কিশোরীর। বিয়ের পর থেকেই প্রতিবেশী প্রাইভেটকারচালক এক যুবক তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত ও বিয়ের প্রলোভন দেখাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ওই কিশোরীকে তার স্বামীর সংসার থেকে নিয়ে আসেন যুবকটি। এরপর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। এ ঘটনা জানাজানি হলে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার পরিবার ছেলেটিকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে কিশোরীর পরিবার আইনি সহযোগিতা নিতে চাইলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা মীমাংসা করে দেবে বলে জানান।
পরবর্তী সময়ে ওই কিশোরীর পরিবার উপায়ন্তর না পেয়ে সালিশি বিচারে রাজি হয়। পরে গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে সোনাতলা চকপাড়া এলাকায় জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আউলাদ হোসেন মোল্লা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল হক টিটু, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খোকা, চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন, ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাহাঙ্গীরসহ একাধিক নেতার উপস্থিতে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সেখানে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইউনুস নামে একজন পুলিশ সদস্যও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, সালিশ দরবারে উপস্থিত নেতারা বিয়ের পরিবর্তে ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকায় মীমাংসা করার প্রস্তাব উঠান। এ খবর ওই কিশোরী জেনে সালিশ চলাকালেই ঘরের দরজা আটকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এ সময় পরিবারের লোকজন ঘটনা বুঝতে পেরে ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে তাকে উদ্ধার করে অচেতন অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে সে এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে।
ভুক্তভোগীর মা অভিযুক্ত যুবককে দোষী দাবি করে বলেন, সে আমার মেয়ের সংসার ভেঙেছে। আমার মেয়েকে গত এক বছর ধরে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। আমার মেয়ে বিয়ের কথা বললে সে তালবাহানা করতে থাকে। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। মানুষ আমার মেয়েকে নিয়ে বাজে কথা বলায় সে বাইরে যেতে পারত না। আজকের সালিশে বিচারকরা বিয়ের কথা না বলে প্রথমে ২০ হাজার, ৩০ হাজার ও পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে মীমাংসার কথা বলেন। এ কথা শুনে আমার মেয়ে ক্ষোভে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এখন সে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
তার অভিযোগ, আমি থানায় আগেই লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু বিচার পাইনি। আমি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও চিনিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আউলাদ হোসেন মোল্লা বলেন, আমি অল্প সময়ের জন্য দরবারে গিয়েছিলাম। ছেলে ও মেয়ের কথা শোনার পর জরুরি কাজ থাকায় চলে এসেছি। পরে জানতে পেরেছি, দরবারে ১১ জনের একটি বোর্ড বসেছিল। তারা সকলের কথা শুনে ৮ জন বিয়ের পক্ষে ও তিন জন টাকা দিয়ে সমাধানের পক্ষে মতামত দেন। এর মধ্যে কেউ টাকা দিয়ে সমাধানের বিষয়টি জানালে মেয়েটি আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে দরবার থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিয়ের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
ধর্ষণ সালিশযোগ্য কিনা—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি উভয়পক্ষের অনুরোধে গিয়েছিলাম। যেখানে এলাকার অনেক মানুষ ছিল।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. খায়রুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যায় ফাঁস নেওয়া এক কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়।
চিনিশপুর ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা মো. ইসহাক মিয়া বলেন, সোনাতলা চকপাড়া এলাকায় সালিশে আমি ছিলাম না তবে মো. ইউনুস নামে একজন পুলিশ সদস্য ছিলেন।
তিনি জানান, আমি ঘটনার খোঁজ খবর নিয়েছি, কিন্তু সালিশে ছিলাম না।
তবে নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর আল মামুন ওই শালিসে কোনো পুলিশ সদস্যের উপস্থিত থাকার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সালিশে আমাদের কোনো পুলিশ সদস্য ছিলেন না। আমরা শারীরিক সম্পর্কের ঘটনায় একটা মৌখিক অভিযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি।
৬ দিন আগে
সাভারে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মুদি দোকানদার গ্রেপ্তার
সাভারে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শাহজাহান (৬০) নামে এক মুদি দোকানদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে সাভার থানাধীন বনগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) ভুক্তভোগী শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে সাভার থানাধীন বনগ্রামের স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ওই ছাত্রী টিফিনের সময় মুদি দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। এ সময় দোকানদার শাহজাহান বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে দোকানের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে শাহজাহান তার মুখ চেপে ধরেন।
ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন তিনি। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে এ ঘটনা তার চাচাকে জানায়। ওই রাতেই সাভার মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করে শিশুটির পরিবার। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাহজাহানকে আটক করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) ইমরান হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, গ্রেপ্তার শাহজাহান দীর্ঘদিন ধরে সাভারের পাছ বনগ্রাম এলাকায় রাশিদা মেম্বারের বাড়ির পাশে একটি মুদি দোকান ঘরে বসবাস করে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির চাচা বলেন, ‘আমার ভাতিজি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। দুপুরে স্কুলের টিফিনের সময় সে মুদি দোকানদার শাহজাহানের দোকানে বিস্কুট কিনতে যায়। সেখানে তাকে দোকানের ভেতর টেনেহিঁচড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে শাহজাহান।
৭ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গার কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হুমকির মামলায় গ্রেপ্তার ৩
চুয়াডাঙ্গার কুন্দিপুর গ্রামে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ভুট্টাখেতে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে হুমকির ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন। এরপর ৩ আসামি গ্রেপ্তার হলেও প্রধান আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহারে যায়, গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে ছাগল আনতে মাঠে যায় ওই কিশোরী। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা মিরাজ তাকে জোরপূর্বক ভুট্টাখেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় পলাশ আলী (২০) মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে এবং জনি হোসেন (২১) বাইরে পাহারা দেয়।
ধর্ষণের পর তারা তিনজন মিলে ভুক্তভোগীকে হুমকি দিয়ে বলে, মুখ খুললে ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেবেন তারা। এ কারণে ভুক্তভোগী কিশোরী বিষয়টি দীর্ঘদিন পরিবারকেও জানাতে পারেনি।
ঘটনার এক মাসেরও বেশি সময় পর, ২০ মে হঠাৎ করেই ধর্ষণের সেই ভিডিও এলাকায় বিভিন্ন মানুষের মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে ভুক্তভোগীর পরিবার আবারও হুমকির শিকার হয়।
এজাহারে ভুক্তভোগীর মা অভিযোগ করেছেন, পলাশ আলী ভিডিও মুছে ফেলার কথা বলে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। এছাড়া ওই গ্রামের আব্দুল আলী (৪৫) সামাজিকভাবে মীমাংসার নামে ভিডিও মুছে ফেলার জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করেন।
তবে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার খবর এবং মামলা হওয়ার পর তৎপর হয় চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ। এরই ধারাবহিকতায় গতকাল (বুধবার) গভীর রাতে কুন্দিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— আব্দুল আলী (৪৫), জনি হোসেন (২১), ও পলাশ আলী (২০)।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালাই। এ ঘটনায় ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রধান আসামি মিরাজকে ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
৮ দিন আগে